বরাহ অবতার
2 Posts • 180 views
Dhoni
655 views
#ভগবান বিষ্ণু #🙏ভগবান বিষ্ণু🙏 #বরাহ অবতার #🕉️শ্রীকৃষ্ণের বরাহ অবতার 🙏 . ⚜️🔔 #জয়_শ্রী_বিষ্ণু_challenge 🔔⚜️ #ভগবান_বিষ্ণ 🕉️🌿🚩 #বরাহ_দেবের_আবির্ভাব_তিথি *─⊱✼ #ভগবান_বিষ্ণুর_১০_অবতার ✼⊰─* ✧════════•❁❀❁•════════✧ 🧡⚜️🕉️ আজ শনিবার 31/01/2026 🕉️⚜️🧡 আজ শনিবার মাঘ মাসের ১৭ তারিখ ১৪৩২ ✧════════•❁❀❁•════════✧ ✨🙏 আজ ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণুর তৃতীয় অবতার : - #বরাহ_অবতার_জয়ন্তী 🙏✨ শ্রীহরি বিষ্ণু বরাহ অবতারে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিলেন হিরণ্যাক্ষ রাক্ষসের হাত থেকে । এই অবতার আমাদের শেখায়— ধর্ম ও ন্যায় সর্বদা জয়ী হয়, অধর্ম কখনো স্থায়ী নয় । #ভগবান বিষ্ণুর ১০ অবতার ❤️❤️❤️ 01 #মৎস_অবতার, 02 #কূর্ম_অবতার, 03 #বরাহ_অবতার,✅✔️ 04 #নৃসিংহ_অবতার, 05 #বামন_অবতার, 06 #পরশুরাম_অবতার, 07 #রাম_অবতার, 08 #বলরাম_অবতার, 09 #গৌতম_বুদ্ধ_অবতার, 10 #কল্কি_অবতার ❤️❤️❤️ #বরাহ_দ্বাদশী । দ্বাদাসি হল অবকাশ বা অর্ধ চন্দ্রের দ্বাদশ দিন (দ্বাদাসি, "দুই", দাসি, "দশম") বৈদিক চন্দ্র ক্যালেন্ডারে, দ্বাদাসি একদাসি অনুসরণ করে, একটি দিন সাধারণত আধ্যাত্মিক কার্যকলাপ এবং উপবাসের জন্য বিশেষভাবে নিবেদিত, কমপক্ষে সিরিয়াল এবং সবজি । পরের দিন উপযুক্ত সময়ে রোজা না ভাঙলে একাদশীর রোজা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়, দ্বাদাসী । এই সময়গুলো এখানে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে । বারাদেব হল বোয়ার কৃষ্ণের অবতার । গড়ভদাকা মহাসাগর থেকে তার ফ্যাংসহ ডুবন্ত গ্রহ পৃথিবীকে তুলবার জন্য তিনি একটি শুকরের রূপ গ্রহণ করেন । দৈত্য হিরণ্যক এই সাগরে পৃথিবীকে নিক্ষেপ করেছিলেন, কিন্তু প্রভু দৈত্যকে তার ফ্যাং দিয়ে ভেদ করে পৃথিবীকে রক্ষা করেছিলেন । বরাহ দ্বাদশীর শুভেচ্ছা ! "আজ বরাহ দ্বাদশী । বরাহদেব প্রকৃতপক্ষে শ্রীকৃষ্ণ । তিনি বরাহদেব রূপে আবির্ভূত হয়েছেন এবং এই লীলাগুলি করেছেন । আমরা পাঠ করেছি কীভাবে বরাহদেব পৃথিবীকে তুলে নিয়ে হিরণ্যাক্ষ রাক্ষসকে বধ করেছিলেন । কিভাবে ভগবান পৃথিবী গ্রহ উত্তোলন করতে পারেন ? এটি সাধারণ জীবের কাছে অকল্পনীয় । তারা মনে করে এটি কাল্পনিক । কিন্তু এটা বাস্তব ! বরাহদেব পৃথিবী গ্রহটিকে জলের পৃষ্ঠে স্থাপন করেছিলেন । তিনি পৃথিবীকে জলে, বাতাসে, যেখানে খুশি রাখতে পারেন ! তাঁর জন্য কোন কিছুই অসম্ভব নয় ! ভগবান বরাহদেবের লীলার কথা শুনে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ । যদি আমরা ভগবানের অকল্পনীয়, বিস্ময়কর কার্যকলাপ স্মরণ করি, তবে আমাদের উপকার হয় । আমরা যদি সর্বদা বরাহদেবের কথা ভাবি, ভগবান শ্রীচৈতন্য, পঞ্চতত্ত্ব, রাধা মাধব সম্পর্কে চিন্তা করি, তবে ভগবান খুব খুশি হন !
