SURAJIT PAL
ShareChat
click to see wallet page
@2741883608
2741883608
SURAJIT PAL
@2741883608
আই লাভ শেয়ারচ্যাট
💞👹👹💞​ছায়া চুরি ও রাজকুমারী লিলি ​ অন্ধকার যখন ঘন হয়ে আসে, মিস্ট্রিয়া রাজ্যের প্রাসাদে তখন অদ্ভুত এক নীরবতা নামে। এই রাজ্যের নিয়ম অন্যরকম। এখানে সূর্য ডুবলে কেউ মোমবাতি জ্বালায় না, কেউ আলো জ্বালে না। কারণ, মিস্ট্রিয়া রাজ্যের মানুষেরা তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটি হারিয়ে ফেলেছে—তাদের 'ছায়া'। ​ রাজকুমারী লিলি প্রাসাদের একদম উপরের তলায় তার ঘরে একা বসে ছিল। জানলার বাইরে রূপালী চাঁদ হাসছে, কিন্তু লিলির ঘরের মেঝেতে কোনো ছায়া নেই। তার নিজের শরীরের কোনো প্রতিচ্ছবি মেঝেতে পড়ে না। লিলি আয়নার সামনে দাঁড়াল। আয়নায় তাকে দেখা যাচ্ছে—তার বড় বড় বাদামী চোখ, রেশমি চুল আর বিষণ্ণ মুখ। কিন্তু পায়ের নিচে সেই চিরচেনা কালো অবয়বটা উধাও। ​ লিলি তার ড্রয়ার থেকে একটি ছোট মখমলের ব্যাগ বের করল। ব্যাগটা খুলতেই ভেতর থেকে মৃদু নীল রঙের একটা ধোঁয়া বেরিয়ে এল। লিলি ফিসফিস করে বলল, "আজ কার ছায়া এনেছি আমি?" ​ ব্যাগটার ভেতর থেকে ছোট ছোট কিছু নড়াচড়া শোনা গেল। লিলি সাবধানে একটা কাঁচের স্লাইড বের করল। সেখানে আটকে আছে একটি ছোট বিড়ালের ছায়া। বিড়ালটি প্রাসাদের মালির ছিল। লিলি যখন কাল বিকেলে বাগানে হাঁটছিল, তখন তার হাতের জাদুকরী কাঁচি দিয়ে টপ করে বিড়ালের ছায়াটা কেটে ব্যাগে ভরে ফেলেছিল। ​ লিলি জানে এটা অন্যায়। কিন্তু তার কোনো উপায় নেই। মিস্ট্রিয়া রাজ্যের রাজকুমারীদের যদি নিজস্ব ছায়া না থাকে, তবে আঠারো বছর পূর্ণ হওয়ার রাতে তারা পাথরের মূর্তি হয়ে যায়। লিলির আঠারো পূর্ণ হতে আর মাত্র সাত দিন বাকি। ​হঠাৎ ঘরের দরজায় টোকা পড়ল। "রাজকুমারী, রাজা মশাই আপনাকে এখনই ডাকছেন। সেনাপতি এক অদ্ভুত খবর নিয়ে এসেছেন," বাইরে থেকে প্রধান পরিচারিকার গলা ভেসে এল। ​ লিলি দ্রুত ব্যাগটা লুকিয়ে ফেলল। তার বুক ধড়ফড় করছে। কেউ কি জেনে ফেলল যে রাজকুমারী নিজেই একজন 'ছায়া চোর'? নাকি বনের ওপারের সেই ভয়ংকর 'ছায়া খাদক' ডাইনিটা আবার ফিরে এসেছে? ​দরজা খুলতেই লিলি দেখল সেনাপতি দাঁড়িয়ে আছেন, তার মুখ ফ্যাকাশে। "রাজকুমারী," সেনাপতি নিচু স্বরে বললেন, "রাজধানীর সব শিশু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখছে তাদের ছায়াগুলো আর কালো নেই... সেগুলো রক্তবর্ণ লাল হয়ে গেছে। আর যারা লাল ছায়া ছুঁয়েছে, তারা সবাই গভীর ঘুমে তলিয়ে যাচ্ছে।" ​ লিলি চমকে উঠল। সে তো শুধু ছায়া চুরি করছিল নিজেকে বাঁচাতে, কিন্তু এই 'লাল ছায়া'র রহস্য কী? তবে কি মিস্ট্রিয়া রাজ্যে তার চেয়েও বড় কোনো বিপদ ওত পেতে আছে? #☪ইসলামিক জ্ঞানের আলো ☪ #🌸জয় মা কালী🙏 #🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #🙏ওম নম:শিবায়🔱 #🐒বজরংবলীর অপার লীলা🙏
