Failed to fetch language order
জয় গীতা ❤🙏
56 Posts • 2K views
Dhoni
547 views 17 days ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #জয় গীতা ❤🙏 #😇 জয় গীতা। 🙏 #✨জয় গীতা🙏 শ্রীমদ্ভাগবতগীতা: জীবনের সমস্যার এক চিরন্তন সমাধান 🕉️ "যতবার জীবনের পথ হারিয়ে ফেলেছি, ততবার গীতা আমায় আলো দেখিয়েছে..."🙏🏼🙏🏼 📖 ভগবদ গীতা শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি এক জীবন দর্শন । আধুনিক জীবনের হতাশা, দুশ্চিন্তা, সম্পর্কের টানাপোড়েন, কর্মে অনাগ্রহ – এই সমস্ত সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে গীতার প্রতিটি শ্লোকে । 🔶 জীবনের বড় প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয় গীতা : - আমি কে ? কেন আমি দুঃখ পাই ? আমি কীভাবে শান্তি পাবো ? কাজ করলে ফল পাবো তো ? 👉 এই প্রশ্নগুলোর সহজ উত্তর গীতা দেয় । 🌿 গীতার গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা এবং জীবনের সমস্যায় তার সমাধান : - 🔸 সমস্যা: মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা 📘 গীতা বলে: "চিন্তা করো না, কাজ করো নিজের কর্তব্য অনুযায়ী । ফলের চিন্তা ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দাও ।"🙏🏼🙏🏼 ➤ 👉 সমাধান: কাজ করো মন দিয়ে, ফল নিয়ে ভয় নয় । তখনি মানসিক শান্তি আসবে । 🔸 সমস্যা: হার-জিতের ভয় 📘 গীতা বলে: "জয়-পরাজয় সমানভাবেই গ্রহণ করো ।"🙏🏼🙏🏼 ➤ 👉 সমাধান: জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিকে গ্রহণ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে । 🔸 সমস্যা: সম্পর্কের টানাপোড়েন, ঘরে অশান্তি 📘 গীতা বলে: "অহংকার, রাগ, লোভ - এগুলোই মানুষের পতনের কারণ ।"🙏🏼🙏🏼 ➤ 👉 সমাধান: নিজেকে বদলাও, বাকিদের নয় । সম্পর্ক সহজ হয়ে যাবে । 🔸 সমস্যা: নিজের ওপর বিশ্বাস হারানো 📘 গীতা বলে: "নিজের আত্মাকে চিনতে পারলেই জীবনের আসল শক্তিকে চিনবে ।"🙏🏼🙏🏼 ➤ 👉 সমাধান: আত্মবিশ্বাস বাড়াও, তুমি নিজেই আলোর উৎস । 🌟 কেন গীতা আমাদের জীবনে দরকার ? ✅ এটা আমাদের কর্মপথে স্থির থাকতে শেখায়🙏🏼🙏🏼 ✅ মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে🙏🏼🙏🏼 ✅ আধ্যাত্মিক শক্তি জাগিয়ে তোলে🙏🏼🙏🏼 ✅ জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে🙏🏼🙏🏼 আজকের যুগে যেখানে আমরা মোবাইল, সোশ্যাল মিডিয়ায় আটকে পড়েছি, সেখানে গীতার প্রতিটি শ্লোক একেকটা GPS — যা জীবনের হারিয়ে যাওয়া পথ দেখাতে পারে ।🙏🏼🙏🏼 📿 প্রতিদিন অন্তত ১টা শ্লোক পড়ুন, অর্থ জানুন, জীবনে প্রয়োগ করুন । গীতা বদলাবে আপনাকে । 🔁 গীতার আলো সবার জীবনে পৌঁছানো দরকার । ( সংগৃহীত ) #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🏼🙏🏼 #BhagavadGita
10 likes
17 shares
Dhoni
682 views 21 days ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #✨জয় গীতা🙏 #জয় গীতা ❤🙏 #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge #জয়_গীতা_challenge *─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─* আজ মঙ্গলবার ১৪ পৌষ ১৪৩২ 30/12/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #ধ্যান_যোগ ( ২৬৯,২৭০ ) #ষষ্ঠ_অধ্যায় : - ৬ #শ্লোক : - ৩৯,৪০ #গীতার_ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৯ ,৪০ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৯ एतन्मे संशयं कृष्ण छेत्तुमर्हस्यशेषतः । त्वदन्यः संशयस्यास्य छेत्ता न ह्युपपद्यते ।।