⁉️"🥀বসন্ত আসেনি তো 🥀"⁉️
🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓🤓
📘🙏মা সরস্বতী🙏📘
আমাকে আরো বিদ্যা দেও
🖍️📕🖍️📕🖍️📕🖍️📕
⭐23শে জানুয়ারি,2026,নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন,একই দিনে,
মা সরস্বতীর পূজা।⁉️2026,বিরল দৃষ্টান্ত...কোথায় বসন্ত‼️⁉️‼️ মা সরস্বতী'কে করো জোড়ে প্রণাম🙏🙏আমাদের প্রিয় নেতাজীর প্রতি শ্রদ্ধা মিশ্রিত প্রণাম🙏🙏
*"""
🖌️✒️🖍️🖋️📙📘📕
""মহাকাব্যের সরস্বতী""
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏"""*
তিনি বৈদিক যুগের অন্যতম প্রধান দেবী (খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ৫০০),এবং পরবর্তী সময়েও হিন্দু ধর্মে তাঁর গুরুত্ব ধরে রেখেছেন।বেদে,তাঁর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী ""সরস্বতী নদীর"" সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত।নদীর সাথে সম্পর্কিত দেবী হিসেবে,সরস্বতী তাঁর শুদ্ধি-করণ ও উর্বরতা বৃদ্ধির দ্বৈত ক্ষমতার জন্য পূজিত হন।পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে,বিশেষত ব্রাহ্মণ গ্রন্থ গুলোতে,সরস্বতী ক্রমশ বৈদিক বাক্ দেবী তথা বাকের সঙ্গে অভিন্ন হয়ে ওঠেন,এবং পরবর্তীতে এই দুই সত্তা একীভূত হয়ে একক দেবী হিসেবে পরিগণিত হন।সময়ের সাথে সাথে তাঁর নদীর সাথে সম্পর্ক কমতে থাকে🙄🙄😱😱 এবং বাক্,কবিতা,সঙ্গীত ও সংস্কৃতির সাথে সংযুক্তি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে....😳🙄😳🙄বাস্তবে সব বিষয় তাই দেখতে পাওয়া যায় [[((⁉️#⁉️[[ 👉আমিও স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছি ওরকমই সময়ের সাথে সাথে কেমন যেনো ফ্যাকাশে হয়ে গেলো ★সরস্বতী পূজা....😳😳🙄.....কোথায় সেই বাসন্ত কাল?? যখন তখন তিথির দোহাই⁉️ ছোট্ট বেলা থেকেই জানতাম শ্রী রামচন্দ্র খালি অকালে বোধন করেছিলেন‼️এখন তো দেখি কথায় কথায় সবই অকালে ‼️‼️‼️ কোথায় সেই ৭ সকালে কাঁচা হলুদ সরষে তেল দিয়ে গায়ে মেখে ..উহু উহু করতে করতে স্ন্যান ⁉️এখন লোকে দেখা দেখি বা পূরত মশাইয়ের ফর্দ দেখিয়ে সব কিনে বাটিতে রেখে দেয় ⁉️বর্তমান প্রজন্ম কেমন যেন ফ্যাকাশে মার্কা স্বভাবে ভুগছে।সরস্বতী পুজোর মানে বোঝেনা,দেশের সরকার রাজনীতিতে পুজো-অর্চনা ঢুকিয়ে দিয়ে ছেলে/বুড়োদের রাতজেগে জলযোগের গেট খুলে দিয়েছে,আর স্কুলগুলো নম্বর দিয়ে দিয়ে টিন-এজার গুলো যাতে শ্রী পঞ্চমীর ইস্যু করে আলেয়ার পেছনে ছোটে তার ব্যবস্থা করছে,ফলে এদের ভক্তি শ্রদ্ধা জলাঞ্জলি প্রায়,আর কলেজ গুলোর ক্ষেত্রে "প্রায়" কথাটা আর থাকছে না ‼️‼️কোথায় সেই,"নারকলি" কুল??? বাজারে নেই ৭/৮০০ টাকা কিলো তাই বাজারে রাখেনি।কালের অমোঘ নিয়মে সব হারিয়ে গেলো..👈]]⁉️#⁉️))]]
সরস্বতী পূজার ইতিহাস ব্রহ্ম-বৈবর্ত পুরাণের সাথে জড়িত।★🙏👉ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দেবী সরস্বতীকে বর দিয়েছিলেন,যে বসন্ত পঞ্চমীতে অন্যান্য দেবতাদের সাথে তাঁরও পূজা করা হবে।🙏🙏🙏 জয় শ্রী কৃষ্ণের জয় 🙏🙏🙏
🖋️🖋️আশাকরি,আমি বেশ কিছুটা জানার মধ্যে অজানা বিষয় উপস্থাপন করতে পারব....
....সরস্বতী হলেন জ্ঞান,বিদ্যা,শিল্পকলা,সঙ্গীত,ভাষা ও সংস্কৃতির দেবী,যিনি সাধারণত শুভ্রবসনা,শ্বেতপদ্মাসীনা এবং হংস বা ময়ূর বাহন-যুক্তা হিসেবে চিত্রিত হন;তাঁর চার হাতে থাকে বই (বেদ),জপমালা,জলপাত্র এবং বীণা,যা জ্ঞান ও সৃজন-শীলতার প্রতীক।তিনি ব্রহ্মার সহধর্মিণী এবং 'বেদের মা' হিসেবে পরিচিত,যিনি নৈসর্গিক প্রবাহ ও জ্ঞানের প্রতীক।
বর্ণ: 👉শুভ্র (সাদা), যা শুদ্ধতা ও জ্ঞানের প্রতীক।
বাহন:👉 হংস (পদ্ম বা ময়ূরও দেখা যায়),যা (ভালো-মন্দ বিচার) এবং নির্যাসকে তুলে ধরে।
আসন:👉 শ্বেত পদ্ম (বিশুদ্ধতার প্রতীক)।
মুখমণ্ডল: 👉ত্রিনয়না, ললাটে শশীকলা (চাঁদের কণা)।
পুষ্তক (বই):👉বেদ ও সমস্ত জ্ঞানের প্রতীক।
জপমালা (মালা):👉ধ্যান, আধ্যাত্মিকতা ও মনঃসংযোগের প্রতীক।
জলপাত্র (কমণ্ডলু): 👉পবিত্রতা ও শুদ্ধিকরণের প্রতীক।
⭐বীণা:👉 শিল্পকলা, সঙ্গীত এবং সৃষ্টির (harmonious) প্রকাশ।
জ্ঞানের দেবী:👉 তিনি সকল জ্ঞান,শিক্ষা, ভাষা (বিশেষত সংস্কৃতের উদ্ভাবক),শিল্পকলা ও সাহিত্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী।
সৃষ্টির অংশ:👉তিনি ব্রহ্মার মুখ থেকে সৃষ্ট এবং তাঁর জ্ঞান সৃষ্টির জন্য অপরিহার্য ছিল।
⭐★★★⭐আধুনিক রূপ:👉বর্তমানে দ্বিভুজা বীণাপাণি রূপটি বেশি প্রচলিত,যা গত ১৫০ বছরের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে।
নদী রূপ:👉প্রাচীনকালে তিনি নদী-দেবী ছিলেন এবং সরস্বতী নদীর সঙ্গে তাঁর যোগ ছিল।
‼️‼️➡️➡️লক্ষ্মী ও পার্বতীর সঙ্গে তিনি ত্রয়ী গঠন করেন।সরস্বতী সর্ব-ভারতীয় দেবী।তিনি শুধু হিন্দু ধর্মেই নয়,জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মেও পূজিত হন,প্রায় সারা বিশ্বে।মাতৃকা দেবী;➡️➡️জ্ঞান, সংগীত, শিল্পকলা, বাক্য, প্রজ্ঞা, জ্ঞানার্জন ও নদী-দেবী,ত্রিদেবী গোষ্ঠীর সদস্য...‼️‼️‼️👉★
বাংলার একটি বাজার থেকে সরস্বতীর চিত্র (১৯শ শতাব্দী, ১৮৯৫ এর পূর্ববর্তী)পাওয়া গিয়েছিল।এ বিষয়ে...ব্রিটিশ লাইব্রেরির কিউরেটরে'র সার-সংক্ষেপে বলা হয়েছে,"বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী সরস্বতী,একটি নদীর তীরে উপবিষ্টা।তাঁর পা একটি পদ্ম ফুলের উপর স্থির,বেদের প্রতিনিধিত্ব-কারী একটি তাল পাতার পাণ্ডুলিপি তাঁর পাশে রয়েছে এবং তিনি বীণা ধারণ করেছেন,একটি রাজহাঁস তাঁর বাহন হিসেবে কাছাকাছি অবস্থান করছে।➡️‼️‼️➡️‼️‼️‼️➡️‼️‼️‼️‼️➡️
শাস্ত্রীয় ও মধ্যযুগীয় হিন্দু ধর্মে,সরস্বতী প্রধানত শিক্ষার,শিল্পের এবং কাব্যিক অনুপ্রেরণার দেবী হিসেবে স্বীকৃত, এবং সংস্কৃত ভাষার উদ্ভাবক হিসেবে গণ্য হন।তিনি সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মার কন্যা হিসেবে অথবা তাঁর সৃষ্টি-রূপে যুক্ত।এই ভূমিকায়,তিনি তাঁর শক্তি উপস্থাপন করেন এবং বাস্তবতা'কে একটি স্বতন্ত্র মানবিক বৈশিষ্ট্য প্রদান করেন। তিনি সেই বাস্তবতা'র মাত্রার সাথে যুক্ত হয়ে স্বচ্ছতা ও বৌদ্ধিক শৃঙ্খলা'কে চিহ্নিত করেন।
শাক্ত ধর্ম প্রথায়➡️সরস্বতীকে সর্বোচ্চ দেবীর সৃজনশীল রূপ হিসেবে পূজা করা হয়।বৈষ্ণব মতে➡️ তিনি বিষ্ণুর অন্যতম পত্নী হিসেবে গণ্য হন এবং তাঁর ঐশ্বরিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করেন।★#★তবে,এই পুরুষ দেবতাদের সাথে সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও,👉সরস্বতী একটি স্বতন্ত্র দেবী হিসেবে সঙ্গী ছাড়াই পূজিত হন। ....🙏📙🙏ওঁ নমঃ সরস্বত্যই নমঃ🙏📙🙏.....
তিনি শান্ত ও দীপ্তি-ময় শুভ্র বর্ণের নারী হিসেবে চিত্রিত হন।তিনি সাদা পোশাক পরিহিত এবং সাদা পোশাক সত্ত্ব (পবিত্রতা ও কল্যাণ) গুণের প্রতীক।তাঁর চারটি বাহু রয়েছে,এবং প্রতিটি হাতে একটি প্রতীকী বস্তু ধারণ করেন:একটি গ্রন্থ,একটি জপমালা, একটি পদ্ম..!!!
👉⭐➡️👉⭐➡️➡️➡️➡️
হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতে, ""সরস্বতী সর্বোপরি একটি পবিত্র নদী হিসাবে আবির্ভূত হন,যার উদ্দেশ্যে তীর্থযাত্রা করা হয়,তাঁকে বাক এবং জ্ঞানের দেবী হিসাবেও উপস্থাপন করা হয়।"" শক্তিশালী প্রবহমান বৈদিক সরস্বতীর বিপরীতে তাঁকে, ""নদীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং স্রোতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ"", এবং তাঁর জলকে অবিচল ও প্রশান্ত বলে অভিহিত করা হয়। ★সরস্বতী নদীর তীর পুরোহিত এবং ঋষিদের দ্বারা পূর্ণ,যাঁরা তাঁর তীরে তপস্যা এবং যজ্ঞ করেন।তাঁর জলে উৎসর্গ এবং স্নান করার উদ্দেশ্যে লোকেদের নদীতে তীর্থযাত্রা করার অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। ➡️বশিষ্ঠের মতো মহান ঋষিদের কাছে প্রায়শই তিনি তাঁর মানবী রূপে উপস্থিত হন।
মহাভারত'ও তাঁকে তাঁর স্ব-অধিকারে জ্ঞানের দেবী হিসাবে উপস্থাপন করে এবং বাক'কে তাঁর একটি বৈশিষ্ট্য হিসাবে দেখে।মহাভারতের ""শান্তি পর্বে"" তাঁকে বেদমাতা বলা হয়েছে।তাঁর সৌন্দর্যও ব্যাপকভাবে অসংখ্য অনুচ্ছেদ দ্বারা বর্ণনা করা হয়েছে এবং #📕একটি অনুচ্ছেদে,দেবী নিজেই বলেছেন,তাঁর জ্ঞান এবং সৌন্দর্য ⭐যজ্ঞে প্রদত্ত বস্তু থেকে উদ্ভূত হয়।মহাভারতে 👉👉👉 তাঁকে সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কন্যা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।পরে তাঁকে স্বর্গীয় সৃজনশীল সামঞ্জস্য হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি ব্রহ্মার মহাবিশ্ব সৃষ্টিকালে আবির্ভূত হয়েছিলেন।
মহাকাব্য রামায়ণে......👉👉👉👉রামায়ণ রচয়িতা বাল্মীকি যখন ক্রৌঞ্চ হননের শোকে বিহ্বল হয়ে পরেছিলেন,সে সময় জ্যোতির্ময়ী ব্রহ্মাত্মজা "সরস্বতী" তাঁর ললাটে বিদ্যুৎ রেখার মত প্রকাশিত হয়েছিলেন।(( 🌟⏩তমসা নদী,যা গঙ্গার এক শাখা,সেই নদীতে স্নান করতে যাচ্ছিলেন কবি বাল্মীকি,এক শিষ্যসহ,সেই সময় একজোড়া ক্রৌঞ্চপাখি উড়ে যাচ্ছিল। "ক্রৌঞ্চ" অর্থ কোঁচবক। জলার ধরে ঘুরে বেরায় অপূর্ব সে দৃশ্য...!))⏩⏩⏩একবার রাক্ষস
ভ্রাতৃ-ত্রয় রাবণ,বিভীষণ এবং কুম্ভকর্ণ,ব্রহ্মার তপস্যা করেছিলেন,সৃষ্টিকর্তা তখন প্রত্যেককে বর দিয়ে ছিলেন।দেবতারা কুম্ভকর্ণ'কে বর না দেওয়ার জন্য ব্রহ্মার কাছে অনুরোধ করেন।ব্রহ্মা তাঁর কন্যা সরস্বতীকে আহ্বান করলেন এবং দেবতা'দের যা ইচ্ছা তা উচ্চারণের নির্দেশ দিলেন।তিনি সম্মতি জানালেন,এবং যখন রাক্ষস তাঁর বর প্রার্থনা করার জন্য কথা বললেন,তখন সরস্বতী তাঁর মুখে প্রবেশ করলেন,যার ফলে রাক্ষস বললেন, "বহু বছর ধরে ঘুমাতে চাই,হে দেবতাদের প্রভু,এটাই আমার ইচ্ছা....!!!!"...‼️ তারপরে সরস্বতী তার জিহ্বা ত্যাগ করেছিলেন।এর ফলে কুম্ভকর্ণ তার দুর্ভাগ্যের কথা চিন্তা করেছিলেন।.........🌟❕🌟❕🌟❕↕️↕️🔽সরস্বতী প্রথম ঋগ্বেদে আবির্ভূত হন,যা বৈদিক ধর্মের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস।ঋগ্বেদে প্রাচুর্য ও শক্তির বৈশিষ্ট্যের মূর্ত প্রতীক হিসেবে সরস্বতীর উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় ও প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জলের (অপ্) স্বর্গীয় স্থান এবং ভয়ঙ্কর ঝড়দেবতা ( মরুৎ ) এর সাথে যুক্ত, এই দেবী ইলা এবং ভারতীর সাথে সর্ব-দেব-মন্দিরের মধ্যে একটি অবিচ্ছেদ্য ত্রিদেশীয় সমিতি গঠন করেন।⭐➡️সরস্বতীকে একটি প্রবল এবং শক্তিশালী বন্যা হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি ষাঁড়ের মতো গর্জন করেন এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায় না।⏩অথর্ববেদ,যজুর্বেদ এবং সংশ্লিষ্ট রচনা গুলির প্রাচীন গ্রন্থে সরস্বতীকে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে দেবতা হিসাবে আবাহন করা হয়েছে।★তাঁকে রোগ
নিরাময়,সন্তানসন্ততি,সম্পদ এবং অন্যান্য আকাঙ্ক্ষা প্রদানের জন্য অনুসন্ধান করা হয় এবং ★এমনকি যজুর্বেদে একজন চিকিৎসক হিসাবে বিবেচিত হন। কিংবদন্তি গুলি বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে সরস্বতীর ভূমিকা প্রসারিত হয়।একটি গল্পে👉👉👉👉👉 তিনি বাকের রূপ ধারণ করেন,একজন নারী যিনি গন্ধর্ব'দের কাছ থেকে চুরি করা ঐশ্বরিক পানীয় সোম উদ্ধার করেন,যা নারীদের প্রতি আকর্ষণের জন্য পরিচিত স্বর্গীয় প্রাণী।★★★মহাভারতে সরস্বতীর এমন উল্লেখও পাওয়া যায়,যেখানে তিনি ইন্দ্রের সভায় উন্নতি করেন,ঋষিদের উপদেশ দেন,ভগবান শিবের🔱 তিনটি শহরের ধ্বংসের সুবিধা দেন এবং যাজ্ঞবল্ক্য ঋষির কাছে একটি দর্শন হিসেবে আবির্ভূত হন। সরস্বতীর বহুমুখী প্রকৃতি,প্রজ্ঞা, সৌন্দর্য এবং বীরত্বপূর্ণ কাজগুলি,তাঁকে প্রাচীন ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীর বিভিন্ন দিক জুড়ে সম্মানিত করে,ব্যক্তিত্বপূর্ণ করে তোলে। ..... ওঁ নমঃ শ্রী শ্রী সরস্বতী দেব্যায়াই নামহ🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏অনেক কিছু লেখার,যা শেষ হবার নয়...❕কিছুটা ভিডিও পোষ্টে অনুরণন হবে ❕....এই দিনে আমার দিদিভাই এর কথা বেশি মনেপড়ে...আমি সারাদিন তাঁর কথা ভবি।সেই ছেঁড়া রামায়ন,মহাভারত,বেদ,পূরণ আরো কত কি...‼️‼️‼️ কী অসাধারণ.....‼️তিনি আমাকে আজও স্বর্গ থেকে আশীর্বাদ করেন ।😳😱😱😳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🎹🥁🎻🎸📓📕📘📙🖋️🖍️✒️✒️🖌️✒️✒️🖍️🥁🥁🎻🎻🎸🎸📓📕📘📙🖋️
#শুভেচ্ছা #ভক্তি #🦢শুভ সরস্বতী পুজো ২০২৬🪕 #🦢শুভ সরস্বতী পুজো ২০২৬🪕 #🪕জয় মা সরস্বতী 🦢 #🪕জয় মা সরস্বতী 🦢 #🙏🪕সরস্বতী পুজোর স্ট্যাটাস🪕🙏
নেতাজী সুভাষ চন্দ্র/ব্যক্তিত্ব
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳
বক্তৃতা দ্বারা লোককে মুগ্ধ করবার অসামান্য শক্তি সুভাষ চন্দ্রের ছিল।সহজ ও সরল ভাষায় তাঁর মনোমুগ্ধকর বক্তৃতা শুনবার সৌভাগ্য যাঁদের হয়েছে,তাঁরাই সাক্ষ্য দান করবেন যে,এমন বক্তৃতা করবার শক্তি খুব কম লোকেরই থাকে।
⏩🌟⏩আজ আমি তাঁর মনুষত্ব ও চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে অন্য কিছু বলব......