💝👹​ছায়া চুরি ও রাজকুমারী লিলি ​ অন্ধকার যখন ঘন হয়ে আসে, মিস্ট্রিয়া রাজ্যের প্রাসাদে তখন অদ্ভুত এক নীরবতা নামে। এই রাজ্যের নিয়ম অন্যরকম। এখানে সূর্য ডুবলে কেউ মোমবাতি জ্বালায় না, কেউ আলো জ্বালে না। কারণ, মিস্ট্রিয়া রাজ্যের মানুষেরা তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটি হারিয়ে ফেলেছে—তাদের 'ছায়া'। ​ রাজকুমারী লিলি প্রাসাদের একদম উপরের তলায় তার ঘরে একা বসে ছিল। জানলার বাইরে রূপালী চাঁদ হাসছে, কিন্তু লিলির ঘরের মেঝেতে কোনো ছায়া নেই। তার নিজের শরীরের কোনো প্রতিচ্ছবি মেঝেতে পড়ে না। লিলি আয়নার সামনে দাঁড়াল। আয়নায় তাকে দেখা যাচ্ছে—তার বড় বড় বাদামী চোখ, রেশমি চুল আর বিষণ্ণ মুখ। কিন্তু পায়ের নিচে সেই চিরচেনা কালো অবয়বটা উধাও। ​ লিলি তার ড্রয়ার থেকে একটি ছোট মখমলের ব্যাগ বের করল। ব্যাগটা খুলতেই ভেতর থেকে মৃদু নীল রঙের একটা ধোঁয়া বেরিয়ে এল। লিলি ফিসফিস করে বলল, "আজ কার ছায়া এনেছি আমি?" ​ ব্যাগটার ভেতর থেকে ছোট ছোট কিছু নড়াচড়া শোনা গেল। লিলি সাবধানে একটা কাঁচের স্লাইড বের করল। সেখানে আটকে আছে একটি ছোট বিড়ালের ছায়া। বিড়ালটি প্রাসাদের মালির ছিল। লিলি যখন কাল বিকেলে বাগানে হাঁটছিল, তখন তার হাতের জাদুকরী কাঁচি দিয়ে টপ করে বিড়ালের ছায়াটা কেটে ব্যাগে ভরে ফেলেছিল। ​ লিলি জানে এটা অন্যায়। কিন্তু তার কোনো উপায় নেই। মিস্ট্রিয়া রাজ্যের রাজকুমারীদের যদি নিজস্ব ছায়া না থাকে, তবে আঠারো বছর পূর্ণ হওয়ার রাতে তারা পাথরের মূর্তি হয়ে যায়। লিলির আঠারো পূর্ণ হতে আর মাত্র সাত দিন বাকি। ​হঠাৎ ঘরের দরজায় টোকা পড়ল। "রাজকুমারী, রাজা মশাই আপনাকে এখনই ডাকছেন। সেনাপতি এক অদ্ভুত খবর নিয়ে এসেছেন," বাইরে থেকে প্রধান পরিচারিকার গলা ভেসে এল। ​ লিলি দ্রুত ব্যাগটা লুকিয়ে ফেলল। তার বুক ধড়ফড় করছে। কেউ কি জেনে ফেলল যে রাজকুমারী নিজেই একজন 'ছায়া চোর'? নাকি বনের ওপারের সেই ভয়ংকর 'ছায়া খাদক' ডাইনিটা আবার ফিরে এসেছে? ​দরজা খুলতেই লিলি দেখল সেনাপতি দাঁড়িয়ে আছেন, তার মুখ ফ্যাকাশে। "রাজকুমারী," সেনাপতি নিচু স্বরে বললেন, "রাজধানীর সব শিশু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখছে তাদের ছায়াগুলো আর কালো নেই... সেগুলো রক্তবর্ণ লাল হয়ে গেছে। আর যারা লাল ছায়া ছুঁয়েছে, তারা সবাই গভীর ঘুমে তলিয়ে যাচ্ছে।" ​ লিলি চমকে উঠল। সে তো শুধু ছায়া চুরি করছিল নিজেকে বাঁচাতে, কিন্তু এই 'লাল ছায়া'র রহস্য কী? তবে কি মিস্ট্রিয়া রাজ্যে তার চেয়েও বড় কোনো বিপদ ওত পেতে আছে? ❤️ মুল্য ৩৫০টাকা মাত্র। WHATSAPP 8637348834 #🤲জুম্মার নামাজ 🤲 #📖কোরানের বাণী🤲🏻 #😍পছন্দের টি২০ টিম🏏 #🤲আল্লাহ 👆 #🌤মোটিভেশনাল কোটস✍
💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 💝🪔🪔🪔জয় শ্রী রাধে রাধে🌺🌺🌺💝 #😍পছন্দের টি২০ টিম🏏 #🤲আল্লাহ 👆 #💕love_forever💑 #🌤মোটিভেশনাল কোটস✍ #📖কোরানের বাণী🤲🏻
😍পছন্দের টি২০ টিম🏏 - ? ٤١ ؟١< ؟١،< জয় শ্রী ঝধে রাধে 7&[ জয রাধে রাপেরা্ে শ্রী রাধে রাধে O11 জয় শ্রীরাধে রাধে রাধে রাধে রাধে রাধে জয় জয় শ্রীরাধে রাধে oaஎaஎ জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে রাধে রাধে জয় ? ٤١ ؟١< ؟١،< জয় শ্রী ঝধে রাধে 7&[ জয রাধে রাপেরা্ে শ্রী রাধে রাধে O11 জয় শ্রীরাধে রাধে রাধে রাধে রাধে রাধে জয় জয় শ্রীরাধে রাধে oaஎaஎ জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে জয় শ্রী রাধে রাধে রাধে রাধে জয় - ShareChat
