
nur molla
@203331693
সে ব্যর্থ যে-ব্যক্তি বাক্যে কর্মে ওচিন্তায় সত্য নয়
#📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 সৃষ্টির আড়ালে স্রষ্টাকে খুঁজুন: একটি বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ 🧠📖
আজ আমাদের চারপাশে লাউডস্পিকারে অনেক ধ্বনি আর গেরুয়া পতাকার সমারোহ। কিন্তু সত্য কি গায়ের জোরে বা চিৎকারে প্রতিষ্ঠিত হয়? আসুন, আমরা একটু শান্ত মাথায় সত্যকে যাচাই করি।
১. রাম কি স্রষ্টা নাকি সৃষ্টি? 🏹👤
যাকে নিয়ে আজ এত মাতামাতি, ইতিহাস এবং ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী তিনি ছিলেন রাজা দশরথের পুত্র। তাঁর জন্ম হয়েছে, তিনি মর্ত্যের একজন রাজা ছিলেন, বনবাসে গিয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের মতো শোক-দুঃখ ভোগ করেছেন। তিনি যদি রাজা হিসেবে মহান হনও, তবুও তিনি একজন 'মানুষ' বা 'সৃষ্টি'। একজন সৃষ্টি কোনোদিন গোটা মহাবিশ্বের স্রষ্টা বা উপাস্য হতে পারেন না।
২. আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারা: ২৫৫): মহাবিশ্বের প্রকৃত মালিকের পরিচয় ✨🌌
আসুন, এবার দেখি পবিত্র কুরআন স্রষ্টার পরিচয় কীভাবে দিয়েছে। আয়াতুল কুরসি আমাদের জানায় সত্যিকারের স্রষ্টা কে:
"তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী:" যার জন্ম আছে বা যিনি মারা গেছেন, তিনি ঈশ্বর নন। আল্লাহ সবসময় ছিলেন এবং থাকবেন।
"তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রিা স্পর্শ করে না:" রাম যখন ঘুমাতেন, তখন পৃথিবী কে চালাত? প্রকৃত স্রষ্টার কোনো বিশ্রামের প্রয়োজন হয় না।
"আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই:" কোনো নির্দিষ্ট পতাকা বা রঙ দিয়ে স্রষ্টাকে সীমাবদ্ধ করা যায় না। এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা তাঁর মালিকানাধীন।
"তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ সুপারিশ করতে পারে না:" মানুষ বা কোনো মূর্তি কাউকে বাঁচাতে পারে না যদি না আল্লাহ চান।
৩. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দাবি: 🛰️🤖
এপিজে আবদুল কালাম আমাদের শিখিয়ে গেছেন—দেশ শক্তিশালী হয় পারমাণবিক শক্তিতে আর মিসাইল প্রযুক্তিতে, লাউডস্পিকারে স্লোগান দিয়ে নয়। আজ যদি আমরা ইসরো (ISRO) বা নাসার মতো গবেষণাগার বাদ দিয়ে কেবল মূর্তি আর মন্দির নিয়ে পড়ে থাকি, তবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আধুনিক বিশ্বে শ্রমিকের কাজ ছাড়া আর কিছু পাবে না।
উপসংহার:
মানুষের তৈরি মূর্তি বা মানুষের ইবাদত ছেড়ে আসুন সেই এক আল্লাহর ইবাদত করি, যিনি আমাদের মাটির সাথে মিশতে শিখিয়েছেন এবং যাঁর কাছে আমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে। সত্যের কোনো পতাকার প্রয়োজন হয় না, সত্যের জন্য প্রয়োজন শুধু জাগ্রত বিবেক।
#🙂ভক্তি😊 #🕌ইবাদাত🤲 #📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 স্রষ্টার সৃষ্টি ও মানুষের মর্যাদা: অন্ধত্ব বনাম যুক্তি 🧠🌱
আজকের প্রযুক্তির যুগে দাঁড়িয়ে আমাদের সমাজের কিছু বৈপরীত্য দেখে অবাক হতে হয়। আসুন, বিবাদ নয় বরং বিবেক দিয়ে কয়েকটি সত্য মিলিয়ে নিই:
১. জন্মগত সত্য: 🧬
প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে মানুষ জন্ম নেয় মানুষের গর্ভে, আর পশু জন্ম দেয় পশুকে। আল্লাহ তাআলা মানুষকে বানিয়েছেন 'আশরাফুল মাখলুকাত' বা সৃষ্টির সেরা। পশুকে মানুষের উপকারের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে, মানুষের 'উপাস্য' হওয়ার জন্য নয়। স্রষ্টাকে ছেড়ে সৃষ্টিকে পূজা করা কি মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের অপমান নয়?
২. পাকস্থলী ও দাঁতের গঠন: 🦷🍎
বিজ্ঞান বলছে, আল্লাহ মানুষের দাঁত ও হজম প্রক্রিয়া এমনভাবে তৈরি করেছেন যাতে সে উদ্ভিদ ও প্রাণীজ আমিষ—উভয়ই গ্রহণ করতে পারে। অন্যদিকে গরু বা বাঘ নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভরশীল। এই স্বাধীনতা মানুষকে দেওয়া হয়েছে কারণ পৃথিবী ও এর সম্পদ মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত।
৩. ভণ্ডামির চিত্র: 👞💼
যাঁরা পশুকে দেবতার আসনে বসিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম করছেন, তাঁরাই আবার সেই পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি দামী জুতো, ব্যাগ বা বেল্ট ব্যবহার করছেন। যদি ভক্তিই আসল হতো, তবে পশুর চামড়া দিয়ে তৈরি বিলাসিতা পায়ে রাখা কি সম্ভব হতো?
৪. কুরআনের অমোঘ ঘোষণা: 📖
সুরা মায়েদায় আল্লাহ খাদ্যের বিধান পূর্ণ করেছেন এবং সুরা নাহল-এ পশুর বহুমুখী উপকারের কথা বলেছেন। পশুকে 'দেবতা' বানানো মানে আল্লাহর সেই বিধানকে অস্বীকার করা। বনী ইসরাঈল যখন বাছুর পূজা করেছিল, তখন তারা আল্লাহর গজবের শিকার হয়েছিল। ইতিহাসের সেই শিক্ষা আজও আমাদের জন্য সতর্কবার্তা।
৫. অর্থনৈতিক সংকট: 📉
সরবেড়িয়ার মতো ঐতিহ্যবাহী হাটে আজ যে হাহাকার, সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর যে অবিচার—তা কেবল একটি সম্প্রদায়ের ক্ষতি নয়, বরং আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির অপমৃত্যু। ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের জীবিকা কেড়ে নেওয়া কোনোদিন ধর্মের কাজ হতে পারে না।
উপসংহার:
আসুন, আমরা অন্ধত্ব ত্যাগ করে যুক্তির পথে হাঁটি। পশুকে পশুর জায়গায় রাখি আর মানুষকে মানুষের মর্যাদা দিই। মনে রাখবেন, মানুষের রক্ত ও সম্মান একটি পশুর চেয়ে অনেক বেশি দামি। 🤝
#🙂ভক্তি😊 #দাজ্জালি_ফিতনা আমরা কি কেবল 'আবাদ' করছেন, নাকি 'জেহাদ' করছেন?
পবিত্র কোরআনের আয়নায় আজকের সমাজ ও দাজ্জালি ফিতনা
আল্লাহ তাআলা সূরা তাওবাহর ১৯ ও ২০ নম্বর আয়াতে এক কঠিন সত্য আমাদের জানিয়েছেন। আমরা অনেকে মনে করি নামাজ-রোজা করা, হাজীদের সেবা করা বা মসজিদ আবাদ করাই সব। কিন্তু আল্লাহ বলছেন, যারা আল্লাহর ওপর ঈমান এনে জান-মাল দিয়ে আল্লাহর পথে লড়াই (জেহাদ) করে এবং বাতিলের গোলামি ত্যাগ করে, তাদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে সবার উপরে। তারাই প্রকৃত সফলকাম।
আজকের এই দাজ্জালি যুগে আমরা কি সেই সফলকামদের দলে আছি? দাজ্জালি সিস্টেমের কিছু নমুনা আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে, যা আমরা দেখেও দেখছি না:
১. তথ্য ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ (The Information Trap): দাজ্জালের এক চোখ কেবল দুনিয়া দেখে। আজ মিডিয়া এবং 'রাষ্ট্রীয় সংকলিত খবরের' মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইফতারের আগের মূল্যবান সময়ে মানুষ এখন কোরআন ছেড়ে রাশিয়ার যুদ্ধ বা দাজ্জালি প্রোপাগান্ডায় বুঁদ হয়ে থাকছে। এটি আমাদের আধ্যাত্মিক শক্তি চুরির একটি সূক্ষ্ম চাল।
২. সুদ ও ঋণের মায়াজাল (The Debt Trap): দাজ্জালি সমাজব্যবস্থা মানুষকে ঋণের গোলাম বানিয়ে রেখেছে। বাড়ি-গাড়ি করার প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি যে, এই ভোগবাদী সিস্টেম আমাদের আসলে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করা ভুলিয়ে দিচ্ছে।
৩. প্রযুক্তি ও সময়ের অপচয় (The Digital Addiction): যে সময়ে আমাদের সন্তানদের কোরআন আর হকের জ্ঞান নেওয়ার কথা, সেই সময়ে তারা গেম আর ভার্চুয়াল জগতের নেশায় বুঁদ। দাজ্জালি সিস্টেম চায় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন আল্লাহর জিকির ভুলে 'অমানুষ'দের তৈরি করা বিনোদনের দাসে পরিণত হয়।
৪. ভোগবাদ ও পারিবারিক মোহ: আমরা সাহাবাদের মতো শাহাদাতের তামান্না ভুলে কেবল 'নাতি-পুতির মুখ দেখে' দুনিয়াতে আরও বেশিদিন টিকে থাকার মোহে পড়ে গেছি। সমাজ গোল্লায় গেলেও আমরা কেবল নিজেদের বিলাসিতা আর বাড়ি-গাড়ির পালিশ নিয়ে ব্যস্ত।
আমাদের বাঁচার পথ কী?