18 likes
15 shares
Dhoni
642 views
#বরাহ অবতার #🙏ভগবান বিষ্ণু🙏 #🙏বিষ্ণু দেব🙏 বরাহ অবতার ও হিরণ্যাক্ষ : - অধর্মের বিরুদ্ধে ধর্মের মহাসংগ্রাম হিন্দু পুরাণে ভগবান বিষ্ণুর দশাবতারের মধ্যে বরাহ অবতার এক অনন্য তাৎপর্য বহন করে । এই অবতার কেবল একটি দৈত্যবধের কাহিনি নয়—এটি সৃষ্টিজগতের ভারসাম্য রক্ষা, অহংকারের পতন এবং ধর্মের চিরন্তন বিজয়ের প্রতীক । সত্যযুগের আদিপর্বে সংঘটিত বরাহ অবতার ও দৈত্যরাজ হিরণ্যাক্ষের যুদ্ধ পুরাণসাহিত্যের অন্যতম নাটকীয় ও অর্থবহ অধ্যায় । ১. হিরণ্যাক্ষের উত্থান : - তপস্যা থেকে ত্রিলোক দম্ভ দিতি ও মহর্ষি কশ্যপের পুত্র হিরণ্যাক্ষ জন্মগতভাবেই ছিল প্রবল শক্তিশালী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী । ক্ষমতার লোভে সে কঠোর তপস্যায় ব্রহ্মাকে তুষ্ট করে । দীর্ঘকাল তপস্যার পর ব্রহ্মা তার সামনে আবির্ভূত হলে হিরণ্যাক্ষ এমন এক বর প্রার্থনা করে, যার ফলে সে নিজেকে প্রায় অমর বলে ভাবতে শুরু করে । হিরণ্যাক্ষের প্রাপ্ত বরসমূহ * **দেবতা ও অলৌকিক সত্তার হাত থেকে অমরত্ব**: দেব, দানব, যক্ষ, গন্ধর্ব, কিন্নর—কোনো শক্তিধর সত্তাই যেন তাকে হত্যা করতে না পারে । * **পশু ও জীবজগতের সীমাবদ্ধতা**: সে বহু পশু ও জীবের নাম উল্লেখ করে সুরক্ষা চেয়েছিল, কিন্তু অবহেলার কারণে ‘শূকর’ বা বরাহের নাম বাদ পড়ে যায় । * **অপরিসীম বল ও যুদ্ধদক্ষতা**: ব্রহ্মা তাকে অতুলনীয় শারীরিক শক্তি ও অদম্য যুদ্ধকৌশল দান করেন । এই বর লাভের পর হিরণ্যাক্ষের মধ্যে অহংকার চরমে ওঠে । সে দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে এবং ত্রিলোকের একচ্ছত্র শাসক হওয়ার স্বপ্নে মত্ত হয়ে ওঠে । ২. পৃথিবী অপহরণ : - সৃষ্টির বিরুদ্ধে আসুরিক বিদ্রোহ ক্ষমতার উন্মাদনায় অন্ধ হয়ে হিরণ্যাক্ষ এক ভয়াবহ কাজ করে । সে ধরিত্রী দেবীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে মহাজাগতিক গভীর সমুদ্র—গর্ভোদক সাগরের অতলে নিক্ষেপ করে । এর ফলে পৃথিবী অদৃশ্য হয়ে যায় এবং সমগ্র সৃষ্টিতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় । ঋষিদের যজ্ঞ ব্যাহত হয়, দেবতারা দিশেহারা হয়ে পড়েন এবং ধর্মের ভিত্তি টলমল করতে থাকে । তখন সৃষ্টির রক্ষাকর্তা ব্রহ্মা ভগবান বিষ্ণুর শরণ নেন । ৩. বরাহ অবতারের আবির্ভাব : - ক্ষুদ্র থেকে অসীম ব্রহ্মার আহ্বানে এক অলৌকিক ঘটনা ঘটে । তাঁর নাসিকা থেকে একটি অতি ক্ষুদ্র শূকররূপ আবির্ভূত হয়, যা মুহূর্তের মধ্যেই আকাশস্পর্শী বিশাল রূপ ধারণ করে । এটাই ছিল ভগবান বিষ্ণুর **বরাহ অবতার** । বরাহ দেব তাঁর ভয়ংকর গর্জনে দিকবিদিক প্রকম্পিত করে মহাসমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়েন পৃথিবী উদ্ধারের সংকল্পে । ৪. মুখোমুখি সংঘর্ষ : - দৈত্যের