প্রথমআলোরবার্তা

82 Posts • 372 views
PRATHAM ALOR BARTA
613 views 12 days ago
মাত্র ১৫ লক্ষের কিছু বেশি সম্পত্তির মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের বাজারে সামনে চলে আসে নির্বাচনের প্রার্থীদের সারা বছরের হিসাব। সারা দেশে দরিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার জমা দিয়েছেন নমিনেশন। তার সঙ্গে জমা দিয়েছেন তাঁর সারা বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে নগদ অর্থ ছিল ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা। ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে মমতার। ওই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করার টাকা রয়েছে ওই ব্যাঙ্কেরই আরও একটি অ্যাকাউন্টে। ওই অ্যাকাউন্টে মাত্র ৪০ হাজার টাকা রয়েছে। সবমিলিয়ে ব্যাঙ্কে রয়েছে ১২ লক্ষ ৭৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৪০ হাজার ৬০০ টাকা টিডিএস হিসাবে ফেরত পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গয়নাগাটি রয়েছে কিছু। হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলার ‘দিদি’র কাছে ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম সোনা রয়েছে। যার বাজারদর ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নেই গাড়ি। কোনও অস্থাবর সম্পত্তিও নেই তাঁর। মমতার নামে নেই কোনও কৃষিজ কিংবা অকৃষিজ জমি। বসতবাড়িও নেই তাঁর নামে। কোনও লোনও নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হলফনামায় স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করে। পরীক্ষা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে ব্যাচেলার অফ ল পাশ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
16 likes
14 shares
PRATHAM ALOR BARTA
17K views 7 days ago
আবার বরানগরে আক্রান্ত বিজেপি এবারের ভোটে 'ভরকেন্দ্র' যদি হয় ভবানীপুর,'অন্যতম কেন্দ্র' যদি হয় নন্দীগ্রাম তাহলে অবশ্যই 'ব্যাটল ফিল্ড' বরানগর। বার বার করে মুখোমুখি বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকা। এবার অবশ্য অকুস্থলে সায়ন্তিকা ছিলেন না। সোমবার রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বরাহনগর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রচারের পর হঠাৎ বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে, বিক্ষোভ প্রর্দশনের সময়ই সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনারও আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার রাতে বরাহনগরের ৭ নং ওয়ার্ডে আমতলায় বিজেপির একটা সভা ছিল। সজলের অভিযোগ, সভা শেষ হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ হাজির হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে। তারপর হঠাৎ তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, তাঁদের তিন-চারজন কর্মী আহত হয়েছেন। সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা অজয় গুপ্তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও অজয় ও তাঁর লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সজলের। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী সজল। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মজুত ছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগরে পৌঁছন সজল ঘোষ। থানার সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও জানান। তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও করেছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
156 likes
132 shares
PRATHAM ALOR BARTA
659 views 9 days ago
১৪ বছর পরে কলকাতায় পুলিশ পেলো আবার মহিলা গোয়েন্দা প্রধান এক ধাক্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিলেন দময়ন্তী সেনকে। তারপরে বহুদিন কেটে গেছে আর কোনো মহিলা কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান হন নি। দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন? কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
4 likes
11 shares