Dhoni
1.1K views
#গীতা #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #জয় গীতা ❤🙏 #😇 জয় গীতা। 🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩 #জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩 আজ ০১ অগ্রহায়ণ মঙ্গলবার 18/11/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #জ্ঞান_যোগ ( ১৮৭,১৮৮ ) #চতুর্থ_অধ্যায় : - ৪ #শ্লোক : - ২৭,২৮ #গীতার_চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ২৭ ,২৮ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_২৭ सर्वाणीन्द्रियकर्माणि प्राणकर्माणि चापरे । आत्मसंयमयोगाग्नौ जुह्वति ज्ञानदीपिते ।।४.२७।। সর্বাণীন্দ্রিয়কর্মাণি প্রাণকর্মাণি চাপরে । আত্মসংযমযোগাগ্নৌ জুহুতি জ্ঞানদীপিতে ।।৪.২৭।। #অনুবাদ : - মন ও ইন্দ্রিয়-সংযমের মাধ্যমে যাঁরা আত্মজ্ঞান লাভের প্রয়াসী, তাঁরা তাঁদের সমস্ত ইন্দ্রিয়ের কার্যকলাপ ও প্রাণবায়ু জ্ঞানের দ্বারা প্রদীপ্ত আত্মসংযমরূপ অগ্নিতে আহুতি দেন । #সারাংশ : - এই শ্লোকে পতঞ্জলি প্রণীত যোগপদ্ধতির কথা বলা হয়েছে । পতঞ্জলির যোগসূত্রে আত্মাকে প্রত্যগাত্মা ও পরাগাত্মা নামে অভিহিত করা হয়েছে । আত্মা যখন ইন্দ্রিয়সুখভোগের প্রতি আসক্ত থাকে, তখন তাকে বলা হয় পরাগাত্মা । কিন্তু যখনই জীবাত্মা ঐ ধরনের ইন্দ্রিয়সুখভোগের প্রতি আসক্তিরহিত হয়, তখন তাকে বলা হয় প্রত্যগাত্মা । আত্মা দেহের অভ্যন্তরে দশ রকমের বায়ুর কার্যকলাপের অধীন থাকে এবং নিঃশ্বাস - প্রশ্বাসের ক্রিয়ার মাধ্যমে এটি অনুভব করা যায় । পতঞ্জলির যোগপদ্ধতি শিক্ষা দেয় কিভাবে দেহস্থিত বায়ুকে বিশেষ কৌশল অবলম্বনপূর্বক নিয়ন্ত্রিত করা যায়, যাতে অন্তর্গত বায়ুর ক্রিয়া আত্মাকে জড় আসক্তি থেকে শুদ্ধ করার জন্য অনুকূল হতে পারে ৷ এই যোগপদ্ধতি অনুসারে প্রত্যগাত্মাই হচ্ছে চরম উদ্দেশ্য । এই প্রত্যগাত্মা হচ্ছে জড় কার্যকলাপ থেকে প্রত্যাহার । ইন্দ্রিয় ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য বিষয়গুলি পরস্পরের উপর ক্রিয়া করে । যেমন শ্রবণের জন্য কান, দৃষ্টির জন্য চোখ, ঘ্রাণের জন্য নাক, আস্বাদনের জন্য জিহ্বা ও স্পর্শের জন্য ত্বক এবং এরা সকলেই আত্মার বাইরে নানা রকম কার্যকলাপে নিযুক্ত । প্রাণবায়ুর ক্রিয়ার প্রভাবে এগুলি কার্যকরী হয় । অপান বায়ুর গতি অধোগামী, ব্যান বায়ুর প্রভাবে সংকোচন ও প্রসারণ হয়, সমান বায়ু সমতা বজায় রাখে, উদান বায়ু ঊর্ধ্বগামী এবং প্রবুদ্ধ মানুষ এদের সকলকে আত্মতত্ত্ব অনুসন্ধানে নিযুক্ত করেন । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_২৮ द्रव्ययज्ञास्तपोयज्ञा योगयज्ञास्तथापरे । स्वाध्यायज्ञानयज्ञाश्च यतयः संशितव्रताः ।।४.२८।। দ্রব্যযজ্ঞাস্তপোযজ্ঞা যোগযজ্ঞাস্তথাপরে ।