prathamalorbarta

80 Posts • 519 views
PRATHAM ALOR BARTA
785 views 1 days ago
কলকাতা: দীর্ঘ জল্পনার অবসান। বিজেপির টিকিট পেলেন অভয়ার মা। টিকিট পাওয়ার পর কলকাতার সটলেক বিজেপির সদর দপ্তরে এসে উপস্থিত হন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পানিহাটি বিধানসভা থেকে বিজেপির টিকিটের বিধানসভায় নির্বাচনে লড়াই করবেন রত্না দেবনাথ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
3 likes
8 shares
PRATHAM ALOR BARTA
10K views 2 days ago
শেষ পর্যন্ত হয়তো অভয়ার মা বিজেপির টিকিট পাচ্ছেন না আর জি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মা নিজেই বলেছিলেন যে তিনি বিজেপির কাছে অনুরোধ করেছিলেন, তাকে যেন পানিহাটি থেকে প্রার্থী করা হয়। এবার তাই নিয়েই দুভাগে বিভক্ত দল। শমীকে ও সুকান্ত এই প্রস্তাবে রাজী নয়, অন্যদিকে এর পক্ষে সায় দিয়েছেন শুভেন্দু। প্রসঙ্গত, দিল্লির নির্ভয়ার নামের সঙ্গে মিলিয়ে আর জি করের নির্যাতিতার নাম রাখা হয়েছে ‘অভয়া’। কিন্তু নির্ভয়ার মায়ের মতো রাজনীতির হাতছানি উপেক্ষা করতে পারেননি অভয়ার মা। আর জি করের নির্যাতিতার মা-বাবা ইতিমধ্যেই বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যতে তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহেই পানিহাটির বাড়িতে অভয়ার মা ঘোষণা করেছিলেন, সুবিচার ছিনিয়ে আনতে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। টেলিফোনে বিজেপি নেতৃত্বকে সে কথা জানিয়েওছেন। তিনি এমনও জানান, সিপিএম তাদের নিয়ে শুধু রাজনীতি করেছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তারা নাকি সুবিচার পাবেন। অভয়ার মায়ের এই ঘোষণার পরই রাজ‌্যজু়ড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। মেয়ের মৃত্যুকে হাতিয়ার করে অভয়ার মা বিজেপি প্রার্থী হতে চাওয়ায় নিন্দার ঝড় সোশ‌াল মিডিয়াজুড়েও। বিপক্ষে বিজেপির একাংশের যুক্তি, অভয়ার মা নিজেই ঘোষণা করছেন তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। তঁাদের এই রাজনীতির সঙ্গে যোগ নিয়ে সোশ‌াল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। সেটাতে স্পষ্ট, তাকে প্রার্থী করলে বিজেপির কোনও লাভ হবে না। অভয়ার মাকে প্রার্থী করার বিষয়ে কর্মীদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছে। তাদের কথায়, আর জি কর কাণ্ড শুধু পানিহাটির ইস্যু নয়। অভয়ার মাকে প্রার্থী করলেই যে মানুষ ঢেলে ভোট দেবে সেরকমটা নয়। এদিকে অনেকেই একজন রাজনীতির লোক চাইছেন। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত বিজেপি কোন সিদ্ধান্তে উপস্থিত হয়। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
82 likes
133 shares
PRATHAM ALOR BARTA
616 views 5 days ago
একরাশ খোব নিয়ে রাজনীতি ছাড়লেন নোয়াপাড়ার বিধায়িকা মঞ্জু বসু। ২০০০ সালে খুন হন বিকাশ বসু তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসে তাকে ঘর থেকে বার করে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন। তিনবারের তিনি বিধায়িকা হয়েছিলেন। কিন্তু ৬ই মার্চ ধন্য মঞ্চে তাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপমান করেন। তারপরেই যখন টিকিট ঘোষণা হয়। তৃণমূলের তখন দেখা যায় তার নাম নেই। তার দাবি তিনি হয়তো তোলাবাজি করতে পারেন না সেই কারণে তাকে আর দলের প্রয়োজন নেই। তাকে অপমান না করে ভালো কথা বললে তিনি হয়তো টিকিটটাই নিতেন না কিন্তু যেভাবে অপমান তাকে করা হয়েছে তার জন্য তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি বিচারও পেলেন না তার স্বামীর হত্যার। তার দাবি তিনি শুধু দিয়েই গেলেন পেলেন না কিছুই। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
9 likes
17 shares