#🌞সুপ্রভাত☀️
🏞️ এক গাছে ৪০ ফল: বিজ্ঞান ও শিল্পের অনন্য মেলবন্ধন....😨😲😲😲
🔹 আমরা সাধারণত একটি গাছে এক ধরনের ফলই দেখতে অভ্যস্ত। কখনও কলমের মাধ্যমে দুই ধরনের ফলও দেখা যায়। কিন্তু এক গাছেই ৪০ রকমের ফল—শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও সেটাই বাস্তব করে দেখিয়েছেন Sam Van Aken, যুক্তরাষ্ট্রের Syracuse University-এর এক গবেষক।
🔹 তার উদ্ভাবিত গাছটির নাম—Tree of 40 Fruit। এই এক গাছেই পাওয়া যায় পিচ, এপ্রিকট, নেকটরিন, বরই, চেরি—সহ আরও নানা ফল! বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা এই উদ্ভাবনের কথা প্রকাশ করেছে CNN ও Time-এর মতো শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
🔹 কীভাবে সম্ভব হলো এই বিস্ময়...🤷♂️🤷🤷♂️
▪️ স্যাম ভ্যান অ্যাকেন পেশায় শিল্পকলার শিক্ষক হলেও কৃষির প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। ২০০৮ সালে নিউইয়র্কে তিন একর জমি ইজারা নিয়ে শুরু করেন এক অভিনব গবেষণা। লক্ষ্য ছিল—একটি গাছেই যেন পুরো ফলের বাগানের স্বাদ পাওয়া যায়।
▪️ তিনি ব্যবহার করেন গ্রাফটিং বা কলম পদ্ধতি। এতে একাধিক গাছের ডালকে এমনভাবে জোড়া দেওয়া হয়, যাতে তাদের অভ্যন্তরীণ শিরা-উপশিরা সংযুক্ত হয়ে একসঙ্গে বৃদ্ধি পায়। ফলে এক গাছেই জন্ম নেয় ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির ফল।
⏳ সময় ও পরিশ্রমের ফসল:-
▪️ এই ‘ট্রি অব ফোরটি’ সম্পূর্ণ বিকশিত হতে সময় লাগে প্রায় ১০ বছর। গাছটির প্রতিটি ফল ভিন্ন সময়ে ধরে, তবে পুরো গ্রীষ্মকাল জুড়েই গাছে ফলের উপস্থিতি থাকে—যা একে আরও অনন্য করে তোলে।
এই প্রকল্পে স্যাম কাজ করেছেন ২৫০টিরও বেশি প্রজাতির গাছ নিয়ে। তিনি বলেন, কোন কলম সবচেয়ে ভালো কাজ করবে তা আগে থেকে নির্ধারণ করা যায় না—এটাই এই কাজের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং দিক।
🎨 বিজ্ঞান না শিল্প?
▪️ স্যামের কাছে এটি শুধু বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন নয়, বরং একটি জীবন্ত শিল্পকর্ম। তার ভাষায়,
“এটি হয়তো বিশ্বের ক্ষুধা সমস্যার সমাধান করবে না, কিন্তু মানুষের চিন্তাকে নতুনভাবে ভাবতে অনুপ্রাণিত করবে।”
🌍 বিস্তার ও আগ্রহ:-
▪️ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য—আরকানসাস, কেন্টাকি, মেইন, ম্যাসাচুসেটস, নিউ জার্সি ও পেনসিলভানিয়ায় এই গাছের দেখা মিলছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জাদুঘর ও শিল্প সংগ্রাহকরাও এটি সংগ্রহ করেছেন।
💰 একটি গাছের মূল্য প্রায় ৩০ হাজার ডলার, যা এর বিরলতা ও শিল্পমূল্যকেই তুলে ধরে।
▪️ ‘ট্রি অব ফোরটি’ শুধু একটি গাছ নয়—এটি মানুষের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞান ও শিল্পের এক অনন্য মেলবন্ধন। প্রকৃতিকে নতুনভাবে দেখার এক সাহসী প্রয়াস, যা আমাদের কল্পনার সীমাকেও চ্যালেঞ্জ জানায়।
🔹 আপনি কি পারবেন এই ধরনের গাছগুলো তৈরি করতে...🤷♂️🤷🤷
🚧 এইধরনের নতুন নতুন তথ্যপূর্ণ পোস্ট পেতে হলে আমাদের পেজটিকে ফলো করবেন।।
Geography zone- ভূগোল বলয় #fb #Amezing #facts #like #geographyzone #ad #india #follower
#🎂 হ্যাপি বার্থডে
বিশিষ্ট বাঙালি নাট্যকার, সংগীতস্রষ্টা, সম্পাদক ও চিত্রশিল্পী, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা শ্রী "জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের" শুভ জন্মবার্ষিকীতে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।
🙏🌹🙏🥀🙏🌼🙏🎂🙏🌷🙏🍁🙏🌻🙏