আল্লাহর পথে নিজের জান ও মাল দিয়ে এই সিস্টেমের অবাধ্য হওয়া। নূহ (আ.)-এর সেই কিশতির মতো আমাদেরও নিজের ঘরকে একটি 'ঈমানি দুর্গে' পরিণত করতে হবে। পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে আল্লাহর দেওয়া প্রাকৃতিক সম্পদের (রোদ, মাটি ও পানি) ওপর ভরসা বাড়াতে হবে।
আসুন প্রশ্ন করি: আমরা কি কেবল সমাজ 'আবাদ' করছি, নাকি এই দাজ্জালি ফিতনার বিরুদ্ধে নিজের ঈমান রক্ষার 'জেহাদ' করছি?
আল্লাহ আমাদের এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার তৌফিক দান করুন। আমিন।
share me
#🕌ইবাদাত🤲 ঐক্যবদ্ধ পরিচয়: আমাদের পিতা ইবরাহীম (আ.) আমাদের নাম রেখেছেন 'মুসলিম'। কোনো ফেরকা, মাজহাব বা ভৌগোলিক সীমানা নয়, এই একক পরিচয়ে একতাবদ্ধ হতে হবে।
বিশ্ববাসীর কাছে দায়িত্ব: আমাদের কাজ হলো বিশ্বের মানুষের কাছে সত্যের সাক্ষী হওয়া, নিজেদের দলাদলিতে ব্যস্ত থাকা নয়।
মালিককে আঁকড়ে ধরা: আল্লাহই আমাদের উত্তম মালিক এবং সাহায্যকারী। আমরা যদি তাকে শক্তভাবে ধারণ করি, তবেই আমরা আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারব।
সারকথা
যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের মূল শিকড়—কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ—তে ফিরে না আসব, ততক্ষণ আমাদের এই ব্যাধি ও পঙ্গুত্ব কাটবে না। সফলতার সূত্র খুবই স্পষ্ট: এক আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন এবং তাঁর রজ্জুকে একত্রে আঁকড়ে ধরা।
????আল-কুরআন: পরিত্যক্ত কিতাব নাকি আমাদের মুক্তির সনদ? 📖⚖️
আজ বিশ্বের ৫৭টি মুসলিম দেশ, অঢেল সম্পদ আর বিশাল জনশক্তি থাকা সত্ত্বেও আমরা কেন "পঙ্গু ঘোড়ার" মতো স্থবির? কেন মাজলুমের আর্তনাদে আকাশ-বাতাস ভারী হলেও আমরা এক হয়ে দাঁড়াতে পারছি না?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে পবিত্র কুরআনের এই আয়াতগুলোর গভীরে, যা আমাদের বর্তমান অবস্থার আয়না:
১. বিভ্রান্তির পথ: আমরা হিদায়াতের (কুরআন) বিনিময়ে গোমরাহী (ভুল পথ ও আদর্শ) খরিদ করেছি। ফলে আমাদের এই ব্যবসায় আমরা কোনো লাভ করতে পারিনি, বরং হিদায়াত থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। (সূরা বাকারা: ১৬) 📉
২. রাসূলের (সা.) নালিশ: কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর কাছে অভিযোগ করবেন— "হে আমার পালনকর্তা! আমার কওম এই কুরআনকে পরিত্যক্ত (Mahjur) গণ্য করেছে।" (সূরা ফুরকান: ৩০)। আমরা কি আজ কুরআনকে কেবল আলমারিতে সাজিয়ে রাখা আর বরকতের জন্য পড়ার কিতাব বানিয়ে ফেলিনি? 🥀
৩. পঙ্গুত্বের কারণ: যখন রাষ্ট্র ও সমাজে কুরআনের আইন ও ইনসাফ থাকে না, তখন সমাজ নীতিহীন বিত্তশালীদের কবজায় চলে যায়। আমরা আল্লাহর হুকুম ছেড়ে নিজেদের তৈরি আইন আর স্বার্থের পেছনে ছুটে আজ পঙ্গু হয়ে গেছি। (সূরা নিসা: ৫৯) ⛓️
৪. আমাদের আসল পরিচয়: আল্লাহ আমাদের নাম রেখেছেন 'মুসলিম' (সূরা হাজ্ব: ৭৮)। অথচ আমরা আজ জাতীয়তাবাদ, দলপ্রীতি আর ভৌগোলিক সীমারেখায় বিভক্ত। এই 'মুসলিম' পরিচয়ে একতাবদ্ধ হওয়াই ছিল আমাদের শক্তির উৎস। 🤝
৫. মুক্তির পথ (কিতাব ও লোহা): আল্লাহ কিতাব পাঠিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে 'ইনসাফ' প্রতিষ্ঠার জন্য, আর সাথে দিয়েছেন 'লোহা' (রণশক্তি) যেন সেই ইনসাফকে রক্ষা করা যায় (সূরা হাদীদ: ২৫)। আদর্শ (Book) আর শক্তি (Steel) এর সমন্বয় ছাড়া কোনো জাতি পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। ⚔️📚
উপসংহার:
যতক্ষণ আমরা আমাদের মূল শিকড়—কুরআন ও সহীহ সুন্নাহতে ফিরে না আসব, ততক্ষণ এই লাঞ্ছনা কাটবে না। আসুন, কুরআনকে কেবল তিলাওয়াতের নয়, বরং জীবনের সংবিধান হিসেবে গ্রহণ করি।
আল্লাহ আমাদের প্রকৃত 'মুসলিম' হিসেবে একতাবদ্ধ হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন।
#📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 আমরা যখন রাজনীতি আর ধর্মের নামে বিভাজন দেখি, তখন মনে হয়—আমরা কি আসলেই আমাদের বিবেককে কাজে লাগাচ্ছি? ১৫ বছর ধরে মানুষের সাথে কাজ করে এবং পবিত্র কোরআন ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পর্যবেক্ষণ করে আমি কিছু সত্য উপলব্ধি করেছি, যা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি:
১. স্রষ্টা কি আঞ্চলিক হতে পারেন?
একেক এলাকায় একেক দেবতার আধিপত্য—এটা কি যুক্তিসঙ্গত? অথচ বিশ্বের যে প্রান্তেই যান, সব মুসলিম এক বাক্যে বলে: "আল্লাহু আহাদ" (আল্লাহ এক)। সত্য কখনো ভৌগোলিক সীমানায় আটকে থাকে না, এটি বিশ্বজনীন।
২. শৃঙ্খলার আসল পরিচয় কোথায়?
হাজারো তীর্থস্থানে ঘুরে বেড়ানোর নাম কি শৃঙ্খলা? নাকি পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কার দিকে মুখ করে সারা বিশ্বের মানুষের এক কিবলার অধীনে নামাজ পড়া? এই একতা কি প্রমাণ করে না যে স্রষ্টা এবং তাঁর বিধানও এক?
৩. হাতের গড়া মূর্তির অসহায়ত্ব:
পবিত্র কোরআন আমাদের এক কঠিন চ্যালেঞ্জ দিয়েছে (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)—যাদের তোমরা ডাকো, তারা সবাই মিলে একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না। এমনকি নিজেদের গায়ে বসা মাছিটিও তাড়াতে পারে না। যে নিজের নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে মানুষের ভাগ্য গড়বে কীভাবে?
