প্রথমআলোরবার্তা

82 Posts • 378 views
PRATHAM ALOR BARTA
555 views 9 days ago
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
14 likes
10 shares
PRATHAM ALOR BARTA
670 views 10 days ago
১৪ বছর পরে কলকাতায় পুলিশ পেলো আবার মহিলা গোয়েন্দা প্রধান এক ধাক্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিলেন দময়ন্তী সেনকে। তারপরে বহুদিন কেটে গেছে আর কোনো মহিলা কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান হন নি। দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন? কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
4 likes
11 shares
PRATHAM ALOR BARTA
570 views 10 days ago
ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীকে ডেকে পাঠালো NIA ব্যাস শুরু বয়ে গেছে NIA ভার্সেস তৃণমূলের লড়াই। NIA এর এই নির্দেশ ভোটের আগে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না রাজ্য তৃণমূল। ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা কর্মীকে নোটিস পাঠালো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, যারা ভোট পরিচালনার কাজে নিযুক্ত, তাদের বেছে বেছে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, তদন্তের স্বার্থে এনআইএ যে কাউকে নোটিস পাঠাতেই পারে। বঙ্গ ভোটে এবারও ‘হাইভোল্টেজ’ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। একদিকে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে একদা তাঁর ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রামের ভোট প্রচারে কেউ কাউকে একটুকরো জমি ছাড়তে নারাজ। কিন্তু এনআইএ নোটিস ঘিরে ক্রমশ চড়ছে নন্দীগ্রামের রাজনীতি। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ, সামসুল ইসলাম-সহ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, অঞ্চল সভাপতিদের এনআইএ নোটিস ধরানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বুথ স্তরের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সেই নোটিস হাতে পেয়েছেন বলেও খবর। যেখানে ১৭ এপ্রিল কলকাতার এইআইএ র দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের মুখে এই নোটিস ঘিরেই শুরু হয়েছে তরজা। তৃণমূলের দাবি, নন্দীগ্রামের ভোট বানচাল করতে বিজেপি তৃণমূল কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে এনআইএ তদন্তের নামে নোটিশ পাঠাতে শুরু করেছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
19 likes
8 shares