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (৪ মে ১৮৪৯ - ৪ মার্চ ১৯২৫) ছিলেন একজন বাঙালি নাট্যকার, সংগীতস্রষ্টা, সম্পাদক ও চিত্রশিল্পী। স্বকীয় প্রতিভা ছাড়াও অন্যান্য প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করার বিরল ক্ষমতা ছিল তার মধ্যে। তিনি তার ছোটোভাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিভার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাল্যকালে দাদা হেমেন্দ্রনাথ তার শিক্ষার ভার নিয়েছিলেন। পরে তিনি সেন্ট পল'স ও মন্টেগু'স স্কুলে পড়াশোনা করেন। ১৮৬৪ সালে হিন্দু স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। বিশিষ্ট ঐতিহাসিক ও লেখক রমেশচন্দ্র দত্ত ছিলেন তার সহপাঠী। এরপর প্রেসিডেন্সি কলেজে (অধুনা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) ফার্স্ট আর্টস পড়ার সময় থিয়েটারে আকৃষ্ট হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেন।
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ শৈশবে বিষ্ণুপদ চক্রবর্তীর কাছে সঙ্গীত বিষয়ে তালিম নেন। তিনি পিয়ানো, ভায়োলিন, হারমোনিয়াম ও সেতার বাজানোতে দক্ষ ছিলেন। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ির সঙ্গীত বিপ্লবে মূল ভূমিকা ছিল জ্যোতিরিন্দ্রনাথের। সাহিত্য ও সংগীতে জ্যোতিরিন্দ্রনাথের সঙ্গী ছিলেন অক্ষয় চন্দ্র চৌধুরী। পরে রবীন্দ্রনাথ তাদের সাথে যোগ দেন। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ সুরারোপ করতেন ও পিয়ানো বাজাতেন এবং অক্ষয় ও রবীন্দ্রনাথ সুরগুলোতে কথা যোগ করতেন। রবীন্দ্রনাথের নৃত্যনাট্য মায়ের খেলায় ব্যবহৃত ২০ টি গানের সুরকার জ্যোতিরিন্দ্রনাথ।
দ্বিজেন্দ্রনাথ বাংলা সঙ্গীতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি নোটেশনের ধারার পরিবর্তন ও উন্নয়ন ঘটান। তিনি গান ও স্বরলিপি নিয়ে একটি বই রচনা করেন এবং বেশ কিছু সুরকার যেমন, দ্বারকিন এটিকে স্বরলিপিগীতিমালা হিসেবে প্রকাশ করেন। ১৮৭৯ সালে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ বিনাবাদিনী একটি সঙ্গীত বিষয়ক ম্যাগাজিন চালু করেন যা বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম ম্যাগাজিনগুলোর মধ্যে অন্যতম।তিনি গণিত বিষয়ক আরেকটি ম্যাগাজিন সঙ্গীত প্রকাশিকাও প্রকাশ করেন। তিনি ব্রাহ্ম সমাজের প্রার্থনার জন্য বেশকিছু গানের সুরারোপ করেন। এদের কিছু কিছু হিন্দুস্তানী ক্লাসিকাল সঙ্গীতের থেকে গৃহীত হয়েছে। ভারতের সঙ্গীতের জন্য ১৮৯৭ সালে তিনি ভারতীয় সঙ্গীত সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।তার গানগুলো সিডিতে পাওয়া যায়।
কলকাতার অগ্রগণ্য সংগীতবিদ ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী রাজেশ্বর মিত্র বলেন, "এই সময়েও আমরা ঠাকুর বাড়ির সঙ্গীত ও নাট্যসংস্কৃতির উত্থান লক্ষ্য করি, যা সেসময়কার অন্যান্য বাড়ি থেকে পরিমার্জিত ও উজ্জ্বল। এই উন্নতির প্রকল্প করেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ"।
https://www.facebook.com/share/v/18uDHNDg2P/ #🌞সুপ্রভাত☀️











![🌓শুভ সন্ধ্যা - GYANO BIGYAN ধামাল' (২০০৭) সিনেমায় মূল চার অভিনেতা - আর্শাদ ওয়ার্সি (আদিত্য), জাভেদ জাফরি (মানব), রিতেশ দেশমুখ (রয়) এবং আশিস চৌধুরী (বমন)-পুরো সিনেমা জুড়ে একই পোশাক পরেছিলেন াসিনেমার কমেডি উপাদান ধরে রাখতে এবং চরিত্রগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল, যা দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়] GYANO BIGYAN ধামাল' (২০০৭) সিনেমায় মূল চার অভিনেতা - আর্শাদ ওয়ার্সি (আদিত্য), জাভেদ জাফরি (মানব), রিতেশ দেশমুখ (রয়) এবং আশিস চৌধুরী (বমন)-পুরো সিনেমা জুড়ে একই পোশাক পরেছিলেন াসিনেমার কমেডি উপাদান ধরে রাখতে এবং চরিত্রগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল, যা দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়] - ShareChat 🌓শুভ সন্ধ্যা - GYANO BIGYAN ধামাল' (২০০৭) সিনেমায় মূল চার