৪. ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন:
পবিত্র কোরআন কোনো রূপকথা নয়। সাগরে ডুবে যাওয়া ফেরাউনের দেহ আল্লাহ আজও অক্ষত রেখেছেন (সূরা ইউনুস: ৯২) যাতে আধুনিক মানুষ শিক্ষা নিতে পারে। নূহ (আ.)-এর নৌকা আজও পাহাড়ের চূড়ায় এক জীবন্ত নিদর্শন। ১৪০০ বছর ধরে একটি শব্দও পরিবর্তন না হওয়া কোরআন কি কোনো মানুষের তৈরি হতে পারে?
৫. স্লোগান বনাম চিরন্তন সত্য:
শ্মশানে যাওয়ার সময় মানুষ বলে "রাম নাম সত্য"—এটি কেবল একটি প্রথা। কিন্তু ইসলামের ঘোষণা দেখুন: "আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, ওই মাটিতেই ফিরিয়ে দেব এবং আবার ওই মাটি থেকেই বের করে আনব" (সূরা ত্বোয়া-হা: ৫৫)। এটি কোনো ভক্তি নয়, এটিই পরম বাস্তবতা।
উপসংহার:
রাজনীতির মোহে অন্ধ হয়ে একে অপরকে ঘৃণা করার আগে একবার ভাবুন—আমরা কেউ এখানে চিরকাল থাকব না। "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে" (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫)। দিন শেষে সেই মহান স্রষ্টার কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে, যার কাছে হিন্দু-মুসলিম পরিচয় নয়, বরং আমাদের আমল ও বিবেকের বিচার হবে।
আসুন, অন্ধত্বের গর্ত থেকে বেরিয়ে আমরা সত্যের আলো খুঁজি। মাতৃভাষায় পবিত্র কোরআনের অর্থ বুঝে পড়লে আপনার সমস্ত ধোঁয়াশা কেটে যাবে।
#🙂ভক্তি😊
📢 যুক্তি, বিজ্ঞান এবং সত্যের সন্ধান
মূর্তিপূজা বনাম এক অদ্বিতীয় স্রষ্টা — আপনার বিবেক কী বলে?
১. স্রষ্টা কি আঞ্চলিক হতে পারেন?
একেক অঞ্চলে একেক দেবতার আধিপত্য—মহারাষ্ট্রে গণেশ, বাংলায় দুর্গা, দক্ষিণে বালাজী। কিন্তু সত্য কি ভৌগোলিক সীমানায় আটকে থাকে? অপরদিকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে গেলে মুসলিমরা এক বাক্যে বলে: "আল্লাহু আহাদ" (আল্লাহ এক)। এটাই বিশ্বজনীন সত্যের প্রমাণ।
📖 "পৃথক পৃথক অনেক উপাস্য ভালো, না পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?" — (সূরা ইউসুফ: ৩৯)
২. মূল ধর্মগ্রন্থ কী বলে?
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান শাস্ত্রগুলোও মূর্তিপূজাকে সমর্থন করে না:
🔸 যজুর্বেদ (৩২:৩): "ন তস্য প্রতিমা অস্তি" — অর্থাৎ, তাঁর (পরমেশ্বরের) কোনো প্রতিমা বা মূর্তি নেই।
🔸 চান্দোগ্য উপনিষদ (৬:২:১): "একমেবাদ্বিতীয়ম্" — অর্থাৎ, ঈশ্বর কেবল একজনই।
৩. মূর্তির অসহায়ত্ব বনাম স্রষ্টার ক্ষমতা:
যে মূর্তি নিজের গায়ে বসা একটি মাছি তাড়াতে পারে না, সে মানুষের ভাগ্য গড়বে কীভাবে?
📖 কুরআনের চ্যালেঞ্জ: "তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকো, তারা সবাই মিলে একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না।" — (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)
৪. ভবিষ্যবাণী ও শেষ নবী (সা.):
হিন্দুশাস্ত্রে বর্ণিত 'কল্কি অবতার'-এর সাথে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর হুবহু মিল (পিতার নাম: আব্দুল্লাহ/বিষ্ণুযশ, মাতার নাম: আমিনা/সুমতি, জন্মস্থান: মক্কা/শম্বল দ্বীপ)। এটি কি কেবলই কাকতালীয়? (সূরা আস-সাফ: ৬)
৫. এক অদ্বিতীয় আল্লাহর অস্তিত্ব ও সৃষ্টির নিদর্শন:
আল্লাহর অদ্বিতীয়তা ও ক্ষমতার প্রমাণ মহাবিশ্বের পরতে পরতে:
* তাওহীদ: চন্দ্র-সূর্য আল্লাহর সৃষ্টি, তাই ইবাদত শুধু স্রষ্টারই প্রাপ্য। (সূরা ফুসসিলাত: ৩৭)
* মহাকাশ: আসমান-জমিনের সৃষ্টি ও দিন-রাতের পরিবর্তন জ্ঞানীদের জন্য বড় নিদর্শন। (সূরা আল-ইমরান: ১৯০)
* নূহ (আ.)-এর নৌকা: পাহাড়ের চূড়ায় আজও যা শিক্ষার নিদর্শন। (সূরা আল-ক্বামার: ১৫)
* ফেরাউনের দেহ: সাগরে ডুবে যাওয়া ফেরাউনের অক্ষত দেহ আজও আধুনিক মানুষের জন্য বড় শিক্ষা। (সূরা ইউনুস: ৯২)
* কুরআন: ১৪০০ বছর ধরে এক বিন্দু বিকৃত হয়নি এই মহাগ্রন্থ। (সূরা হিজর: ৯)
৬. শৃঙ্খলা বনাম বিভ্রান্তি:
হাজারো তীর্থস্থানের বিভ্রান্তি নয়, বরং পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কার দিকে মুখ করে সারা বিশ্বের মানুষের এক কিবলার অধীনে নামাজ পড়াই হলো প্রকৃত শৃঙ্খলার পরিচয়।
৭. শেষ গন্তব্য ও চিরন্তন সত্য:
হিন্দু স্লোগান,"জয় শ্রীরাম? শ্মশানে যাওয়ার সময় বলা হয় "রাম নাম সত্য", যা মানুষের তৈরি প্রথা। হরেকৃষ্ণ "নমস্কার?" হর হর মহাদেব?"_,হিন্দু?এবং"মন্দির? "বলো হরি হরি বোল? এইসব শব্দের অর্থ কী?
কিন্তু ইসলামে মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখার সময় বলা হয়:
📖 "আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, ওতেই ফিরিয়ে দেব এবং আবার ওখান থেকেই বের করে আনব।" — (সূরা ত্বোয়া-হা: ৫৫)।
উপসংহার: প্রতিদিনের সেই প্রেমময় আহ্বান
প্রতিদিন পাঁচবার আযানের মাধ্যমে আপনার রব আপনাকে ডাকছেন— "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই)। মনে রাখবেন, এই পৃথিবীতে আমরা চিরকাল থাকব না।
📖 "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।" — (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫)
#🕌ইবাদাত🤲 ⚠️ সাবধান! মোবাইল কি আপনার 'রব' হয়ে যাচ্ছে? (একটি দাজ্জালি ভাইরাস)
"তোমরা অনুসরণ করো যা তোমাদের রবের পক্ষ থেকে এসেছে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না।" — (সূরা আরাফ: ৩)
আজ আমাদের সমাজের অবস্থা কী? আমরা কি এক অদৃশ্য দাজ্জালি ফিতনার গোলাম হয়ে পড়ছি না?