६.३९।। এতন্মে সংশয়ং কৃষ্ণ ছেত্তুমর্হস্যশেষতঃ ৷ ত্বদন্যঃ সংশয়স্যাস্য ছেত্তা ন হ্যুপপদ্যতে ॥৬.৩৯॥ #অনুবাদ : - হে কৃষ্ণ ! তুমিই কেবল আমার এই সংশয় দূর করতে সমর্থ। কারণ তুমি ছাড়া আর কেউই আমার এই সংশয় দূর করতে পারবে না । #সারাংশ : - ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে অবগত । #ভগবদ্গীতার প্রারম্ভে ভগবান বলেছেন যে, প্রতিটি জীবই তার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নিয়ে অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে । এমন কি, জড় বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ করার পরেও তাদের স্বাতন্ত্র্য বজায় থাকবে । এভাবেই তিনি প্রতিটি জীবের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলে দিয়েছেন । এখন, #অর্জুন তাঁর কাছ থেকে জানতে চাইছেন, যে সমস্ত সাধকেরা তাঁদের সাধনায় সিদ্ধি লাভ করতে পারলেন না, তাঁদের কি পরিণতি হবে ? ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরম পুরুষ, তাঁর ঊর্ধ্বে আর কেউ নেই, এমন কি তাঁর সমকক্ষও কেউ হতে পারে না । তথাকথিত সমস্ত জ্ঞানী ও দার্শনিকেরা, যারা প্রকৃতির কৃপার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, তারাও কখনও ভগবানের সমকক্ষ হতে পারে না । তাই, আমাদের সমস্ত সন্দেহ নিরসনের জন্য ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণীই হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র, কারণ তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত, কিন্তু তাঁকে কেউ কখনও সম্পূর্ণরূপে জানতে পারে না । #ভগবান #শ্রীকৃষ্ণ ও কৃষ্ণভাবনাময় ভক্তেরাই যথার্থ তত্ত্বজ্ঞ । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৪০ श्री भगवानुवाच पार्थ नैवेह नामुत्र विनाशस्तस्य विद्यते । नहि कल्याणकृत्कश्चिद्दुर्गतिं तात गच्छति ।।६.४०।। শ্রীভগবানুবাচ পার্থ নৈবেহ নামুত্র বিনাশস্তস্য বিদ্যতে ৷ ন হি কল্যাণকৃৎ কশ্চিদ্ দুর্গতিং তাত গচ্ছতি ॥৬.৪০॥ #অনুবাদ : - পরমেশ্বর #ভগবান বললেন- হে পার্থ ! শুভানুষ্ঠানকারী পরমার্থবিদের ইহলোকে ও পরলোকে কোন দুর্গতি হয় না৷ হে বৎস ! তার কারণ, কল্যাণকারীর কখনও অধোগতি হয় না । #সারাংশ : - "কেউ যদি সব রকম জড়-জাগতিক কর্তব্য পরিত্যাগ করে ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের শরণাগত হয়, তা হলে তার কোন রকম ক্ষতি বা পতনরূপী অমঙ্গলের আশঙ্কা থাকে না । পক্ষান্তরে, সর্বতোভাবে স্বধর্মাচরণে রত অভক্তের কোনই লাভ হয় না ।" জাগতিক উন্নতির জন্য নানা রকম শাস্ত্রোক্ত ও প্রচলিত আচার-অনুষ্ঠান আছে । কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করবার জন্য পরমার্থ সাধককে এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপ পরিত্যাগ করতে হয় । তর্কের খাতিরে কেউ বলতে পারে যে, ভগবদ্ভক্তি সাধনের পথে সিদ্ধি লাভ করলে পরমার্থ সাধিত হতে পারে, কিন্তু যদি সিদ্ধি লাভ না হয় তা হলে তার জাগতিক জীবন ও পারমার্থিক জীবন উভয়ই বিফলে যায় । শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, শাস্ত্রের বিধান অনুসারে স্বধর্মের আচরণ না করলে তাকে সেই পাপের ফল ভোগ করতে হয়; তাই কেউ যদি যথাযথভাবে পরমার্থ সাধনে ব্যর্থ হয়, তা হলে শাস্ত্র নির্দেশিত স্বধর্ম আচরণ না করার জন্য তার ফল ভোগ করতে হয় । এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে আমাদের সংশয় দূর করবার জন্য শ্রীমদ্ভাগবত