পরো-দুঃখে সুভাষ চন্দ্রের কোমল হৃদয় কেঁদে আকুল হতো।বহু বন্যা ও দুর্ভিক্ষ-পীড়িত নর-নারীর সেবায় তাঁর এই চিত্ত-বৃত্তির পরিচয় পাওয়া গেছে।যুদ্ধকালেও তাঁর গভীর ভালবাসা ও স্নেহ-প্রবণ হৃদয় বহুবার আত্ম-বিকাশ করেছে।
⁉️🤓🤓❔❔মনে কেউ কিছু করবেন না, সত্যি বিষয় বেরিয়েই যায় লিখতে গিয়ে....
হতভাগ্য দেশ এই ভারতবর্ষ❕❕নতুবা এত বড় একজন আদর্শ নেতা লাভ করেও আমরা তাঁকে হারিয়ে ফেলেছিলাম...আর বর্তমানে কোনো কোনো চুনোপুটি শাসক দলে থেকে তাঁর সন্মান নিয়ে টানাটানি করে।
👉👉⁉️⁉️ইতিহাস সব সময় অনেক কিছু বলে না গোপন করে।সেই নোংরা রাজনৈতিক কারণে।নাহলে,এদেশের দ্বিতীয় প্রধান মন্ত্রী(লাল বাহাদুর শাস্ত্রী) তাসখন্দে কিভাবে হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢুলে পরেছিলেন তার হদিস করেনি দেশ সেই আমলে।কেনো❔❔ পরো দেশ তাসখন্দ??? সেখানে ইহলোকে চলে গেলেন শাস্ত্রী মশাই...‼️❔‼️❔‼️ইতর রাজনীতি তেমনই,বেশি ঘাটলে দেখা যাবে নিজ দেশেরই কেউ সেই রক্তবীজের সাক্ষর বহন করেছে।......🤓!!!আবার বলে ফেললাম......🤓!!না আর বলবো না সত্যি কথা❕❕❕😳❕❕❕
আজাদ-হিন্দ ফৌজের অন্তর্গত ঝান্সীর রাণী-বাহিনীর মধ্যে সর্ব্বাপেক্ষা বয়ো-বৃদ্ধা ছিলেন শ্রীযুক্তা চন্দ্রমুখী দেবী।তাঁর বয়স ৫৪ বৎসর।ইনি আজাদ-হিন্দ ফৌজে যোগদান করে নার্সের পদ গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্য্যন্ত জড়িয়ে ছিলেন।আজাদ-হিন্দ ফৌজের বিভিন্ন হাসপাতাল,এমন কি,যুদ্ধ ক্ষেত্রের কয়েকটি হাসপাতালেও কাজ করেছেন,ঝান্সীর রাণী-বাহিনীতে সিপাহীর পদে ছিলেন।ওনার তিনটি পৌত্র বালসেনা-দলে যুক্ত ছিল।নেতাজী সুভাষচন্দ্র এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজের সকলেই তাঁকে ‘মাতাজী’ বলে সম্বোধন করতেন।
‘মাতাজী’ আনন্দবাজার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টোরে'র সঙ্গে আলাপ-আলোচনা-প্রসঙ্গে নেতাজী সুভাষচন্দ্র তাঁর ফৌজের লোকদের কিরূপ গভীরভাবে ভালবাসতো এবং তাঁদের সেবার জন্য দারুণ বোমাবর্ষণের মধ্যেও কয়েক বার কিরূপ ভাবে নিজের জীবন বিপন্ন করে ছিলেন,তা তিনি ভাবাবেগে বর্ণনা করে ছিলেন।এরূপ ধরণের একটি দৃষ্টান্ত—যা তিনি স্বচক্ষে দেখেছেন—বর্ণনা-প্রসঙ্গে মাতাজী বলেন যে,👉👉👉👉 """ব্রহ্ম-রণাঙ্গনে যুদ্ধের শেষ পর্য্যায়ে ব্রিটিশরা একবার রেঙ্গুণে মিয়ান হাসপাতালের উপর বোমা-বর্ষণ করে।ইহা কতকটা কার্পেট-বোম্বিংয়ের ন্যায় হইয়াছিল; দুই বর্গমাইল স্থান জুড়িয়া বোমা বর্ষিত হয়।ঐ হাসপাতালের অতি নিকটেই মাতাজীর বাসগৃহ ছিল।শত-শত নাগরিক এবং আজাদ-হিন্দ ফৌজ এই বোমাবর্ষণের ফলে আহত হয়।নেতাজী আহত'দের দেখিবার জন্য ছুটিয়া যান।➡️(★ইতিহাস এসব বলে না লিখতে গিয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়)➡️➡️এই সময় মাথার উপর আবার একদল বোমারু বিমান দেখা দেয় এবং ঐগুলি বোমাবর্ষণ করিতে থাকে।🤓😳😳😳😱😱😱🙄🙄🇮🇳🙏🇮🇳★নেতাজীর গাড়ীটি একটি বোমার আঘাতে নষ্ট হইয়া যায়;কিন্তু নেতাজী তাহাতে কিছুমাত্র ভীত না হইয়া হাঁটিয়াই ঐ হাসপাতাল অভিমুখে অগ্রসর হন।তিনি তথায় উপস্থিত হইলে আহত'গণ দারুণ বিপদের মধ্যেও উল্লাসিত হইয়া উঠেন।"""
......★★★🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏👉👉👉⭐⭐⭐⭐⭐
বিদেশে ভারতীয়-দিগের হৃদয় সুভাষচন্দ্রের প্রতি কি পরিমাণে আকৃষ্ট হয়েছিল,তা জব্বলপুর ক্যাম্প-জেল থেকে সদ্য-মুক্ত সাত জন ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর সৈনিক, এলাহাবাদের বাদসাহী মণ্ডী কংগ্রেস-কমিটীর সম্বর্দ্ধনা-সভায় বিগত ৫ই নভেম্বর (১৯৪৫) সন্ধ্যা-কালে বিবৃতি-দান-প্রসঙ্গে বলেছিলেন।...❕❕
তাঁরা বলেছিলেন, """সুভাষচন্দ্র'কে স্বর্ণ-পরিমাপে ওজন করা হয়েছিল।এই স্বর্ণ দক্ষিণ-পূর্ব্ব এসিয়ায় প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ব্যাঙ্কের সম্পত্তি রূপে গণ্য হয়েছিল।শুধু তাই না,বিদেশে সুভাষ চন্দ্র এত গভীর সম্মান ও মর্য্যাদা লাভ করেছিলেন যে,তাঁর গল-দেশের একটি সামান্য পুষ্পমাল্যও জনৈক ব্যবসায়ী তাঁর যথা-সর্ব্বস্ব ব্যয়ে,বারো লক্ষ টাকা মূল্যে ক্রয় করে ছিলেন...‼️‼️আর কোন এক বক্তৃতা-সভায় নেতাজী সুভাষচন্দ্রের পাদ-মূলে যে ভক্তির অর্ঘ্য পরেছিল,তাহার মূল্য সামান্য দু’ একশত টাকা নহে—তাহামূল্য আট কোটি টাকা..."""‼️‼️‼️★★★🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🙏👆👆👆🙏🙏🙏🇮🇳🇮🇳🇮🇳😳😳😳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏
সুভাষ চন্দ্রের প্রতিভা বহুমুখী,যদিও তা কেবল দেশের স্বাধীনতা-লাভের উপায়-উদ্ভাবনেই নিরত ছিল।দেশের শিল্প-বাণিজোর জন্য প্রতিষ্ঠিত ‘"বেঙ্গল স্বদেশী লীগ"’ দ্বারা তিনি দেশের অর্থনীতিক উন্নতির বিষয়েও মনোনিবেশ করেছিলেন।😳😳দর্শনের ছাত্র হিসাবে জগৎকে নূতন কোন মতবাদ প্রদান করাও হয়ত তাঁহার পক্ষে অসম্ভব হতো না; কিন্তু যে দর্শন-শাস্ত্রের চর্চ্চায় তাঁর জীবন আরম্ভ,সেই বিষয়ের মধ্যে ডুবে থাকার অবকাশ তিনি পাননি—🤓😱😱😳😳😱😱নয়তো আজ পৃথিবী হয়ত সক্রেটিস,প্লেটো,অ্যারিস্টটল,কাণ্ট, হেগেল,শঙ্কর,রামানুজ প্রভৃতি দার্শনিক গণের মত সুভাষ চন্দ্রের কাছ থেকেও জীবনের ব্যাখ্যায় কোন নূতন তত্ত্ব লাভ করতে পারত।
সাংবাদিক সম্মেলন গুলোতেও তাঁর আচরণ ছিল ধীর-স্থির অথচ অতীব দৃঢ়।তিনি কদাচিৎ হাসতেন,কিন্তু হাসলে মৃদু ও মধুর হাসি হাসতেন।আমার মনে হয় যে,★হৃদয়া-বেগ ও ন্যায়-যুক্তির মধ্যে তিনি অবিচলিত সাম্য রক্ষা করতেন।🇮🇳🙏🇮🇳
সুভাষ চন্দ্রের রহস্য-জনক অন্তর্দ্ধানে তাঁর অপূর্ব্ব উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। মোগল-যুগে ঔরঙ্গজেবের রাজধানী দিল্লী থেকে মহারাষ্ট্র-সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজীর ফলের ঝুঁড়ি করে পলায়নের মত সুভচন্দ্রের পলানোর অভিনব কৌশলের পরিচায়ক।
সর্ব্বোপরি সুভাষচন্দ্রের স্বদেশ-প্রেম অতুলনীয়।👉তাঁর অতি বড় শত্রুকে'
ও স্বীকার করতে হবে যে,তাঁর স্বদেশ-প্রেম জীবনে-মরণে,শয়নে-স্বপনে অবিরাম-গতিতে জল-প্রপাতের বারি-রাশির মত উদ্দাম বেগে ছুটে চলত— কোনরূপ বাধা-বিঘ্ন মানত না।দেশের পরাধীনতায় তাঁর অন্তর-লোকে যে বেদনার সুর ঝঙ্কৃত হত,সেটাই তাঁকে অগ্নি-দগ্ধ খধূপের(হায়ুই বাজি) মত সুদূরের পথে নিয়ে গিয়েছিল❕❕😳😳😳🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏😳😳😳😳🙏🙏🙏😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱😱
🇮🇳হে ভারতবর্ষ তুমি কাঁদিয় না🇮🇳.....❕আজ তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা নিবেদনে যে চারিত্রিক বিশ্লেষণ করব তাতে সাধু ভাষায় বলি আচ্ছা ??গ্যারিবল্ডি কি মরিয়াছেন?শিবাজী কি মৃত?রাণা প্রতাপ সিংহ চিরদিন অমর।জর্জ্জ ওয়াশিংটনের বিনাশ নাই।নেতাজী সুভাষ চন্দ্রও চিরজীবী❕এ কথা তো প্রত্যেকেই স্বীকার করবে❕
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏
সর্ব্বত্যাগী—তেজস্বী—বাগ্মী—পরদুঃখকাতর—বন্ধুবৎসল—অতুলন স্বদেশ প্রেম—অসাম্প্রদায়িক—চির-অমর।‼️🙏🙏🙏🙏‼️🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳
সুভাষ চন্দ্রের নৈতিক চরিত্রে কখন কোন কলঙ্কে রেখা পরেনি;তিনি নিষ্কলঙ্ক চরিত্র নিয়ে চির-ব্রহ্মচারীর মত পরলোকে প্রস্থান করেছেন।সুভাষচন্দ্র দেশ-সেবার জন্য যে স্বার্থ-ত্যাগ করে গেছেন,তা প্রাচীন যুগে ভীষ্ম এবং ঐতিহাসিক যুগে রাণা প্রতাপের মধ্যে পরিদৃষ্ট হয়।তিনি ইচ্ছা করলে গভর্ণমেণ্টের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত থেকে সাধারণ বাঙালী জীবনের ভোগ-সুখে কালাতিপাত করতে পারতেন।নবীন যৌবন,সুন্দর-সৌম্য আকৃতি, পাণ্ডিত্য,অর্থোপার্জ্জনের সুযোগ-সুবিধা তিনি সমস্তই দেশ-মাতৃকার হোমানলে আহুতি দিলেন।🤓😱😱🙄🙄🙄😱😱🤓🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳
তাঁর এই ত্যাগের কথা পর্য্যালোচনা করলে...মহাকবি কালিদাস এসে পরে.. ...‼️ রঘুবংশে মহারাজ দিলীপের প্রতি সিংহের উক্তি মনে পরে—👉👉⏩⏩
❕“একাতপত্রং জগতঃ সভুত্বম্
নবং বয়ঃ কান্তমিদং বপুশ্চ।
অল্পস্য হেতোর্বহু হাতুমিচ্ছন্
বিচারমূঢ়ঃ প্রতিভাসি মে ত্বম্।”❕
🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽🔽
↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️↕️
সিংহ যেমন মহারাজ দিলীপকে “বিচারমূঢ়” বলিয়া তিরস্কার করিয়াছিল,সাধারণ লোকও হয়ত সুভাষ চন্দ্রকে ঠিক সেইরূপ মনে করিবে।কিন্তু মহৎ যাঁহার উদ্দেশ্য,ক্ষুদ্রে তাঁহার তৃপ্তি কোথায়? “নাল্পে সুখমস্তি।”
🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏🇮🇳🙏
সেইজন্য মহা-মানবে'রা আত্ম-সুখের প্রয়াসী হতে পারেন না—সুভাষচন্দ্রও পারেননি। আই.সি.এস্.(ICS -Indian Civil Service)পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করেও তিনি দাস-মনোবৃত্তির বশীভূত হতে পারলেন না—হেলায় আই.সি.এস.-পদ পরিত্যাগ করে অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করে কারাবাস ও নির্ব্বাসনের দুঃখ-কষ্ট মাথায় তুলে নিলেন।😳😱😳😱😳
সুভাষচন্দ্রের চরিত্রের মহৎ গুণ তেজস্বিতা। জীবনের প্রথম ভাগে প্রেসিডেন্সী কলেজে যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আত্মপ্রকাশ করেছিল,পরবর্ত্তী জীবনে তাই কংগ্রেসে মহাত্মা গান্ধীর আপোষ-মীমাংসাকে অসার মনে করে মহাত্মার বিরুদ্ধাচরণেও কুণ্ঠিত হননি এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন পণ করে ভারতীয় জাতীয় বাহিনী পরিচালনায় দাবানলের সৃষ্টি করেছিলেন।❕🙏❕
আজও💥💥💥🔥🔥🔥 পৃথিবীতে যুদ্ধ চলছে ...⁉️❕❕😳😳😳🤓🤓🤓
শুধু ভারতের নয়,শুধু এসিয়ার নয়,পৃথিবীর যেখানে যে দেশে,যে কোন পরাধীন জাতি আছে,সেই খানেই,সেই দেশে,সেই মানব-সমাজের প্রত্যেকটি নর-নারী সুভাষ চন্দ্রের নামের পাদমূলে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে ধন্য ও কৃতার্থম্মন্য হবে।🙏🙏🙏🙏🙏
🇮🇳😱🙏😱🙏😱🇮🇳
আমরাও তাঁকে ভক্তিপ্লুত হৃদয়ে শ্রদ্ধানত শিরে আমাদের প্রণতি জানাচ্ছি🙏##বলুন এটাই কি ঠিক করলাম না???⁉️⁉️এবং তাঁরই প্রদত্ত অমর বাণীতে তাঁকে সাদর সম্ভাষণ নিবেদন করছি—🇮🇳🙏“"জয় হিন্দ..! দিল্লী চলো..!”"🙏🇮🇳
❕❕কারণ,তাঁর সেই দিল্লী-অভিযান আজও তো শেষ হয়নি-ই।❕❕🇮🇳😱😱😱🇮🇳
বিশেষ দ্রষ্টব্য👉👉আমি সর্বদাই ব্যান হয়ে যাই।ব্যান উঠলেও...!!!! মাত্র দু দিন দু/এক জনের বেশি পোষ্টে কমেন্ট দিলেই হঠাৎ করে ব্যান করে দেয়🙄😱🙄 ফলে সকলের পোষ্টে ইচ্ছে হলেও কমেন্ট দেওয়া ভাগ্যে থাকে না।আশাকরি বোঝাতে পারলাম।মনে মনে অসন্তোষ হবেন না।সকলেই আমার কাছে সমান।শুভ কামনা সকলের জন্য রইলো।
🇮🇳🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🙏🇮🇳🙏🇮🇳
🥀🥀🥀
#শুভেচ্ছা #🙏নেতাজি জন্ম জয়ন্তী💐 #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🙏🏻দেশনায়ক নেতাজির অবদান🎖️ #🇮🇳🇮🇳প্রজাতন্ত্র দিবস Coming Soon🇮🇳🇮🇳 #🙂ভক্তি😊
⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️
জীবনের সব লড়াইয়ে শক্তি জোগায় স্বামীজি
⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️🔱⚜️
তিনি যে ধর্মের কথা বলতেন সেটা মানুষ গড়ার ধর্ম।তিনি তাঁর জীবন দিয়ে স্পষ্ট করে দেখিয়েছেন যে,ধ্যানের জগৎ আর সমাজ-সেবার জগৎ— এ দুটি পরস্পর বিরুদ্ধ নয়, একই সত্যের এপিঠ আর ওপিঠ।স্বামীজি উপলব্ধি করেছিলেন যে,প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই অপরিমেয় আধ্যাত্মিক শক্তি আছে। সেই শক্তিতে শক্তিমান হয়ে মানুষ ধীরে ধীরে নিজেকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যায়।এই পরিপূর্ণতা অবাধ অর্থ-সঞ্চয়ের মধ্যে নেই, নেই খ্যাতি আর প্রতিপত্তির মধ্যে।এই পরিপূর্ণতা রয়েছে মানুষের★হৃদয়-কন্দরে, যেখানে অসীমের স্পর্শ মানুষকে নিরন্তর এমন প্রেরণা দেয়,যাতে সে বহু মানুষের মধ্যে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করতে পারে,★জীবকে শিবরূপে উপসনা করতে পারে।🔱⚜️🔱
†★†★†★†★†“শক্তি হল জীবন,দুর্বলতা হল মৃত্যু। সম্প্রসারণ হল জীবন,সংকোচন হল মৃত্যু।প্রেম হল জীবন,ঘৃণা হল মৃত্যু।”†★†★†★†★†
তিনি বুঝিয়েছেন....নিজের ভেতর থেকে জাগ্রত হওয়ার মন্ত্র।বলতেন,""অন্য কেউ তোমাকে শিক্ষা দিতে পারবে না।অন্য কেউ তোমাকে ধর্মের পথে চালাতে পারবে না।অন্য কেউ নয়,তোমার আত্মাই তোমার শিক্ষক।""
স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏 পালিত হচ্ছে গোটা দেশজুড়ে।তাঁর জন্ম-দিবসকে জাতীয় যুব দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি এই মহান মনীষীর জন্ম হয়।সন্ন্যাস গ্রহণের আগে তাঁর নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত।দক্ষিণেশ্বরের কালী বাড়িতে শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন তিনি।ভারতীয় বেদ ও বেদান্তের দর্শনকে পাশ্চাত্য দুনিয়ায় প্রচার করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।দীর্ঘদিন পরাধীনতার অন্ধকারে থাকা জাতিকে স্বামীজি মহিমান্বিত করে তোলেন।১৮৯৩ সালে শিকাগোয় বিশ্বধর্ম সম্মেলনে হিন্দু ধর্মের গরিমার কথা তুলে ধরেন।মানুষের সেবায় ব্রতী হয়ে পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
আসলে.......ভারতবর্ষ যখন পরাধীন ধর্ম,বর্ণ, জাত-পাতে ঘেরা সমাজে আচ্ছন্ন ঠিক তখনই ধরণীর কোল আলো করে,আবির্ভূত হলেন এক বীর শিশু।নাম তাঁর "বিলে" ....হিংসার আগুনে ঘেরা নরকে জন্ম হয়েছিল তাঁর।ছিল তাঁর বুদ্ধিমত্তা।তাই তিনি অতি সহজেই বলতে পেরেছিলেন ...“তুমি খ্রিস্টের মতো ভাবলে তুমি একজন খ্রিস্টান,তুমি বুদ্ধের মতো ভাবলে তুমি একজন বৌদ্ধ।তোমার ভাবনা,অনুভূতিই তোমার জীবন,শক্তি,জীবনীশক্তি।যতই বুদ্ধি দিয়ে কাজ করো,এগুলি ছাড়া ভগবানের কাছে পৌঁছনো সম্ভব নয়।”🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏⚜️🔱🙏
কৃতজ্ঞতা ও মনুস্ব ধর্ম বিষয় বলতেন_-_-_-_-_-_-_-_-👉👉যাঁরা তোমায় সাহায্য করেছে,তাঁদের কখনও ভুলে যেও না।যাঁরা তোমাকে ভালোবাসে,তাঁদের কোনওদিন ঘৃণা করো না।আর যাঁরা তোমাকে বিশ্বাস করে,তাঁদের কখনও ঠকিয়ো না।....