১. ডিজিটাল আসক্তি বনাম ঈমান:
মোবাইল ছিল যোগাযোগের জন্য, কিন্তু আজ এটি আমাদের ইবাদত গিলে খাচ্ছে। মাথায় টুপি দেওয়া মুরুব্বি থেকে শুরু করে অবুঝ শিশু—সবাই আজ স্ক্রিনের মায়াজালে বন্দি। আমরা নামাজ পড়ছি অর্থ না বুঝে, কিন্তু মোবাইলের অর্থহীন স্ক্রলিং, টিকটক আর অশ্লীলতায় সময় দিচ্ছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। পর্নোগ্রাফি আর নোংরামি দেখতে দেখতে আমাদের যুবসমাজের কাছে এখন আর পাপকে 'পাপ' মনে হয় না। এই ডিজিটাল ভাইরাস আমাদের ঈমান ও বিবেককে মৃত বানিয়ে দিচ্ছে।
২. সুদী শোষণ ও ইনসাফের অভাব:
একদিকে সাধারণ মানুষ ১ লাখ টাকা লোন নিলে ব্যাংক একদিনের কিস্তি ফেল হওয়ার সুযোগে হায়েনার মতো জরিমানা (Penalty) আর TDS কেটে নেয়। অথচ নিরব মোদীর মতো বড় বড় ব্যবসায়ী আর নেতারা জনগণের মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা লুটে নিয়ে পার পেয়ে যায়। সরকার তাদের লোন মকুফ করে দেয়, আর সাধারণ মানুষকে ঋণের জালে পিষ্ট করে। এই বাতিল শক্তিগুলো চায় আমরা অভাব আর ঋণের চাপে থাকি, যেন আমরা কখনোই সত্য বুঝতে না পারি।
৩. রাজনৈতিক ধোঁকা ও ইসলামের শিক্ষা:
এই বাতিল শক্তিগুলো ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে ভয় পায়। কারণ তারা জানে, ইসলামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত হলে মদ-জুয়া বন্ধ হবে, ধর্ষণ বন্ধ হবে এবং তাদের শোষণের রাজনীতি লাটে উঠবে। তাই তারা সুকৌশলে আমাদের শয়তানের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চায়, আমাদের সন্তানদের হাতে 'সঠিক শিক্ষার' বদলে বিনোদনের নামে বিষ তুলে দিচ্ছে।
৪. প্রয়োজন বনাম মোহ:
আজ আমাদের ছোট ছোট বাচ্চারাও বন্ধুদের দেখাদেখি দামী প্যান্ট আর ব্রান্ডের পেছনে ছুটছে। ৭০০-১০০০ টাকার প্যান্টের জন্য তারা ব্যাকুল, কিন্তু আল্লাহর হুকুম মানতে তাদের অনীহা। এই 'দেখাদেখি'র নেশা আমাদের সন্তানদের নৈতিকতা ধ্বংস করে দিচ্ছে।
⚠️ আমাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা:
নূহ (আ.)-এর সেই কিশতি বা নৌকার মতো আমাদেরও নিজেদের পরিবারকে এই দাজ্জালি ফিতনা থেকে বাঁচাতে হবে। আল্লাহকে বাদ দিয়ে এই ডিজিটাল 'সাথীদের' এবং সুদী শোষকদের গোলামি ছাড়ুন।
আসুন আজই সিদ্ধান্ত নেই:
✅ মোবাইল হোক শুধু প্রয়োজনে; দিনের বাকি সময় কাটুক আল্লাহর কালাম নিয়ে।
✅ সুদের অভিশপ্ত শৃঙ্খল ছিঁড়ে হালাল পথে চলার চেষ্টা করি।
✅ সন্তানদের হাতে গেম নয়, হকের শিক্ষা এবং মানুষের প্রতি সহমর্মিতা তুলে দিন।
✅ সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দেবেন না; নতুবা আমাদের পরিণতিও ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলোর মতো হবে।
আপনার এই চিন্তাগুলো যদি সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, তবে ইনশাআল্লাহ মানুষ সচেতন হতে শুরু করবে।
#🕌ইবাদাত🤲
আর কোরআন সে জিনিস নয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কেউ তা বানিয়ে নেবে। অবশ্য এটি পূর্ববর্তী কালামের সত্যায়ন করে এবং সে সমস্ত বিষয়ের বিশ্লেষণ দান করে যা তোমার প্রতি দেয়া হয়েছে, যাতে কোন সন্দেহ নেই-তোমার বিশ্বপালনকর্তার পক্ষ থেকে।
This Qur'an is not such as can be produced by other than Allah. on the contrary it is a confirmation of (revelations) that went before it, and a fuller explanation of the Book - wherein there is no doubt - from the Lord of the worlds. 📖10:37
মানুষ কি বলে যে, এটি বানিয়ে এনেছ? বলে দাও, তোমরা নিয়ে এসো একটিই সূরা, আর ডেকে নাও, যাদেরকে নিতে সক্ষম হও আল্লাহ ব্যতীত, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক।
Or do they say, "He forged it"? say: "Bring then a Sura like unto it, and call (to your aid) anyone you can besides Allah, if it be ye speak the truth!" 📖10:38
আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
But if ye cannot- and of a surety ye cannot- then fear the Fire whose fuel is men and stones,- which is prepared for those who reject Faith. 📖2:24
হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।
O mankind! We created you from a single (pair) of a male and a female, and made you into nations and tribes, that ye may know each other (not that ye may despise (each other). Verily the most honoured of you in the sight of Allah is (he who is) the most righteous of you. And Allah has full knowledge and is well acquainted (with all things).📖49:13
রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা’আলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।
Ramadhan is the (month) in which was sent down the Qur'an, as a guide to mankind, also clear (Signs) for guidance and judgment (Between right and wrong). So every one of you who is present (at his home) during that month should spend it in fasting, but if any one is ill, or on a journey, the prescribed period (Should be made up) by days later. Allah intends every facility for you; He does not want to put to difficulties. (He wants you) to complete the prescribed period, and to glorify Him in that He has guided you; and perchance ye shall be grateful.
📖2:185
আমি মানুষকে পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। যদি তারা তোমাকে আমার সাথে এমন কিছু শরীক করার জোর প্রচেষ্টা চালায়, যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তবে তাদের আনুগত্য করো না। আমারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে বলে দেব যা কিছু তোমরা করতে।
We have enjoined on man kindness to parents: but if they (either of them) strive (to force) thee to join with Me (in worship) anything of which thou hast no knowledge, obey them not. Ye have (all) to return to me, and I will tell you (the truth) of all that ye did.📖29:8
বস্তুতঃ আমি একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি, যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তাঁর আদেশ-নিষেধ মান্য করা হয়।
In fact, I have sent messengers for this purpose only, so that they may be obedient to Allah's command.📖4:64
যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রসূলের দিকে এস, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞান না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয় তবুও কি তারা তাই করবে?
When it is said to them: "Come to what Allah hath revealed; come to the Messenger.: They say: "Enough for us are the ways we found our fathers following." what! even though their fathers were void of knowledge and guidance?📖 5:104
আমি তোমাদের কাছে একজন রসূলকে তোমাদের জন্যে সাক্ষী করে প্রেরণ করেছি, যেমন প্রেরণ করেছিলাম ফেরাউনের কাছে একজন রসূল।
We have sent to you, (O men!) an apostle, to be a witness concerning you, even as We sent an apostle to Pharaoh. 📖73:15
আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।
Many are the Jinns and men we have made for Hell: They have hearts wherewith they understand not, eyes wherewith they see not, and ears wherewith they hear not. They are like cattle,- nay more misguided: for they are heedless (of warning). 📖7:197
মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত। Muhammad is not the father of any of your men, but (he is) the Messenger of Allah, and the Seal of the Prophets: and Allah has full knowledge of all things. 📖33:40
পরম কল্যাণময় তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফয়সালার গ্রন্থ অবর্তীণ করেছেন, যাতে সে বিশ্বজগতের জন্যে সতর্ককারী হয়।
Blessed is He who sent down the criterion to His servant, that it may be an admonition to all creatures;- 📖25:1
আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
And We have indeed made the Qur'an easy to understand and remember: then is there any that will receive admonition?📖 54:17
মানুষের কাছে কি আশ্চর্য লাগছে যে, আমি ওহী পাঠিয়েছি তাদেরই মধ্য থেকে একজনের কাছে যেন তিনি মানুষকে সতর্ক করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন ঈমনাদারগণকে যে, তাঁদের জন্য সত্য মর্যাদা রয়েছে তাঁদের পালনকর্তার কাছে। কাফেররা বলতে লাগল, নিঃসন্দেহে এ লোক প্রকাশ্য যাদুকর।
Is it a matter of wonderment to men that We have sent Our inspiration to a man from among themselves?- that he should warn mankind (of their danger), and give the good news to the Believers that they have before their Lord the lofty rank of truth. (But) say the Unbelievers: "This is indeed an evident sorcerer!" 📖10:2
আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ হেদায়েত করেছেন এবং কিছু সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি হয়েছে।
For We assuredly sent amongst every People an apostle, (with the Command), "Serve Allah, and eschew Evil": of the People were some whom Allah guided, and some on whom error became inevitably (established). So travel through the earth, and see what was the end of those who denied (the Truth). 📖16:36
আমি নূহকে আরোহণ করালাম এক কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত জলযানে।
But We bore him on an (Ark) made of broad planks and caulked with palm- fibre:📖54:13
অতঃপর আমি তার কাছে আদেশ প্রেরণ করলাম যে, তুমি আমার দৃষ্টির সামনে এবং আমার নির্দেশে নৌকা তৈরী কর। এরপর যখন আমার আদেশ আসে এবং চুল্লী প্লাবিত হয়, তখন নৌকায় তুলে নাও, প্রত্যেক জীবের এক এক জোড়া এবং তোমার পরিবারবর্গকে, তাদের মধ্যে যাদের বিপক্ষে পূর্বে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাদের ছাড়া। এবং তুমি জালেমদের সম্পর্কে আমাকে কিছু বলো না। নিশ্চয় তারা নিমজ্জত হবে।
So We inspired him (with this message): "Construct the Ark within Our sight and under Our guidance: then when comes Our Command, and the fountains of the earth gush forth, take thou on board pairs of every species, male and female, and thy family- except those of them against whom the Word has already gone forth: And address Me not in favour of the wrong-doers; for they shall be drowned (in the Flood). 23:27