স্বাধ্যায়জ্ঞানযজ্ঞাশ্চ যতয়ঃ সংশিতব্রতাঃ ।।৪.২৮।। #অনুবাদ : - কঠোর ব্রত গ্রহণ করে কেউ কেউ দ্রব্য দানরূপ যজ্ঞ করেন । কেউ কেউ তপস্যারূপ যজ্ঞ করেন, কেউ কেউ অষ্টাঙ্গ-যোগরূপ যজ্ঞ করেন এবং অন্য অনেকে পারমার্থিক জ্ঞান লাভের জন্য বেদ অধ্যয়নরূপ যজ্ঞ করেন । #সারাংশ : - এই সমস্ত যজ্ঞের নানা রকম শ্রেণীবিভাগ করা যেতে পারে । অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা নানা রকম দানধ্যান করার মাধ্যমে যজ্ঞ সম্পন্ন করেন । ভারতবর্ষে অনেক ধনী বণিক ও রাজপরিবারের মানুষ আছেন, যাঁরা ধর্মশালা, অন্নসত্র, অতিথিশালা, অনাথাশ্রম, বিদ্যাপীঠ আদি নানা রকম দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন । অন্যান্য দেশেও হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম এবং এই ধরনের নানা রকম দাতব্য সংস্থা রয়েছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে দুঃস্থ - দরিদ্রদের বিনামূল্যে খাদ্যসামগ্রী দান করা, শিক্ষাদান করা ও চিকিৎসা করা । এই সমস্ত দানকর্মকে বলা হয় দ্রব্যময় - যজ্ঞ । অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা উন্নততর জীবনলাভ বা স্বর্গারোহণ করবার জন্য স্বেচ্ছায় চান্দ্রায়ণ ও চাতুর্মাস্য আদি ব্রতের অনুশীলন করে থাকেন । এই সমস্ত পন্থায় বিশেষ বিধিনিষেধের মাধ্যমে জীবনযাত্রাকে পরিচালিত করবার জন্য কঠোর ব্রত পালন করতে হয় । যেমন, চাতুর্মাস্য ব্রত পালনকারী চার মাস ক্ষৌরকার্য করেন না, বিশেষ কিছু দ্রব্য আহার করেন না, দিনে একবারের বেশি দুবার আহার গ্রহণ করেন না অথবা কখনও গৃহ পরিত্যাগ করে অন্যত্র যান না । এভাবেই সুখস্বাচ্ছন্দ্য পরিত্যাগ করাকে বলা হয় তপোময় - যজ্ঞ । আর এক ধরনের মানুষ আছেন, যাঁরা ব্রহ্মেক্য লাভ করবার জন্য অষ্টাঙ্গযোগ আদির অনুশীলনে প্রবৃত্ত হন । কেউ আবার সমস্ত পবিত্র তীর্থে ভ্রমণ করেন । এই সমস্ত ক্রিয়াকে বলা হয় যোগ - যজ্ঞ, অর্থাৎ এই জড় জগতে বিশেষ ধরনের সিদ্ধিলাভের জন্য যজ্ঞের অনুষ্ঠান করা । আবার অনেকে আছেন, যাঁরা নানা রকম বৈদিক শাস্ত্র, বিশেষ করে উপনিষদ ও বেদান্তসূত্র বা সাংখ্য দর্শন পাঠ করেন । এগুলিকে বলা হয় স্বাধ্যায় - যজ্ঞ বা অধ্যয়নের মাধ্যমে যজ্ঞ সম্পাদন করা । এই সমস্ত যোগীরা শ্রদ্ধা সহকারে বিভিন্ন প্রকার যজ্ঞে নিয়োজিত থাকেন এবং তাঁরা উচ্চতর জীবনের অভিলাষী । কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত এই সমস্ত যজ্ঞ থেকে ভিন্ন, কারণ তা পরমেশ্বর ভগবানের সাক্ষাৎ সেবা । উপরোক্ত কোন প্রকার যজ্ঞের মাধ্যমে এই কৃষ্ণভাবনামৃত বা ভক্তিযোগ লাভ করা যায় না, তা লাভ করা যায় কেবল ভগবান ও তাঁর শুদ্ধ ভক্তের কৃপার ফলে । তাই কৃষ্ণভাবনামৃত হচ্ছে অপ্রাকৃত । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──