একাগ্রতা প্রসঙ্গে তাঁর উপলদ্ধি ছিল
বৃহৎ মূল্য_বোধে ঘেরা...‼️এমনটাই....যে কোনও একটা ভাবনা মাথায় আনো।সেই একটা ভাবনাকেই তোমার জীবন করে ফেলো - সেটা নিয়েই ভাবো,সেটা নিয়েই স্বপ্ন দেখো,সেটা নিয়েই বাঁচো।সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে তোমার মস্তিষ্ক,তোমার পেশি,তোমার শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গকে কাজে লাগাও।প্রত্যেকটা ভাবনাকে অন্য ভাবনার থেকে আলাদা করে রাখো।এই পথেই সাফল্য আসবে।👉➡️⭐⭐⭐⭐⭐ ওপরের প্রত্যেকটা বিষয় আমি নিজে উপলদ্ধি করে দেখেছি,বাস্তবিকই সত্যি,মানুষের হৃদয়েই ঈশ্বর আছেন,আর এমন যে বিষয় নিজের ভালো লাগে সেই বিষয়টাই,ধরে থাকলে নিজের জ্ঞানে সফলতা আসে।⬅️👈
একসময় ...মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিকাগো ধর্ম-মহাসম্মেলনে (১৮৯৩) বিভিন্ন ধর্মের প্রথম সারির বক্তাদের যেভাবে বিবেকানন্দ অতি সহজে পরাজিত করে 🇮🇳ভারতবর্ষের গৌরব তুলে ধরেছিলেন।★আমার তো মনে হয়,সেই উপলদ্ধি থাকলে,আমাদের আধুনিক ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে যে-কেউ স্পষ্ট দেখতে পাবে স্বামী বিবেকানন্দের কাছে তারা কতটা ঋণী...!...‼️‼️‼️ ভারতের আত্ম-মহিমার দিকে ভারতের নয়ন তিনি উন্মীলিত করে দিয়েছিলেন।তিনি রাজনীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন।বেশি মানুষেরা অন্ধ ছিল,তিনি তাদের দৃষ্টি দিয়েছেন।তিনিই ভারতীয় স্বাধীনতার জনক, — মানুষের রাজনৈতিক,সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার তিনি পিতা।স্বামী বিবেকানন্দ হিন্দু-ধর্ম এবং ভারতবর্ষ'কে রক্ষা করেছিলেন।##🇮🇳##তিনি না থাকলে ভারতবাসী ধর্ম হারাত এবং স্বাধীনতা লাভ করতে পারত না। ★★★আমার মনে হয়......আমাদের সবকিছুর জন্য তাই আমরা বিবেকানন্দের কাছে ঋণী।###✨⭐✨স্বামীজীর জীবনে একটি মস্ত বড় দিক হলো গ্রহণ।পরিব্রাজক সন্ন্যাসী,ভীষণ বৈরাগ্য,জগত আর জীবনের দিকে তাকাবার কি
প্রয়োজন......! ....‼️‼️‼️হিমালয়ের শীতল গুহায় ‘চক্ষু কর্ণ মুদিয়া’ বসে পরতে পারতেন ধ্যানে,তা কিন্তু তিনি করেননি।👉👉🙏🙏🙏🙏🙏👉গুরুদেব বলেছিলেন স্পষ্ট চোখে মানব-লীলা দেখো,জীবন থেকে জীবনের পাঠ নাও।মানুষই ভগবান,মানুষই শাস্ত্র।তাই সব ক্ষেত্রেই স্বামীজি ছিলেন প্রথম একজন ছাত্র, শ্রীরামকৃষ্ণপরমংস দেবের★#★
কবিগুরু'ও অল্প কথায় বলে গেছেন...
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
★""""""আধুনিক কালের ভারতবর্ষে বিবেকানন্দই একটি মহৎ বাণী প্রচার করেছিলেন,সেটি কোন আচারগত নয়।তিনি দেশের সকলকে ডেকে বলেছিলেন,তােমাদের সকলের মধ্যে ব্রহ্মের শক্তি,দারিদ্র্যের মধ্যে দেবতা তােমাদের সেবা চান।এই কথাটা যুবকদের চিত্তকে সমগ্র'ভাবে জাগিয়েছে।তাই এই বাণীর ফল দেশের সেবায় আজ বিচিত্র ভাবে বিচিত্র ত্যাগে ফলছে।তাঁর বাণী মানুষকে যখনি সম্মান দিয়েছে তখনি শক্তি দিয়েছে।সেই শক্তির পথ কেবল এক-ঝোঁকা নয়,তা কোন দৈহিক প্রক্রিয়ার পুনরা-বৃত্তির মধ্যে পর্যবসিত নয়,তা মানুষের প্রাণ-মন'কে বিচিত্রভাবে প্রাণ-বান করেছে।দেশের যুবকদের মধ্যে,এমনকি স্বাধীনতা আন্দোলনের ক্ষেত্রে যে সব দুঃসাহসিক অধ্যবসায়ের পরিচয় পাওয়া যায়,তার মূলে আছে বিবেকানন্দের সেই বাণী যা মানুষের আত্মাকে ডেকেছে,আঙ্গুল'কে নয়। ⭐⭐⭐⭐
বিবেকানন্দ বলেছিলেন,
“প্রত্যেক মানুষের মধ্যে ব্রহ্মের শক্তি।” বলেছিলেন,“দরিদ্রের মধ্য দিয়ে নারায়ণ আমাদের সেবা পেতে চান।”
‼️‼️‼️........ একে বলি বাণী। এই বাণী স্বার্থ-বােধের সীমার বাইরে মানুষের আত্ম-বােধকে অসীম মুক্তির পথ দেখায়।এ তাে কোন বিশেষ আচারের উপদেশ নয়।⁉️❔ ব্যবহারিক সংকীর্ণ অনুশাসন নয়।ছুৎ মার্গের
বিরুদ্ধতা এর মধ্যে আপনিই এসে পরেছে। তার দ্বারা রাষ্ট্রিক স্বাতন্ত্রের সুযােগ হ'তে পারে বলে ভয়⁉️তার দ্বারা মানুষের অপমান দূর হবে বলে,সে অপমানে আমাদের প্রত্যেকের আত্মাবমাননা।....⁉️বিবেকানন্দের এই বাণী–সম্পূর্ণ মানুষের উদ্বোধন বলেই কর্মের মধ্য দিয়ে,ত্যাগের মধ্য দিয়েই মুক্তির পবিত্র পথে আমাদের যুবকদের প্রবৃত্ত করেছে।”""""★🇮🇳🙏🙏🙏🇮🇳
✨🔱🔱✨⚜️⚜️⚜️✨🔱🔱✨
🙏তাঁর জন্মদিন আজ, তাঁকে শতকোটি প্রণাম🙏
✨🔱🔱✨⚜️⚜️⚜️✨🔱🔱✨
‼️........ধৈর্য ধর কিছুকাল হে বীর হৃদয়
কল্যাণের নাহিক বিলয়।
জ্ঞানী গুণী মুষ্টিমেয় জীবনের পথে—
তবুও তাঁরাই হেথা হন কর্ণধার,
জনগণ তাঁহাদের বোঝে বহু পরে;
🤓🌅😳😱😌😱😳🌅🤓
চাহিও না কারও পানে,ধীরে লয়ে চল।
সাথে তব ক্রান্তদর্শী দূরদর্শী যাঁরা,😳😳
সাথে তব ভগবান্ সর্বশক্তিমান্,
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আশিস ঝরিয়া পরে তব শিরে—তুমি মহাপ্রাণ
সত্য হোক,শিব হোক সকলি তোমার।
‼️‼️‼️‼️🔱🌹🔱‼️‼️‼️‼️
সকলের জন্য রইলো শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
#স্বামী বিবেকানন্দের শুভ জন্মদিন ও তাঁর চিরন্তন বাণী #শুভেচ্ছা #ভক্তি #বিবেকানন্দ
⭐""সেই আদ্যিকাল থেকে পালিত হয়ে আসা উৎসব""⭐
❇️🌅❇️🌅❇️🌅❇️🌅❇️🌅❇️
2025 সাল তো শেষ হয়েই গেল,এসে গেল 2026। আতশ-বাজি ফোটানো হচ্ছে আর একজন আরেক'জনকে বলছে, 🌹"‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’"🌹।
যে সব উৎসব পৃথিবীব্যাপী পালন করা হয়, তাদের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো উৎসব হলো এই বর্ষবরণ উৎসব।এই উৎসব শুরু হয় প্রায় ৪০০০ বছর আগে,খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।⭐সে সময় মেসোপটেমীয় সভ্যতায় প্রথম বর্ষবরণ উৎসব চালু হয়।প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, তাকে বলা হয় মেসোপটেমীয় সভ্যতা। বর্তমানের ইরাককে প্রাচীনকালে বলা হতো মেসোপটেমিয়া।এই মেসোপটেমিয়ান সভ্যতার আবার ৪ টা আলাদা আলাদা ভাগ আছে, (১)সুমেরীয় সভ্যতা,(২)ব্যাবিলনিয় সভ্যতা, (৩)আসিরিয় সভ্যতা ও (৪)ক্যালডিয় সভ্যতা। এদের মধ্যে বর্ষবরণ উৎসব পালন করা শুরু হয় ব্যাবিলনিয় সভ্যতায়।সে সময় বেশ জাঁক জমকের সঙ্গেই পালন করা হতো বর্ষবরণ। তবে সেটা কিন্তু এখনকার মতো জানুয়ারির ১ তারিখে পালন করা হতো না।তখন নিউ ইয়ার পালন করা হতো ★বসন্তের প্রথম দিনে। বসন্তকাল এলে শীতকালের রুক্ষতা ঝেড়ে প্রকৃতি আবার নতুন করে সাজগোজ করতে শুরু করে,গাছে গাছে নতুন করে পাতা গজাতে থাকে,ফুলের কলিরা ফুটতে শুরু করে,সেইসঙ্গে পাখিরা ডানা ঝাঁপটে শুরু করে দেয় গান।আর প্রকৃতির এই নতুন করে জেগে ওঠাকেই তারা নতুন বছরের শুরু বলে চিহ্নিত করেছিল।অবশ্য তারা তখন চাঁদ দেখে বছর গণনা করতো।তাই উৎসব শুরু হতো চাঁদ দেখে।মুসলিমরা,যেমন এখন ঈদের চাঁদ দেখে,ওরাও কিন্তু তখন সেভাবেই বর্ষ-বরণের চাঁদ দেখতো।তারপর যেদিন বসন্তের প্রথম চাঁদ উঠতো,শুরু হতো তাদের বর্ষবরণ উৎসব, চলতো টানা ১১ দিন।এই ১১ দিনের অবশ্য আলাদা আলাদা তাৎপর্যও ছিলো।
ব্যাবিলনিয় সভ্যতার পর জাঁকজমক করে নববর্ষ পালন করতো রোমানরাও।ওরা আবার এক কাঠি উপরেই ছিলো।তৈরি করে ফেলেছিলো ক্যালেন্ডার।সে ক্যালেন্ডারও অবশ্য রোমানরা চাঁদ দেখেই বানিয়েছিল। আর সেই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ওদের নববর্ষ ছিলো ১ মার্চ।তবে প্রথম দিকে ওদের ক্যালেন্ডারে মাস ছিল মাত্র ১০টা,ছিল না জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারি।পরে সম্রাট নুমা পন্টিলাস জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারিকে ক্যালেন্ডারে যোগ করেন।##সমস্যা ছিল আরো,রোমানদের ক্যালেন্ডারে তারিখও ছিলো না। ‼️‼️‼️চাঁদের বিভিন্ন অবস্থা দিয়ে ওরা মাসের বিভিন্ন সময়কে চিহ্নিত করতো।চাঁদ ওঠার সময়কে বল হতো ক্যালেন্ডস,পুরো চাঁদকে বলতো ইডেস,চাঁদের মাঝামাঝি অবস্থাকে বলতো নুনেস।পরে সম্রাট জুলিয়াস সিজার এই ক্যালেন্ডারের পরিবর্তন ঘটান।তিনি ক্যালেন্ডস,ইডেস, নুনেসের ঝামেলা শেষ করে বসিয়ে দেন তারিখ।ফলে বছরে মোট ৩৫৫ দিন হয়।আর ১০ দিন তাহলে গেলো কোথায়? ‼️‼️আসলে তারা তো তখন চাঁদকে দিয়ে বছরের হিসেব করতো।আর আমরা এখন বছরের যে হিসাব করি,সেটা তো 🌅সূর্য দিয়ে হিসাব।চাঁদের হিসাব করায় তাদের বছরে ১০ দিন কম থেকে গিয়েছিল।🌙চাঁদের হিসাবে প্রতি মাসে দিন
হয় সাড়ে ২৯ টি।এজন্যই আরবি হিজরি সালের মাসগুলো ২৯ কিংবা ৩০ দিনে হয়। তো, যাই হোক,ঐভাবে বছর হিসাবের ফলে চাষিরা পরলো সমস্যায়।এই সমস্যার সমাধান করলেন হোঞ্চাস হেডাস নামের এক রোমান। তিনি করলেন কি,ফেব্রুয়ারির পরে আরেকটা অতিরিক্ত মাসই ঢুকিয়ে দিলেন।তখন সিজার দেখলেন,অবস্থা তো বড়ো বেগতিক।এতো ঝামেলা পাকানোর তো কিছু নেই,🌙চাঁদের হিসাব না করে, 🌅সূর্য দিয়ে হিসাব করলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়।ব্যস,সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো।বছর হয়ে গেলো ৩৬৫ দিনের। তবে অনেকের মতে ..তিনি সূর্য দেখে প্রথমে ৩৬৫ দিনের নয়,৪৪৫ দিনের ক্যালেন্ডার বানিয়েছিলেন!
