প্রথমআলোরবার্তা
40 Posts • 295 views
রুজিরার বিরুদ্ধে কোনো রকম মানহানিকর কথা বলাযাবে না - হাইকোর্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়, অথচ বিরোধী দলের মানুষেরা কাছে মাঝেই বক্তব্য রাখতে উঠে রুজিরাকে টেনে আনেন এবং খুবই মানহানিকর মন্তব্য করেন। আর তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পরে সেই কথাগুলো। এবার থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অবমাননাকর মন্তব্য করা যাবে না। শুধু তাই নয়, অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও প্রচার করা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। তিনি একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ার জন্য তাঁর নাম জড়িয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ইচ্ছামতো প্রচার করছে। এই অভিযোগে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের স্পষ্ট নির্দেশ, রুজিরার বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা চলবে না। আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আদালত। ওই দিনই এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে। রুজিরা যেহেতু কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নয়, তাই তাকে rআজনীতির ময়দানে টেনে নামানো ও তা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে হাইকোর্ট।প্রসঙ্গত, এই সংক্রান্ত মামলায় আগেই বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে তাদের তদন্তের বিষয়ে আগে থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রচার না-করা বা ইনফর্ম না-করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমও যাতে অকারণে রুজিরার নাম ব্যবহার করে প্রচার না-করে সে বিষয়ে সতর্ক করেছিল আদালত। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তদন্তের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাকের তলব করা হয়েছিল। তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েওছিলেন। সেই নিয়ে বিরোধীরা ক্রমাগত মন্তব্য শুরু করেছিল। মানহানির জন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এখন কিছুদিনের জন্য হলেও স্বস্তি পেলেন রুজিরা। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
47 likes
101 shares
রাজনীতির অলিন্দে কান পাতলেই ‘টিকিট-কীর্তন’ মেদিনীপুর থেকে পাহাড়, ঘাসফুল শিবিরে এখন ‘পারফরম্যান্স’ বনাম ‘গ্ল্যামার’ ধাঁধা বাংলার রাজনীতির মহাকাব্য কি এবার নতুন কোনও মোড় নিতে চলেছে? ২০২৬-এর নির্বাচনের ঘণ্টা বাজার আগেই গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এক অলিখিত স্নায়ুযুদ্ধ। মেদিনীপুরের দুই জেলার ১৬ ও ১৫— মোট ৩১টি আসনের রেষারেষি সামনে আসতেই জানা গেল এটা তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র; উত্তর থেকে দক্ষিণ, বাংলার ২৯৪টি আসনেই এখন তৃণমূলের অন্দরে ‘টিকিট-লটারি’র ভিড়। নেতাদের গন্তব্য এখন গঙ্গার ধারের নবান্ন নয়, বরং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিট বা কালীঘাটের অন্দরমহল। মেদিনীপুরের নেতারা যখন জেলাশাসকের দপ্তরে উন্নয়নের ‘সার্টিফিকেট’ জমা দিতে ব্যস্ত, তখন মালদা বা মুর্শিদাবাদের বিধায়করা কলকাতায় ঘাঁটি গেড়েছেন স্রেফ নিজের অস্তিত্ব রক্ষায়। রহস্যটা দানা বেঁধেছে সেখানেই— দল কি এবার ‘পুরনো চাল ভাতে বাড়ে’ নীতিতে চলবে, নাকি ‘অভিষেক-মডেল’-এ নতুন রক্তের ইনজেকশন দেবে? পটাশপুর বা চণ্ডীপুরের মতো আসনে যেমন পুরনো সেনাপতিরা নিজের ঘর সামলাতে নাজেহাল, তেমনই উত্তরবঙ্গের চা-বলয়ে প্রার্থী তালিকায় বড়সড় কাঁচি চলার গুঞ্জনে ঘুম উবেছে বহু ডাকসাইটে নেতার। ধাঁধাটা আরও জটিল হয়েছে ‘গ্ল্যামার’ ফ্যাক্টরে। তমলুক থেকে টলিউড— রাজনীতির ময়দানে হঠাৎই কিছু ‘অচেনা’ মুখের আনাগোনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অনেক