💝 ভয়ঙ্কর দুষ্টু প্রেম। অনলাইনে পঞ্চাশটি এপিসোড প্রকাশিত হবে। পড়তে চাইলে এডভ্যান্স বুক করুন ১৫০ টাকা দিয়ে। এমন জটিল সমীকরণে গল্প ছেড়ে ওঠা মুস্কিল হয়ে যাবে। WHATSAPP 8637348834করুন। চিরঞ্জিতের প্রতিটি অবহেলা জুঁইয়ের বুকে তীরের মতো বিঁধলেও, পরক্ষণেই সে তার হাসিমুখের দিকে চেয়ে সব যন্ত্রণা ভুলে যায়। কিন্তু চিরঞ্জিতকে সম্পূর্ণরুপে নিজের করে পাওয়ার জন্য শেষ একটি অস্ত্র ছেড়ে দিল ও। সোজা রেপ কেস।... যদিও ইউরিন রিপোর্টটা নেগেটিভ আসার পর চিরঞ্জিতের বুকের ওপর থেকে যেন একটা পাথরের চাই নেমে গেল। অথচ জুঁইয়ের আচরণে তার লেশমাত্র নেই; সে নির্বিকার চিত্তে ঘোষণা করে দিল—সে অন্তঃসত্ত্বা। চিরঞ্জিতের বিশ্বাস হচ্ছিল না, একটা মেয়ে নিজের সম্ভ্রম নিয়ে এমন ভয়ংকর জুয়াও খেলতে পারে! স্রেফ জেদ আর অধিকারবোধের নেশায় সে চিরঞ্জিতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিল। ​অথচ চিরঞ্জিত বরাবরই দূরত্ব বজায় রাখতে চেয়েছিল। নিজের শিল্পসত্তা আর আত্মসম্মানবোধের কাছে সে কোনোদিন আপস করতে শেখেনি। কিন্তু জুঁই ছিল নাছোড়বান্দা। চিরঞ্জিতের মনের মন্দিরে সে জবরদখল করতে চেয়েছিল। তাকে প্রত্যাখান করার পর অপমানের তপ্ত ঝাল চিরঞ্জিতকে কম হজম করতে হয়নি। কিন্তু জুঁইয়ের শেষ চালটা ছিল মোক্ষম। পরিবারের সবার সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে জানিয়ে দিল— "সেদিন বাড়িতে কেউ ছিল না, সেই সুযোগে চিরঞ্জিত আমায় একা পেয়ে..." ​বাকি কথাগুলো কান্নায় ধুয়ে গেলেও ইশারাটা ছিল স্পষ্ট। জুঁইয়ের বাবা-মা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। চিরঞ্জিতের বড় বৌদি সঙ্গীতা, যে সম্পর্কে জুঁইয়ের মাসতুতো দিদি, তার কাছে গিয়ে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানালেন। বিড়ম্বনার এক অদ্ভুত চক্রব্যূহে জড়িয়ে গেল চিরঞ্জিত। সেদিনের ঘটনার প্রকৃত সত্য কেবল সেই জানে। সেদিন চিরঞ্জিতের পরিবর্তে অন্য কেউ হলে হয়তো জুঁইয়ের মিথ্যেটা সত্যি হয়ে যেত, কিন্তু চিরঞ্জিত আর পাঁচজনের মতো নয়। সেদিন ছিল এক আশ্চর্য দুপুর। বাড়ির বড়দা দোকানে, মেজদা আর মেজবউদি দুজনেই বেরিয়ে গেছেন কাজের সূত্রে। বড় বউদি চিরঞ্জিতের মা-বাবাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাওয়ার সময় বায়না করায় ছোট্ট বিট্টুটাকেও সঙ্গে নিলেন। জুঁইয়ের ওপর রান্নার কিছু দায়িত্ব দিয়ে যখন সবাই বেরোল, চিরঞ্জিত ঘূর্ণাক্ষরেও টের পায়নি যে বাড়িটা এতোটা নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। জানলে হয়তো সে ঘরের দরজা বন্ধ করে শিল্পচর্চায় মগ্ন হতো না। ​জানালার পাশ দিয়ে আসা তেরছা রোদে ক্যানভাসে ফুটে উঠছিল একটি মুখাবয়ব— জুঁই। গত তিনদিন ধরে মেয়েটি আবদার করছিল তাকে একবার ক্যানভাসে ধরে রাখার জন্য। আজ সময় পেয়ে চিরঞ্জিত নিবিষ্ট মনে তুলি চালাচ্ছিল। ছবির কাজ প্রায় শেষ, সিকি ভাগ বাকি, ঠিক তখনই ঘরের চৌকাঠে জুঁইয়ের ছায়া পড়ল। ​ ঘরে ঢুকল জুঁই। আলতো করে তার বাঁ হাতটা রাখল চিরঞ্জিতের কাঁধে। চিরঞ্জিত চমকে ঘুরে দাঁড়াল। ​"খুব সুন্দর হয়েছে গো! আমি ভাবতেই পারিনি যে তুমি আমায় এতো সুন্দর করে আঁকবে।"