†★†...তাহলে বোঝা গেলো রোমান সাম্রাজ্যে এই ক্যালেন্ডার নিয়ে কতো রাজ্যের ঝামেলা হয়েছিলো।আর তাই সে সময় কবে যে নতুন বছর শুরু হবে,সেটা ঠিকই করা যাচ্ছিলো না। একেক সময় একেক জায়গায় একেক দিন নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে পালিত হতো। †যিশু খ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর আগে, অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে ঠিক করা হয়েছিলো বর্ষবরণ হিসেবে পালন করা হবে ২৬ মার্চ তারিখটি।কিন্তু সেটা ঠিকভাবে মানাই হচ্ছিলো না।পরে সম্রাট নুমা পন্টিলাস যখন জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারিকে ক্যালেন্ডারে ঢোকান,তিনি ঠিক করে দেন, ★জানুয়ারির ১ তারিখ হলো বছরের প্রথম দিন। ওইদিনই হবে বর্ষবরণ।কিন্তু সে কথাও মানা হলো না। রোমানরা সেই আগের মতো মার্চের ১ তারিখেই বর্ষবরণ উৎসব করতে লাগলো। পরে জুলিয়াস সিজার যখন ৩৬৫ দিনে বছরের ঘোষণা দেন,তখন আবার বলে দেন, মার্চে নয়,বছর শুরু হবে জানুয়ারির ১ তারিখে।উৎসবও সেইদিনই হবে।এইবার কাজ হলো।বর্ষবরণ উৎসব মার্চ মাস থেকে চলে এলো জানুয়ারিতে।★★
সেই যে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার শুরু করে গেছেন,আমরা এখনো সেইদিনেই বর্ষবরণ উৎসব করছি..!!! ভাবলে ভুল হবে...??‼️‼️ আসলে ব্যাপারটা তা নয়। যদিও আমরা জানুয়ারির ১ তারিখেই উৎসব করছি,দিনটা কিন্তু এক নয়।সিজারের ক্যালেন্ডারেও সমস্যা ছিলো।সেই সমস্যা দূর করেন একজন "ডাক্তার।"⭐⭐⭐⭐⭐নাম তার "অ্যালোসিয়াস লিলিয়াস"।কিন্তু ইতিহাসে তাঁর নাম সেভাবে কেউ জানে না। 🙏🙏🙄🙄🙄কারণ, ক্যালেন্ডারটির কথা সবাইকে জানান একজন পোপ।সবাই তাকেই চেনে।তিনি পোপ ত্রয়োদশ (১৩তম) গ্রেগরি।পোপ গ্রেগরির নাম অনুসারে ক্যালেন্ডারটির নামকরণ করা হয়েছে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার।😳😳🙄😳🙄😳🙄🙄😳🙄😳😱😱এভাবে ভুল ভাল ইতিহাস কত মানুষের অস্তিত্ব কে হারিয়ে ফেলেছে,কত স্বাধীনতা সংগ্রামির নাম'ই ইতিহাস দেয়নি,ওখানেও রাজনীতির অন্ধত্ব কাজ করে গেছে 😱😱😳🙄😳🙄😳😳আমরা এটিই ব্যবহার করি।এই ক্যালেন্ডারটি তৈরি করা হয় মাত্র ৪০০ বছর আগে, ১৫৮২ সালে। আর এটি বের করার পর এর সুবিধার কারণে আস্তে আস্তে সকল জাতিই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা শুরু করে।ফলে আগে যারা নিজস্ব ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বর্ষবরণ উৎসব পালন করতো,তারাও এখন গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জানুয়ারির ১ তারিখেই নববর্ষ হিসেবে পালন করতে শুরু করে দিলো।বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরলো ১ জানুয়ারির বর্ষবরণ উৎসব।আর এখন তো পুরো পৃথিবী জুড়েই সবাই নিজস্ব বর্ষবরণের পাশাপাশি পালন করে ইংরেজি নববর্ষ। আমরাও পহেলা বৈশাখের পাশাপাশি প্রতি বছরই ১ জানুয়ারিতেও বর্ষবরণ করি।‼️⭐‼️ এদিনও আমরা সারারাত আনন্দ করি, ইউরোপ আমেরিকায় ১ জানুয়ারি সবাই ছুটি কাটায়।...‼️‼️‼️
😁""আদ্যিকালের বদ্যি বুড়ো সেই জানুয়ারি""😁
😁⭐😁⭐‼️2026‼️⭐😁⭐😁
সকলের জন্য রইলো
⭐ "hApPy nEw yEaR"⭐
💮🌸💮🌸💮🌸💮🌸💮
#শুভেচ্ছা #✨হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৬💐 #2️⃣0️⃣নতুন বছরের স্টেটাস2️⃣6️⃣ #2️⃣0️⃣নতুন বছরের স্টেটাস2️⃣6️⃣ #✋🏻টা টা 2️⃣0️⃣2️⃣5️⃣ #✋🏻টা টা 2️⃣0️⃣2️⃣5️⃣ #🙏স্বাগত 2️⃣0️⃣2️⃣6️⃣
💒সেদিনের সেই কাঠের গির্জা থেকে আজকের ব্যান্ডেল চার্চ💒
🕯️⛪🕯️⛵🎂⛵🕯️⛪🕯️
একটি চার্চের জন্ম নিয়ে হাজারো গপ্পো...‼️ আর সেই সব গল্পের দর্শক একটি নদী বন্দর। বাংলার হুগলি নদীর বন্দর।চার্চের নাম, ব্যান্ডেল চার্চ। ইতিহাস কিভাবে কথা বলে তার জলজ্যান্ত প্রমাণ থাকলো এই পোষ্টে...‼️🛳️🛳️🛳️🛳️🛳️এই কাহিনির সঙ্গে আশ্চর্য যোগ ভিন্ন দেশ ও সভ্যতার।এদেশের নয় অথচ এই দেশকে বাদ দিয়েও নয় এই বন্দরের কাহিনি-কথা সহজ করে বলাই যায়।বাংলার এক আগলি বন্দরের ধার্মিক কড়চা।কেন না, "ধর্ম" মানেই ধারণ।আর তার সূত্রে আসে ধারক মানুষের কথাও। সেই মুখগুলো অবশ্য হারিয়ে গেছে কালের নিয়মে,বাংলার লাইফ লাইন....‼️‼️‼️⛵⛵ এই নদী ভাগীরথী যা পশ্চিম বঙ্গে হুগলী নদী নামেই বেশি পরিচিত...‼️‼️ সব সময়ই আমন্ত্রণ করে এসেছে যে বিদেশিদের,তারা কখনও এসেছিল ব্যবসার জন্য,তো কখনও বসতি স্থাপনের জন্য।পর্তুগিজ'দের বাংলায় আগমনও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
....⛵⛵ভাস্কো-ডা-গামা ভারতের পশ্চিম উপকূলে পৌঁছনোর প্রায় এক শতক পরে পর্তুগিজরা বাংলাতে প্রবেশ-পথ তৈরির পরিকল্পনা করে।পাঠান নবাব মহম্মদ শাহ-র সমর্থনে ১৫৩৭-এ পর্তুগিজ অ্যাডমিরাল সাম্পায়ো যুদ্ধ জাহাজ ও সেনা নিয়ে শের'খাঁ-কে আক্রমণ করেন এবং পরাজিত করেন। সেই যুদ্ধ জয়ের দৌলতেই পর্তুগিজরা গঙ্গার পাশে বাণিজ্যকুঠি গড়ার অধিকার পায়। ক্যাপ্টেন পেড্রোকে পছন্দ করতেন ★ মুঘল নবাব আকবর। তাই ১৫৭১ সালে সম্রাট আকবর হুগলিতে একটি শহর নির্মাণের অনুমতি দেন।সেই অনুসারে ১৫৭৯-এ তৈরি হল বাণিজ্যকুঠি।সেই কুঠি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তৈরি হল দুর্গ।দুর্গের প্রধান ক্যাপ্টেন পেড্রো তাভারেস বন-জঙ্গল সাফ করে নতুন নগর ও বন্দরের পত্তন করলেন।নাম রাখলেন ‘উগোলিম’(ইংরাজিতে আগলি)।ঐতিহাসিক সেই নাম-শব্দেরই অপভ্রংশ "‘হুগলি’"।আর পর্তুগিজ ‘ব্যান্ডেল’ শব্দের অর্থ হল বন্দর।
‼️🛳️‼️🛳️‼️🛳️‼️🛳️‼️....★†★.##আমি অনেক লেখাতেই দেখিয়েছি, মুসলিম'দের সর্ব ধর্মের প্রতি আলিঙ্গনে ঘাটতি কোনোদিন ছিলনা ....দু'দিন পরই নতুন বছর,ক্যালেন্ডার রূপায়ণে তাদের ভূমিকাই প্রাধান্যতা পায়।★†★......🕯️🕯️‼️‼️
শহর তো হল,এবার চাই অন্য ধর্মের দেশে নিজের আচার-আচরণ পালনের সুবিধে। আকবরের কাছ থেকে তারও অনুমতি মিলল সহজেই। ১৫৯৯ সালে হুগলি নদীর পাশে তৈরি হল একটি কাঠের গির্জা — "‘নোসা সেনহোরা দো রোজারিও"’।[Nosa Senhora Do Rojareo] যার ইংরাজি অর্থ ‘আওয়ার লেডি অফ হ্যাপি ভয়েজ’।[OUR LADY OF HAPPY VOICE],সেটিই এখনকার ব্যান্ডেল চার্চ। †‡†ভারতের এই প্রাচীনতম গির্জাটি আজ বাংলার পর্তুগিজ-জীবনের একটি স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। ৪০০ বছরে পৌঁছনোর পর এটিকে,’"ব্যাসিলিকা"’-র সম্মান দিয়েছিল রোমের ভ্যাটিকান।চার শতকের ইতিহাসে বহুবার বহু আঘাতও এসেছে এই চার্চের উপর।ভেঙে পরেছে এটি মাঝে মাঝেই।১৬৬০-এ ফাদার গোমেজ যেমন ইট ও কংক্রিটের দ্বারা একটি নতুন মার্জিত গির্জা তৈরি করতে বাধ্য হন।কিন্তু সেই ভবনটিও বেশিদিন নিরাপদ রইল কই!‼️‼️‼️‼️!!!!!!!!
(((⁉️⁉️একটু আরো অতীতের ইতিহাস শুনতে হবে......‼️‼️‼️‼️
১৬২২-এ সম্রাট জাহাঙ্গির-এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন যুবরাজ হারুণ (পরবর্তীকালে শাহজাহান)।তৎকালীন পর্তুগিজের গভর্নর মাইকেল রডড্রিগস শাহজাহানকে সাহায্যের প্রস্তাবে রাজি হননি। সম্রাট হওয়ার পর তার বদলা নিতে ১৬২৮-এ মুঘল সুবেদারকে ব্যান্ডেল অভিযান করান সম্রাট।বিশাল বাহিনী পর্তুগিজ দুর্গ ঘিরে ফেলে। ভিতরে তখন আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত মাত্র ২০০ পর্তুগিজ সৈনিক।পর্তুগিজরা সেদিন জয়ী হয়নি নিজেদেরই একজনের ★বিশ্বাস-ঘাতকতায়। ১৬৩২-এর ২৪ জুন,সেন্ট জন দ্য ব্যাপটিস্ট-এর উৎসব।সেই দিন বেইমানের বদান্যতায় মুঘল সেনারা পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে অস্ত্রভাণ্ডারের দখল নিয়ে বারুদখানায় আগুন লাগায়।গণ-নিধন হয় সাধারণ খ্রিস্টানদের।জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়😱🙄🙄 তৎকালীন পর্তুগিজ গভর্নরকে এবং নিহত হয় পাঁচ পাদ্রি।চার্চ সহ অন্যান্য ভবনগুলিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।চার্চের সবচেয়ে প্রবীণ পাদ্রি ফাদার জোয়াও দ্য ক্রজ-সহ ৪০০০-এর বেশি পর্তুগিজ নরনারীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় মুঘল রাজধানী আগ্রার দুর্গে।)))
‼️‼️‼️⁉️⁉️⁉️‼️‼️‼️
পরে সম্রাট শাহজাহান গির্জা পুনর্গঠনের জন্য অর্থ প্রদান করেন।১৬৩৩-এ ব্যান্ডেলের ৭৭৭ একর জমি নিষ্কর হিসাবে পর্তুগিজ'দের দান করার পাশাপাশি সেখানে কোনও বিষয়ে মুঘল হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং স্বাধীন ধর্মাচরণ-সহ আরও ১৫টি অধিকার পর্তুগিজদের দেন।★†★তবে এই দানের পেছনে একটি নাটকীয় ঘটনা রয়েছে।কিংবদন্তি বলে,সেখানে দরবার হলে ফাদার ক্রজকে ফেলে দেওয়া হয় কয়েকটি ক্ষিপ্ত হাতির সামনে। ‼️🙄‼️এর মধ্যে যে হাতিটি সবচেয়ে বড়, সে এসে ফাদারকে শুঁড়ে জড়িয়ে শূন্যে তোলার পর নিজের পিঠে বসিয়ে সোজা সম্রাটের সামনে গিয়ে পা মুড়ে বসে শুঁড় তুলে স্যালুট দেয়।🙏🙏 হাজির দর্শকরা মনে করেন,আল্লার নির্দেশেই হাতিটি ফাদার ক্রজকে মারেনি।তাঁরা সমস্বরে আওয়াজ তোলেন,‘খ্রিস্টানরাও আল্লার প্রিয়, তাদের মুক্তি দাও’।...............⁉️একেই বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে.....এটি এমন একটি অবস্থার ইঙ্গিত দেয় যেখানে অধর্ম বা অন্যায় কাজ যতই লুকানো হোক না কেন, বাতাসের কারণে কল (ঘন্টার মতো) কেঁপে ওঠার মতো করেই তা একদিন প্রকাশ পায়।..........
সেই গান্ধীজির রঘুপতি রাঘব রাজা রাম .......!!!....ঈশ্বরা আল্লাহ তেরে নাম, সাবকো সন্মতি দে ভগবান
(মনে মনে গানটা করুন...)
🕯️🕯️💒🕯️🕯️💒🕯️🕯️
ব্যান্ডেল চার্চকে কেন্দ্র করে অনেক অলৌকিক ঘটনাও শোনা যায়। ১৬৩২-এ মুঘল আগ্রাসনের সময়ে তিয়াগো নামে এক পর্তুগিজ,মাদার মেরি-র মূর্তিটি নিয়ে গঙ্গা পার হচ্ছিলেন।সেই সময় তিনি মুঘল সেনাদের তিরে নিহত হন,মূর্তিটি ডুবে যায়।তাই,চার্চটি নতুন করে তৈরি হলেও মেরির কোনও মূর্তি ছিল না।এক রাতে ফাদার ক্রজ স্বপ্নে দেখেন, নদীর থেকে এক অদ্ভুত রশ্মি তাঁর দিকে আসছে,আর তিয়াগো চিৎকার করে বলছেন, ‘স্বাগত,স্বাগত,স্বাগত...!!!!! আওয়ার লেডি অফ হ্যাপি ভয়েজ আমাদের জয়ী করেছেন। জাগুন, ফাদার জাগুন! আমাদের জন্য প্রার্থনা করুন’।...... পরদিন সকালে চার্চের বাইরে ‘গুরুমা ফিরে এসেছেন’ বলে জেলেদের(★আজও সেই জেলে পাড়া বর্তমান)চিৎকারে ফাদার এসে দেখেন, দরজার খানিকটা দূরে সেই ডুবে যাওয়া মূর্তিটি পরে আছে। ফাদার মূর্তিটি তুলে এনে মূল প্রার্থনা বেদিতে স্থাপন করেন।পরে ১৯১০-এ,সেই মূর্তিটি দোতলার ব্যালকনিতে স্থাপিত হয়।🛳️🛳️🛳️💒💒🕯️🕯️🛳️🛳️🛳️
গির্জার সম্মুখে একটি জাহাজের মাস্তুল রয়েছে। কথিত আছে, বঙ্গোপসাগরে একটি পর্তুগিজ জাহাজ প্রবল ঝড়ের মুখে পরলে মেরী-মাতা জাহাজটিকে রক্ষা করেন।এরপর কৃতজ্ঞতা স্বরূপ জাহাজের কাপ্তান মাস্তুলটি গির্জায় দান করেন,সেটি এখনো সংরক্ষিত করা আছে।গির্জায় তিনটি পূজাবেদি, কয়েকটি সমাধিপ্রস্তর,একটি পাইপ অর্গ্যান ও মেরির একটি সিংহাসন রয়েছে।
ব্যান্ডেল গির্জা বা ব্যান্ডেল চার্চ পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম খ্রিষ্টান গির্জাগুলির একটি।★বিশ্ব বিখ্যাত★এই গির্জার পোষাকি নাম 💒†দ্য ব্যাসিলিকা অফ দ্য হোলি-রোসারি, ব্যান্ডেল।†💒
ব্যান্ডেলের আশেপাশে খুব অল্প পর্তুগিজ বংশোদ্ভূতই এখনও থাকেন।সেই ঐতিহাসিক ৭৭৭ একর জমিরও অনেকটাই বেদখল...‼️‼️! তবু সাধারণ মানুষের উৎসাহে চিড় ধরেনি একটুকুও।প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ দর্শনার্থীর সফরের তালিকায় আছে ব্যান্ডেল চার্চ।আজ এই চার্চ ইতালি মার্বেল এ মোরা,যা দেখলে এই গল্পের সাথে মিল খুজে পাওয়া মুশকিল।
🕯️🕯️💒🕯️🕯️💒🕯️🕯️
প্রভু যীশু তুমি আমাদের ক্ষমা করো।
তুমি আমাদের অন্তরে বিরাজ করো..!!
