আর কিছু সময় পরেই দেবকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যাচ্ছেন সিঙ্গুর
সূত্রের খবর সিঙ্গুরে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুধু ৬১৬টি প্রকল্পের উদ্বোধনই করবেন না সঙ্গে সিঙ্গুর থেকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানেরও উদ্বোধন করবেন। নির্বাচনের আগে এটা হবে মুখ্যমন্ত্রীর একদম মাস্টার স্ট্রোক। ভোটের আগে জমি আন্দোলনের আঁতুরঘর থেকে তিনি কী বার্তা দেন তা জানতে মুখিয়ে রাজনৈতিক মহল। সূত্রের খবর, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে থাকবেন ঘাটালেন সাংসদ দেব। প্রতি বছর বন্যা থেকে মুক্তির পথ অবশেষে পেতে চলেছেন মেদিনীপুরের বিস্তৃর্ণ অংশের মানুষ। মমতা-দেবের সঙ্গেই মঞ্চে দেখা যাবে জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়াকেও। ভার্চুয়ালি ঘাটাল থেকে থাকবেন মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিরা। দুপুর ১টায় সিঙ্গুরের ইন্দ্রখালি মাঠে সভা রয়েছে মমতার। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি নিয়ে এর আগে রাজনৈতিক মহলে জলঘোলা কম হয়নি। গত শতাব্দীর আটের দশক থেকেই এই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু বাস্তবের মুখ দেখেনি। বঞ্চিতই রয়ে গিয়েছিলেন জেলার মানুষ। এদিকে বর্ষা হোক বা সামান্য বৃষ্টি, বন্যার ছবিটা বড্ড চেনা হয়ে গিয়েছিল ঘাটালবাসীর। রাজ্যে পরিবর্তনের পরেও এখনও বাস্তবায়িত না হওয়ায় বারবার বিজেপির নিশানায় থেকেছে রাজ্যের শাসকদল। ক্ষোভ বেড়েছে ঘাটালেও।
২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আরামবাগের একটি প্রশাসনিক থেকে দেবকে সঙ্গে নিয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় ৫০০ কোটি ও পরবর্তীতে আরও দেড় হাজার কোটি টাকা রাজ্য সরকারের তরফে খরচ করা হবে বলে জানানো হয়। ঘাটাল সহ পাঁশকুড়ার বিভিন্ন নদীতে চলছে খনন কাজ, তৈরি করা হবে ব্রিজ, তৈরি হবে গেট। অন্যদিকে এদিন সিঙ্গুর থেকে কৃষকদের আধুনিক যন্ত্র, পাট্টা প্রদান কর্মসূচিও চলবে। সূত্রের খবর, ৬১৬টি প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন মমতা। অন্যদিকে সূত্রের খবর, সিঙ্গুরের সভা সেরেই দিল্লি যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরে সভা করে গেছেন। কিন্তু সেখান থেকে তিনি শিল্পের কোনো বার্তা দেন নি। মুখ্যমন্ত্রী কি শিল্পের কথা বলবেন? মানুষ সিঙ্গুরে শিল্প চায়। এখন আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানার জন্য।
#prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta