প্রথমআলোরবার্তা

83 Posts • 378 views
PRATHAM ALOR BARTA
590 views 19 days ago
অগ্নিগর্ভ মালদা - এরই মধ্যে আজ মমতার তিন সভা ও একটি রোড শো মালদায় সম্পূর্ণ নিরাপত্তার মোরকে আটকে দেওয়া হয়েছে মালদার বিরাট অঞ্চল। এবার আবার এসআইআরে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি মোথাবাড়ি, কালিয়াচক, সুজাপুরে। যদিও এসবের নেপথ্যে বহিরাগত উসকানি ইতিমধ্যে প্রমাণিত মিম নেতার গ্রেপ্তারিতে, তা সত্ত্বেও আশঙ্কা যেন কাটছে না। এর মধ্যে অশান্তি রুখতে গিয়ে পুলিশও কোথাও কোথাও আক্রান্ত হয়েছে। তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে আর আতঙ্কের পরিবেশ কাটাতে এবার জনসভার সঙ্গে রোড শো করারও সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, শনিবার মালদহে তিনটি জনসভার পর ইংরেজবাজারে মিছিল করবেন। সেখানকার দলীয় প্রার্থী আশিস কুণ্ডুর সমর্থনে হবে এই রোড শো। এই মুহূর্তে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শনিবার মালদহ জেলাতেই তিনটি জনসভা রয়েছে তাঁর – মানিকচক, রতুয়া ও মালতীপুর এবং গাজোল। প্রত্যেক জায়গায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রতুয়া ও মালতীপুরের প্রার্থীদের হয়ে একসঙ্গেই হবে প্রচার। শেষ সভাটি গাজোলে। সেখান থেকে ফিরে ইংরেজবাজারে রোড শো করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানকার তৃণমূল প্রার্থী আশিস কুণ্ডু জানিয়েছেন, রবীন্দ্রমূর্তি থেকে শুরু হয়ে ফোয়ারা মোড় হয়ে নেতাজি মোড় হয়ে ফুলবাড়ি, পাকুড়তলা মোড় হয়ে কবি সুকান্ত মোড়ে শেষ হবে দলনেত্রীর মিছিল। সময় ঠিক করা হয়েছে বিকেল ৩টে। নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শো নতুন নয়। তবে মালদহ জেলার অন্যতম জনবহুল এলাকায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূল নেত্রীর এমন এক মিছিল কিছুটা ব্যতিক্রম। তার অন্যতম কারণ সাম্প্রতিক পরিবেশ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
9 likes
8 shares
PRATHAM ALOR BARTA
460 views 7 hours ago
শশী পাঁজা বললেন - নন্দীগ্রামে পুলিশ সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে ভোট চলার মধ্যেই হঠাৎ শশী পাঁজা অভিযোগ তুললেন নন্দীগ্রামে পুলিশ মোটেই নিরপেক্ষ নয়। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রামে পুলিশের দুই অফিসার নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না, বরং সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে। পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল। শশী পাঁজার অভিযোগের নিশানায় রয়েছেন দুই পুলিশ আধিকারিক— অজয় মিশ্র, যিনি ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের ওসি ছিলেন এবং কুদরতে খুদা, তিনি হলদিয়ার ওসি ছিলেন। শশী পাঁজার দাবি, ২০২১ সালেও এই দুই আধিকারিক নন্দীগ্রাম ও হলদিয়া এলাকায় কর্মরত ছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ উঠেছিল। বলেন, “নন্দীগ্রামের ওসি ইন্সপেক্টর অজয় মিশ্র এবং হলদিয়ার ওসি ইন্সপেক্টর কুদরতে খুদাকে কেন নির্বাচনের ডিউটি দেওয়া হল? তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন কমিশন নির্বিকার?” শশী পাঁজার আরও অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ ও স্থানীয় বিজেপির ‘বাহুবলী’ হিসেবে পরিচিত ঝন্টু রাউ এবং অশোক করণের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে না। উল্টে, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলের কর্মীদের হয়রান করা হচ্ছে এবং অকারণে তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে তৃণমূলের দাবি। নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
14 likes
12 shares
PRATHAM ALOR BARTA
561 views 10 days ago
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
14 likes
10 shares