হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙏🙏❤️❤️রাধে রাধে🙏🙏❤️❤️ #🙂ভক্তির সকাল😇
জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি—সাফল্য, সুখ কিংবা সামান্য প্রাপ্তিও—সবই ঈশ্বরের কৃপা। অনেক সময় আমরা নিজের পরিশ্রমকে বড় করে দেখি, কিন্তু ভুলে যাই সেই শক্তি, সুযোগ ও পরিস্থিতিও ভগবানের দান, যার মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে পারি। তাই প্রতিটি প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া মানে শুধু ভদ্রতা নয়, এটি আত্মার নম্রতা ও জ্ঞানের পরিচয়।
“যেমন কর্ম, তেমন ফল”—এই চিরন্তন নিয়ম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবনের প্রতিটি কাজেরই প্রতিফল আছে। ভালো কাজ আমাদের উন্নতির পথে নিয়ে যায়, আর ভুল কাজ আমাদের শিক্ষা দেয়। এই নিয়মই বিধির বিধান, যা কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
"যজ্ঞার্থাৎ কর্মণোহন্যত্র লোকোহয়ং কর্মবন্ধনঃ।
তদর্থং কর্ম কৌন্তেয় মুক্তসঙ্গঃ সমাচর।।৩/৯।।
অনুবাদঃ বিষ্ণুর প্রীতি সম্পাদন করার জন্য কর্ম করা উচিত; তা না হলে কর্মই এই জড় জগতে বন্ধনের কারণ। তাই, হে কৌন্তেয়! ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের জন্যই কেবল তুমি তোমার কর্তব্যকর্ম অনুষ্ঠান কর এবং এভাবেই তুমি সর্বদাই বন্ধন থেকে মুক্ত থাকতে পারবে।"
অর্থাৎ, যদি আমরা সব কাজ ভগবানের প্রতি সমর্পণ করে করি, তাহলে সেই কর্ম আমাদের বন্ধন দেয় না—বরং মুক্তির পথ খুলে দেয়।
তাই জীবনের পথচলায় অহংকার নয়, কৃতজ্ঞতা বেছে নিন। প্রতিটি অর্জনে ভগবানকে স্মরণ করুন, কারণ কৃতজ্ঞ হৃদয়েই সত্যিকারের শান্তি ও পরিপূর্ণতা বাস করে।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।💝🌸 #🙂ভক্তির সকাল😇
জয় গীতা। জয় গৌড়। জয় গুরু দেব। জয় শ্রী রাধা কৃষ্ণ 🙏🙏❤️❤️হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙏🙏❤️❤️রাধে রাধে🙏🙏❤️❤️ #🙂ভক্তির সকাল😇
অর্জুনের মাধ্যমে সকল মানব জাতিকে দেওয়া ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অমৃত বাণীসমূহ:-
1.সর্বদা সন্দেহ করে যাওয়া মানুষ কখনো প্রসন্নতা পায় না।এই জীবনে সম্ভব আর না অন্য জীবনে।
2.যে ব্যক্তির কর্ম ফলের প্রতি কোনো আসক্ত নেই।
কর্মফল তাকে স্পর্শ করতে পারে না।
3.আমি সকলের গতি। যে ব্যক্তি কৃষ্ণভাবনায় যুক্ত নয়,তার মন সংযত নয়।
4.দুর্বলই কেবল ভাগ্যের দোষারোপ করে আর বীর ভাগ্যকে অর্জন করে।
5.এই জগৎ আমারই প্রকৃতির অধীন।সর্ব প্রকার ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল আমার স্মরণাগত হও।
6.উৎসাহ এর চেয়ে বড় বল আর কিছুই নেই,উৎসাহী ব্যাক্তি জগতও জয় করতে পারে।
7.হৃদয়বানের কোন ক্রোধ নেই।
8.তপস্যাই পরম শ্রেয়,বাকী সকলই মায়া।যখন সংসারে দেখার মত কিছুই থাকে না, তখন মানুষ ঈশ্বর এর দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে
9.সমুদ্র হোক বা সংসার যে ধর্মের নৌকা প্রস্তুত করে সে ঠিক পার হয়ে যায়।
10.সময় কখনও মানুষের নির্দেশিত পথে চলে না, মানুষকে সময়ের নির্দেশিত পথে চলতে হয়।
11.ধর্মের উপদেশ দেয়া যায়, আদেশ কিছুতেই দেয়া যায় না। সকলকে নিজের ধর্ম স্বয়ং নিশ্চিত করতে হয়।
12.যে বস্তু সহজেই লাভ করা যায়, সে বস্তুর প্রতি মানুষের মূল্যবোধ থাকে না।
13.ক্রোধ থেকে প্রতিশোধের জন্ম হয় আর ধর্ম থেকে ন্যায় জন্মায়। আমাদের জীবনেও যদি এমন সময় আসে, যখন আমাদের উপর কোন অন্যায় হয় তবে ন্যায় করার পূর্বে নিজের ক্রোধের উপর অঙ্কুশ অবশ্যই রাখা উচিত।
14.ভবিষ্যৎকে শুদ্ধ করার জন্য এই অশুদ্ধ বর্তমানকে ধ্বংস করা অনিবার্য। ভবিষ্যতের উদীয়মান সূর্যের প্রথম কিরনকে দেখো। যা সবার জন্য প্রতিক্ষা করছে।
15.যে বৃক্ষ তিক্ত ফল দান করে সে বৃক্ষকে উৎপাটন করে মধুর ফল প্রদানকারী বৃক্ষকে রোপন করতে হয়। ওই বৃক্ষকেই অধিক খাদ্য গ্রহন করিয়ে বা শাখা প্রশাখাকে কাট-ছাট করলে মধুর ফল পাওয়া যায় না।
16.প্রেম উন্নতি দেয়, উচিৎ অনুচিতের জ্ঞান দেয়। প্রেম আর মোহের মাঝে পার্থক্য থাকে। বাস্তবে যা প্রেম, তা কোন মোহ নয়। প্রেমের জন্ম করুণা থেকে হয়, আর মোহের জন্ম অহংকার থেকে। প্রেম মুক্তি দেয়, মোহ আবদ্ধ করে। প্রেম ধর্ম, আর মোহ অধর্ম।
17.জীবন না ভবিষ্যতে আছে আর নাই বা আছে অতীতে, জীবন তো কেবল এই মূহুর্তে আছে; অর্থাৎ এই মূহুর্তের অনুভব করাকেই জীবন বলে।
18.নরকের তিনটে দরজা হয়- কামনা, ক্রোধ এবং লোভ।
19.অব্যক্ত রুপে আমি সমস্ত জগতে ব্যাপ্ত আছি।
20.সর্বশ্রেষ্ঠ পরমেশ্বর ভগবানকে অনন্যা ভক্তির মাধ্যমেই কেবল লাভ করা যায়।
21.জ্ঞানীর কাছে সত্যই পরম ধর্ম।
22.লোভ , হিংসা পরম শত্রু যার উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে মানুষের মৃত্যু অনিবার্য।
23.জন্মের সাথেই মানুষের মৃত্যু নির্ধারিত, তাই নিজের কর্ম করো যা অনিবার্য। তার জন্য দুঃখ করো না।
🙏🙏🙏🙏❤হরে কৃষ্ণ ❤🙏🙏🙏🙏 #🙂ভক্তির সকাল😇













