জীবনে আমরা যা কিছু অর্জন করি—সাফল্য, সুখ কিংবা সামান্য প্রাপ্তিও—সবই ঈশ্বরের কৃপা। অনেক সময় আমরা নিজের পরিশ্রমকে বড় করে দেখি, কিন্তু ভুলে যাই সেই শক্তি, সুযোগ ও পরিস্থিতিও ভগবানের দান, যার মাধ্যমে আমরা এগিয়ে যেতে পারি। তাই প্রতিটি প্রাপ্তির জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া মানে শুধু ভদ্রতা নয়, এটি আত্মার নম্রতা ও জ্ঞানের পরিচয়।
“যেমন কর্ম, তেমন ফল”—এই চিরন্তন নিয়ম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবনের প্রতিটি কাজেরই প্রতিফল আছে। ভালো কাজ আমাদের উন্নতির পথে নিয়ে যায়, আর ভুল কাজ আমাদের শিক্ষা দেয়। এই নিয়মই বিধির বিধান, যা কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
"যজ্ঞার্থাৎ কর্মণোহন্যত্র লোকোহয়ং কর্মবন্ধনঃ।
তদর্থং কর্ম কৌন্তেয় মুক্তসঙ্গঃ সমাচর।।৩/৯।।
অনুবাদঃ বিষ্ণুর প্রীতি সম্পাদন করার জন্য কর্ম করা উচিত; তা না হলে কর্মই এই জড় জগতে বন্ধনের কারণ। তাই, হে কৌন্তেয়! ভগবানের সন্তুষ্টি বিধানের জন্যই কেবল তুমি তোমার কর্তব্যকর্ম অনুষ্ঠান কর এবং এভাবেই তুমি সর্বদাই বন্ধন থেকে মুক্ত থাকতে পারবে।"
অর্থাৎ, যদি আমরা সব কাজ ভগবানের প্রতি সমর্পণ করে করি, তাহলে সেই কর্ম আমাদের বন্ধন দেয় না—বরং মুক্তির পথ খুলে দেয়।
তাই জীবনের পথচলায় অহংকার নয়, কৃতজ্ঞতা বেছে নিন। প্রতিটি অর্জনে ভগবানকে স্মরণ করুন, কারণ কৃতজ্ঞ হৃদয়েই সত্যিকারের শান্তি ও পরিপূর্ণতা বাস করে।। হরেকৃষ্ণ।।
।। জয় শ্রীকৃষ্ণ।।
।। জয় সনাতন ধর্ম।।💝🌸 #🙂ভক্তির সকাল😇