prathamalorbarta

97 Posts • 519 views
PRATHAM ALOR BARTA
612 views 11 days ago
মাত্র ১৫ লক্ষের কিছু বেশি সম্পত্তির মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের বাজারে সামনে চলে আসে নির্বাচনের প্রার্থীদের সারা বছরের হিসাব। সারা দেশে দরিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার জমা দিয়েছেন নমিনেশন। তার সঙ্গে জমা দিয়েছেন তাঁর সারা বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে নগদ অর্থ ছিল ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা। ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে মমতার। ওই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করার টাকা রয়েছে ওই ব্যাঙ্কেরই আরও একটি অ্যাকাউন্টে। ওই অ্যাকাউন্টে মাত্র ৪০ হাজার টাকা রয়েছে। সবমিলিয়ে ব্যাঙ্কে রয়েছে ১২ লক্ষ ৭৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৪০ হাজার ৬০০ টাকা টিডিএস হিসাবে ফেরত পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গয়নাগাটি রয়েছে কিছু। হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলার ‘দিদি’র কাছে ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম সোনা রয়েছে। যার বাজারদর ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নেই গাড়ি। কোনও অস্থাবর সম্পত্তিও নেই তাঁর। মমতার নামে নেই কোনও কৃষিজ কিংবা অকৃষিজ জমি। বসতবাড়িও নেই তাঁর নামে। কোনও লোনও নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হলফনামায় স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করে। পরীক্ষা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে ব্যাচেলার অফ ল পাশ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
16 likes
14 shares
PRATHAM ALOR BARTA
546 views 7 days ago
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
14 likes
10 shares