— জুঁইয়ের কণ্ঠে প্রশংসার চেয়েও বেশি ছিল এক আশ্চর্য অধিকারবোধ। ​চিরঞ্জিত সৌজন্যের হাসি হেসে বলল, "ধন্যবাদ।" ​কিন্তু জুঁইয়ের হাতটা যখন তার কাঁধ বেয়ে পিঠের দিকে নেমে এল, এক প্রবল অস্বস্তি চিরঞ্জিতকে গ্রাস করল। সে আড়ষ্ট হয়ে গেল। চিরঞ্জিতের চোখের ভাব বুঝতে পেরে জুঁই মৃদু স্বরে বলল, "রাগ করলে? তুমি রাগ করলে আমি বরং চলেই যাই।" ​চিরঞ্জিত নিজেকে সামলে নিয়ে একটু শুকনো হাসি হাসল। সৌজন্যের খাতিরেই বলল, "কেন? রাগ করব কেন? বরং পাশে বসো, কথা বলতে বলতে কাজটা শেষ করা যাবে।" ​জুঁই বসল ঠিকই, কিন্তু পরিবেশটা ভারাক্রান্ত হয়ে উঠল এক অদ্ভুত উত্তেজনায়। সে চিরঞ্জিতের চোখের দিকে তাকিয়ে কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, "তুমি আমার সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর দিলে না! প্লিজ, 'না' বলো না চিরঞ্জিত। তুমি ফিরিয়ে দিলে আমি আর বাঁচব না।" ​চিরঞ্জিতের হাতে ধরা রঙ-মাখা তুলিটা মুহূর্তের জন্য থমকে গেল। সে জানত, এই আকুলতা যতটা প্রেমের, তার চেয়েও বেশি ধ্বংসের। ক্যানভাসের ওই নিস্পাপ মুখের আড়ালে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে, তা জানলে হয়তো আজ চিরঞ্জিত এই তুলি ধরত না। ​ক্যানভাসের ওপর শেষ বিকেলের হলদেটে আলোটা এসে যখন পড়ল, চিরঞ্জিতের মনে হলো জুঁইয়ের আঁকা মুখটা যেন তাকে বিদ্রুপ করছে। মানুষের বাহ্যিক রূপ আর অন্তরের জটিলতা—দুটোকে এক সমতলে আনা যে কত কঠিন, তা এই মুহূর্তে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ও। ​জুঁইয়ের কাঁপা কাঁপা গলার সেই শেষ প্রশ্নটা ঘরের গুমোট বাতাসের সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে আছে। "না বললে আমি বাঁচব না"—এই চরম বাক্যের মধ্যে ভালোবাসা যতটা আছে, তার চেয়েও বেশি আছে এক অদৃশ্য ফাঁস। চিরঞ্জিত জানে, জুঁইয়ের এই সমর্পণ যেমন তীব্র, তার জেদও তেমনই সংহারী। ​চিরঞ্জিত হাতের প্যালেটটা সযত্নে টেবিলের ওপর নামিয়ে রাখল। জুঁইয়ের চোখের কোণে এক বিন্দু জল চিকচিক করছে। হয়তো সেটা অভিমানের, কিংবা হয়তো অত্যন্ত কুশলী কোনো অভিনয়ের। সেদিকে তাকিয়ে চিরঞ্জিত একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল। ​"জুঁই, জীবনটা তো এই ক্যানভাস নয় যে কয়েকটা রঙের পোঁচে আমূল বদলে দেওয়া যাবে," চিরঞ্জিত শান্ত অথচ দৃঢ় স্বরে বলল। "তুমি আমাকে যে প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছ, তার উত্তর দিতে গেলে হৃদয়ের চেয়েও মস্তিষ্কের দায়বদ্ধতা বেশি প্রয়োজন।" ​জুঁই এক পা এগিয়ে এল। তার চোখের দৃষ্টিতে এখন তৃষ্ণা। সে ফিসফিস করে বলল, "তুমি কি