⭐🙏⛪🙏⛪🙏⛪🙏⭐
#শুভেচ্ছা #🎄🎅🏻মেরি ক্রিসমাস ২০২৫🎅🏻🎄 #🦌🎄 বড়দিনের গল্প ২০২৫🌲🎁 #🎅🏻ক্রিস্টমাস স্টেটাস🎄 #🎅🏻ক্রিস্টমাস স্টেটাস🎄 #🎄ক্রিসমাস ক্যারোল গান ২০২৫🎵
"যুদ্ধের দেবতা ও দেব সেনাপতি"
🙏‼️🙏‼️🙏‼️🙏‼️🙏
#"ওঁ কার্ত্তিকেয়ং মহাভাগং ময়ুরোপরিসংস্থিতম্।
তপ্তকাঞ্চনবর্ণাভং শক্তিহস্তং বরপ্রদম্।।
দ্বিভুজং শক্রহন্তারং নানালঙ্কারভূষিতম্।
প্রসন্নবদনং দেবং কুমারং পুত্রদায়কম্।।"#[👉কার্ত্তিকদেব মহাভাগ,ময়ূরের উপর তিনি উপবিষ্ট।তপ্ত স্বর্ণের মতো উজ্জ্বল তাঁর বর্ণ। তাঁর দুটি হাতে শক্তি নামক অস্ত্র।তিনি নানা অংলকারে ভূষিত।তিনি শত্রু হত্যাকারী।প্রসন্ন হাস্যোজ্জ্বল তাঁর মুখ।]
শিব ও পার্বতীর সেই সন্তান যার জন্ম হয়েছিল তারকাসুর বধের জন্য।দক্ষযজ্ঞে সতী তাঁর দেহত্যাগ করলেন এবং তারপর শিব অনন্ত তপস্যায় চলে গেলেন।এই সময়ে ত্রিলোকে তারকাসুর নামে এক অসুর ত্রাসের সৃষ্টি করলো।তারকাসুর বর পেয়েছিল যে একমাত্র শিব-দুর্গার পুত্রই তাঁকে বধ করতে পারবে,সতীর মৃত্যু ঘটেছে এবং শিব তপস্যারত তাই সে নিশ্চিত ছিল যে সে অবধ্য। এদিকে দেবতারা বিপদ বুঝে দেবী মহামায়াকে হিমালয়ের পুত্রী পার্বতীরূপে জন্মগ্রহণ করতে অনুরোধ করেন।দেবী পার্বতীর নিরন্তর তপস্যায় তুষ্ট হয়ে শিব পুত্রলাভের নিমিত্তে পার্বতীর কাছে অবতীর্ন হন এবং শিব-পার্বতীর বিবাহ হয়।কিন্তু শিবের মনোবাসনা পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই দেবতারা তাঁর দরবারে হাজির হলেন।শিব ও শক্তি রূপিনী পার্বতীর এই যুগ্ম তেজ এক তীব্র অগ্নিপিন্ডের সৃষ্টি করে।পার্বতী নিজে তা নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে শিবের মাধ্যমে অগ্নি-দেবকে দান করেন, কিন্তু স্বয়ং অগ্নিদেবও সেই তেজ সহ্য করতে পারেন না এবং অগ্নি-পিণ্ডটি গঙ্গা নদীতে ফেলে দেন।সেই ভীষণ তেজ গঙ্গার জলকে উত্তপ্ত করে এবং গঙ্গা তা এক বনের মধ্যে নিক্ষেপ করেন।সেই অগ্নি-পিণ্ডটি বনবাসিনী ৬ জন কৃত্তিকার গর্ভে ভাগ হয়ে যায় এবং ৬ টি মাথা বিশিষ্ট ষড়ানন কার্তিকের জন্ম হয়।বনের মধ্যে কৃত্তিকার দ্বারা পালিত হওয়ায় এই শিশুর নাম হয় "কার্তিক"।পরে পার্বতী অতি সুন্দর ও লাবণ্যময় কার্তিকের জন্ম সংবাদ পেয়ে তাঁকে বাড়ি নিয়ে আসেন।বাল্য-বয়সেই তাঁর বীরত্বের জন্য তিনি দেব-সেনাপতি নিযুক্ত হন।এরপর ইন্দ্রদেবের ও দেব-সেনাগনের সাহায্যে তিনি তারকাসুরের সাথে মহাযুদ্ধে লিপ্ত হন এবং যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে তারকাসুরকে বধ করেন।★মৃত্যুমুখে তারকাসুর বর চেয়ে নেন সর্বদা কার্তিকের সঙ্গে থাকার,তাই যুদ্ধে যে দুটি রূপে তারকাসুর অবতীর্ণ হয়েছিলেন- তা ময়ুর এবং মোরগ রূপে,সেভাবেই ময়ুর-বাহন রূপে সর্বদা কার্তিকের সাথেই থেকে যান😳😳 এবং মোরগটি কার্তিকের তারকাসুর বধের চিহ্ন হিসেবে পতাকাতে থেকে যায়।★আসলে কি জানেন "নির্মম সত্য বলিও না"????...তাহলে তুমি খারাপ হইবে‼️‼️‼️আমরা অনেক কিছু জানি কিন্তু সত্যিই কিছু জানি না।
অষ্টম শতকের ভাস্কর্য কার্তিকের বাহন আলস্য-বিহীন ময়ুর।অসাধারণ কর্মতৎপর এই পক্ষী খুবই সুন্দর দেখতে।ময়ূরের পায়ে একটি সাপ অর্থাৎ অহংবোধ ও কামনা বাসনা বলি দিয়ে তিনি যুদ্ধ করতে ব্যস্ত।ময়ূর অত্যন্ত সজাগ এবং কর্মচঞ্চল পাখী।সৈনিক কার্তিকের সব গুণ গুলি সে বহন করে।ময়ূর খুব সামান্যই নিদ্রা যায়।সর্বদা সতর্ক। আলস্যহীন।ময়ুরের স্বজন-প্রীতি লক্ষণীয়। সৈনিক পুরুষ ময়ূরের মতো অনলস, কর্মকুশল এবং লোকপ্রিয় হবেন তা বলাই বাহুল্য।তাছাড়া,ময়ূর মেঘ দেখলে যেমন আনন্দে পেখম তুলে নৃত্য করে,তেমনই ধীর ব্যক্তি শত বিপদেও উৎফুল্ল থাকবেন।সৌন্দর্য ও শৌর্য – কার্তিকেয়ের এই দুই বৈশিষ্ট্যই তাঁর বাহন ময়ূরের মধ্যে বিদ্যমান।এ কথা গুলি আমার,হয়তো সকলে না মানতেই পারেন।
★★★দেবতাদের রূপ আর জন্ম বৃত্তান্ত নিয়ে নানা পূরণ আর উৎস সমূহ নানা ভাবে উপস্থাপনার দ্বারা তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে।আমি আগে এক পোষ্টে লিখেছিলাম ,কবি গুরু টিপ্পনী কেটেছেন এই নিয়ে।★★★
একটি উৎস অনুযায়ী শিবের অন্য রূপ রুদ্র অগ্নির সঙ্গে এক হওয়ার পরে মহাদেব সপ্তর্ষি-পত্নীদের রূপে কামমোহিত হয়ে পরেন।তাঁকে তুষ্ট করতে স্বাহা অরুন্ধতী ছাড়া বাকি ছয় সপ্তর্ষি-পত্নী যথা সম্ভূতি,অনসূয়া,ক্ষমা,সন্নতি, প্রীতি ও লজ্জা ছদ্মবেশে ছ’বার অগ্নির সঙ্গে মিলিত হন।এর ফলে ছ’মাথা,দ্বাদশ বাহু যুক্ত যে কুমারের জন্ম হয় তিনি কার্তিক।আবার অন্য মতে হর-পার্বতীর মিলনের ফলে সৃষ্ট তেজ-ধারা পার্বতীর গর্ভ অতিক্রম করে ছ’বার পৃথিবীতে পরে।পার্বতী সেই তেজঃপুঞ্জকে এক করলে ছ’মাথা ও দ্বাদশ হাতযুক্ত এক বিক্রম কুমারের জন্ম হয়।কৃত্তিকা নক্ষত্রে তাঁর জন্ম হয়েছিল এবং ছয় কৃত্তিকার দ্বারা তিনি পুত্র রূপে গৃহীত ও প্রতিপালিত হন বলে তাঁর নাম কার্তিকেয় বা কার্তিক।তাঁর আরো অনেক নাম আছে যেমন.....👉
গুহ,পাবকি,মহাসেন,ষন্মুখ,কুমার,কুমারেশ, গাঙ্গেয়,বিশাখ,মহাসেন,কুক্কুটধ্বজ, নৈগমেয়।যখন তিনি গঙ্গার পুত্র,তখন তিনি কুমার।পার্বতীর পুত্র হলে স্কন্ধ|কৃত্তিকা বা মহাদেবতনয় হলে কার্তিকেয়|অগ্নিপুত্র হলে তাঁর পরিচয় গুহা।★আসলে তাঁর পরিচয় জন্মে ও কর্মে।ব্রহ্মার বরে মহাবলী তারকাসুরের নিধনের জন্যই অমিত বিক্রম যোদ্ধা কার্তিকের জন্ম হয়েছিল।দৈববলে অজেয় শক্তি সম্পন্ন এই দেবশিশু কার্তিকেয় তারকাসুর নিধন করেছিলেন।আর এই তারকাসুর নিধন করে দেবকুলে কার্তিক হয়ে গেলেন দেব-সেনাপতি।তাই কার্তিকের পুজো হয় মহা সমারোহে।দেবতা রূপে কার্তিক একসময়ে সারাভারতীয় উপমহাদেশেই খুব জনপ্রিয় ছিলেন।ভারতীয় পুরাণগুলির মধ্যে স্কন্দ পুরাণে কার্তিকের বিষয়ে সবিস্তারে লেখা আছে।তাছাড়াও মহাভারতে এবং সঙ্গম তামিল সাহিত্যে কার্তিকের নানা বর্ণনা রয়েছে।ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে বারোটি হাত যুক্ত কার্তিকের একটি অভিনব মূর্তি রক্ষিত আছে।কার্তিক হিন্দুদের উর্বরতার দেবতা।কার্তিক পূজার মাধ্যমে দম্পতিরা সন্তান প্রার্থনা করে থাকেন৷★★★কথিত আছে দেবকী কার্তিকের ব্রত করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে পুত্ররূপে লাভ করেছিলেন ৷🙏জয় শ্রী কৃষ্ণ🙏কথায় বলে কার্তিকের মতো চেহারা অর্থাৎ কার্তিকের দেহ আকৃতি অত্যন্ত সুন্দর ও বলিষ্ঠ এই কারণে কার্তিক পূজার মাধ্যমে দম্পতিরা সুন্দর ও বলিষ্ঠ চেহারার সন্তান প্রার্থনা করে থাকেন৷কার্তিকের পূজা খালি সন্তান প্রাপ্তির পূজা নয়,এ সব পুরান কথার সাপেক্ষে তৈরী স্থানীয় লোকাচার মাত্র।কথিত আছে কার্তিক ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর পুত্রীদের বিবাহ করেন।ব্রহ্মা ও সাবিত্রীর মেয়ে দেবী ষষ্ঠী পুরাণ মতে কার্তিকের স্ত্রী,যিনি জন্ম ও জন্মসুত্রের দেবী।সেই কারণেই হয়তো বঙ্গদেশে সন্তানলাভের আশায় কার্তিক পূজা করা হয়।কার্তিক দেবতাদের সেনাপতি তিনি অসীম শক্তিধর দেবতা,এজন্য তাকে রক্ষা কর্তা হিসেবে পূজা করা হয়৷কার্তিক নম্র ও বিনয়ী স্বভাবের দেবতা৷কিন্তু সমাজের অন্যায় ও অবিচার নির্মূলে তিনি অবিচল যোদ্ধা৷ আমি বলি কি আসুন সকলে,আমরা কার্তিকের ন্যায় প্রতিষ্ঠার আদর্শ অনুসরণে নীতিবান হতে চেষ্টা করি৷তাঁকে অনুসরণ করে বিনয়ী মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারি এবং আদর্শ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেও পারি৷আমাদের সকলকেই কার্তিকের মতন নম্র ও বিনয়ী হওয়া উচিত এবং অন্যায় অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া উচিত৷,এই ঔচিত্ব যেনো লোক দেখানো না হয়।
হে মহাভাগ,দৈত্যদলনকারী কার্ত্তিক দেব তোমায় প্রণাম করি।🙏হে মহাবাহু,ময়ূর বাহন, তোমাকে নমস্কার।🙏হে রুদ্রের (শিব) পুত্র,শক্তি নামক অস্ত্র তোমার হাতে।তুমি বর প্রদান কর।🙏
🥀🙏🥀🙏🥀🙏🥀🙏🥀
#শুভ কার্তিক পূজা #🔴আজকের ভক্তি ভিডিও স্ট্যাটাস😀 #ভক্তি #শুভেচ্ছা #কার্তিক ঠাকুর/ কার্তিক পুজো 🙏🏹🏹
💡"সেই ইতিহাস"💡
🔱🕉️💡🕉️🔱
💡🕉️💡🕉️💡
আজকাল সবাই বই পড়তে ভুলে গেছে।আমি আগেও বলেছি বাংলার ইতিহাস জগৎ বিখ্যাত... তা সর্বদা উপমা অলংকারে
বর্ণাঢ্যময়‼️‼️‼️‼️আমি নিজের মতো করে একটু লিখি....
উৎসবপ্রিয় বাঙালি শুধু পালা-পার্বণে নয়,তার আনন্দের উৎস খোঁজে যে-কোনো অনুষ্ঠানেই। এমনকী কোনও কোনও ক্ষেত্রে অশীতি-পর কিংবা নবতী-পর পারিবারিক সদস্যদের মৃত্যুযণ্ত্রণা ভুলতেও।সেটা অবশ্য শুধু বাঙালির ক্ষেত্রেই নয়,সব জাতির মধ্যেই দেখতে পাওয়া যায়।সেই সূত্রেই দীপান্বিতা অমাবস্যার আলোকমালা।নিভে আসার পর পূর্ব-পুরুষদের উদ্দেশে প্রদীপ দানও একটি আনন্দের আচার।আর এই প্রদীপ দানের পরেই চণ্ডী-স্তোত্র পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পরবর্তী আর-একটি হৈমন্তিক পার্বণ মা জগদ্ধাত্রীর আরাধনা।
শাস্ত্রে মা জগদ্ধাত্রী দুর্গার যে রূপ বর্ণনা করা আছে তা শ্রীজগদ্ধাত্রীর ধ্যানমন্ত্রে মেলে।এই রূপ ব্যতীত অন্য কোনও কিছুই শাস্ত্র-সম্মত জগদ্ধাত্রী প্রতিমা নয়।জগদ্ধাত্রী দুর্গা তন্ত্রের দেবী।তন্ত্রমতে মা জগদ্ধাত্রীর রূপ এইভাবে বর্ণনা করা হয়েছে:
“সিংহস্কন্ধসমারূঢ়াং নানালঙ্কারভূষিতাম্।
চতুর্ভূজাং মহাদেবীং নাগযজ্ঞোপবীতিনীম্।।
শঙ্খশার্ঙ্গসমাযুক্তবামপাণিদ্বয়ান্বিতাম্।
চক্রঞ্চ পঞ্চবাণাংশ্চ ধার্য়ন্তিম্ চ দক্ষিণে।।
রক্তবস্ত্রাপরিধানাং বালার্কসদৃশীতনুম্।
নারদাদ্যৈর্মুনিগণৈঃ সেবিতাং ভবসুন্দরীম্।।
ত্রিবলীবলয়োপেতনাভিনালমৃণালিনীম্।।
ইষৎ সহাস্য বদনাং কাঞ্চনাভাং বরপ্রদাম ।
নবযৌবন সম্পন্নাম্ পীনোন্নত পয়োধরম্ ।।
করুণামৃত বষিন্যা পশ্যন্তি সাধকং দৃষা ।
রত্নদ্বীপে মহাদ্বীপে সিংহাসনসমন্বিতে।
প্রফুল্লকমলারূঢ়াং ধ্যায়েত্তাং ভবগেহিনীম্।।”
— বৃহৎতন্ত্রসারে এভাবেই বর্ণিত
((🙏👉👉এর অর্থ হল-মহাদেবী জগদ্ধাত্রী সিংহের স্কন্ধে আরূঢ়া, নানা অলংকারে ভূষিতা ও নাগরূপ যজ্ঞোপবীত(পৈতা)ধারিণী। দেবীর বাম হস্তদ্বয়ে শঙ্খ ও শার্ঙ্গ ধনু; দক্ষিণ হস্তদ্বয়ে চক্র ও পঞ্চবাণ। রক্তবস্ত্রপরিহিতা সেই ভবসুন্দরী প্রভাতসূর্যের ন্যায় রক্তবর্ণা। নারদাদি মুনিগণ তাঁর নিত্যসেবা করে থাকেন। তাঁর ত্রিবলিবলয়সমন্বিত নাভিমণ্ডল মৃণালবিশিষ্ট পদ্মের ন্যায়। দেবীর মুখমণ্ডলে হালকা হাসি, কাঞ্চনের আভা তার গাত্রদেশে। তিনি নবযৌবন-সম্পন্না ও তার স্তন পরিপূর্ণ ও সুউচ্চ। তিনি সাধকের প্রতি করুণা বর্ষণ করেন। সেই শিবপত্নী রত্নদ্বীপরূপ উচ্চ বেদিকায় স্থিত সিংহাসনে প্রস্ফুটিত পদ্মের উপর উপবিষ্টা।🙏🙏🙏))
চন্দননগর,কৃষ্ণনগর-সহ বাংলার বিভিন্ন জায়গায় সাড়ম্বরে পূজিত হন জগদ্ধাত্রী মাতা।আলোকসজ্জা,মণ্ডপসজ্জায় বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গোৎসবের থেকে কম যায় না সেইসব জগদ্ধাত্রী পুজোর আড়ম্বর। বিশেষত,★চন্দননগরের আলোই পৃথিবীর সর্বত্র পরিবেশিত।যার জুরি মেলা ভার
।এ নিয়ে আগের বছর লিখেছিও।কোথাও কোথাও,বিশেষ করে চন্দননগরের অনেক জায়গায় সুবিশাল প্রতিমা দেখে অভ্যস্ত অনেকেই।★জয়রামবাটিতে মা-সারদার জন্মভিটের পুজোও খুব বিখ্যাত।
কলকাতা-সহ হুগলি জেলার ভদ্রেশ্বরেও অনেক পুজো হয়।
ইতিহাস থেকে যতদূর জানা যায়,শান্তিপুর শহর ছাড়িয়ে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরের এক প্রাচীন জনপদ ব্রহ্ম-শাসন।এক সময়ের ভাগীরথীর গতিপথ ছিল ওই জনপদের ওপর দিয়ে।নদিয়া-রাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের হাত ধরেই নদিয়ায় প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজোর সূচনা হয়। তারই পৌত্র গিরীশচন্দ্র রায় তার জমিদারির অন্তর্ভুক্ত শান্তিপুরের হরিপুর গ্রামের পার্শ্ববর্তী ওই অঞ্চলে ১০৮ ঘর ব্রাহ্মণ পরিবারকে বসবাসের জন্য জায়গা দেন।আর তার থেকেই এই গ্রামের নাম হয় ‘ব্রহ্মশাসন’।
