#🌞সুপ্রভাত☀️ #🍰বার্থডে স্পেশাল স্টেটাস👩🏻🤝👩🏻 বাংলা ভক্তিগীতি, শ্যামাসঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী "পান্নালাল ভট্টাচার্যের" শুভ জন্মবার্ষিকীতে আন্তরিক শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই।
🙏🌹🙏🌻🙏🍁🙏🎂🙏🌼🙏🏵️🙏🌷🙏
পান্নালাল ভট্টাচার্য (৫ই মার্চ ১৯৩০ – ২৭ মার্চ ১৯৬৬) বাংলা ভক্তিগীতির জগতে বিশেষকরে শ্যামাসঙ্গীতের এক প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। তার গাওয়া বেশিরভাগ শ্যামাসঙ্গীতের গীতিকার হলেন বাংলার শাক্ত কবি রামপ্রসাদ সেন, নয় তো কমলাকান্ত ভট্টাচার্য। তিনি বাংলাগানের স্বর্ণযুগের সুরকার প্রফুল্ল ভট্টাচার্য এবং স্বনামধন্য শিল্পী ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের অনুজ।
সঙ্গীতজীবন:-
তার ইচ্ছা ছিল চলচ্চিত্রের নেপথ্য গায়ক হবেন, আধুনিক গান গাইবেন। সেসময় বাংলা আধুনিক গানে স্বর্ণযুগের খ্যতিমানরা হলেন শচীন দেববর্মণ, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জগন্ময় মিত্র প্রমুখেরা। পান্নালালের মধ্যে ভক্তিরসের সন্ধান পেয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে সতের বৎসর বয়সে তাঁর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা প্রফুল্ল ভট্টাচার্য তাঁকে আর বন্ধু সনৎ সিংহ-কে নিয়ে যান এইচ এম ভি'তে। 'আমার সাধ না মিটিল আশা না ফুরিল, সকলই ফুরায়ে যায় মা' শ্যামাসঙ্গীত দিয়ে তাঁর প্রথম গান গ্রামোফোন কোম্পানিতে রেকর্ড হয়। পান্নালাল ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের কথামতো আধুনিক আর ছবিতে নেপথ্য সঙ্গীত ছেড়ে ভক্তিমূলক গানকে নিজের কণ্ঠে ঠাঁই দিলেন এবং প্রকৃত অর্থে সাধক -গায়ক হয়ে উঠলেন। পান্নালাল জীবদ্দশায় ৩৬ টি আধুনিক গান সমেত ১৮ টি রেকর্ড, ৩ টি বাংলা ছায়াছবির গান এবং চল্লিশটি শ্যামাসঙ্গীতের রেকর্ড করেছেন।"শ্রী অভয়" নাম দিয়ে তার লেখা ও সুর দেওয়া বেশ কিছু শ্যামাসঙ্গীত আছে।
তার জনপ্রিয় শ্যামাসঙ্গীত গুলি হল -
আমার চেতনা চৈতন্য করে
আমি মন্ত্রতন্ত্র কিছু জানিনে মা
আমি সকল কাজের পাই হে সময়
অপার সংসার নাহি পারাপার
ভেবে দেখ মন কেউ কারো নয়
চাই না মা গো রাজা হতে
আমার কালো মেয়ের পায়ের তলায়
আমার মায়ের পায়ে জবা হয়ে
তুই নাকি মা দয়াময়ী
তুই যে কেমন দয়াময়ী
সকলই তোমারি ইচ্ছা
আমায় দে মা পাগল করে
মুছিয়ে দে মা আমার এ দুটি নয়ন
মনেরই বাসনা শ্যামা ইত্যাদি।