আমায় বিশ্বাস করতে পারছ না চিরঞ্জিত? আমার ভালোবাসা কি এতোটাই মূল্যহীন যে তুমি শুধু হিসেব কষছ?" ​চিরঞ্জিত এবার ওর দিকে সরাসরি তাকাল। তার চোখে কোনো আড়ষ্টতা নেই, বরং আছে এক অদ্ভুত স্থিরতা। "ভালোবাসা মূল্যহীন নয় জুঁই, কিন্তু তা অর্জনের চেয়েও বহন করা অনেক বেশি কঠিন। তুমি আবেগ দিয়ে যে সম্পর্ক শুরু করতে চাইছ, আমি তাকে বাস্তবতার দাঁড়িপাল্লায় মাপতে চাইছি। আমার জীবন, আমার শিল্প আর আমাদের পরিবারের এই টানাপোড়েন—সব কিছু গুছিয়ে নিতে আমার খানিকটা সময়ের প্রয়োজন।" ​জুঁইয়ের মুখে এক চিলতে কালচে ছায়া পড়ল। "সময়? না কি আমাকে এড়িয়ে যাওয়ার অজুহাত?" ​"অজুহাত হলে আমি আজ এই ছবিটা আঁকতাম না," ক্যানভাসের দিকে ইঙ্গিত করে বলল চিরঞ্জিত। "তোমার এই প্রতিচ্ছবি যেমন নিখুঁত হতে সময়ের দাবি রাখে, ঠিক তেমনই আমাদের সম্পর্কের পরিণতি নিয়েও আমাকে ভাবার অবকাশ দাও। এই যে আজ বাড়িতে কেউ নেই বলে তুমি যে অস্থিরতা দেখাচ্ছ, আমি চাই না তার রেশ ধরে আমাদের ভবিষ্যতের কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।" ​চিরঞ্জিত এক পা পিছিয়ে গিয়ে বলল, "আমাকে অন্তত কিছুদিন ভাবতে দাও। একটা বড় পরিবর্তনের আগে নিজেকে তৈরি করার অধিকার সবার থাকে। তুমি বৌদির ঘরে যাও জুঁই। বড়বৌদিরা যে কোনো সময় ফিরে আসবে। আমি চাই না এই শান্ত মুহূর্তগুলো কোনো অশান্তির তর্কে শেষ হোক।" ​জুঁই স্থির দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ। সে হয়তো আরও কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু চিরঞ্জিতের কণ্ঠের কাঠিন্য তাকে থামিয়ে দিল। সে শাড়ির আঁচলটা কাঁধে তুলে নিয়ে ধীর পায়ে দরজার দিকে এগিয়ে গেল। যাওয়ার আগে একবার ঘুরে তাকিয়ে বলে গেল, "সময় আমি দিলাম চিরঞ্জিত। কিন্তু মনে রেখো, অপেক্ষার প্রহর যত দীর্ঘ হয়, মানুষের ধৈর্যও ততটাই বিষাক্ত হয়ে ওঠে।" জুঁই ওর বড়দির ঘরে গিয়ে আয়নায় নিজেকে বেশ ভালোভাবে দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলো। এই ফাঁকা বাড়িতে ও একমাত্র চিরঞ্জিতের জন্য এই হলুদ শাড়িটা পড়লো। এই শাড়িতে ওকেতো আরও সুন্দর ফর্সা মনে হচ্ছে, তাহলে চিরোঞ্জিত ওকে দেখেও কেন প্রসংশা করল না!.... জুঁই ভাবছে এমন সময় ওর নজরে পড়লো কেউ যেন বেশ ড্রুত পায়ে বেরিয়ে গেলো ঘর থেকে। "কে? কে বেরিয়ে গেলো"- বলতে বলতে ও ছুটে গেলো সামনের বারান্দা পর্যন্ত। ... ও সামনের বারান্দায় গিয়ে দেখলো এক সুন্দরী যুবতী দাড়িয়ে আছে। "এক্সকিউজ মি, আপনাকে মনে হয় ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখলাম! ঠিক চিনতে পারলাম না"- উৎকণ্ঠার কন্ঠ রোধ করে প্রস্তুতির সঙ্গে প্রশ্ন করল জুঁই। "আমি সোনালী। চিরঞ্জিতের ছবি আঁকা দেখছিলাম"- সহাস্যে জবাব দিল ও। জুঁই যেন আকাশ থেকে পড়লো! ও আর চিরঞ্জিত ছাড়াও তৃতীয় ব্যক্তি ছিল সেই ঘরে! এক যুবতী! এমন একটা শর্ট ড্রেস পড়ে! চিরঞ্জিত ওকে লুকিয়ে রেখেছিল! "তুমি ঘরে আসো! চলো দেখবে চিরঞ্জিত আমার একটা খুব সুন্দর ছবি এঁকেছে"- নিজের গর্ব প্রকাশ করলো জুঁই। "আমি