১৭১৫ থেকে ১৭২৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন নদীয়া-রাজ রঘু রায়,তারপর ১৭২৮ খ্রিস্টাব্দে নদীয়ার রাজা হন কৃষ্ণচন্দ্র রায়।কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে তখন বেশ আড়ম্বরের সঙ্গে পুজিতা হতেন দেবী দুর্গা— যিনি ‘রাজরাজেশ্বরী’ নামে পরিচিত।বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌল্লার সঙ্গে যখন মীরজাফরের বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছিল, তখন রাজনৈতিক স্বার্থে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশির যুদ্ধে মীরজাফরকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেন নদীয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে মীরজাফরকে সরিয়ে যখন বাংলার মসনদ দখল করেন তার জামাতা মীরকাশিম,তখন যে-কোনো কারণেই হোক তাঁর সঙ্গে বিরোধ বাঁধে নদীয়ারাজের। তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে নবাবি নজরানা ও কর দিতে অস্বীকার করলে মীরকাশিম রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে বন্দি করে বিহারের মুঙ্গের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে জেল থেকে পালিয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র জলপথে কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।বন্দি হওয়ার কারণে সেই বছর তিনি তাঁর আরাধ্যা দেবী দুর্গার পুজো করতে পারেননি।বিহার থেকে ফেরার পথে বর্তমানে নদীয়া জেলার রুকুনপুর অঞ্চলে তিনি গঙ্গাবক্ষে দুর্গপ্রতিমা নিরঞ্জনের দৃশ্য দেখেন ,তাঁর মন অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
সেই রাতেই কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে পৌঁছে রাজা স্বপ্নাদেশ পান দেবীর।স্বপ্নে দেবী বলেন, দুর্গা আরাধনা করতে না পারায় কষ্ট পাওয়ার কোনো কারণ নেই।তিনি আদেশ দেন,আগামী শুক্লা নবমী তিথিতে দেবী পূজার আয়োজন করতে হবে এবং সেই দেবী জগদ্ধাত্রী নামে পূজিতা হবেন।সেই সময় রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে দেবী জগদ্ধাত্রীর রূপের কোনো ধারণা না থাকার কারণে ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে তাঁর হাত ধরেই কৃষ্ণনগর রাজবাড়িতে প্রথম দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজো শুরু হয় মঙ্গলঘট পুজোর মাধ্যমে।এরপর ১৮০২ খ্রিস্টাব্দ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের পৌত্র গিরিশচন্দ্র রায় যখন নদীয়ার অধিপতি হন,তখন তাঁর রাজসভায় সভাপণ্ডিত পদ অলংকৃত করতেন চন্দ্রচূড় তর্কচূড়ামণি,১০৮ ঘর ব্রাহ্মণদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।তিনি ব্রহ্মশাসন গ্রামে বসবাস করতেন গিরিশচন্দ্রের আমলে।সেই সময় ওই অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভাগীরথীর তীরে পঞ্চমুণ্ডির আসনে বসে তন্ত্রসাধনা করতেন তিনি।তত দিনে জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন হয়েছে,কিন্তু দেবীর কোনো নির্দিষ্ট রূপ এবং পূজার পদ্ধতি বা মন্ত্র ছিল না।গিরিশচন্দ্রই চন্দ্রচূড়কে অনুরোধ করেন সাধনার মাধ্যমে দেবী জগদ্ধাত্রীর রূপের সন্ধান এবং পুজোর জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি এবং মন্ত্রের অন্বেষণের।এর পরে ধ্যানে বসেন চন্দ্রচূড়।আর সাধনায় বসে একদিন ব্রাহ্মমুহূর্তে দেবীর মৃন্ময়ী রূপের দর্শন পান, সেই দেবীর গ্রাত্রবর্ণ ছিল ব্রাহ্মমুহূর্তের রং অর্থাৎ ঊষাকালে সূর্যের রং এবং তিনি ছিলেন সিংহবাহিনী চতুর্ভূজা।সেই সাধনাতেই পুজোর পদ্ধতি এবং মন্ত্রের হদিশ পান চন্দ্রচূড়।এর পরে সেই পদ্ধতি মেনেই দেবীর সেই ঊষাবর্ণা মৃন্ময়ী রূপ সৃষ্টি করে তিনি ব্রহ্মশাসনে পুজো শুরু করেন।সম্ভবত ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দ থেকেই কৃষ্ণনগর রাজ বাড়িতে মহা-আড়ম্বরের সঙ্গে দেবীর মৃন্ময়ী রূপের আরাধনা শুরু হয়।আর পরবর্তীকালে সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই, এবং পরম্পরা মেনেই জগদ্ধাত্রী পুজো হয়ে আসছে ব্রহ্মশাসন-সহ শান্তিপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে।কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির নাটমন্দির থেকে শুরু করে পরবর্তীতে এই পুজো ক্রমশ ছড়িয়ে পরে শান্তিপুর,চন্দননগর থেকে বাংলার এবং বাংলার বাইরে আপামর বাঙালি সমাজের কাছে।তবে ,অন্য একটি প্রবচনেও পূর্বোক্ত বিষয় ভিন্নরূপে আছে....‼️‼️, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রই প্রথম জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন করেন এই বাংলায়। প্রচলিত কাহিনি অনুসারে,বাংলার নবাব আলিবর্দি খানকে রাজকর দিতে না পারায় কারাগারে বন্দি হয়েছিলেন নদীয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র।সালটা ১৭৫৪।পরে নবাবের কারাগার থেকে অবশেষে তিনি যখন মুক্ত হয়েছিলেন, তখন দুর্গোৎসব প্রায় শেষ। সেবার পুজোয় উপস্থিত থাকতে না পারায় ক্লান্ত বিষণ্ণ রাজা নৌকার মধ্যে ঘুমিয়ে পরে ছিলেন।জনশ্রুতি,সেখানেই কৃষ্ণচন্দ্র স্বপ্নে দেখেছিলেন যে এক রক্তবর্ণা চতুর্ভূজা কুমারী দেবী তাঁকে বলছেন আগামী কার্তিক মাসের শুক্লানবমী তিথিতে তাঁর পুজো করতে।সে যাই হোক এটাই অনুমেয়,মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রই বাংলায় জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রবর্তক।
অতীতের মতো আজও কৃষ্ণনগরের সব সর্বজনীন প্রতিমা রাজবাড়ির সামনে দিয়ে শোভাযাত্রা করে বিসর্জনে যায়।আগে রাজপ্রাসাদ থেকে রানিরা সেই সব প্রতিমা দেখে প্রথম দ্বিতীয় নির্ধারণ করতেন। মিলত পুরষ্কারও।তাই আজও কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি থেকেই সৃষ্টিশীলতায় জগদ্ধাত্রী পুজো যেন খুঁজে পেয়েছে তার খ্যাতি।
এ কথাও ঠিক জগৎ বিখ্যাত পুজো মন কেড়েছে চন্দননগর,....‼️‼️‼️
জলঙ্গী পাড়ে পুজো শুরুর কিছুপরে চন্দননগরে পুজো শুরু হয়।ইতিহাসের একটি অংশ বলে কৃষ্ণচন্দ্রের জমিদারির সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ ছিলেন ফারাসিদের দেওয়ান জনৈক ইন্দ্রনারায়ণ রায়।তিনি নিজের বাড়িতে জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন।অপর একটি সূত্রে জানা যায়,কৃষ্ণচন্দ্রের দেওয়ান দাতা-রামের বিধবা কন্যা থাকতেন ভদ্রেশ্বরের তেঁতুলতলায়!....‼️‼️সেখানেই রাজার অনুমতি নিয়ে পুজো শুরু করেন তিনি।সেই পারিবারিক পুজো এখন সর্বজনীনে পরিণত হয়েছে।দিনেকালে চন্দননগরের পুজো আজ লোক-মুখে বেশি ঘোরে।কারণ,কৃষ্ণনগরে পুজো শুরু হলেও জাঁকজমকে চন্দননগর অনেক এগিয়ে।এখানকার আলোকসজ্জা জগৎ খ্যাত।যা পুজো মণ্ডপ গুলোতে অন্যরূপ দেয়।এছাড়াও সুবিশাল প্রতিমা যে কারও মন কেড়ে নিতে বাধ্য।এই বিশেষ উৎসবে মা জগদ্ধাত্রী সকলের জীবনে আনন্দ,শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসুন।
শুভেচ্ছা বার্তায় এটাই থাকলো.....জগদ্ধাত্রী মায়ের আশীর্বাদে সকলের জীবন আনন্দ ও খুশিতে ভরে উঠুক।সকলকে জগদ্ধাত্রী পূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।আসুন দেখুন,সারারাত ধরে চন্দননগর,আশাকরি চার দিন/রাত ধরে প্রতিমা দর্শন করেও শেষ করতে পারবেন না।কোনো অতিরিক্ত লাইন বা পাস,এসবের প্রয়োজন নেই,হারিয়ে যাবার ভয় নেই,নারীকুল সুরক্ষিত সারা রাত।এমন সুরক্ষা কেবল চন্দননগরই দিতে পারে।....‼️‼️ওই যে বলে ‼️‼️‼️👉 যার শেষ ভালো তার সব ভালো।জগদ্ধাত্রী মা সবার ঘরে নিয়ে আসুন শান্তির আলো এই আশা করি।
🙏🔱🙏🔱🙏
#চন্দননগর ঐতিহ্য জগদ্ধাত্রী প্রতিমা #❤️❤️❤️❤️ I love chandannagar #জগদ্ধাত্রী #শুভেচ্ছা #ভক্তি #🔴আজকের ভক্তি ভিডিও স্ট্যাটাস😀
""হৈমন্তীকা দেবী""ই দেবী দুর্গা""
🕉️🙏💡🙏🔱🙏💡🙏🕉️
জগদ্ধাত্রী পুজোই কল্যাণকর,তিনিই শ্রেষ্ঠা। একই দেবীর দুই রূপ।একজন দেবী দুর্গা,অন্য জন জগদ্ধাত্রী দেবী।দুর্গা পুজোর ঠিক এক মাস পরেই হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। আশ্বিন মাসের শুক্লা অষ্টমীতে দেবী দুর্গার মূল পুজো আর কার্তিকের শুক্লা নবমীতে দেবী জগদ্ধাত্রীর।নামেই বোঝা যায়,জগদ্ধাত্রী হলেন জগতের ধাত্রী।তিনিই জগৎ সভ্যতার পালিকা শক্তি।তিনি দেবী দুর্গারই আর এক রূপ।তাই জগদ্ধাত্রীর প্রণামমন্ত্রে তাঁকে ‘দুর্গা’ বলে স্তুতি করা হয়েছে।............শ্ৰী শিব বললেন,হে জগদ্ধাত্ৰি...! তুমি নিখিল জগতের আধার ও আধেয় স্বরূপ,তুমি ধৃতিরূপা,তুমি সমস্ত জগতের ভার বহন করছ,তুমি অচল স্বরূপা; জগৎ ধারণ করেও তুমি ধীরভাবে অবস্থিতা রয়েছ তোমাকে নমস্কার৷[>শ্রীশিব উবাচ।
আধারভুতে চাধেয়ে ধৃতিরূপে ধুরন্ধারে।
ধ্রুবে ধ্রুবপদে ধীরে জগদ্ধাত্ৰি, নমোহস্তুতে॥<]
আবার বললেন....তুমি শব,তুমিই শক্তি,তুমিই শক্তিতে অবস্থান করছ,আবার তুমিই শক্তি বিগ্ৰহধারিণী।তুমি শাক্তদের সপ্তাচারে সন্তুষ্টা।হে দেবি...! হে জগদ্ধাত্ৰি...! তোমাকে নমস্কার।[>শবাকারে শক্তিরূপে শক্তিস্থে শক্তিবিগ্ৰহে। শাক্তাচার-প্ৰিয়ে দেবি জগদ্ধাত্ৰি নমোহস্তুতে<]
এভাবেই আরো শ্লোক বলেই চললেন দেবাদিদেব মহাদেব......
দুই দেবীই ত্রিনয়না ও সিংহবাহিনী।তবে দুর্গার মতো জগদ্ধাত্রী দশভূজা নন।তাঁর চার হাতে শঙ্খ,চক্র,ধনুক ও বাণ থাকে।গলায় থাকে নাগযজ্ঞোপবীত।বাহন সিংহের নীচে হাতি। এই হাতি আসলে করীন্দ্রাসুর অর্থাৎ হাতিরূপী অসুর।
দেবদেবীদের মধ্যে জগদ্ধাত্রীই সর্বশ্রেষ্ঠা। নিখিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে সর্ব্বশ্রেষ্ঠ কে? অগ্নি? বায়ু? বরুণ? চন্দ্র? না, অন্য কোন দেবতা?.....!!!!প্রশ্ন শুনেই চার জনে হাত তুলে বসে আছে ....ওই একটু মজা করে লিখি....😁😁😁😁😁‼️একদা প্রথমোক্ত দেবতা-চতুষ্টয় ভ্রান্ত গর্ব্ববশতঃ নিজদিগকেই সর্ব্বশ্রেষ্ঠ এবং জগতের ঈশ্বর ব’লে সিদ্ধান্ত করেন।★তাঁরা ভুলে গিয়েছিলেন— মহাশক্তি-রূপিণী জগদ্ধাত্রীর শক্তিতেই তাঁরা শক্তিমান্।এর পরে কিভাবে দেবী জগদ্ধাত্রী অহঙ্কারী দেবতাদের গর্ব চূর্ণ করেছিলেন সেই কাহিনিও লিখি। .....
আসলে .....
দশপ্রহরণধারিনী মহামায়ার হাতে মহিষাসুর বধের পরে দেবতারা খুব অহঙ্কারী হয়ে পরেন।তাঁদের ধারণা,তাঁরা অস্ত্র দান করার জন্যই দেবী দুর্গা অসুর-নাশ করতে পেরেছেন।মহামায়ার শক্তিকে তাঁরা অস্বীকার করতে চান।ভুলে যান মহাশক্তি-রূপিণী জগদ্ধাত্রীর শক্তিতেই তাঁরা শক্তিমান।সেই অজ্ঞতাকে ভুল প্রমাণ করতে★ তিন কোটি সূর্যের সমষ্টি'গত দীপ্তি নিয়ে আবির্ভূত হন জ্যোতির্ময়ী জগদ্ধাত্রী।🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏লিখছি কোন কালে ???‼️যেখানে নারী কুলের'ই সন্মান নেই,প্রায় বছর চারেক আগে আমার পোস্টে অনেক ইউজার'ই,আসতো,তারপর কি করে যেনো সব পালিয়ে গেলো😁😁😁😁এক জন মন্তব্য করেছিল,এক হাতে তালি বাজে না,ঠিক,কিন্তু,দেখুন যে বলেছিল আজ সে ঘর বন্ধি,বাজার থেকে মাছ কিনতে গেলে ঘোলা জলের মাছ নিশ্চই খুজি না,গঙ্গার পরিস্রুত জলের মাছ কিনি বা কিনতে চেষ্টা করি,কিন্তু দেখবেন ওই গঙ্গা জলে কত অপরিশ্রুত বিষয়'ই না ভেসে বেড়ায়।আমাদের আর.জি. করের অভায়া,নিশ্চই পরিস্রুত।আমি লিখেছিলাম শ্রী কৃষ্ণই সাহায্য করবেন এক মাত্র,কথাটার অর্থ আজ বোঝাই,মর্তে যারা তাঁর জীবন নিয়েছে তাদের পরিণতি আজ খুব একটা নির্মল নয় যারা খোঁজ রাখেন জানতে পারেন।আর অভায়াও এখন স্বর্গে,ফিরবেন এক দিন,যেমন শ্রী বিষ্ণু অন্য রূপে শ্রী কৃষ্ণ রূপে ফিরেছিলেন। 🙏🙏🙏🙏🙏 যাক.....!!!! দেবী একটি তৃণখণ্ড সামনে রেখে, বায়ু ও অগ্নিকে স্থানচ্যুত বা দগ্ধীভূত করার নির্দেশ দেন।কিন্তু কেউই তা করতে পারেন না।বুঝতে পারেন,বৃথাই অহঙ্কার,একখণ্ড তৃণের শক্তিও তাঁদের নেই।বুঝতে পেরেই সকলে দেবী জগদ্ধাত্রীকে সকল শক্তির শ্রেষ্ঠ হিসেবে গ্রহণ করেন।দেবী তাঁর তেজো-রাশি স্তিমিত করে এক অনিন্দ্য মূর্তি ধারণ করলে সকলে ত্রিনয়না,চতুর্ভূজা,রক্তাম্বরা,সালংকারা,
"নাগযজ্ঞোপবীতধারিনী" জগদ্ধাত্রীর দর্শন পান।মঙ্গলময়ী মহা'দেবীর সেই মূর্তি দেখে দেবগণ তাঁর স্তবে বসেন৷.... শিব তথা ভোলা মহেশ্বর বলতে /বোঝাতে থাকেন .....