দম্ভ বনাম ঈশ্বরের সংকল্প বরাহ দেব যখন তাঁর বিশাল দাঁতের অগ্রভাগে পৃথিবীকে তুলে ধরছেন, তখন হিরণ্যাক্ষ সেখানে উপস্থিত হয়ে তাঁকে বাধা দেয় । অহংকারে অন্ধ হয়ে সে ঈশ্বরকেও তুচ্ছ করে ব্যঙ্গ করে বলে— > “হে বন্য পশু ! এই পৃথিবী আমার অধিকার । তুই কে, একে নিয়ে যাবি ?” এই ঔদ্ধত্যের পরই শুরু হয় মহাপ্রলয়সদৃশ যুদ্ধ । ৫. ভয়ংকর যুদ্ধের বিবরণ এই যুদ্ধ ছিল কেবল অস্ত্রের সংঘর্ষ নয়, বরং ধর্ম ও অধর্মের মুখোমুখি সংঘাত । ⚔️ গদাযুদ্ধ হিরণ্যাক্ষ তার সুবিশাল গদা দিয়ে বরাহ দেবকে আক্রমণ করে । প্রতিআঘাতে বরাহ দেবও সমান শক্তিতে গদা চালান । দীর্ঘ সংঘর্ষের পর ভগবানের এক প্রবল আঘাতে হিরণ্যাক্ষের গদা ভেঙে চূর্ণ হয়ে যায় । 🌀 মায়া ও অস্ত্রপ্রয়োগ গদা হারিয়ে হিরণ্যাক্ষ নানা বিভ্রম, মায়াবী অস্ত্র ও ত্রিশূল নিক্ষেপ করে । কিন্তু ভগবানের দিব্য তেজে সেই সমস্ত মায়া বিলীন হয়ে যায় । 🩸 চূড়ান্ত মুহূর্থ অবশেষে বরাহ দেব এক প্রচণ্ড চপেটাঘাতে হিরণ্যাক্ষের প্রাণনাশ করেন । সেই এক আঘাতেই অসুররাজ ভূমিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তার অহংকারের অবসান ঘটে । এই যুদ্ধ বহু কাল ধরে চলেছিল বলে পুরাণে বর্ণিত আছে, এবং দেবতারা আকাশ থেকে বিস্ময়ে এই অলৌকিক দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছিলেন । ৬. পৃথিবীর পুনঃপ্রতিষ্ঠা হিরণ্যাক্ষ বধের পর বরাহ অবতার অত্যন্ত স্নেহ ও যত্নের সঙ্গে পৃথিবীকে সমুদ্রগর্ভ থেকে তুলে এনে পূর্বের কক্ষপথে স্থাপন করেন । ধরিত্রী দেবী ভগবানকে কৃতজ্ঞতায় স্তব করেন এবং সৃষ্টিতে আবার শান্তি ফিরে আসে । ৭. এই কাহিনির অন্তর্নিহিত শিক্ষা ১. ধর্মের অবশ্যম্ভাবী বিজয় অধর্ম যতই শক্তিশালী হোক, তার পতন অনিবার্য। সত্য ও ন্যায় চিরকাল বিজয়ী । ২. অহংকার সর্বনাশের পথ হিরণ্যাক্ষের পতন প্রমাণ করে—অহংকার মানুষকে অন্ধ করে এবং ধ্বংস ডেকে আনে । ৩. ধৈর্য ও কর্তব্যবোধ ভগবান দীর্ঘ যুদ্ধেও ধৈর্য হারাননি । আমাদের জীবনেও কর্তব্যপথে অবিচল থাকা জরুরি । ৪. প্রকৃতি ও পৃথিবী রক্ষার বার্তা বরাহ অবতার পৃথিবী রক্ষার প্রতীক । এটি পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীলতার শিক্ষা দেয় । ৫. শরণাগত রক্ষা যখনই ধর্ম বিপন্ন হয় বা নিষ্পাপরা বিপদে পড়ে, ঈশ্বর কোনো না কোনো রূপে আবির্ভূত হন । উপসংহার বরাহ অবতার ও হিরণ্যাক্ষের কাহিনি একটি পৌরাণিক যুদ্ধের বর্ণনা হলেও এর বার্তা চিরকালীন । এটি আমাদের শেখায়—শক্তি নয়, ধর্মই শেষ কথা; অহংকার নয়, বিনয়ই মুক্তির পথ; এবং পৃথিবী রক্ষা করা শুধু ঐশ্বরিক দায়িত্ব নয়, মানবিক কর্তব্যও বটে । আপনি চাইলে আমি এটিকে **প্রবন্ধ, ধর্মীয় বক্তৃতা, গল্পরূপ বা শিশুদের উপযোগী সংস্করণে**ও রূপান্তর করে দিতে পারি ।
15 likes
9 shares