দেখেছি। এখন একটু বাড়ি যাব। রাতে আবার আসবো"- বলেই সোনালী নেমে গেল বারান্দা থেকে। জুঁই আর কিছু বলতে পারলো না! এই বছর পাঁচেক ধরে ও এই বাড়ির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে, তার সুবাদে অনেক আত্মীয় স্বজনের সঙ্গেও পরিচয় হয়েছে ওর, কিন্তু একে ঠিক চিনতে পারলো না! ও খবরটা চিরঞ্জিতকে দেওয়ার জন্য ঘুরে দাড়াতেই দেখতে পেলো রীতিমত ব্ল্যাক জিন্স, লাল টি শার্ট আর মাথায় হলুদ টুপি পড়ে বেরিয়ে এসেছে ও! "আমি একটু আসছি। তুমি তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। কখন দুপুর থেকে বিকেল হয়ে গেল, খেয়ালই করিনি"- বলেই চিরঞ্জিত চলে যাচ্ছিল... কিন্তু জুঁই বললো -"তুমি ফিরে এলে তবেই খাব"!..... "আমার ফিরতে দেরী হবে! তুমি খেয়ে নাও"- বললো চিরঞ্জিত। "এই, প্লীজ চলো! ছবি আঁকতে আঁকতে খিদেতে মাথা ঘুরছে"- তাড়া দিল সোনালী। জুঁই যেন চমকে উঠলো। ও খপ করে চিরঞ্জিতকে ধরতে গেলো কিন্তু ততো সময়ে চিরঞ্জিত একটা ব্র্যান্ডেড কারে উঠে বসেছে। "ও চলে গেলো! আমাকে ছেড়ে চলে গেলো"- ভেবে মনটা ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেলো জুঁইয়ের। গোধুলীর শেষ আলোটুকুও সহাস্যে সঙ্গ ত্যাগ করলো জুঁইয়ের। কৌতূহলের সীমা ওর সহ্যশক্তির বাঁধ ভাঙতেই অভিযোগের সুরে ফোন করলো বড়দিকে। "আগে বল, তোরা দুপুরে খেয়েছিস"- জুঁইয়ের কথা শোনার আগেই বড়দি সঙ্গীতা বললো ওকে। "না! চিরঞ্জিত আমাকে ঘরে একা রেখে চলে গেলো একটা মেয়ের সঙ্গে "- অভিমানের আঁচ পৌঁছে দিল ফোনের ওপ্রান্তেও। .... কিন্তু ওপার থেকে উত্তর এলো -"ঠিক আছে। তুই কিছু খেয়ে নে। আমরা দু ঘণ্টার মধ্যেই ফিরে আসবো"! বড়দি ফোন কেঁটে দিলো। জুঁই অবাক হয়ে চেয়ে রইলো ফোনের দিকে। একবার শেষ চেষ্টা করতেই হবে! কে এই সোনালী! যে ফাঁকা ঘরে এতো সময় চিরঞ্জিতের সঙ্গে বসে রইলো অথচ বড়দির কন্ঠে কোন উদ্বেগ নেই! মিনিট কুড়ি পরেই ফিরে এলো চিরঞ্জিত। জুঁই দরজা খুলে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ওর হাত থেকে ব্যাগটা নিলো। "এতে কি আছে"- জুঁই প্রশ্ন করলো। "আমাদের খাবার"- উত্তর দিল চিরঞ্জিত। চিরঞ্জিতের এই সামান্য একটা কথায় মুখে হাসি ফুটে উঠলো জুঁইয়ের। ও তাহলে বাইরে কিছু খায়নি! আমার সঙ্গে একসাথে খাবে! এই ভেবে ও তাড়াতাড়ি রান্নাঘরে গিয়ে খাবার দুটো প্লেটে সাজিয়ে নিয়ে চিরঞ্জিতের রুমে এসেই থমকে দাড়ায়। চিরঞ্জিতের সঙ্গে কিছুটা ঘনিষ্ট মুহূর্ত কাটাচ্ছিল সোনালী। ওকে দেখে চিরঞ্জিত সোনালীকে ঠেলে দিলেও সোনালী চিরঞ্জিতের গা ঘেঁষেই বসলো। চিরঞ্জিত আরও একবার ওকে দূরে করার চেষ্টা করতেই সোনালী অস্থির হয়ে উঠলো। "এই এতো সময় ধরে ওর জন্য ছবি আঁকা হলো, এখনও কি আমরা কিছু সময় একান্তে সময় কাটাতে পারবো না"- বিরক্তি প্রকাশ করলো সোনালী। জুঁই বুঝতে পারল না এখন ওর ঠিক কি করা উচিৎ! ও চিরঞ্জিতের ইচ্ছেটা বোঝার চেষ্টা করতেই শুনতে পেলো -"তুমি প্লীজ বৌদির ঘরে গিয়ে একটু বসো। তোমার ছবি কমপ্লিট হয়ে গেলেই তোমাকে ডেকে নিচ্ছি"। চিরঞ্জিতের গলা থেকে বেরিয়ে এলো