আর নির্দেশ দেয়া হল-হে পৃথিবী! তোমার পানি গিলে ফেল, আর হে আকাশ, ক্ষান্ত হও। আর পানি হ্রাস করা হল এবং কাজ শেষ হয়ে গেল, আর জুদী পর্বতে নৌকা ভিড়ল এবং ঘোষনা করা হল, দুরাত্না কাফেররা নিপাত যাক।
Then the word went forth: "O earth! swallow up thy water, and O sky! Withhold (thy rain)!" and the water abated, and the matter was ended. The Ark rested on Mount Judi, and the word went forth: "Away with those who do wrong!" 📖11:44
অতঃপর আমি তাঁকে ও নৌকারোহীগণকে রক্ষা করলাম এবং নৌকাকে নিদর্শন করলাম বিশ্ববাসীর জন্যে।
But We saved him and the companions of the Ark, and We made the (Ark) a Sign for all peoples! 📖29:15
নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী ছিল না।
But We drowned the others.📖26:67
অতঃপর তাদের পেছনে পাঠিয়েছি আমি মূসা ও হারুনকে, ফেরাউন ও তার সর্দারের প্রতি স্বীয় নির্দেশাবলী সহকারে। অথচ তারা অহংকার করতে আরম্ভ করেছে।
Then after them sent We Moses and Aaron to Pharaoh and his chiefs with Our Signs. But they were arrogant: they were a people in sin. 📖10:75
ফেরআউনের সম্প্রদায় এবং তাদের পূর্ববর্তীদের ধারা অনুযায়ীই তারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদেরকে পাকড়াও করেছেন আর আল্লাহর আযাব অতি কঠিন।
(Their plight will be) no better than that of the people of Pharaoh, and their predecessors: They denied our Signs, and Allah called them to account for their sins. For Allah is strict in punishment. 📖3:11
অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না।
"This day shall We save thee in the body, that thou mayest be a sign to those who come after thee! but verily, many among mankind are heedless of Our Signs!" 📖10:92
হে আসমানী গ্রন্থের অধিকারীবৃন্দ! যা কিছু আমি অবতীর্ণ করেছি তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কর, যা সে গ্রন্থের সত্যায়ন করে এবং যা তোমাদের নিকট রয়েছে পূর্ব থেকে। (বিশ্বাস স্থাপন কর) এমন হওয়ার আগেই যে, আমি মুছে দেব অনেক চেহারাকে এবং অতঃপর সেগুলোকে ঘুরিয়ে দেব পশ্চাৎ দিকে কিংবা অভিসম্পাত করব তাদের প্রতি যেমন করে অভিসম্পাত করেছি আছহাবে-সাবতের উপর। আর আল্লাহর নির্দেশ অবশ্যই কার্যকর হবে।
O ye People of the Book! believe in what We have (now) revealed, confirming what was (already) with you, before We change the face and fame of some (of you) beyond all recognition, and turn them hindwards, or curse them as We cursed the Sabbath-breakers, for the decision of Allah Must be carried out.📖 4:47
স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল! আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ।
And remember, Jesus, the son of Mary, said: "O Children of Israel! I am the apostle of Allah (sent) to you, confirming the Law (which came) before me, and giving Glad Tidings of an Messenger to come after me, whose name shall be Ahmad. 📖61:6
তারা কাফের, যারা বলে যে, মরিময়-তনয় মসীহ-ই আল্লাহ; অথচ মসীহ বলেন, হে বণী-ইসরাঈল, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর, যিনি আমার পালন কর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা। নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে, আল্লাহ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম। অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই।
They do blaspheme who say: "(Allah) is Christ the son of Mary." But said Christ: "O Children of Israel! worship Allah, my Lord and your Lord." Whoever joins other gods with Allah,- Allah will forbid him the garden, and the Fire will be his abode. There will for the wrong-doers be no one to help. 📖5:72
যেন তোমরা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো বন্দেগী না কর। নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তাঁরই পক্ষ হতে সতর্ককারী ও সুসংবাদ দাতা।
(It teacheth) that ye should worship none but Allah. (Say): "Verily I am (sent) unto you from Him to warn and to bring glad tidings:📖11:2
বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহর কাছে? যাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।
Say: "Shall I point out to you something much worse than this, (as judged) by the treatment it received from Allah. those who incurred the curse of Allah and His wrath, those of whom some He transformed into apes and swine, those who worshipped evil;- these are (many times) worse in rank, and far more astray from the even path!" 📖 5:60
আমি এদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধবংস করেছি। যাদের বাসভুমিতে এরা বিচরণ করে, এটা কি এদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করল না? নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
Is it not a warning to such men (to call to mind) how many generations before them We destroyed, in whose haunts they (now) move? Verily, in this are Signs for men endued with understanding.📖20:128
অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
But it is nothing less than a Message to all the worlds. 📖68:52
কিন্তু যে মুখ ফিরিয়ে নেয় ও কাফের হয়ে যায়,
আল্লাহ তাকে মহা আযাব দেবেন।
But if any turn away and reject Allah,-
Allah will punish him with a mighty Punishment, 📖88:23
হে রসূল, পৌছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে। আর যদি আপনি এরূপ না করেন, তবে আপনি তাঁর পয়গাম কিছুই পৌছালেন না। আল্লাহ আপনাকে মানুষের কাছ থেকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।
O Messenger. proclaim the (message) which hath been sent to thee from thy Lord. If thou didst not, thou wouldst not have fulfilled and proclaimed His mission. And Allah will defend thee from men (who mean mischief). For Allah guideth not those who reject Faith.
📖5:67
আল্লাহ উত্তম বাণী তথা কিতাব নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, এরপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ নির্দেশ, এর মাধ্যমে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
Allah has revealed (from time to time) the most beautiful Message in the form of a Book, consistent with itself, (yet) repeating (its teaching in various aspects): the skins of those who fear their Lord tremble thereat; then their skins and their hearts do soften to the celebration of Allah.s praises. Such is the guidance of Allah. He guides therewith whom He pleases, but such as Allah leaves to stray, can have none to guide. 📖39:23
কাফেররা বলেঃ আপনি প্রেরিত ব্যক্তি নন। বলে দিন, আমার ও তোমাদের মধ্যে প্রকৃষ্ট সাক্ষী হচ্ছেন আল্লাহ এবং ঐ ব্যক্তি, যার কাছে গ্রন্থের জ্ঞান আছে।
The Unbelievers say: "No apostle art thou." Say: "Enough for a witness between me and you is Allah, and such as have knowledge of the Book. 📖13:43
সুসংবাদদাতা ও ভীতি-প্রদর্শনকারী রসূলগণকে প্রেরণ করেছি, যাতে রসূলগণের পরে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করার মত কোন অবকাশ মানুষের জন্য না থাকে। আল্লাহ প্রবল পরাক্রমশীল, প্রাজ্ঞ।
Messenger. who gave good news as well as warning, that mankind, after (the coming) of the apostles, should have no plea against Allah. For Allah is Exalted in Power, Wise. 📖4:165
বলে দাও, হে মানব মন্ডলী। তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহ প্রেরিত রসূল, সমগ্র আসমান ও যমীনে তার রাজত্ব। একমাত্র তাঁকে ছাড়া আর কারো উপাসনা নয়। তিনি জীবন ও মৃত্যু দান করেন। সুতরাং তোমরা সবাই বিশ্বাস স্থাপন করো আল্লাহর উপর তাঁর প্রেরিত উম্মী নবীর উপর, যিনি বিশ্বাস রাখেন আল্লাহর এবং তাঁর সমস্ত কালামের উপর। তাঁর অনুসরণ কর যাতে সরল পথপ্রাপ্ত হতে পার।
day: "O men! I am sent unto you all, as the Messenger of Allah, to Whom belongeth the dominion of the heavens and the earth: there is no god but He: it is He That giveth both life and death. So believe in Allah and His Messenger, the Unlettered Prophet, who believeth in Allah and His words: follow him that (so) ye may be guided."📖7:158
হে মানবকুল, তোমাদের কাছে উপদেশবানী এসেছে তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য।
O mankind! there hath come to you a direction from your Lord and a healing for the (diseases) in your hearts,- and for those who believe, a guidance and a Mercy.
📖10:57
প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়।
Every soul shall have a taste of death: And only on the Day of Judgment shall you be paid your full recompense. Only he who is saved far from the Fire and admitted to the Garden will have attained the object (of Life): For the life of this world is but goods and chattels of deception.📖 3:185
আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক।
Allah. There is no god but He,-the Living, the Self-Subsisting, Eternal.📖 3:2
যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।
He Who created Death and Life, that He may try which of you is best in deed: and He is the Exalted in Might, Oft-Forgiving;-67:2
প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,The mutual rivalry for piling up (the good things of this world) diverts you (from the more serious things),📖102:1
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।To any that desires the tilth of the Hereafter, We give increase in his tilth, and to any that desires the tilth of this world, We grant somewhat thereof, but he has no share or lot in the Hereafter.
