দেবী তারা
---------------
দ্বিতীয় মহাবিদ্যা দেবী তারা শায়িত শিবের বক্ষে দন্ডায়মানা। দেবীর বামপদ অগ্রগামী, তাই দেবী 'বামাকালী' নামেও পরিচিতা। দেবীর গাত্রবর্ণ ঘননীল। অগ্নিময় শ্মশানে জ্বলন্ত চিতার মধ্য থেকে বিনির্গতা এই দেবী লোলজিহ্বা, লম্বোদরী, নবযৌবনা এবং মুন্ডমালিনী। দেবীর আসন স্বরূপ জ্বলন্ত চিতা জ্ঞানাগ্নির প্রতীক। চতুর্ভুজা এই দেবীর ডানদিকের উপরের হাতে খড়্গ এবং নীচের হাতে কাটারি। বামদিকের উপরের হাতে পদ্মফুল এবং নীচের হাতে নরকপাল। দেবীর কটিদেশ ব্যাঘ্রচর্মে আবৃত। দেবীর মস্তকে "পঞ্চমুদ্রাবিভুষিত" পিঙ্গলবর্ণের একজটা। "পঞ্চমুদ্রা" অর্থাৎ শ্বেত অস্থি নির্মিত চারটি পটি দিয়ে ত্রিকোণাকারে গাঁথা পাঁচটি নরকরোটি। মুন্ড জ্ঞানের প্রতীক। এখানে পঞ্চমুণ্ড শব্দ, স্পর্শ, রূপ, রস ও গন্ধের প্রতীক সুচিত করে। দেবীর জটাশীর্ষে রয়েছেন 'অক্ষোভ্য', অর্থাৎ ত্রিগুনাত্মিকা ব্রহ্মশক্তির প্রতীক স্ত্রী-নাগরূপী
মহাদেব স্বয়ং। দেবীর সর্বাঙ্গ স্ত্রীসুলভ নাগ অলঙ্কারে ভূষিতা। দেবীর সর্বাঙ্গে সর্পালঙ্কার প্রকটিত বৈরাগ্যের প্রতীক।
জীবকে ভবসাগর থেকে উদ্ধার করেন বলে তিনি তারিণী নামেও পরিচিতা। আবার এই নীলবর্ণা ত্রিনয়নী দেবী জীবকে বাকশক্তি প্রদান করেন বলে নীলসরস্বতী নামেও পূজিতা হন। এছাড়াও কুরুকুল্লা,ত্র্যক্ষরী,পঞ্চাক্ষরী,মহানীলসরস্বতী ইত্যাদি তাঁরই নাম। অগ্নিপুরাণে অক্ষোভ্যা এবং সর্বজ্ঞা নামে তার দুই জয় মা তারা যোগিনীরূপের উল্লেখ আছে।🌺🌺🌺
#🌺জয় মা তারা🌺 #জয় মা তারা #জয় মা তারা সবার মঙ্গল করো