হে জগদ্ধাত্রি! তুমি অগম্যস্বরূপা,জগতের আদিভূত, মাহেশ্বরী, তুমি বরাঙ্গনাস্বরূপা, অশেষরূপ-ধারিণী,তোমাকে নমস্কার।
হে জগদ্ধাত্রি! তুমি দ্বিসপ্তকোটি মন্ত্রের শক্তিস্বরূপ, নিত্যা, সৰ্ব্বশক্তিস্বরূপিণী, তোমাকে নমস্কার।[>অগম্যে জগতামাদ্যে মাহেশ্বরি বরাঙ্গনে।
অশেষরূপে রূপস্থে জগদ্ধাত্রি নমোহস্তুতে॥
দ্বিসপ্তকোটিমন্ত্রাণাং শক্তিরূপে সনাতনি।
সৰ্ব্বশক্তিস্বরূপে চ জগদ্ধাত্রি নমোহস্তুতে॥<]
......‼️‼️‼️জগদ্ধাত্রী যে দেবীশ্রেষ্ঠা,তা শোনা যায় ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণের মুখেও।তিনি বলেছেন,...“জগদ্ধাত্রী রূপের মানে কী জান?যিনি জগৎ কে ধারণ করে আছেন।তিনি না ধরলে জগৎ পরে যায়— নষ্ট হয়ে যায়।মনকরী'কে যে বশ করতে পারে তারই হৃদয়ে জগদ্ধাত্রী উদয় হয়।”....মদমত্ত হাতি,তার উপরে শক্তির প্রতীক সিংহ আর তার উপরে দেবী জগদ্ধাত্রী।তিনিই মানুষের মত্ত মনকে বশ করতে পারেন।আসলে,কি জানেন???আমাদের মন মত্ত হস্তীর ন্যায় সর্ব্বদা মদান্বিত।সে অস্থির,উন্মাদ।এই দুরন্ত মনকরী'কে সদা উদ্যম'শীল বিবেক'সিংহের দ্বারা মর্দ্দন করতে হবে— মহাশক্তি'রূপিণী দেবীর বশীভূত করতে হবে।মন বশীভূত হ’লেই অন্তরে চৈতন্যময়ী জগদ্ধাত্রীর মহাপ্রকাশ অনায়াসলভ্য হয়।মনে রাখবেন
সিংহারূঢ়া জগদ্ধাত্রী যাঁকে রক্ষা করেন তাঁর পতন নেই,বিনাশ নেই।মূলত কার্তিক মাসের শুক্লা নবমী তিথিতেই জগদ্ধাত্রী পুজো বিহিত। তবে অনেক জায়গাতেই সপ্তমী,অষ্টমী,নবমী তিথিতে আলাদা আলাদা পুজো হয়।নবমী তিথিতে একসঙ্গে তিন তিথির পুজোও করা হয়।
“দয়া রূপে দয়া দৃষ্টে দয়ার্দ্রে দুঃখ মোচনি।
সর্ব্বাপত্তারিকে দুর্গে জগদ্ধাত্রী নমহস্তুতে।।”
পোস্ট এ পুরো শ্লোক শুনুন,আমার দেখা চন্দননগরের কিছু ঐতিহ্যময় প্রতিমা দর্শন করুন।সকলের মঙ্গল কাম্য।
🙏শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী দেব্যই নমঃ🙏
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
#শুভেচ্ছা #ভক্তি #চন্দননগর ঐতিহ্য জগদ্ধাত্রী প্রতিমা #❤️❤️❤️❤️ I love chandannagar #জগদ্ধাত্রী
কোন বৈশিষ্ট্যে বদলে যায় মা কালীর রূপ??🕉️‼️🙏‼️🙏‼️🕉️
"‘শ্যামা মা কি আমার কালো…’""
স্রেফ গানের কথা নয়।মায়ের মূর্তির দিকে তাকিয়ে এমন প্রশ্ন তুলতে পারেন যে কেউ। কারণ,একদিকে তিনি যেমন ঘোর কৃষ্ণবর্ণ, লোলজিহ্বা,দিগম্বরী।অন্যদিকে তিনিই শান্তমূর্তি,স্থির,বসনপরিহিতা,নীল বর্ণের এক দেবী।তাহলে শাস্ত্রমতে দেবীর আসল রূপ কেমন?দেখি কিছুটা পারি কিনা বোঝাতে...‼️‼️‼️সকলে মিলে আগে "মা"কে শতকোটি প্রণাম করে নিন।আমিও করলাম🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আসলে তিনি কালের নিয়ন্ত্রণকারী
দশ'মহাবিদ্যার অন্যতমা।দেবীর পদতলে শায়িত মহাদেব।দু-পাশে ডাকিনি যোগিনী। চতুর্ভুজা,লোলজ্বিভা,এলোকেশী।ধ্যানমন্ত্র অনুসারে এই রূপ বর্ণনায় কোনও ভুল নেই। তবে কালী মানেই যে শুধুমাত্র এই একমাত্র রূপ তা কিন্তু নয়।দেবীর আরও একাধিক রূপের পুজোর চল রয়েছে।সেক্ষেত্রে মূলত তিনটি রূপ সামনে আসে।প্রথমে,শ্যামাকালী। এই দেবীর গাত্রবর্ণ নীল।দিগম্বরী নন।কোথাও শাড়ি কোথাও ডাকের সাজ দেখা যায়।দেবী নানা অলঙ্কারে ভূষিতা।তবে বাদবাকি ক্ষেত্রে কালীর ধ্যানমন্ত্রের সঙ্গেই এর সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।অর্থাৎ ইনিও লোলজিহ্বা।পদতলে মহাদেব।কার্ত্তিক অমাবস্যায় যে কালীপুজোর চল রয়েছে,সেখানে মূলত এই দেবী মূর্তিই দেখা যায়।কোথাও কোথাও দেবীর গায়ের রং কৃষ্ণবর্ণও হতে পারে।তবে আপাতভাবে কৃষ্ণবর্ণের কালী মূর্তির আরও এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।বিখ্যাত সব কালীমূর্তি,তথা ভবতারিণী,করুণাময়ী,সিদ্ধেশ্বরী,সবার ক্ষেত্রেই এই বিশেষ বৈশিষ্ট দেখা যায়।আর তা হল,দেবী মূর্তির পায়ের অবস্থান।আপাত ভাবে কালীর ধ্যানমন্ত্রে পায়ের অবস্থান সম্পর্কে কিছু নির্দিষ্ট করা না থাকলেও,এই মূর্তিতে দেবীর দক্ষিণ বা ডান পা এগিয়ে থাকে।দেবী নির্দিষ্টভাবে তাঁর ডান পা সামনে এগিয়ে মহাদেবের বুকে পা রেখেছেন।★বলা বাহুল্য, এর সঙ্গেই দেবীর লোলজিহ্বার সম্পর্ক টানেন অনেকেই।যেহেতু মহাদেব দেবীর স্বামী,তাই তাঁর উপর পা রাখা মাত্র দেবী জিভ কেটেছেন।তবে এ ব্যাখ্যা নিতান্তই প্রচলিত। শাস্ত্রে এর তেমন উল্লেখ নেই।সুতরাং শ্যামাকালী আর দক্ষিণাকালীর মধ্যে অমিল বলতে স্রেফ গাত্রবর্ণ এবং পায়ের অবস্থানে। বাকিটা কালীর ধ্যানমন্ত্রের সঙ্গেই মিলে যায়। কার্ত্তিক অমাবস্য্যায় দেবীর এই দুই মূর্তিরই পুজো হয়।অধিকাংশ মন্দিরে দক্ষিণাকালী, এবং মণ্ডপে মূলত শ্যামাকালী।তবে এ ছাড়াও দেবীর একটি বিশেষ রূপের পুজোর চল রয়েছে।তিনি দেবী রক্ষাকালী।দক্ষিণাকালী মূর্তির মতোই,ইনিও কৃষ্ণবর্ণা।তবে দেবী লোলজিহ্বা নন।এমনকি দেবীর হাতের সংখ্যা দুটি।সাধারণত দেবীর এই রূপের পুজো হয় বৈশাখ মাসের শেষের দিকে।গ্রামে গ্রামে দেবীর বাৎসরিক পুজোর চল রয়েছে,তবে শ্মশানকালীর প্রচলিত মূর্তিটিও ঠিক এমন।★ওনার কোনও জিভ থাকে না।কলকাতার বিখ্যাত কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দেবীর এই রূপেরই পুজো হয় কার্ত্তিক অমাবস্যায়।তবে দেবীর অন্যান্য মূর্তি,যেমন গুহ্যকালী, মহাকালী বা বিশেষ কিছু তন্ত্রোক্ত রূপের পুজো করার অধিকার নেই সাধারণ কারও। কেবল মাত্র তন্ত্রবিদ্য্যায় পারদর্শী কেউ দেবীর এইসব বিশেষ রূপের পুজো করতে পারেন।
কালী মাত্রেই দুষ্টের দমনকারী দেবী।সুতরাং ভক্তিভরে তাঁর অর্চনা করলে যে কোনও বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন যে কেউ।এক্ষেত্রে, পুজোর ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিয়ম মানা আবশ্যক।রক্ষাকালীর পুজোর নিয়ম এবং শ্যামাকালীর পুজোর নিয়ম কিছুটা হলেও আলাদা।শ্যামাকালী পুজো মন্ডপে মন্ডপে সাধারণ কোনও পুজারি করলেও, দক্ষিণাকালী বা রক্ষাকালী পুজোর ক্ষেত্রে বিশেষ পারদর্শী শাস্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণ থাকা আবশ্যক।যদিও দেবীর আসল পুজো হয় ভক্তির দ্বারা।★স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব।শ্রী শ্রী ঠাকুর,যে ভক্তি পুজোর প্রচলন করেছিলেন,তিনিও ছিলেন তন্ত্রোক্ত দেবী ভবতারিণীর সাধক।কলকাতার দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সেই দেবী মূর্তিতেই রামকৃষ্ণ খুঁজে পেয়েছিলেন ‘মা’-কে।তাই ভক্তিভরে কালীসাধনা করলে অবশ্যই ফল মিলতে বাধ্য।
🕯️💮🕯️💮🥀💮🥀💮🕯️💮🕯️
লেখার ধাচ'টা একটু সম্পৃক্ত করি...
ইতিহাসের অনুক্রমে মা কালীর মূর্তিতত্ত্ব বা আইকোনো'গ্রাফির বিবরণ...‼️অগ্নির সপ্ত'জিহ্বার একটি –‼️ এই হিসেবে মা কালীর প্রথম (কিন্তু প্রান্তিক) উল্লেখ বৈদিক আর্যের গ্রন্থ মুণ্ডক উপনিষদে,এটি পরবর্তী কালের উপনিষদ এবং গৌতম বুদ্ধের যুগের (৫০০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দ) পরে রচিত।হরপ্পা সভ্যতায় বলি-দানের সময় সপ্ত-মাতৃকার উপাসনা হত, হরপ্পা পতনের পরে সেটাই বৈদিক আর্যের যজ্ঞে অগ্নির সপ্ত জিহ্বা হয়ে গেছিল।মহাভারত দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী ধরে লিপিবদ্ধ হয়েছিল,লিপিবদ্ধ হওয়া শেষ হয় ৪০০ খ্রিষ্টাব্দে।মহাভারতে মা কালীর ভয়াল রূপ বর্ণনা আছে।মহাভারতের সৌপ্তিক পর্বে যখন অশ্বত্থামা পাণ্ডব-পক্ষীয় বীরদের শিবিরে রাতের বেলায় প্রবেশ করে সবাইকে হত্যা করছেন।তখন সেই হনন স্থলে কালী এভাবে দৃশ্যমান হচ্ছেনঃ-- দেখুন রক্তাস্যনয়না,রক্তমাল্যানুলেপনা,পাশহস্তা, ভয়ঙ্করী।হরিবংশ গ্রন্থে (খ্রিষ্টীয় চতুর্থ শতাব্দী) মহাদেবীর শিবা-রূপও উল্লিখিত।"মা" এখানে শৃগাল রূপে বসুদেবকে যমুনা পার হয়ে গোকুলে যাওয়ার পথ নির্দেশ করেছিলেন। যদিও এখানে কালীর নামোল্লেখ নেই সরাসরি,মহাদেবী বলা হয়েছে,কিন্তু এ বর্ণনা স্পষ্টই কোক-মুখ কালীর স্মৃতি-বাহী।প্রসঙ্গত আজও কিছু বিরল কালী-সাধক শিবা-ভোগ দেন লোকালয় থেকে দূরে।মাকে শিবা-দূতী বলা হয়,কারণ শৃগাল তাঁর দূত।
কালিদাসের কুমারসম্ভব গ্রন্থে (খ্রিষ্টীয় চতুর্থ পঞ্চম শতক)কালী হলেন নীল-মেঘরাশির মধ্যে ভাসমান বলাকিনীর ন্যায়।তিনি এখানে শিবের প্ৰমথ-গণের মধ্যে নৃত্যরত,এবং তিনি মুণ্ডমালা (কপালাভরণ) দ্বারা শোভিত। প্রসঙ্গত রঘুবংশ গ্রন্থেও কালিদাস "মা কালী"কে বলাকিনী বলেছেন।রামের সঙ্গে যুদ্ধ-রত তাড়কা রাক্ষসীকে দেখে মা কালীর মত মনে হচ্ছিল,কালিদাস লিখেছেন।স্পষ্টই বৈদিক পৌরাণিক আর্যের কাছে মা কালীর ভয়াল রূপটি মুখ্য।এরপর মা কালীর বর্ণনা পাই শ্রীশ্রী চণ্ডী গ্রন্থে(খ্রিষ্টীয় পঞ্চম-ষষ্ঠ শতক। যদিও মার্কণ্ডেয় পুরাণ তৃতীয় শতকের গ্রন্থ, কিন্তু এই শ্রীশ্রী চণ্ডী অংশটি পরবর্তী কালে রচিত)।এখানে শুম্ভ নিশুম্ভর সঙ্গে যুদ্ধকালে মা চণ্ডীর ভ্রূকুটি-কুটিল ললাট থেকে কালী বেরিয়ে আসেন।তিনি করাল-বদনা,খট্বাঙ্গ-ধারিণী,নরমালা-বিভূষিতা,ব্যাঘ্র-চর্ম-পরিহিতা, শুষ্ক-মাংসা,অতি ভীষণ রব করছেন👉 অতিভৈরবী,...অতি বড় হাঁ করে আছেন👉 অতিবিস্তারবদনা, ....তাঁর জিভ লকলক করছে 👉জিহ্বাললনভীষণা,.... তাঁর রক্তবর্ণ চক্ষু চোখের কোটরে ঢুকে আছে👉 নিমগ্নারক্তনয়না,.... তাঁর সিংহনাদে চারদিক প্রকম্পিত 👉নাদাপূরিতদিঙমুখা....‼️
প্রসঙ্গত শ্রীশ্রী চণ্ডী যখন রচিত হচ্ছে,তখনও শিবের সঙ্গে জগন্মাতার কোনও বিশেষ সম্পর্ক কল্পিত হয়নি,যেটা আমরা শ্রীশ্রী চণ্ডী পড়লেই বুঝতে পারি।এ কল্পনা সম্রাট শশাঙ্ক কর্তৃক বৈশাখী নববর্ষ প্রচলন কালে চৈত্র শেষে শিব ও নীলাবতীর বিবাহের উৎসব উদযাপনের মধ্য দিয়ে বলবতী হবে।আমি বেশ কয়েক বছর আগে গুপ্ত-যুগের বেশ কিছু শিবলিঙ্গ দেখছিলাম ★মথুরা মিউজিয়ামে, সেই সব শিবলিঙ্গে কোথাও গৌরী-পট্ট নেই। স্পষ্টতই শশাঙ্ক যুগের আগে এই বিষয়টি ছিল না,ফলে আদিযুগে মা কালীর মূর্তি-তত্ত্বে শিবের উপস্থিতি নেই।সিদ্ধেশ্বর তন্ত্রের রচনা কাল জানা নেই,কিন্তু এখানে মা কালীর বর্ণনা নিম্নরূপ।‼️শবারূঢ়াং মহীভীমাং ঘোরদ্রষ্টাং বরপ্রদাম্ হাস্যযুক্তাং ত্রিনেত্রাঞ্
কপালকর্তৃকাকরাম্ মুক্তকেশীং ললজিহ্বাং পিবন্তীং রুধিরং মুহুঃ চতুর্বাহুযুতাং দেবীং বরাভয়করাং স্মরেৎ।‼️🕯️❇️🕯️❇️🕯️
অর্থাৎ ""মা কালী"" শবারূঢ়া,তাঁর ঘোর দন্তরাশি উন্মুক্ত,তিনি বর প্রদান করছেন হাস্যমুখে,তিনি ত্রিনেত্র,তিনি একদিকের হাতে নরকপাল ও কর্তৃকা(খড়্গ,কাটারি)নিয়ে আছেন।তাঁর কেশ উন্মুক্ত,তিনি জিহ্বা প্রসারিত করে আছেন,তিনি ক্ষণে ক্ষণে রক্তপান করছেন,তাঁর চার-বাহুর অন্য দিকের দুটি হাতে তিনি বর ও অভয় মুদ্রা প্রদর্শন করছেন।...!!!!‼️বর্ণনা দেখে পালযুগের বজ্র ও সহজ আন্দোলনে এবং পরবর্তী কালে সেন যুগে শবা-রুঢ় মাতৃ-মূর্তির কথা মনেপরে।এই শব'টিই পরে মধ্যযুগে শিবের রূপ পেয়েছিল।
মধ্যযুগে সংকলিত তন্ত্রসার গ্রন্থে(আনুমানিক সপ্তদশ শতক)""মা কালীর"" একাধিক ধ্যানমন্ত্র।তার মধ্যে কালী-তন্ত্রোক্ত মন্ত্রটি এরকম।....‼️
মা চতুর্ভুজা,মুক্তকেশী,করালবদনা,ঘনমেঘের মত শ্যামবর্ণ,মুণ্ডমালাবিভূষিতা,দিগম্বরী, দুই বামহস্তে সদ্যছিন্ন মুণ্ড ও খড়্গ,দুই ডান হাতে অভয়া ও বরদা মুদ্রা।মুণ্ডমালা নির্গত রক্তে মা রঞ্জিত।দুই কানের কুণ্ডল দুটি শব, মায়ের কটি দেশের মেখলা নির্মিত হয়েছে শব-দেহের ছিন্ন হস্ত দ্বারা।দুই কস দিয়ে রক্ত ঝরছে,কিন্তু মায়ের মুখে হাসি।প্রভাত-সূর্যের মত মায়ের তিন নেত্র।মায়ের দন্তরাশি সুউচ্চ।শব-রূপ মহাদেবের হৃদয়ে দণ্ডায়মান অবস্থায় 'মা' মহাকালের সঙ্গে বিপরীত বিহারে রত।
সারা উপমহাদেশ জুড়ে এবং বিশেষ করে বাঙালির মধ্যে প্ৰচলিত জনপ্রিয় দক্ষিণা কালী মূর্তি যদিও মূলত তন্ত্র-সারের বর্ণনা অনুযায়ী নির্মিত,কিন্তু সেই কালীমূর্তিতে প্রায় এই বিপরীত বিহার-রত মূর্তি দেখা যায় না বললেই হয়।এটি অন্ধকার মধ্যযুগে গুহ্য তান্ত্রিকদের অবদান,সাধারণ বাঙালির মধ্যে জনপ্রিয় হয়নি।এই মূর্তিতে শিবের উপরে উত্তানভাবে শায়িত একটি মহাকাল মূর্তি থাকেন।প্রসঙ্গত আগম-বাগীশ তাঁর তন্ত্রসার গ্রন্থে কালীতন্ত্র থেকে যে শ্লোক সংকলন করেছেন,সেটিই শ্যামাকালী বা দক্ষিণাকালীর প্রথম রূপ ★এই মর্মে একটা কথা চালু আছে, কিন্তু সেটা ঠিক নয়।তার অনেক আগেই, ত্রয়োদশ শতকে বৃহ-দ্ধর্ম পুরাণে কালী-রূপ বর্ণিত হয়েছে এরকমভাবে:....!!!‼️‼️‼️
মা কালী শ্যামবর্ণা,দিগম্বরী, মুক্ত-কেশী এবং লম্বোদরা।মা শব-বাহনা,শব-রূপ মহাদেবের উপরে তাঁর আসন।মায়ের জিহ্বা প্রসারিত। দুই বাম হাতে অসি ও মানুষের মাথা।জীবের সংহার কাল উপস্থিত হলে তাঁর যে সংহারী মূর্তি দৃশ্যমান হয়,সেই মূর্তি নিয়ে তিনি কোটি কোটি পাপ বিনাশ করছেন।তিনি নানা অলঙ্কারে বিভূষিতা,মুখে হাসি,তাঁর দুই ডান হাতে অভয় ও বরদান মুদ্রা আছে।
যে মা অনাদি অনন্ত আদ্যা নিত্যা অব্যক্ত জগদকারণ,যিনি নারী পুরুষ নির্বিশেষে,জীব জড় নির্বিশেষে সমগ্র বিশ্বজগতের উৎপত্তি, বিস্তার ও বিলয়,আমরা সীমিত মানব-বুদ্ধিতে নিজেদের চিন্তার সুবিধার জন্য সেই মায়ের প্রতিমা এভাবে যুগে যুগে নির্মাণ করেছি। এজন্যই শাক্ত পদাবলীতে বলেছে,ব্রহ্মাণ্ড ছিল না যখন,মুণ্ড-মালা কোথায় পেলি।
⁉️⁉️⁉️👁️👁️⁉️⁉️
তাই এই দিনটি বাঙালির শেকড়ে প্রোথিত,মা আমাদের আছেন।আছেন মা কালী,মা কালীর জয়ধ্বনি দিলে বাঙালি রক্ষা পায়,বিধ্বস্ত বাঙালি জাতির দুর্গতিময় জীবনে একমাত্র গতি "মা কালী", "মা কালীকে"🙏🕯️🙏🕯️🙏🕯️🙏সেজন্য আজ বাঙালি'র আত্মপরিচয়ের' নিমিত্ত স্বয়ং মা কালীকেই স্মরণ করলাম তাঁর রূপের গরিমা নিয়ে।মা, আমাদের রক্ষা কর!...!!!মা,আমাদের সমস্ত ঘর'শত্রু ও বহিঃ'শত্রু বিনাশ কর।
🙏🕉️🕯️🔱🙏🕉️🕯️🔱🙏🕉️🕯️🔱🙏
জয় মা কালী...!!🕯️!!.... জয় মা কালী...!!🕯️...জয় মা কালীকেও নমঃ🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
NB:: উপরোক্ত লেখার দায়ভার নিজস্ব।
#শুভেচ্ছা #🌺শুভ কালীপুজো 2025🪔 #কালী #ভক্তি #🎇শুভ দীপাবলি🎆
দীপাবলি আলোর উৎসবের দিন, প্রদীপ জ্বালানোর দিন
❇️🕯️💡🕯️💡🕯️💡🕯️💡🕯️❇️
সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পরে অনুশোচনায় অনুতপ্ত হয়ে শান্তি আর মৈত্রীর জন্য নিজেকে নিয়োজিত করতে এই দীপাবলির দিন বৌদ্ধধর্মতে দীক্ষিত হয়েছিলেন।....!!!!!!
