international

1K Posts • 2M views
PRATHAM ALOR BARTA
531 views 1 days ago
আন্তর্জাতিক হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার জন্য এবার থেকে বিস্তত 'টোল ট্যাক্স' বসাতে চলেছে ইরান প্রথমিকভাবে মনে হয়েছে যে কিছু বন্ধু দেশের জন্য এই টোল ট্যাক্স লাগবে না। কিন্তু এখন ব্যাপারটা পরিষ্কার হচ্ছে যে সকলের জন্যই লাগবে। ইতিমধ্যে হরমুজ সংলগ্ন অঞ্চলে ভারতের পতাকাবাহী ১৮টি জাহাজ আটকে রয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশের তকমা দিয়ে হরমুজ পার হওয়ার অনুমোদন দিয়েছে তেহরান। কিন্তু তার পরেও তা সম্ভব হচ্ছে না সহজে। আরও দশটি জাহাজ পারস্য সাগরে আটকে রয়েছে। ফলে বড় প্রভাব পড়ছে ভারতের বাজারে। ইতিমধ্যে অপরিশোধিত তেল বহন করে ভারতে পৌঁছেছে মাত্র চারটি জাহাজ, যা দেশের চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ভারতের জাহাজগুলি-সহ প্রায় পাঁচশো জাহাজ ওই অঞ্চলে আটকে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলার উপর টোল বসানোর পরিকল্পনা করে রেখেছিল। এবার তা বাস্তবায়িত হল।  হরমুজে জাহাজ যাতায়াতের জন্য চড়া হারে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিল ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি। ইরান-ইজরায়েল সংকটের মধ্যে এই অংশটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আর ঠিক এহেন পরিস্থিতিতেই তেহরানের সিদ্ধান্ত, ওই জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির উপর বেশি হারে টোল আরোপ করা হতে পারে। ওমানের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ইরান এই ব্যবস্থা কার্যকর করবে। পাশাপাশি আমেরিকা ও ইজরায়েলের জাহাজগুলিকে এই প্রণালী ব্যবহার করতে দেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিল ইরান। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে নতুন করে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শুধু টোল নয়, এর সঙ্গে জাহাজ চলাচলের নতুন প্রোটোকল, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন বিষয়ও জড়িয়ে রয়েছে। একইসঙ্গে যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাদের জাহাজগুলি নিয়েও কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা চিন্তা চলছে বলে জানা গিয়েছে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
11 likes
13 shares
PRATHAM ALOR BARTA
546 views 4 days ago
শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ালো ভারত ভারতের ঘরে জ্বালানি তেলের অবস্থা 'ভাড়ে মা ভাবনী'। সেই অবস্থাতেই প্রতিবেশি রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার দিকে হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। গুরুতর এই সংকটের সময়ে বন্ধুর পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক উদ্যোগ নিল ভারত। জরুরি ভিত্তিতে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল ও ডিজেল পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি, যা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছে। সূত্রের খবর, গত ২৮ মার্চ শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিসানায়েকে ফোনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেন। তখনই তিনি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের সহায়তা চান। আশ্বাস মতো যত দ্রুত সম্ভব ভারত সরকার শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কলম্বোয় ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। এরপরই শনিবার জাহাজে করে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল ও ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল পাঠানো হয়। রবিবার সেই জ্বালানি পৌঁছে যায় কলম্বো বন্দরে। এই দ্রুত পদক্ষেপে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। জ্বালানি সরবরাহের এই সহায়তার জন্য সে দেশের সরকার পক্ষ থেকে শুরু করে বিরোধী দুই পক্ষই ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। শ্রীলঙ্কার বিরোধী দলনেতা সাজিত প্রেমদাস সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতের প্রশংসা করে জানান, সংকটের সময়েই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয় মেলে। তিনি লেখেন, কঠিন সময়ে যারা পাশে দাঁড়ায়, তাদের অবদান কখনও ভোলা উচিত নয়। এই মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
13 likes
12 shares
PRATHAM ALOR BARTA
544 views 6 days ago
আন্তর্জাতিক প্রবল প্রতিআক্রমনে ১৩টি মার্কিন সেনা শিবির গুঁড়িয়ে দিল ইরান ট্রাম্পের অহংকার কিছুটা হলেও থমকে দাঁড়িয়েছে ইরানের সামনে। ট্রাম্প বেশ বুঝতে পারছে অত সহজে আর ইরানকে গ্রাস করা যাবে না। বরং মার্কিন হামলার পর আহত বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইরান। বেলাগাম ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতবিক্ষত মার্কিন ফৌজ। রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে সেখানে থাকা মার্কিন সেনা জওয়ানদের হোটেলে গিয়ে উঠতে হয়েছে। সেখান থেকে কাজ চালালেও পদে পদে আসছে বাধা। যার জেরে যুদ্ধের কার্যকলাপ ব্যাহত হচ্ছে আমেরিকার। মার্কিন সেনা আধিকারিকদের উদ্ধৃতি তুলে ধরে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৮ দিন ধরে চলতে থাকা যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করেছে ইরান। ব্যাপক হারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলেছে সেনাঘাঁটিগুলিতে। কার্যত তছনছ হয়ে যাওয়া এই সব সেনাঘাঁটি থেকে জওয়ানদের হোটেল ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। মূল সেনাঘাঁটিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ায় বেশিরভাগ সৈনিককে ইউরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিরা মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। সেনাঘাঁটিতে প্রবেশ করে যুদ্ধ পরিচালনা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সেনার একটি বড় অংশ দূর থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করছে। বিরাট সমস্যা সত্ত্বেও পেন্টাগনের অবশ্য দাবি, অভিযান অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেন, এখনও পর্যন্ত আমরা ইরান ও তাদের সেনাবাহিনীর ৭০০০-এর বেশি ঠিকানায় হামলা চালিয়েছি। তবে আমেরিকা ইরানের মাটিতে মারণ হামলা চালানোর দাবি করলেও রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি আর ব্যবহারযোগ্য নয়। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
12 likes
10 shares