অসফল পরমার্থবাদীকে এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে, এক জীবনে পরমার্থ সাধনে সিদ্ধি লাভ না করতে পারলেও তাতে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই। এমন কি যদিও স্বধর্ম যথাযথভাবে অনুষ্ঠান না করার জন্য তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ার অধীন হলেও, তাঁর ক্ষতির কোন কারণ নেই । কারণ, শুভ কৃষ্ণভাবনামৃত কখনও বিফলে যায় না এবং পরবর্তী জীবনে কেউ যদি অত্যন্ত নীচ বংশেও জন্মগ্রহণ করেন, তা হলেও তিনি ভগবদ্ভক্তির মার্গ থেকে বিচ্যুত হন না । পক্ষান্তরে, কেউ যদি একান্ত নিষ্ঠার সঙ্গে স্বধর্মের আচার অনুষ্ঠান করে, কিন্তু অন্তরে যদি ভগবদ্ভক্তি না থাকে, তা হলে তার কোনই কল্যাণ হয় না । এই তাৎপর্যে আমরা বুঝতে পারি যে, মানুষকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সংযত ও উচ্ছৃঙ্খল । যে সমস্ত মানুষ পরজন্মের কথা বিবেচনা না করে, পারমার্থিক মুক্তির কথা বিবেচনা না করে, কেবল পশুর মতো তাদের ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করার চেষ্টা করে, তারা উচ্ছৃঙ্খল পর্যায়ভুক্ত । আর যারা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জীবন যাপন করে, তারা সংযত পর্যায়ভুক্ত । যারা উচ্ছৃঙ্খল, তারা উন্নত হোক বা অনুন্নতই হোক, সভ্য হোক বা অসভ্যই হোক, শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিতই হোক, শক্তিশালী হোক অথবা দুর্বলই হোক, তারা সকলেই পাশবিক প্রবৃত্তির দ্বারা প্রভাবিত । তাদের ক্রিয়াকলাপ কখনও মঙ্গলজনক হয় না, কারণ আহার, নিদ্রা, ভয় আর মৈথুনের মাধ্যমে পশুর মতো ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করে সুখের অন্বেষণ করার ফলে তারা চিরকালই দুঃখময় জড় জগতে পড়ে থাকে এবং নিরন্তর দুঃখকষ্ট ভোগ করে । পক্ষান্তরে, যাঁরা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী সংযত জীবন যাপন করে ক্রমান্বয়ে কৃষ্ণভক্তির পর্যায়ে উন্নীত হন, তাঁদের জন্ম হয় সার্থক । যাঁরা মঙ্গলজনক সংযত জীবন যাপন করেন, তাঁদের আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায় । ১) 'কর্মী'-যাঁরা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে জীবন যাপন করে জাগতিক সুখস্বাচ্ছন্দ্য ভোগ করছেন । ২) 'মুক্তিকামী'-যাঁরা জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং ৩) 'ভগবদ্ভক্ত'- যাঁরা #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে সর্বতোভাবে আত্মোৎসর্গ করে তাঁর সেবায় নিয়োজিত হয়েছেন । শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে জীবন যাপন করে চলেছেন যে সমস্ত কর্মী, তাঁদের আবার দুভাগে ভাগ করা যায়-'সকাম কর্মী' ও 'নিষ্কাম কর্মী' । ধর্ম আচরণ করার প্রভাবে অর্জিত পুণ্যফলের বলে যাঁরা জড় সুখভোগ করতে চান, তাঁরা উন্নত জীবন প্রাপ্ত হন, এমন কি তাঁরা স্বর্গলোকও প্রাপ্ত হন । কিন্তু জড় সুখভোগ করার বাসনায় আসক্ত থাকার ফলে তাঁরা যথার্থ মঙ্গলজনক পথ অনুসরণ করছেন না । জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টাই হচ্ছে মঙ্গলজনক কার্যকলাপ । পরম তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে অথবা দেহায়বুদ্ধি থেকে জীবকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে যে কর্ম সাধিত হয় না, তা কোন মতেই মঙ্গলজনক নয় । কৃষ্ণভাবনাময় কর্মই হচ্ছে একমাত্র মঙ্গলময় কর্ম । এই কৃষ্ণভাবনাময় ভক্তিযোগের পথে প্রগতির জন্য যিনি স্বেচ্ছায় সব রকম শারীরিক অসুবিধাগুলিকে সহ্য করেন, তিনি নিঃসন্দেহে তপোনিষ্ঠ পূর্ণযোগী । অষ্টাঙ্গ-যোগেরও পরম উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করা, তাই এই প্রচেষ্টাও অত্যন্ত মঙ্গলজনক এবং যিনি এই মার্গে ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান লাভ করবার যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন, তাঁরও কোন রকম অধঃপতনের সম্ভাবনা নেই । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
9 likes
9 shares
Dhoni
625 views 23 days ago
#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #জয় গীতা ❤🙏 #✨জয় গীতা🙏 #😇 জয় গীতা। 🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge #জয়_গীতা_challenge *─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─* আজ ১১ পৌষ শনিবার 27/12/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #ধ্যান_যোগ ( ২৬৩,২৬৪ ) #ষষ্ঠ_অধ্যায় : - ৬ #শ্লোক : - ৩৩,৩৪ #গীতার_ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৩ ,৩৪ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৩ अर्जुन उवाच योऽयं योगस्त्वया प्रोक्तः साम्येन मधुसूदन । एतस्याहं न पश्यामि चञ्चलत्वात् स्थितिं स्थिराम् ।।६.३३।। অর্জুন উবাচ যোহয়ং যোগোস্ত্বয়া প্রোক্তঃ সাম্যেন মধুসূদন ৷ এতস্যাহং ন পশ্যামি চঞ্চলত্বাৎ স্থিতিং স্থিরাম্ ॥৬.৩৩॥ #অনুবাদ : - অর্জুন বললেন- হে মধুসূদন ! তুমি সর্বত্র সমদর্শনরূপ যে যোগ উপদেশ করলে, মনের চঞ্চল স্বভাববশত আমি তার স্থায়ী স্থিতি দেখতে পাচ্ছি না । #সারাংশ : - ভগবান #শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে যে শুচৌ দেশে থেকে শুরু করে যোগী পরমঃ পর্যন্ত যে যোগ-পদ্ধতির বর্ণনা করেছেন, অর্জুন এখানে সেই যোগকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, কারণ তিনি নিজেকে সেই যোগসাধনে অযোগ্য বলে মনে করেছেন । এই কলিযুগে সাধারণ মানুষের পক্ষে গৃহত্যাগ করে পাহাড়-পর্বতে অথবা বনে-জঙ্গলে গিয়ে নির্জন স্থানে যোগাভ্যাস করা সম্ভব নয় । এই যুগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্বল্প-আয়ুবিশিষ্ট জীবনের জন্য তিক্ত জীবন-সংগ্রাম । এই যুগের সাধারণ মানুষ এতই অধঃপতিত যে, পরমার্থ সাধন করবার কোন প্রচেষ্টাই তাদের মধ্যে নেই । অতি সহজ সরল পন্থা অবলম্বন করেও তারা পরমার্থ সাধনের প্রয়াসী হয় না । তা হলে জীবনযাত্রা, উপবেশনের প্রক্রিয়া, স্থান নির্বাচন এবং জড় বিষয় থেকে মনের আসক্তি নিয়ন্ত্রণ করে অত্যন্ত দুরূহ ও দুঃসাধ্য যোগের সাধন তারা কিভাবে করবে ? তাই বাস্তব জীবন সম্বন্ধে অভিজ্ঞ অর্জুনের মতো মহাবীর চিন্তা করলেন, এই যোগসাধন করা একেবারেই অসম্ভব, এমন কি বিভিন্ন দিক থেকে তাঁর অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও । #অর্জুন ছিলেন অতি উচ্চ বংশজাত রাজকুমার এবং তিনি অনন্ত গুণে বিভূষিত । তিনি ছিলেন মহা বীর্যবান, দীর্ঘায়ু-সম্পন্ন মহারথী এবং সর্বোপরি তিনি ছিলেন পরমেশ্বর #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গ সখা । আজ থেকে পাঁচ হাজার বছর আগে অর্জুনের সুযোগ-সুবিধা আমাদের তুলনায় অনেক বেশি ছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি এই যোগপদ্ধতি সাধন করতে অস্বীকার করেন । প্রকৃতপক্ষে, ইতিহাসের কোথাও তাঁকে এই যোগ অনুশীলন করতে দেখা যায়নি । তাই আমাদের বুঝতে হবে যে, কলিযুগে অষ্টাঙ্গযোগ সাধন করা সাধারণত মানুষের পক্ষে অসম্ভব । কয়েকজন দুর্লভ মানুষের পক্ষে তা সম্ভব হতে পারে, কিন্তু সাধারণের পক্ষে এটি অসম্ভব । পাঁচ হাজার বছর পূর্বে যদি এই রকম হয়ে থাকে, তা হলে এখনকার অবস্থা কি হবে ? যে সমস্ত মানুষ বিভিন্ন যোগ অনুশীলন কেন্দ্রে এই যোগ-পদ্ধতির অন্ধানুকরণ করে আত্মতৃপ্তি লাভ করে, তারা কেবল তাদের সময়ের অপব্যবহার করছে । তাদের জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্বন্ধে তারা সম্পূর্ণ অজ্ঞ । