prathamalorbarta
32 Posts • 510 views
PRATHAM ALOR BARTA
3K views 1 days ago
অবশেষে মেয়র মেনে নিলেন কলকাতার বায়ুদূষণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে সাধারণত কলকাতার বায়ুদূষণ মানতেই চাইতো না মেয়র। ভারতের বায়ুদূষণ মানেই সব দায় চাপিয়ে দেওয়া হতো দিল্লির ঘাড়ে। এবার মেয়র স্বীকার করে নিলেন যে কলকাতার বায়ুদূষণ সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, দিল্লি এবং কলকাতার কারণে দূষণ বাড়ছে। দু’টি শহরের কাছে কোনও সমুদ্র নেই। ফলে যে দূষণ তৈরি হচ্ছে, তা বসে যাচ্ছে। দক্ষিণা বাতাস না থাকায় সেই দূষণ শহর থেকে বেরিয়ে যেতে পারছে না। ফলে বায়ু দূষণের মাত্রা এই জায়গায় পৌঁছেছে। পরিবেশবিদদের মতে, কলকাতার দূষণ কখনোই মানতে চাননি পুরসভার কর্তারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যত মেয়র বাধ্য হলেন কলকাতা পুরসভায় পরিবেশ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকতে।গত কয়েকদিন ধরে শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। AQI অর্থাৎ বায়ু দূষণের সূচক অনুযায়ী বাতাসের দূষণের মাত্রা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বুধবার রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সেই বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা পুলিশকে মেয়র নির্দেশ দিয়েছেন, দূষণ যাচাই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট যে গাড়িগুলিতে নেই, সেগুলি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়িগুলিকে ভালভাবে পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায়, এখানে যেভাবে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, তাতে দূষণ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত গাড়িগুলিকে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করাতে হবে। যানজট মুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কলকাতা পৌরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাস্তায় বালি যাতে না পড়ে থাকে। পাশাপাশি, রাস্তায় যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকছে। যেখান থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে বলে মেয়র জানিয়েছেন। মেয়র আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “সাফল্যের জন্য কলকাতা পৌরসভার বেশ কিছু গাফিলতি রয়েছে। যতক্ষণ না ঠেলা দিয়ে কাজ করানো হয়, ততক্ষণ কেউ কাজ করতে চায় না।” #prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
46 likes
32 shares
PRATHAM ALOR BARTA
560 views 1 days ago
আবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ট্রাম্প বললেন -'মোদি একজন দারুণ নেতা' রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে 'গিরগিটির' তুলনা করা হয় মাঝে মাঝেই। তাই বলে ট্রাম্পের মতো একজন আন্তর্জাতিক নেতা নিজের স্ট্যান্ড পয়েন্ট এতো দ্রুত পরিবর্তন করবেন? সে যাই হোক। বাণিজ্যচুক্তি না হওয়া এবং পরবর্তীকালে শুল্কবাণের জেরে দু’দেশের সম্পর্কে ভাটা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “মোদি একজন দারুণ নেতা।” একইসঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বুধবার সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “মোদির সঙ্গে আমার সম্পর্ক সুমধুর। তাঁর প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। মোদি দারুণ একজন নেতা। শীঘ্রই আমরা ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি করতে চলেছি।” বলে রাখা ভালো, এর আগেও একাধিকবার মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন ট্রাম্প। তবে বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি অন্য পথে বইছে।ইতিমধ্যেই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির বার্তা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কয়েকদিন আগামী ২৫ তারিখ ভারত সফরে আসবেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন। তাই ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি হওয়ার আগেই নিজের দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি সেড়ে ফেলতে চাইছেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, মার্কিন কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপে কৃষিপণ্য, মৎস্য এবং ডেয়ারি পণ্যের ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করতে চায় আমেরিকা। সেই শর্তে রাজি নয় ভারত। তার ফলেই আটকে রয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি। উল্লেখ্য, ব্রিটেনের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতেও এই তিনটি ক্ষেত্রের বাজার খোলেনি ভারত। তার কারণ, এই তিন ক্ষেত্রে ভারত নিজের বাজার খুলে দিলে প্রবল সমস্যায় পড়বেন দেশের কৃষকরা। যেহেতু আমেরিকার এই প্রস্তাবে ভারত রাজি নয়, তাই বাণিজ্যচুক্তি বিশ বাঁও জলে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ট্রাম্পর এই কথা হয়তো নতুন ইঙ্গিত দিচ্ছে। #prathamalorbarta #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
8 likes
10 shares