📖42:20
মদীনাবাসী ও পাশ্ববর্তী পল্লীবাসীদের উচিত নয় রসূলুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া এবং রসূলের প্রাণ থেকে নিজেদের প্রাণকে অধিক প্রিয় মনে করা। এটি এজন্য যে, আল্লাহর পথে যে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা তাদের স্পর্শ করে এবং তাদের এমন পদক্ষেপ যা কাফেরদের মনে ক্রোধের কারণ হয় আর শত্রুদের পক্ষ থেকে তারা যা কিছু প্রাপ্ত হয়-তার প্রত্যেকটির পরিবর্তে তাদের জন্য লিখিত হয়ে নেক আমল। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সৎকর্মশীল লোকদের হক নষ্ট করেন না।
It was not fitting for the people of Medina and the Bedouin Arabs of the neighbourhood, to refuse to follow Allah.s Messenger, nor to prefer their own lives to his: because nothing could they suffer or do, but was reckoned to their credit as a deed of righteousness,- whether they suffered thirst, or fatigue, or hunger, in the cause of Allah, or trod paths to raise the ire of the Unbelievers, or received any injury whatever from an enemy: for Allah suffereth not the reward to be lost of those who do good;-
9:120
সেসমস্ত লোক, যারা আনুগত্য অবলম্বন করে এ রসূলের, যিনি উম্মী নবী, যাঁর সম্পর্কে তারা নিজেদের কাছে রক্ষিত তওরাত ও ইঞ্জিলে লেখা দেখতে পায়, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেন সৎকর্মের, বারণ করেন অসৎকর্ম থেকে; তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ এবং তাদের উপর থেকে সে বোঝা নামিয়ে দেন এবং বন্দীত্ব অপসারণ করেন যা তাদের উপর বিদ্যমান ছিল। সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।
"Those who follow the apostle, the unlettered Prophet, whom they find mentioned in their own (scriptures),- in the law and the Gospel;- for he commands them what is just and forbids them what is evil; he allows them as lawful what is good (and pure) and prohibits them from what is bad (and impure); He releases them from their heavy burdens and from the yokes that are upon them. So it is those who believe in him, honour him, help him, and follow the light which is sent down with him,- it is they who will prosper."
7:157
হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
O ye who believe! there are indeed many among the priests and anchorites, who in Falsehood devour the substance of men and hinder (them) from the way of Allah. And there are those who bury gold and silver and spend it not in the way of Allah. announce unto them a most grievous penalty-📖9:34
তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।
And they have been commanded no more than this: To worship Allah, offering Him sincere devotion, being true (in faith); to establish regular prayer; and to practise regular charity; and that is the Religion Right and Straight. 📖98:5
আমি তওরাত অবর্তীর্ন করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। আল্লাহর আজ্ঞাবহ পয়গম্বর, দরবেশ ও আলেমরা এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে ফয়সালা দিতেন। কেননা, তাদেরকে এ খোদায়ী গ্রন্থের দেখাশোনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন। অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না, যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।
It was We who revealed the law (to Moses): therein was guidance and light. By its standard have been judged the Jews, by the prophets who bowed (as in Islam) to Allah.s will, by the rabbis and the doctors of law: for to them was entrusted the protection of Allah.s book, and they were witnesses thereto: therefore fear not men, but fear me, and sell not my signs for a miserable price. If any do fail to judge by (the light of) what Allah hath revealed, they are (no better than) Unbelievers.📖5:44
আল্লাহই সত্যসহ কিতাব ও ইনসাফের মানদন্ড নাযিল করেছেন। আপনি কি জানেন, সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটবর্তী।
It is Allah Who has sent down the Book in Truth, and the Balance (by which to weigh conduct). And what will make thee realise that perhaps the Hour is close at hand?
📖42:17
তারা কি জাহেলিয়াত আমলের ফয়সালা কামনা করে? আল্লাহ অপেক্ষা বিশ্বাসীদের জন্যে উত্তম ফয়সালাকারী কে?
Do they then seek after a judgment of (the days of) ignorance? But who, for a people whose faith is assured, can give better judgment than Allah.📖5:50
যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে হুশিয়ারী। আল্লাহ পরাক্রান্ত, জ্ঞানময়।
As to the thief, Male or female, cut off his or her hands: a punishment by way of example, from Allah, for their crime: and Allah is Exalted in power. 📖5:28
আমি এই কোরআনে মানুষকে বিভিন্ন উপকার দ্বারা সব রকম বিষয়বস্তু বুঝিয়েছি। কিন্তু অধিকাংশ লোক অস্বীকার না করে থাকেনি। And We have explained to man, in this Qur'an, every kind of similitude: yet the greater part of men refuse (to receive it) except with ingratitude! 📖17:89
অতএব, আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞেস করব যাদের কাছে রসূল প্রেরিত হয়েছিল এবং আমি অবশ্যই তাদেরকে জিজ্ঞেস করব রসূলগণকে।
অতঃপর আমি স্বজ্ঞানে তাদের কাছে অবস্থা বর্ণনা করব। বস্তুতঃ আমি অনুপস্থিত তো ছিলাম না।
Then shall we question those to whom Our message was sent and those by whom We sent it.
And verily, We shall recount their whole story with knowledge, for We were never absent (at any time or place).📖7:6
সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।
Ah woe, that Day, to the Rejecters of Truth! 📖77:37
আমি আমার রসূলগণকে সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ প্রেরণ করেছি এবং তাঁদের সাথে অবতীর্ণ করেছি কিতাব ও ন্যায়নীতি, যাতে মানুষ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি নাযিল করেছি লৌহ, যাতে আছে প্রচন্ড রণশক্তি এবং মানুষের বহুবিধ উপকার। এটা এজন্যে যে, আল্লাহ জেনে নিবেন কে না দেখে তাঁকে ও তাঁর রসূলগণকে সাহায্য করে। আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
We sent aforetime our apostles with Clear Signs and sent down with them the Book and the Balance (of Right and Wrong), that men may stand forth in justice; and We sent down Iron, in which is (material for) mighty war, as well as many benefits for mankind, that Allah may test who it is that will help, Unseen, Him and His apostles: For Allah is Full of Strength, Exalted in Might (and able to enforce His Will).📖 57:25
আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়। It is not fitting for a Believer, man or woman, when a matter has been decided by Allah and His Messenger to have any option about their decision: if any one disobeys Allah and His Messenger, he is indeed on a clearly wrong Path. 📖33:36
নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।
Verily he who comes to his Lord as a sinner (at Judgment),- for him is Hell: therein shall he neither die nor live. 📖20:74
আমি রসূলকে কবিতা শিক্ষা দেইনি এবং তা তার জন্যে শোভনীয়ও নয়। এটা তো এক উপদেশ ও প্রকাশ্য কোরআন। যাতে তিনি সতর্ক করেন জীবিতকে এবং যাতে কাফেরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
We have not instructed the (Prophet) in Poetry, nor is it meet for him: this is no less than a Message and a Qur'an making things clear: That it may give admonition to any (who are) alive, and that the charge may be proved against those who reject (Truth).📖36:70
আর এ জন্য যে, তাদের কৃতকর্মের জন্যে তাদের কোন বিপদ হলে তারা বলত, হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি আমাদের কাছে কোন রসূল প্রেরণ করলে না কেন? করলে আমরা তোমার আয়াতসমূহের অনুসরণ করতাম এবং আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
If (We had) not (sent thee to the Quraish),- in case a calamity should seize them for (the deeds) that their hands have sent forth, they might say: "Our Lord! why didst Thou not sent us an apostle? We should then have followed Thy Signs and been amongst those who believe!" 📖28:47
কিংবা বলতে শুরু করঃ যদি আমাদের প্রতি কোন গ্রন্থ অবতীর্ণ হত, আমরা এদের চাইতে অধিক পথপ্রাপ্ত হতাম। অতএব, তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হেদায়েত ও রহমত এসে গেছে। অতঃপর সে ব্যক্তির চাইতে অধিক অনাচারী কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত সমূহকে মিথ্যা বলে এবং গা বাঁচিয়ে চলে। অতি সত্ত্বর আমি তাদেরকে শাস্তি দেব। যারা আমার আয়াত সমূহ থেকে গা বাঁচিয়ে চলে-জঘন্য শাস্তি তাদের গা বাঁচানোর কারণে।
Or lest ye should say: "If the Book had only been sent down to us, we should have followed its guidance better than they." Now then hath come unto you a clear (sign) from your Lord,- and a guide and a mercy: then who could do more wrong than one who rejecteth Allah.s signs, and turneth away therefrom? In good time shall We requite those who turn away from Our signs, with a dreadful penalty, for their turning away. 📖6:157
এটা উপদেশ। অতএব, যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার দিকে পথ অবলম্বন করুক।
Verily this is an Admonition: therefore, whoso will, let him take a (straight) path to his Lord! 📖73:19
যাতে কেউ না বলে, হায়, হায়, আল্লাহ সকাশে আমি কর্তব্যে অবহেলা করেছি এবং আমি ঠাট্টা-বিদ্রুপকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।
"Lest the soul should (then) say: 'Ah! Woe is me!- In that I neglected (my duty) towards Allah, and was but among those who mocked!'- 📖39:56
💐🌸🌺🕋📖📖📖📖📖📖📖🌹🌼🌷🌻
------------------THE HOLY QUR'AN--------------------
with Bengali and English translation's
106) Surah Quraysh, Verse 4
(Landed in Mecca)👇
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ
বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
Bichmillahir Rahmanir Rahim.