অভিনেতা - আর্শাদ ওয়ার্সি (আদিত্য), জাভেদ জাফরি (মানব), রিতেশ দেশমুখ (রয়) এবং আশিস চৌধুরী (বমন)-পুরো সিনেমা জুড়ে একই পোশাক পরেছিলেন াসিনেমার কমেডি উপাদান ধরে রাখতে এবং চরিত্রগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল, যা দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়] GYANO BIGYAN ধামাল' (২০০৭) সিনেমায় মূল চার অভিনেতা - আর্শাদ ওয়ার্সি (আদিত্য), জাভেদ জাফরি (মানব), রিতেশ দেশমুখ (রয়) এবং আশিস চৌধুরী (বমন)-পুরো সিনেমা জুড়ে একই পোশাক পরেছিলেন াসিনেমার কমেডি উপাদান ধরে রাখতে এবং চরিত্রগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল, যা দর্শকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়] - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_432160_8070026_1777816430122_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=122_sc.jpg)

![🌓শুভ সন্ধ্যা - উড়িষ্যা রাজ্য আইন কমিশন মহিলাদের পুরী শ্রী মন্দিরের ভিতরে শার্ট এবং জিন্স বা ট্রাউজার্স পরা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাকের পরামর্শ দিয়েছেো পুরুষ তীর্থযাত্রীদের ধুতি ও কুর্তা, বা ট্রাউজার্স ও শার্ট, বা চুড়িদার ও পায়জামা) বা পট্ট, এবং কাঁধে গামছা পরতে হবে] ১০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের শাড়ি ও ব্লাউজ বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে, এবং ১০ বছরের কম বয়সের মেয়েদের গাউন /ফ্রক বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে] উড়িষ্যা রাজ্য আইন কমিশন মহিলাদের পুরী শ্রী মন্দিরের ভিতরে শার্ট এবং জিন্স বা ট্রাউজার্স পরা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাকের পরামর্শ দিয়েছেো পুরুষ তীর্থযাত্রীদের ধুতি ও কুর্তা, বা ট্রাউজার্স ও শার্ট, বা চুড়িদার ও পায়জামা) বা পট্ট, এবং কাঁধে গামছা পরতে হবে] ১০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের শাড়ি ও ব্লাউজ বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে, এবং ১০ বছরের কম বয়সের মেয়েদের গাউন /ফ্রক বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে] - ShareChat 🌓শুভ সন্ধ্যা - উড়িষ্যা রাজ্য আইন কমিশন মহিলাদের পুরী শ্রী মন্দিরের ভিতরে শার্ট এবং জিন্স বা ট্রাউজার্স পরা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাকের পরামর্শ দিয়েছেো পুরুষ তীর্থযাত্রীদের ধুতি ও কুর্তা, বা ট্রাউজার্স ও শার্ট, বা চুড়িদার ও পায়জামা) বা পট্ট, এবং কাঁধে গামছা পরতে হবে] ১০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের শাড়ি ও ব্লাউজ বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে, এবং ১০ বছরের কম বয়সের মেয়েদের গাউন /ফ্রক বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে] উড়িষ্যা রাজ্য আইন কমিশন মহিলাদের পুরী শ্রী মন্দিরের ভিতরে শার্ট এবং জিন্স বা ট্রাউজার্স পরা নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং পুরুষদের জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাকের পরামর্শ দিয়েছেো পুরুষ তীর্থযাত্রীদের ধুতি ও কুর্তা, বা ট্রাউজার্স ও শার্ট, বা চুড়িদার ও পায়জামা) বা পট্ট, এবং কাঁধে গামছা পরতে হবে] ১০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের শাড়ি ও ব্লাউজ বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে, এবং ১০ বছরের কম বয়সের মেয়েদের গাউন /ফ্রক বা সালোয়ার-কামিজ পরতে হবে] - ShareChat](https://cdn4.sharechat.com/bd5223f_s1w/compressed_gm_40_img_291965_327bd09a_1777816289887_sc.jpg?tenant=sc&referrer=user-profile-service%2FrequestType50&f=887_sc.jpg)