শব্দগুলো যা যেকোনো তিক্ষ্ণ অস্ত্রের চেয়েও মারাত্মক মনে হলো জুঁইয়ের। .... ও বেরিয়ে গেলো সেই ঘর থেকে। একটু আড়াল হলো ও। এরপরেই দুজনের হাসি আর দুষ্টু মিষ্টি প্রেমালাপ ওকে দিশেহারা করে তুললো। জুঁই স্থির থাকতে পারলো না আর। কিন্তু ও কিই বা আর করতে পারে! এই সোনালীর সঙ্গে চিরঞ্জিতের সম্পর্ক আছে! এরা তাহলে প্রেমিক প্রেমিকা! চিরঞ্জিতকে নিজের মনের কথা বলে তাহলেকি ও ভুলই করলো! চিরঞ্জিত অলরেডি এনগেজড! এর পরেই আকাশ পাতাল অনেক ভাবনা চিন্তা করে শেষে পাতালের নিম্নতম স্থান হতে একমুঠো কুটিল চিন্তা নিজের মস্তিষ্কে স্থাপন করে চিরঞ্জিতের নামে দোষটা চাপিয়ে দিলো। চিরঞ্জিত ওকে একা পেয়ে ওর সদ্ব্যবহার করেনি বরং ওর দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে। চিরঞ্জিতকে ও ভীষণ ভালোবাসে। সেই চিরঞ্জিত ওর কাছে এসে ওকে দুটো মিষ্টি কথা বলতেই জুঁইও নিজের কন্ট্রোল হারিয়ে নিজেকে সঁপে দেয় ওর হাতে। যদিও ব্যাপারটা যে একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে জুঁইকে এভাবে শেষ করে দেবে তা ভাবতেই পারেনি জুঁই! নিজের চাহিদা মিটিয়ে শেষে ভালোবাসার একটা কথাও বলেনি চিরঞ্জিত। এতেই আপত্তি জুঁইয়ের! তবেকি চিরঞ্জিত ওকে ব্যাবহার করলো! জুঁইয়ের মতো ওকে ভালোবাসে না! .... রীতিমত যাবতীয় বাহ্যিক ব্যাবস্থা করে রেখে বালিশে মাথা গুঁজে পড়ে থাকে ও! মিনিট দুয়েকের মধ্যেই সবাই যখন প্রায় একসঙ্গে ফিরে এলো তখন বড়দার নজরেই প্রথম পড়লো বিষয়টা। চিরঞ্জিত হন্তদন্ত হয়ে ভয়ার্ত মুখে বেরিয়ে গেলো বেডরুম থেকে। .... বড়দা প্রথমে বিশেষ গুরুত্ব না দিলেও জুঁইকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়তে দেখে নিজ স্ত্রী সঙ্গীতাকে ইশারায় ডেকে আনে।.... #🤲জুম্মার নামাজ 🤲 #💕love_forever💑 #🌤মোটিভেশনাল কোটস✍ #🤲আল্লাহ 👆 #😍পছন্দের টি২০ টিম🏏
পর্ব ১ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_16.html #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 #🌤মোটিভেশনাল কোটস✍ #💕love_forever💑 #লাভ Photos❤️ পর্ব ২ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_54.html পর্ব ৩ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_18.html পর্ব ৪ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_19.html পর্ব ৫ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_20.html https://sharechat.com/post/6Bj5nl9?d=n&ui=6G5gBdx&e1=c
😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ - Share 1 @58 8 ३ शत 2 4 50$ & = 1 1 Share 1 @58 8 ३ शत 2 4 50$ & = 1 1 - ShareChat
পর্ব ১ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_16.html #🤲আল্লাহ 👆 #📖কোরানের বাণী🤲🏻 #🙏জয় বাবা লোকনাথ😊 #🤲জুম্মার নামাজ 🤲 #📢রাজনৈতিক আপডেট🙏 পর্ব ২ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_54.html পর্ব ৩ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_18.html পর্ব ৪ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_19.html পর্ব ৫ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_20.html