আজও জ্বলবে।পূর্বে,পশ্চিমে,উত্তরে, হিমালয়ের কোলে গরিবদের গ্রামে,দক্ষিণের সমুদ্রকূলে নারকেলের বনে,ধান আর গমখেতের ফাঁকে ফাঁকে লাখো কুটিরে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা আজও আলোয় আলোয় নক্ষত্রালোক সাজাবে।অমাবস্যার রাত আলোয় হাসবে।দীপাবলি আসলে বিজয়ীর উৎসব।দীপাবলির ইতিহাসের সঙ্গে পুরাণের যেসব গল্প প্রচলিত রয়েছে,তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় রাম,সীতা ও লক্ষ্মণের অযোধ্যায় ফেরার কাহিনি।এ ছাড়া আরও অনেকগুলো গল্প জড়িয়ে রয়েছে দীপাবলির সঙ্গে।রামায়ণ মতে,একদা এই দিনে অযোধ্যায় আলো জ্বলে উৎসবে মেতেছিল,কারণ লঙ্কা কাণ্ড সমাধা করে রামচন্দ্র এই দিনেই অযোধ্যায় পৌঁছেছিলেন।শুনে ভারতবর্ষের প্রতিটি সন্তান শান্তির প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন,ঘরে ঘরে কোটি কোটি সীতা আনন্দে আলো জ্বেলেছিলেন।
★আজ 2025 পেরিয়ে যাচ্ছে,সীতারা আলো জ্বালাবেন,কিন্তু তাতে কি তাদের মনের জ্বালা মিটবে?শত শত সীতারা ভারতবর্ষের আনাচে কানাচে ধর্ষিত হয়ে চলেছে।কেউ কেউ বলেন,দীপাবলির আলো জ্বেলে আমরা আসলে "নরকাসুর" জয়ের ঘটনা স্মরণ করি।এমনি এক অমাবস্যার রাতেই নাকি শ্রীকৃষ্ণের হাতে নিহত হয়েছিলেন ত্রিলোকের ত্রাস "নরকাসুর"।ষোল হাজার বন্দিনী নারী মুক্তি পেয়ে আবার সংসারে ফিরে এসেছিলেন,আমাদের অভয়া'রা কী ফেরে এই কলিযুগে??????ঋষিরা আবার দিনের আলো দেখতে পেয়েছিলেন।কলঙ্ক মুক্ত পৃথিবী তাই সেদিন আলোয় আলোয় অপরূপা সেজেছিল,মর্ত্যবাসী আনন্দে হেসেছিল।আবার এ'ও আছে জানা,ভারতের দরিদ্রতম মানুষটিও অন্ধকার রাতে আলো জ্বেলে একদিন উৎসবে মেতেছিল,কারণ সেই চতুর্দশী সন্ধ্যায়ই সংবাদ এসেছিল,পরাজিত শকেরা পলায়নের পথ খুঁজছে,স্বদেশে রাজা বিক্রমাদিত্য তাদের উৎখাত করতে সমর্থ হয়েছেন।শুনে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল ভারতবর্ষ।এ আলো তারই স্মারক।আবার প্রবাদ বলে,সমুদ্র মন্থনের পঞ্চম দিনে সমুদ্র থেকে উথ্থিতা হন দেবী লক্ষ্মী।ওই দিন থেকেই দীপাবলির পাঁচ দিনের উৎসব শুরু হয়।অবশেষে,দীপাবলি অর্থাৎ আজকের রাতটিতে লক্ষ্মী স্বামী হিসাবে বরণ করে নেন বিষ্ণুকে।দেবতারা আলো জ্বালিয়ে মেতে ওঠেন উৎসবে।দেবতাদের সেই দীপমালার সমাহারই দীপাবলি।স্বর্গের সেই বিবাহের কথাই বলে মর্ত্যের প্রদীপের আলো।আরও বলে,বিবাহবার্ষিকীতে বিষ্ণু বাধ্য স্বামীর মতো ঘরেই থাকেন!কোথাও যান না স্ত্রীকে ছেড়ে!তাই লক্ষ্মীও প্রসন্ন মনে ঘরটিকে সাজিয়ে তোলেন প্রদীপ আর তাঁর রূপের আলোয়।
ফিরে আসার এই গাথায় ভাগ রয়েছে বৌদ্ধদেরও।থেরাভেদা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশ্বাস,এই দীপাবলি তিথিতেই ত্রয়োত্রিংশ স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে ফিরে এসেছিলেন গৌতম বুদ্ধ।তাঁর সেই প্রত্যাবর্তনের আনন্দই লুকিয়ে থাকে দীপাবলির আলোকমালায়।আবার, বজ্রযানী বৌদ্ধরা এই দীপাবলি রাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে আলোকিত করেন চরাচর,পূজা করেন বসুধারা বা লক্ষ্মীর।আবার অন্য রকম কাহিনিও শোনা যায়।প্রজারঞ্জক রাজা ছিলেন মহাবলী।শক্তিমানও বটে।তাঁর ভয়ে দেবতারাও শঙ্কিত।কিন্তু প্রজারা তাঁকে ভালোবাসে।ভীত দেবতাদের প্রার্থনায় বিষ্ণু বামন-বেশে মহাবলীর সামনে এসে হাজির হলেন।মহাবলী জানতে চাইলেন,তিনি কী চান।বামনরূপী বিষ্ণু বললেন,ত্রিপাদ ভূমি।দানশীল মহাবলী তাতে আপত্তি করলেন না।তিনি বামনের প্রার্থনা মঞ্জুর করে বললেন,‘বেশ,তাই নাও।’ বিষ্ণু এবার স্বরূপ ধারণ করলেন।এক পায়ে তিনি পৃথিবী অধিকার করলেন,আর এক পদক্ষেপে স্বর্গ অধিকৃত হলো।বিষ্ণু বললেন,তৃতীয় পদ কোথায় স্থাপন করি?মহাবলী বললেন,আমার মস্তকে।বিষ্ণুর পদভারে মহাবলী রসাতলে প্রোথিত হলেন।প্রজারা কান্নাকাটি শুরু করল।তাদের পীড়াপীড়িতে পরে বিষ্ণু প্রতিবছর এক দিনের জন্য মহাবলীকে নিজের রাজধানীতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন।সে দিনটিই দীপাবলি বা দেওয়ালি।লোকজন নরপতিকে নিজেদের মধ্যে ফিরে পেয়েছিলেন বলেই প্রজারা সেদিন আলোর উৎসব করেছিল। আবার এও সত্যি,মহামায়া দুর্গা এদিনেই অসুর বধ করে ত্রিলোককে নিশ্চিন্তে আলো জ্বালতে দিয়েছিলেন।আবার এ কথাও শোনা যায়,পিতার ক্রোধে দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে বিতাড়িত এক রাজকন্যা বাবার সঙ্গে শর্ত করেছিলেন পুরো রাজ্য এক রাত্রি আলোকহীন রাখতে।বাবার হারিয়ে যাওয়া গজমতির মালা কুড়িয়ে পেয়েছিল তার এই দুঃখিনী মেয়ে,মালা ফেরত দেওয়ার আগে শর্ত দিয়েছিল যে কৃষ্ণ-চতুর্দশীতে রাজ্য আলোহীন রাখতে হবে।তাই হলো রাজার আদেশে গোটা রাজ্যে সেদিন কারোর ঘরে আলো নেই।আলো জ্বলছে,কেবল সেই রাজকন্যার কুটিরেই।সেই থেকে দীপাবলির রাতে ঘরে ঘরে আলো জ্বলে।আবার ঐতিহাসিক কাহিনি মতে, রাজা বিক্রমাদিত্য (দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত) শক দস্যুরাজকে পরাজিত করে পরিচিত হন শকারি নামে।এই জয়লাভ তার রাজত্বকালে মহা সমারোহে পালিত হতো আলো উৎসব তথা দীপাবলি (দীপমালা) উৎসব হিসেবে।এ ছাড়া মহাভারতে পাওয়া যায় যে বারো বছর বন-বাস ও এক বছর অজ্ঞাত-বাসের পর দীপাবলিতেই হস্তিনাপুরে ফিরে এসেছিলেন পাণ্ডবেরা।সে জন্য আলোর মালায় সাজানো হয়েছিল গোটা হস্তিনাপুর।
দীপাবলি, শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নয়, শিখ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদেরও অনুষ্ঠান। জৈনধর্মের প্রবর্তক মহাবীর ৫২৭ অব্দে দীপাবলির দিনে মোক্ষ (নির্বাণ) লাভ করেন।
সংসারে জুড়ে থাকার এই আলোই কিন্তু সমান ভাবে পরেছে সংসার ছাড়ার খাতেও...‼️‼️‼️খ্রিস্টেরও জন্মের আগে তৃতীয় শতকে রচিত জৈন আচার্য ভদ্রবাহুর কল্পসূত্র।কল্পসূত্র মতে,সংসার ত্যাগ করে মোক্ষ বা নির্বাণ লাভের জন্য পাওয়া পুরীতে সাধনা করছিলেন শেষ তীর্থঙ্কর মহাবীর।এই দীপাবলির রাতেই তিনি বহু প্রার্থিত নির্বাণ লাভ করেন।যা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে আলোক উৎসবের উদযাপনের মধ্যে।অর্থাৎ,জৈনদের কাছে দীপাবলি জ্ঞানের আলোর উৎসব।জৈন মত আরও বলে, মহাবীরের প্রধান শিষ্য গৌতম গান্ধার স্বামীও এই দীপাবলি তিথিতেই লাভ করেছিলেন কৈবল্য বা চূড়ান্ত জ্ঞান।দুইয়ে মিলেই জৈনদের আলোর উৎসব।
দীপাবলির দিনে শিখ ধর্মগুরু গুরু হরগোবিন্দ অমৃতসরে ফিরে আসেন।সম্রাট জাহাঙ্গীরকে পরাজিত করে গোয়ালিওর দুর্গ থেকে বায়ান্ন হিন্দু রাজাকে মুক্ত করেন,তার এই প্রত্যাবর্তনকে শিখেরা পালন করেন।তাঁরা এ দিনকে ‘বন্দী ছোড় দিবস’ও বলেন।
দীপাবলি অমাবস্যার রাতে পালন করা হয়। তাই চারদিকে নিকষ অন্ধকার থাকে আর এই অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা সর্বত্র প্রদীপ জ্বালিয়ে আলোকিত করে রাখে।বিশ্বাস এটাই,নিকষ অন্ধকারেই অশুভ আত্মা ও অশুভ শক্তি সক্রিয় হয়ে ওঠে।তাই এই অশুভ শক্তিকে দুর্বল করতে ঘরের প্রতিটি কোনায় বাতি বা প্রদীপ জ্বালানো হয়ে থাকে।আলোর উৎসব দীপাবলি কোথাও বিজয় উৎসব,কোথাও নববর্ষের উৎসব,কোথাও এদিনে লক্ষ্মীপূজা।কোথাও পূর্বপুরুষের স্মৃতিতর্পণ।
★হুমম যারা মহালয়া তে তর্পণ করেননি তারা এই অমাবস্যায় সেটি সম্পন্ন করতেও পারেন.....আমাদের দেশে এই দীপাবলির রাতেই কালীপূজা।অমাবস্যার অন্ধকারে দিনটি যেন আলোর গরিমাই ঘোষণা করে।দীপাবলি যেন অশুভ অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর সাধনা! আনন্দের উৎসব মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর জয়কে উদ্যাপন করা।আলোকসজ্জার এই দিবস অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলো জ্বালার দিন।নিজের ভেতরের বাইরের সব অজ্ঞতা ও তমকে দীপশিখায় বিদূরিত করার দিন।প্রেম-প্রীতি-ভালোবাসার চিরন্তন শিখা প্রজ্বালিত করার দিন।
‘দীপ’ এবং ‘অবলি’— এই দুইয়ে মিলে হয়েছে সংস্কৃত দীপাবলি শব্দটি।‘দীপ’ শব্দের অর্থ ‘আলো’ এবং অবলি শব্দের অর্থ ‘সারি’।ফলে দীপাবলি শব্দের অর্থ ‘আলোর সারি’।
দেশ থেকে দেশে,অঞ্চল থেকে অঞ্চলে—এই দিনের মাহাত্ম্য ভিন্ন ভিন্ন; তবু মূল কথা এক। আর আধ্যাত্মিকতার গভীর দর্শনে এই দিন, আত্মাকে প্রজ্বালিত করে পরিশুদ্ধ করে মোক্ষ লাভেরও দিন।গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, অক্টোবর বা নভেম্বরের মাঝামাঝি দেওয়ালি হয়।হিন্দু মতে,তা কার্তিক মাসের ১৫ তারিখে হয়।ফলে প্রতি বছরই ইংরেজি ক্যালেন্ডারে জায়গা বদল করে দেওয়ালি।
সারা ভারতে এক দিন নয়,পাঁচ দিন ধরে পালিত হয় এই উৎসব।ধনতেরাস,নরক চতুর্থী,অমাবস্যা,কার্তিক শুদ্ধ পদ্যমী বা বালি প্রতিপদা এবং ভাই দুঁজ বা ভাইফোঁটা।
শুধুমাত্র এ দেশেই নয়,ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, মায়ানমার,মরিশাস,নেপাল,গায়ানা,সিঙ্গাপুর, সুরিনাম,মালয়েশিয়া,শ্রীলঙ্কা এবং ফিজিতেও দেওয়ালিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়
ভারতের বাইরে ইংল্যান্ডের লেস্টার শহরে সবচেয়ে বড় দেওয়ালি উৎসব পালিত হয়।
সবই বললাম এবার আসুন আমরাও আমাদের বাড়ি গুলোকে আলো দিয়ে সাজাই যে যতটা পারি।আর মনের কালিমা মুক্ত হই। সকলের মঙ্গল কাম্য।আনন্দ করুন।
❇️🕯️💡🕯️💡🕯️💡🕯️❇️
আরো একটা কথা মনে রাখবেন,আমি বেশি টাই ব্যান থাকি,সকলের পোষ্টে সময়ে Comnt দিতে পারিনা,ক্ষমা প্রার্থী।🥀মানব সভ্যতার ইতিহাসে এই দীপাবলি উৎসব সুপ্রাচীন এক উৎসব।শুভকামনা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীতাই হল এই উৎসবের প্রধান মৈত্রী এবং সম্প্রীতির আলোকোজ্জ্বল সবার মনের মাধুরী মেশানো এক রংবেরঙের বর্ণচ্ছ্বটা।আর একবার সকলকে শুভ দীপাবলির শুভেচ্ছা। ভালো থাকবেন।
❇️🕯️💡🕯️💡🕯️💡🕯️💡🕯️❇️
#🪔দীপাবলি স্ট্যটাস🎆 #🎇শুভ দীপাবলি🎆 #শুভেচ্ছা #🌺শুভ কালীপুজো 2025🪔 #🌺শুভ কালীপুজো 2025🪔



