prathamalorbarta
41 Posts • 514 views
PRATHAM ALOR BARTA
540 views
খালেদা ও হাসিনার যুগের অবসান - বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে পুরুষতন্ত্র এবার বহুদিন পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে একজন পুরুষ - তারেক রহমান। এতে প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির কিছু পরিবর্তন হয়তো হবে। খালেদা এবং হাসিনার মতো নারীদের প্রাধান্য সরিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুরসিতে বসছেন এক পুরুষ। আর সংসদে বিরোধী দলের আসনে জামাত-ই-ইসলামি। শুক্রবার ভোররাতে নির্বাচন কমিশন এই ফল ঘোষণা করেন।নিষেধাজ্ঞা থাকায় এবারের ভোটে অংশ নিতে পারেনি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে এলেন, দেখলেন, জয় করলেন! প্রত্যাশিতভাবেই বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৯৯ টি আসনের সংসদে জাদুসংখ্যা পেরিয়েছে খালেদা জিয়ার দল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। আর বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন তারেক। রাজধানী ঢাকায় জামাত অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। সব আশঙ্কা, অনিশ্চয়তাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ইতিহাসের নজিরবিহীন উৎসাহ-উদ্দীপনায় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ইদকেও যেন হার মানিয়েছে এবারের নির্বাচনী উৎসব! গোটা বিশ্ব তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশের এ নির্বাচনের দিকে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এবার ভোট পড়েছে ৬০.৬৯ শতাংশ। পোস্টাল ব্যালটে ৮০.১১ শতাংশ ভোট পড়লেও বৈধ হয়েছে ৭০.২৫ শতাংশ ভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭৭.৭ শতাংশ। দেশের কোথাও প্রাণঘাতী সংঘাত না ঘটিয়ে বিশ্বকে ‘আমরাও পারি’ দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ দেড় যুগ ভোট দিতে না পারার আক্ষেপ মেটাতে রক্ত না ঝরিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের নতুন বার্তা দিয়ে এক অনন্য নজির তৈরি করেছেন দেশের সাধারণ ভোটার ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলি। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
13 likes
7 shares
PRATHAM ALOR BARTA
536 views
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ভোট নির্বিঘ্নে এবার মূলত দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা - বিএনপি ও জামাত। লড়াই প্রায় জমানে সমানে। পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, গন্ডগোলের প্রবল সম্ভাবনা। তবে সকাল ৯ পর্যন্ত ভালোভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেড়ে যাওয়া কুর্সিতে কে বসবেন? তা নির্ধারণ করতেই ভোটাধিকার প্রয়োগ বাংলাদেশের। দৌড়ে এখন দু’জন প্রতিদ্বন্ধী। দ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেখ রহমান এবং কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন জামায়েত ইসলামির আমির শফিকুর রহমান। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হবে। একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। ছাত্র আন্দোলনকে অনুঘটক করে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালে ৫ অগাস্ট পতন ঘটেছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লিগ সরকারের। হাসিনা তাঁর দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ক্ষমতার বসেছিল নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যুদ্ধাপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে ইউনূসের জমানায় ফাঁসির সাজা হয়েছে হাসিনার। অধিকাংশ জনমত সমীক্ষা রিপোর্টেই এগিয়ে রাখা হয়েছে BNP-কে। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়া। আর খালেদা জিয়া প্রয়াত। দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে এই প্রথম বাংলাদেশের ভোটে বেগমদের ছাড়াই। ১৮ মাস মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তিকালীন সরকারের আওতায় থাকার পরে এখন দেখার হাসিনার গদিতে কাকে বসান ওপার বাংলার নাগরিকরা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
9 likes
11 shares
PRATHAM ALOR BARTA
587 views
হুমায়ূনের বাবরি মসজিদ ভাঙার হুমকি দিল হিন্দু সংঘঠন স্বাধীনতার পরে প্রথম কয়েক বছর বাদ দিলে বাংলা যথার্থ অর্থেই ছিল সেকুলার। বাম আমালের অনেক ত্রুটি নাগরিকমহল বললেও কখনো বলে নি যে পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রদায়িক রাজনীতি হচ্ছে - যা হচ্ছে এখন। মমতার জগন্নাথ মন্দিরের বদলে হুমায়ূন ঘোষণা করলেন বাবরি মসজিদ। পরে মমতা বললেন দুর্গা অঙ্গন ও মহাকাল মন্দির। আর এবার কোনো এক হিন্দু সংগঠন জানালো তারা মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ হতে দেবে না। আর এই বাবরি মসজিদ নিয়েই শোরগোল রয়েছে গোটা দেশে। এবার লখনউ থেকে সরাসরি বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ করে জানিয়েছে,তারা কোনও পরিস্থিতিতেই মসজিদটি নির্মাণ করতে দেবে না। লখনউয়ের রাস্তায় চোখে পড়ছে বেশ কয়েকটি পোস্টার। সেই পোস্টারে ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলার 'মুর্শিদাবাদ চলো'র ডাক দেওয়া হয়েছে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, 'হুমায়ুন, আমরা আসব', 'বাবরি আবার ভেঙে ফেলা হবে', 'মুর্শিদাবাদ চলো'র মতো শ্লোগান। উল্লেখ্য বিষয় হল, বিশ্ব হিন্দু রক্ষা পরিষদের তরফে লখনউতে এই বিলবোর্ড বসানো হয়েছে। লখনউয়ের ১০৯০ স্কোয়ার, আম্বেদকর স্কোয়ার, হযরতগঞ্জ স্কোয়ার এবং শহরের একাধিক জায়গায় হিন্দুদের মুর্শিদাবাদে পদযাত্রা করার আহ্বান জানিয়ে হোর্ডিং লাগানো হয়েছে। বিশেষ বিষয় হল, এই পোস্টারেই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। যা একাধিক প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। তবে কি বাংলায় ধর্মীয় মেরুকরণ বা তোষণ রাজনীতির জন্য মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়কেই দায়ী করছে এই হিন্দু সংগঠন? বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছে, যদি ধর্মীয় ভিত্তিতে মুর্শিদাবাদের জনগণ ভোট দিতে শুরু করে, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে হিন্দু ও মুসলিম ভোটের মধ্যে রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ হুমায়ুন কবীর যে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ককে টার্গেট করছে তা আসলে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকেই ভোট দিয়ে আসছে। যদি কোনও কারণে সেই ভোট সরে যায় এবং উল্টোদিকে বিজেপি হিন্দুদের ভোট একত্রিত করতে পারে, তবে তা তৃণমূলের জন্য আশঙ্কার কারণ হতে পারে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
15 likes
9 shares