foreign

97 Posts • 16K views
PRATHAM ALOR BARTA
529 views 11 hours ago
হরমুজ নিয়ে বন্ধু ভারতের কোনো চিন্তা নেই - নয়াদিল্লিকে আশ্বাস ইরানের এবার কি ভারতের চিন্তা কিছুটা দূর হলো? এখনই অবশ্য কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে বৃহস্পতিবার ভারতের ইরানি দূতাবাস তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লেখে, ‘শুধুমাত্র ইরান এবং ওমানই হরমুজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা সুরক্ষিত হাতেই রয়েছে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।’ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জলপথ হরমুজ (Strait of Hormuz)। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত এই সংকীর্ণ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। এটি বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপথে সরবরাহ হওয়া মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। তেলের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস—বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে পৌঁছয়। কিন্তু যুদ্ধের জেরে বিশ্বব্যাপী চাপ বাড়াতে হরমুজ রুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। তবে তেহরানের সঙ্গে যে কয়েকটি দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তাদের জাহাজগুলিকে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই বন্ধু দেশের তালিকায় চিন, রাশিয়া, পাকিস্তানের পাশাপাশি রয়েছে ভারতও। এই পরিস্থিতিতে হরমুজে ভারতীয় জাহাজগুলির যে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই, সে কথাই ফের একবার স্পষ্ট করল তেহরান। এখনও পর্যন্ত ভারতের পতাকাবাহী আটটি জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। তার মধ্যে ৩১ মার্চ এবং ১ এপ্রিল ৯৪ হাজার টন গ্যাস নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে BW ELM এবং BW TYR নামের দু’টি জাহাজ। সূত্রের খবর, প্রয়োজনের তুলনায় খানিকটা ঘুরপথে হরমুজ প্রণালী পার করছে ভারতীয় জাহাজগুলি। যাতে ইরান প্রশাসন নয়াদিল্লির জাহাজগুলিকে চিহ্নিত করতে পারে, সেকারণেই যেতে হচ্ছে ঘুরপথে। অন্যদিকে, এখনও হরমুজ সংলগ্ন এলাকায় ২০টি ভারতীয় জাহাজ আটকে রয়েছে বলে খবর। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
10 likes
11 shares
PRATHAM ALOR BARTA
546 views 4 days ago
শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ালো ভারত ভারতের ঘরে জ্বালানি তেলের অবস্থা 'ভাড়ে মা ভাবনী'। সেই অবস্থাতেই প্রতিবেশি রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। গুরুতর এই সংকটের সময়ে বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক উদ্যোগ নিল ভারত। জরুরি ভিত্তিতে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ডিজেল পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি, যা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছে। সূত্রের খবর, গত ২৮ মার্চ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিসানায়েকে ফোনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেন। তখনই তিনি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের সহায়তা চান। আশ্বাস মতো যত দ্রুত সম্ভব ভারত সরকার শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কলম্বোয় ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এরপরই শনিবার জাহাজে করে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠানো হয়। রবিবার সেই জ্বালানি পৌঁছে যায় কলম্বো বন্দরে। এই দ্রুত পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি সরবরাহের এই সহায়তার জন্য সে দেশের সরকার পক্ষ থেকে শুরু করে বিরোধী দুই পক্ষই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। শ্রীলঙ্কার বিরোধী দলনেতা সাজিত প্রেমদাস সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের প্রশংসা করে জানান, সংকটের সময়েই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয় মেলে। তিনি লেখেন, কঠিন সময়ে যারা পাশে দাঁড়ায়, তাদের অবদান কখনও ভোলা উচিত নয়। এই মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
13 likes
12 shares