In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ (1
কোরাইশের আসক্তির কারণে,
For the covenants (of security and safeguard enjoyed) by the Quraish,
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاء وَالصَّيْفِ (2
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।
Their covenants (covering) journeys by winter and summer,-
فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَذَا الْبَيْتِ (3
অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
Let them adore the Lord of this House,
الَّذِي أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍ وَآمَنَهُم مِّنْ خَوْفٍ (4
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
Who provides them with food against hunger, and with security against fear (of danger).
106) সূরা কোরাইশ (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত
#🙂ভক্তি😊 সব💬দ্বীনি,‘ও ভাই’, ‘ও বোন’! সাফল্যের জন্য এসো [📚সহীহ বুখারি-৩৪৬১] পরিস্কারভাবে আল্লাহর বাণী পৌছে দেয়াই আমাদের দায়িত্ব।
💐🌸🌺🌼---THE HOLY QUR'AN---🌹🌷🌻with Bengali and English translation's👇
'In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful:
সসীম দাতা, পরম দয়ালু, আল্লাহর নামে শুরু;
تَنزِيلَ الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ
কোরআন পরাক্রমশালী পরম দয়ালু আল্লাহর তরফ থেকে অবতীর্ণ,
It is a Revelation sent down by (Him), the Exalted in Might, Most Merciful.
36) সূরা ইয়াসীন,আয়াত:5
36) Surah Yaseen, Verse:5
এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,
This is the Book; in it is guidance sure, without doubt, to those who fear Allah. 📖2:2
নিশ্চয় যারা কোরআন আসার পর তা অস্বীকার করে, তাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার অভাব রয়েছে। এটা অবশ্যই এক সম্মানিত গ্রন্থ।
Those who reject the Message when it comes to them (are not hidden from Us). And indeed it is a Book of exalted power. 📖41:41
আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে।
Nor is there aught of the unseen, in heaven or earth, but is (recorded) in a clear record 📖27:75
এতে মিথ্যার প্রভাব নেই, সামনের দিক থেকেও নেই এবং পেছন দিক থেকেও নেই। এটা প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।
No falsehood can approach it from before or behind it: It is sent down by One Full of Wisdom, Worthy of all Praise.
📖41:41
আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।
I have only created Jinns and men, that they may serve Me.📖51:56
মুহাম্মদ (স) আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।
Muhammd (S)We have not sent thee but as a universal (Messenger) to men, giving them glad tidings, and warning them (against sin), but most men understand not. 📖34:28
যাতে আপনি এমন এক জাতিকে সতর্ক করেন, যাদের পূর্ব পুরুষগণকেও সতর্ক করা হয়নি। ফলে তারা গাফেল।
In order that thou mayest admonish a people, whose fathers had received no admonition, and who therefore remain heedless (of the Signs of Allah..📖 36:6
আলিফ-লাম-রা; এটি একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি-যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন-পরাক্রান্ত, প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের দিকে।
Alif Lam Ra A Book which We have revealed unto thee, in order that thou mightest lead mankind out of the depths of darkness into light - by the leave of their Lord - to the Way of (Him) the Exalted in power, worthy of all praise!- 📖14:1
একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।
But there are, among men, those who purchase idle tales, without knowledge (or meaning), to mislead (men) from the Path of Allah and throw ridicule (on the Path): for such there will be a Humiliating Penalty.📖31:6
কেউ অপরের (পাপের) বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়। আপনি কেবল তাদেরকে সতর্ক করেন, যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখেও ভয় করে এবং নামায কায়েম করে। যে কেউ নিজের সংশোধন করে, সে সংশোধন করে, স্বীয় কল্যাণের জন্যেই আল্লাহর নিকটই সকলের প্রত্যাবর্তন।
Nor can a bearer of burdens bear another's burdens if one heavily laden should call another to (bear) his load. Not the least portion of it can be carried (by the other). Even though he be nearly related. Thou canst but admonish such as fear their Lord unseen and establish regular Prayer. And whoever purifies himself does so for the benefit of his own soul; and the destination (of all) is to Allah. 📖35:18
নাযিল করেছেন তাওরত ও ইঞ্জিল, এ কিতাবের পূর্বে, মানুষের হেদায়েতের জন্যে এবং অবতীর্ণ করেছেন মীমাংসা। নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তাদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব। আর আল্লাহ হচ্ছেন পরাক্রমশীল, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।
Then those who reject Faith in the Signs of Allah will suffer the severest penalty, and Allah is Exalted in Might, Lord of Retribution. 📖3:4
سُورَةُ العَلَقِ
আয়াত : ১৯, মাক্কী
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে
ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١
1. পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।
خَلَقَ ٱلۡإِنسَٰنَ مِنۡ عَلَقٍ ٢
2. তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক থেকে।
ٱقۡرَأۡ وَرَبُّكَ ٱلۡأَكۡرَمُ ٣
3. পড়, আর তোমার রব মহামহিম।
ٱلَّذِي عَلَّمَ بِٱلۡقَلَمِ ٤
4. যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
عَلَّمَ ٱلۡإِنسَٰنَ مَا لَمۡ يَعۡلَمۡ ٥
5. তিনি মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না।
كَلَّآ إِنَّ ٱلۡإِنسَٰنَ لَيَطۡغَىٰٓ ٦
6. কখনো নয়, নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে থাকে।
أَن رَّءَاهُ ٱسۡتَغۡنَىٰٓ٧
7. কেননা সে নিজকে মনে করে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلرُّجۡعَىٰٓ ٨
8. নিশ্চয় তোমার রবের দিকেই প্রত্যাবর্তন।
أَرَءَيۡتَ ٱلَّذِي يَنۡهَىٰ ٩
9. তুমি কি তাকে দেখেছ যে নিষেধ করে
عَبۡدًا إِذَا صَلَّىٰٓ ١٠
10. এক বান্দাকে, যখন সে সালাত আদায় করে?
أَرَءَيۡتَ إِن كَانَ عَلَى ٱلۡهُدَىٰٓ ١١
11. তুমি কি দেখেছ, যদি সে হিদায়াতের উপর থাকে,
أَوۡ أَمَرَ بِٱلتَّقۡوَىٰٓ ١٢
12. অথবা তাকওয়ার নির্দেশ দেয়?
أَرَءَيۡتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰٓ ١٣
13. যদি সে মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়?
أَلَمۡ يَعۡلَم بِأَنَّ ٱللَّهَ يَرَىٰ ١٤
14. সে কি জানেনা যে, নিঃসন্দেহে আল্লাহ দেখেন?
كَلَّا لَئِن لَّمۡ يَنتَهِ لَنَسۡفَعَۢا بِٱلنَّاصِيَةِ ١٥
15. কখনো নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি তাকে কপালের সম্মুখভাগের চুল ধরে টেনে- হিঁচড়ে নিয়ে যাব।
نَاصِيَةٖ كَٰذِبَةٍ خَاطِئَةٖ ١٦
16. মিথ্যাবাদী, পাপিষ্ঠ কপাল।
فَلۡيَدۡعُ نَادِيَهُۥ ١٧
17. অতএব, সে তার সভাসদদের আহবান করুক।
سَنَدۡعُ ٱلزَّبَانِيَةَ ١٨
18. অচিরেই আমি ডেকে নেব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে।
كَلَّا لَا تُطِعۡهُ وَٱسۡجُدۡۤ وَٱقۡتَرِب۩ ١٩
19. কখনো নয়, তুমি তার আনুগত্য করবে না। আর সিজদা কর এবং নৈকট্য লাভ কর।
#🙂ভক্তি😊 #🕌ইবাদাত🤲 আমরা যখন রাজনীতি আর ধর্মের নামে বিভাজন দেখি, তখন মনে হয়—আমরা কি আসলেই আমাদের বিবেককে কাজে লাগাচ্ছি? ১৫ বছর ধরে মানুষের সাথে কাজ করে এবং পবিত্র কোরআন ও বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পর্যবেক্ষণ করে আমি কিছু সত্য উপলব্ধি করেছি, যা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি:
১. স্রষ্টা কি আঞ্চলিক হতে পারেন?