🤲আল্লাহ 👆 - ধৈর্যওঘুদ্ধির খেলী लिष्ठ त्नरेल। ধৈর্যওঘুদ্ধির খেলী लिष्ठ त्नरेल। - ShareChat
পর্ব ১ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_16.html #👩তৃণমূল-TMC🧑 #👩সি পি আই এম -CPIM🧑 #📖কোরানের বাণী🤲🏻 #👩বিজেপি - BJP🧑 #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ পর্ব ২ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_54.html পর্ব ৩ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_18.html পর্ব ৪ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_19.html পর্ব ৫ https://golpo-kobitar-bhandar.blogspot.com/2025/12/blog-post_20.html
👩তৃণমূল-TMC🧑 - 9 ర్డే নেশা 9< 2 4 570<5 ఢే = స్లే ತ್ 9 ర్డే নেশা 9< 2 4 570<5 ఢే = స్లే ತ್ - ShareChat
💝 নাম, বয়স, লিঙ্গ, সমস্যা লিখে পাঠান 8637348834 নম্বরে WHATSAPP করে। আমি ওষুধ বলে দেব। আপনার চুল পড়া কম হলে ফিস 200/=টাকা পাঠিয়ে দেবেন, তখন নতুন চুল গজানোর ওষুধ বলে দেব। https://sharechat.com/post/6aal1PXM?d=n&ui=6G5gBdx&e1=c #ফারাক্কা বাঁধ🙏🙏 #farakka barrage #ফারাক্কা সংবাদ #farakka #ফারাক্কা মানে আমার শহর❤
ফারাক্কা বাঁধ🙏🙏 - চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি ROlg Sa 59 গহিয মঙ্চণগজসাখাজ 3W ా  IOI 3 G ONLINE HAIR FALL SOLUTION Wo  : চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি ROlg Sa 59 গহিয মঙ্চণগজসাখাজ 3W ా  IOI 3 G ONLINE HAIR FALL SOLUTION Wo  : - ShareChat
💝 নাম, বয়স, লিঙ্গ, সমস্যা লিখে পাঠান 8637348834 নম্বরে WHATSAPP করে। আমি ওষুধ বলে দেব। আপনার চুল পড়া কম হলে ফিস 200/=টাকা পাঠিয়ে দেবেন, তখন নতুন চুল গজানোর ওষুধ বলে দেব। https://sharechat.com/post/6aal1PXM?d=n&ui=6G5gBdx&e1=c #ফারাক্কা ব্রিজ #Farakka lover's #farakka #ফারাক্কা মানে আমার শহর❤ #farakka
ফারাক্কা ব্রিজ - চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি ROlg Sa 59 গহিয মঙ্চণগজসাখাজ 3W ా  IOI 3 G ONLINE HAIR FALL SOLUTION Wo  : চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি ROlg Sa 59 গহিয মঙ্চণগজসাখাজ 3W ా  IOI 3 G ONLINE HAIR FALL SOLUTION Wo  : - ShareChat
💝 নাম, বয়স, লিঙ্গ, সমস্যা লিখে পাঠান 8637348834 নম্বরে WHATSAPP করে। আমি ওষুধ বলে দেব। আপনার চুল পড়া কম হলে ফিস 200/=টাকা পাঠিয়ে দেবেন, তখন নতুন চুল গজানোর ওষুধ বলে দেব। #🤲জুম্মার নামাজ 🤲 #🐒বজরংবলীর অপার লীলা🙏 #🤲আল্লাহ 👆 #📖কোরানের বাণী🤲🏻 #🙏জয় বাবা লোকনাথ😊
🤲জুম্মার নামাজ 🤲 - চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি 9 = S ಞM  24 গিি ডম নঙ্চপগঙাত সাখায রজ aav G ಞii R Nಂb  8637348834 ONLINE HAIR FALL SOLUTION চুলের সমস্যায় হোমিওপ্যাথি 9 = S ಞM  24 গিি ডম নঙ্চপগঙাত সাখায রজ aav G ಞii R Nಂb  8637348834 ONLINE HAIR FALL SOLUTION - ShareChat