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৪ चञ्चलं हि मनः कृष्ण प्रमाथि बलवद्दृढम् । तस्याहं निग्रहं मन्ये वायोरिव सुदुष्करम् ।।६.३४।। চঞ্চলং হি মনঃ কৃষ্ণ প্রমাথি বলবদ্দৃঢ়ম্ ৷ তস্যাহং নিগ্রহং মন্যে বায়োরিব সুদুষ্করম্ ॥৬.৩৪॥ #অনুবাদ : - হে কৃষ্ণ ! মন অত্যন্ত চঞ্চল, শরীর ও ইন্দ্রিয় আদির বিক্ষেপ উৎপাদক, দুর্দমনীয় এবং অত্যন্ত বলবান, তাই তাকে নিগ্রহ করা বায়ুকে বশীভূত করার থেকেও অধিকতর কঠিন বলে আমি মনে করি ৷ #সারাংশ : - মন এতই বলবান ও দুর্দমনীয় যে, সে কখনও কখনও বুদ্ধির উপর আধিপত্য বিস্তার করে তাকে পরিচালিত করতে থাকে, যদিও স্বাভাবিকভাবে মন বুদ্ধির অধীনেই থাকা উচিত । সাংসারিক মানুষকে প্রতিনিয়ত নানা রকম বিরুদ্ধ প্রকৃতির সঙ্গে সংগ্রাম করতে হয়, তাই তার পক্ষে মনকে সংযত করা অত্যন্ত কঠিন । কৃত্রিম উপায়ে শত্রু ও মিত্রের প্রতি সমদৃষ্টি-সম্পন্ন হয়ে মনের ভারসাম্য সৃষ্টি করার অভিনয় করলেও, বাস্তবিকভাবে কোন সংসারী মানুষ তা করতে পারে না । কারণ, তা প্রচণ্ড বেগবতী বায়ুকে সংযত করার চাইতেও কঠিন । বৈদিক শাস্ত্রে (কঠ উপনিষদ ১/৩/৩-৪) বলা হয়েছে : - আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরং রথমেব তু । বুদ্ধিং তু সারথিং বিদ্ধি মনঃ প্রগ্রহমেব চ ইন্দ্রিয়ানি হয়ানাহুবিষয়াংক্তেযু গোচরান্ । আত্মেন্দ্রিয়মনোযুক্তং ভোক্তেত্যাহুর্মনীষিণঃ ॥ "এই দেহরূপ রথের আরোহী হচ্ছে জীবাত্মা, বুদ্ধি হচ্ছে সেই রথের সারথি । মন হচ্ছে তার বঙ্গা এবং ইন্দ্রিয়গুলি হচ্ছে ঘোড়া । এভাবেই মন ও ইন্দ্রিয়ের সাহচর্যে আত্মা সুখ ও দুঃখ ভোগ করে । চিন্তাশীল মনীষীরা এভাবেই চিন্তা করেন ।" বুদ্ধির দ্বারা মনকে পরিচালিত করা উচিত, কিন্তু মন এত শক্তিশালী ও দুর্দমনীয় যে, বুদ্ধির দ্বারা পরিচালিত হওয়ার পরিবর্তে সে বুদ্ধিকেই পরাভূত করে তাকে পরিচালিত করতে শুরু করে । ঠিক যেমন, অনেক সময় জটিল সংক্রমণ ওষুধের রোগ-প্রতিষেধক ক্ষমতাকে অতিক্রম করে । এই রকম শক্তিশালী যে মন, তাকে যোগ-সাধনার মাধ্যমে সংযত করার বিধান দেওয়া হয়েছে, কিন্তু অর্জুনের মতো প্রবৃত্তি-মার্গের মানুষের পক্ষেও তা সাধন করা বাস্তবসম্মত নয় । সুতরাং, আধুনিক মানুষের সম্বন্ধে আর কি বলার আছে ? এই সম্পর্কে এখানে বায়ুর যে উপমা দেওয়া হয়েছে, তা খুবই উপযুক্ত । বেগবতী বায়ুকে দমন করার ক্ষমতা কারও নেই এবং তার তুলনায় অস্থির মনকে বশ করা আরও কঠিন । মনকে দমন করার সবচেয়ে সহজ পন্থা প্রদর্শন করে গেছেন শ্রীচৈতন্য #মহাপ্রভু । সেই পন্থা হচ্ছে পূর্ণ দৈন্য সহকারে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করা। এই পথ হচ্ছে স বৈ মনঃ কৃষ্ণপদারবিন্দয়োঃ-মনকে সর্বতোভাবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিয়োজিত করতে হবে । তা হলেই আর কোন কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মন উদ্বিগ্ন হবে না । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
13 likes
13 shares