একেক এলাকায় একেক দেবতার আধিপত্য—এটা কি যুক্তিসঙ্গত? অথচ বিশ্বের যে প্রান্তেই যান, সব মুসলিম এক বাক্যে বলে: "আল্লাহু আহাদ" (আল্লাহ এক)। সত্য কখনো ভৌগোলিক সীমানায় আটকে থাকে না, এটি বিশ্বজনীন।
২. শৃঙ্খলার আসল পরিচয় কোথায়?
হাজারো তীর্থস্থানে ঘুরে বেড়ানোর নাম কি শৃঙ্খলা? নাকি পৃথিবীর কেন্দ্র মক্কার দিকে মুখ করে সারা বিশ্বের মানুষের এক কিবলার অধীনে নামাজ পড়া? এই একতা কি প্রমাণ করে না যে স্রষ্টা এবং তাঁর বিধানও এক?
৩. হাতের গড়া মূর্তির অসহায়ত্ব:
পবিত্র কোরআন আমাদের এক কঠিন চ্যালেঞ্জ দিয়েছে (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)—যাদের তোমরা ডাকো, তারা সবাই মিলে একটি মাছিও সৃষ্টি করতে পারবে না। এমনকি নিজেদের গায়ে বসা মাছিটিও তাড়াতে পারে না। যে নিজের নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে মানুষের ভাগ্য গড়বে কীভাবে?
৪. ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন:
পবিত্র কোরআন কোনো রূপকথা নয়। সাগরে ডুবে যাওয়া ফেরাউনের দেহ আল্লাহ আজও অক্ষত রেখেছেন (সূরা ইউনুস: ৯২) যাতে আধুনিক মানুষ শিক্ষা নিতে পারে। নূহ (আ.)-এর নৌকা আজও পাহাড়ের চূড়ায় এক জীবন্ত নিদর্শন। ১৪০০ বছর ধরে একটি শব্দও পরিবর্তন না হওয়া কোরআন কি কোনো মানুষের তৈরি হতে পারে?
৫. স্লোগান বনাম চিরন্তন সত্য:
শ্মশানে যাওয়ার সময় মানুষ বলে "রাম নাম সত্য"—এটি কেবল একটি প্রথা। কিন্তু ইসলামের ঘোষণা দেখুন: "আমি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, ওই মাটিতেই ফিরিয়ে দেব এবং আবার ওই মাটি থেকেই বের করে আনব" (সূরা ত্বোয়া-হা: ৫৫)। এটি কোনো ভক্তি নয়, এটিই পরম বাস্তবতা।
উপসংহার:
রাজনীতির মোহে অন্ধ হয়ে একে অপরকে ঘৃণা করার আগে একবার ভাবুন—আমরা কেউ এখানে চিরকাল থাকব না। "প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে" (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫)। দিন শেষে সেই মহান স্রষ্টার কাছেই আমাদের ফিরে যেতে হবে, যার কাছে হিন্দু-মুসলিম পরিচয় নয়, বরং আমাদের আমল ও বিবেকের বিচার হবে।
আসুন, অন্ধত্বের গর্ত থেকে বেরিয়ে আমরা সত্যের আলো খুঁজি। মাতৃভাষায় পবিত্র কোরআনের অর্থ বুঝে পড়লে আপনার সমস্ত ধোঁয়াশা কেটে যাবে।





![🙂ভক্তি😊 - 50 ,ll] 8:41 15+ 1 15+ 8 & জন্যরকম উল্লগ্গ! 518 @mina singha 31 303 Mina Si. रगला रून আজকের দিনে দেখা গেল অ আরও 50 ,ll] 8:41 15+ 1 15+ 8 & জন্যরকম উল্লগ্গ! 518 @mina singha 31 303 Mina Si. रगला रून আজকের দিনে দেখা গেল অ আরও - ShareChat 🙂ভক্তি😊 - 50 ,ll] 8:41 15+ 1 15+ 8 & জন্যরকম উল্লগ্গ! 518 @mina singha 31 303 Mina Si. रगला रून আজকের দিনে দেখা গেল অ আরও 50 ,ll] 8:41 15+ 1 15+ 8 & জন্যরকম উল্লগ্গ! 518 @mina singha 31 303 Mina Si. रगला रून আজকের দিনে দেখা গেল অ আরও - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_949357_8c58ea2_1778606947083_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=083_sc.jpg)






![🙂ভক্তি😊 - আমরা কি মানুষ? Y(O বিভাজন বনাম মনুষ্যত্ব আলো খুঁজি বিশ্বজনীন ১. স্রষ্টী একয সত্য ভৌগলিক সীমানীয় আটকে থাকে নাI खाल्लाञ जाशफ শৃত্খলা ও একতা মক্কার কিবলায় একতার নামাজ] এটিই শৃত্খলা] ৩. হীতের গড়া মূতির অসহীয়ত্ব am মাছিও সৃষ্টি করতে পীারে না (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)[ Caua ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন URU 8. নূহ (আ)- ফেরাউনের এর নৌকা কোরআন রূপকথা নয়, জীবন্ত ইতিহাস| २ ৫. চিরন্তন সত্য বনীম স্লৌগীন অন্ধত্বের গর্ত থেঁকে বেরিয়ে 'মাটি থেকে সৃষ্টি, মাটিতেই ফিরতে হবে' কোরআনের অর্থ বুঝুনা ধোঁয়াশা কাটবো (সূরা ত্বোয়়া-হা: ৫৫)/ মৃত্যু বাস্তবI আমরা কি মানুষ? Y(O বিভাজন বনাম মনুষ্যত্ব আলো খুঁজি বিশ্বজনীন ১. স্রষ্টী একয সত্য ভৌগলিক সীমানীয় আটকে থাকে নাI खाल्लाञ जाशफ শৃত্খলা ও একতা মক্কার কিবলায় একতার নামাজ] এটিই শৃত্খলা] ৩. হীতের গড়া মূতির অসহীয়ত্ব am মাছিও সৃষ্টি করতে পীারে না (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)[ Caua ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন URU 8. নূহ (আ)- ফেরাউনের এর নৌকা কোরআন রূপকথা নয়, জীবন্ত ইতিহাস| २ ৫. চিরন্তন সত্য বনীম স্লৌগীন অন্ধত্বের গর্ত থেঁকে বেরিয়ে 'মাটি থেকে সৃষ্টি, মাটিতেই ফিরতে হবে' কোরআনের অর্থ বুঝুনা ধোঁয়াশা কাটবো (সূরা ত্বোয়়া-হা: ৫৫)/ মৃত্যু বাস্তবI - ShareChat 🙂ভক্তি😊 - আমরা কি মানুষ? Y(O বিভাজন বনাম মনুষ্যত্ব আলো খুঁজি বিশ্বজনীন ১. স্রষ্টী একয সত্য ভৌগলিক সীমানীয় আটকে থাকে নাI खाल्लाञ जाशफ শৃত্খলা ও একতা মক্কার কিবলায় একতার নামাজ] এটিই শৃত্খলা] ৩. হীতের গড়া মূতির অসহীয়ত্ব am মাছিও সৃষ্টি করতে পীারে না (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)[ Caua ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন URU 8. নূহ (আ)- ফেরাউনের এর নৌকা কোরআন রূপকথা নয়, জীবন্ত ইতিহাস| २ ৫. চিরন্তন সত্য বনীম স্লৌগীন অন্ধত্বের গর্ত থেঁকে বেরিয়ে 'মাটি থেকে সৃষ্টি, মাটিতেই ফিরতে হবে' কোরআনের অর্থ বুঝুনা ধোঁয়াশা কাটবো (সূরা ত্বোয়়া-হা: ৫৫)/ মৃত্যু বাস্তবI আমরা কি মানুষ? Y(O বিভাজন বনাম মনুষ্যত্ব আলো খুঁজি বিশ্বজনীন ১. স্রষ্টী একয সত্য ভৌগলিক সীমানীয় আটকে থাকে নাI खाल्लाञ जाशफ শৃত্খলা ও একতা মক্কার কিবলায় একতার নামাজ] এটিই শৃত্খলা] ৩. হীতের গড়া মূতির অসহীয়ত্ব am মাছিও সৃষ্টি করতে পীারে না (সূরা আল-হজ্জ: ৭৩)[ Caua ইতিহাস ও বিজ্ঞানের নিদর্শন URU 8. নূহ (আ)- ফেরাউনের এর নৌকা কোরআন রূপকথা নয়, জীবন্ত ইতিহাস| २ ৫. চিরন্তন সত্য বনীম স্লৌগীন অন্ধত্বের গর্ত থেঁকে বেরিয়ে 'মাটি থেকে সৃষ্টি, মাটিতেই ফিরতে হবে' কোরআনের অর্থ বুঝুনা ধোঁয়াশা কাটবো (সূরা ত্বোয়়া-হা: ৫৫)/ মৃত্যু বাস্তবI - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_832903_2b8e428f_1777993738227_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=227_sc.jpg)