পুরনো মহীরুহ এবার স্রেফ দর্শকাসনে ঠাঁই পেতে পারেন। দুই মেদিনীপুরের ১৬ ও ১৫ আসনের অঙ্ক মেলাতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, একেকটি আসনে দাবিদার অন্তত ৫ জন। এই ‘ওভারক্রাউডিং’ দশা এখন রাজ্যের সব জেলাতেই। কিন্তু ধাঁধাটা হলো অন্য জায়গায়— যাঁরা উন্নয়নের দোহাই দিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে ফাইল ছুটাচ্ছেন, তাঁদের জনপ্রিয়তার গ্রাফ কি সত্যিই উর্ধ্বমুখী? নাকি নিচুতলার কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে ব্যর্থ হয়ে এখন ‘প্রশাসনিক শংসাপত্র’-কেই শেষ অস্ত্র হিসেবে দেখছেন তাঁরা? পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে যারা লোকসভা ভোটে ‘লিড’ দিতে পারেননি, তাঁদের কি ব্রাত্য করে রাখা হবে? এই প্রশ্নটাও ভাবাচ্ছে অনেককেই। তদ্বির না কি লড়াই নেতাদের মধ্যে কেন এখন এলাকার মানুষের চেয়ে কলকাতার ‘দাদা-দিদিদের’ খুশি করার হিড়িক বেশি? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ "বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অদ্ভুত ‘মিউজিক্যাল চেয়ার’ চলছে। মেদিনীপুরের নেতাদের প্রশাসনিক দৌড়ঝাঁপ আসলে হারানো জমি ফিরে পাওয়ার এক মরিয়া কৌশল। তবে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা ভোটারদের ইভিএম-এর আগে দলের স্ক্রিনিং কমিটির টেবিলেই নির্ধারিত হয়ে যাবে।" শীতের শেষে বসন্তের হাওয়া দিলেও, বাংলার রাজনীতির অলিন্দে এখন শুধুই টিকিট পাওয়ার উত্তাপ। কে গদি বাঁচাবেন আর কে গদি হারাবেন— এই ধাঁধার সমাধান আপাতত নবান্ন আর কালীঘাটের রেড ফাইলের মধ্যেই বন্দি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
14 likes
10 shares
ঢাকা - দিল্লির সম্পর্কের মাঝে কোনো বাধা হবে না হাসিনা অনেকেই ভেবেছিলো যেহেতু হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত, তাই ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ততটা মধুর হবে না। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশাসন জানিয়ে দিল এই সম্পর্কের মধ্যে হাসিনা কোনো অসুবিধা করবে না। বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন ক্ষমতায় ফেরা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। জানালেন, ভারতে হাসিনার ‘রাজনৈতিক আশ্রয়’ ঢাকা-নয়াদিল্লির বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, পারস্পরিক সম্পর্ক কোনও একটি নির্দিষ্ট ইস্যুর কাছে ‘বন্দি’ থাকবে না। বিএনপি সরকার জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং অসমাপ্ত প্রকল্পগুলি শেষ করতে গতি বাড়াতে আগ্রহী। একটি ইংরাজি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, শেখ হাসিনা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছেন। তাকে শাস্তি দেওয়ার জন্য জনগণের জোরালো দাবি রয়েছে এবং আমরা মনে করি ভারতের উচিত তাঁকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা। তবে তাঁকে ফেরত না দেওয়াটা ব্যবসা-বাণিজ্য বা বৃহত্তর কূটনৈতিক সম্পর্কের পথে বাধা হবে না। আমরা ভারতের সঙ্গে আরও উন্নত সম্পর্ক চাই।” সোমবার রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। হাসিনা প্রসঙ্গে খোলামেলা মন্তব্যের পর তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তবে কি ইউনুসের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা আওয়ামি লিগকে ফেরানোর বিষয়েও নমনীয় অবস্থান নেবে বিএনপি? তাতে মির্জা ফখরুলের জবাব, ‘‘বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের কার্যালয় খোলার বিষয়টিকে আইনগতভাবে দেখা হবে।’’ তাঁর আরও বক্তব্য, দীর্ঘ ১৮ মাস সাংগঠনিক স্থবিরতার পর আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের কর্মীরা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
10 likes
12 shares