story

​ধুলোবালি মন
1.2K views
6 days ago
আমি আমার সবটা দিয়ে তোমাকে ভালোবাসবো।💖☺️ #🥰লাভ goals❤ #শুভ সন্ধ্যা #story #good evening
LAST LAUGH
786 views
12 days ago
"যে “পরে” আর আসেনি " রিক জীবনে অনেক কিছু কিনেছে। দামি ঘড়ি, গাড়ি, নিজের অফিস—সবই। শুধু কিনতে পারেনি সেই দশ টাকার এক কাপ চায়ের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া সময়টা। স্কুলের টিফিনে ক্যান্টিনের জানালার পাশে বসেই শুরু হয়েছিল রিক আর স্নেহার গল্প। “তুই এত চা খাস কী করে?” রিক হেসে বলত, “চা না, তোর সঙ্গে বসার একটা অজুহাত মাত্র।” স্কুল ছুটির পর পাশাপাশি সাইকেলে বাড়ি ফেরা, বর্ষার দিনে একই ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে থাকা—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোর মধ্যেই কখন যে বন্ধুত্বটা ভালোবাসা হয়ে গিয়েছিল, ওরা নিজেরাও বুঝতে পারেনি। উচ্চমাধ্যমিকের পর দুজনের কলেজ আলাদা হলো। প্রথমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা হতো। তারপর সেই কথাগুলো কমতে কমতে একসময় শুধু প্রয়োজনের মধ্যেই আটকে গেল। একদিন স্নেহা ফোন করেছিল। রিক তখন জীবনের একটা বড় সুযোগের সামনে দাঁড়িয়ে। ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠেছিল—স্নেহা। রিক ফোনটা ধরল। ওপাশ থেকে স্নেহা কিছু বলার আগেই সে তাড়াহুড়ো করে বলল, “এখন একটু ব্যস্ত আছি। পরে ফোন করছি।” সেই “পরে” আর আসেনি। কয়েক দিন পর এক রাতে রিক ফোন করেছিল। ওপাশে ফোন বেজেছিল অনেকক্ষণ। কিন্তু স্নেহা ধরেনি। অভিমান জমে ছিল তার মনে। কেউ নিজের অভিমানটা সরিয়ে আর একবার ফোন করেনি। সময় গড়িয়ে গেল। অভিমান ধীরে ধীরে অদৃশ্য একটা দেওয়াল হয়ে দাঁড়াল। কেউ কাউকে হারানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি, তবু একসময় দুজনেই একে অপরের জীবনের বাইরে চলে গেল। প্রায় দশ বছর পর, এক বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় রিক শহরের এক অভিজাত ক্যাফেতে বসে ছিল। সামনে দামি কফি। জানালার কাঁচে বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ। সেই শব্দেই হঠাৎ মনে পড়ে গেল স্কুলের ক্যান্টিনটার কথা। বহু বছর পর , সেদিন রিক ফোনে ফেসবুক খুলে স্নেহার নামটা টাইপ করল। প্রোফাইলটা খুলতেই সামনে এল একটা ছবি। স্নেহা হাসছে। পাশে একজন পুরুষ। আর মাঝখানে ছোট্ট একটা মেয়ে। ছবির নিচে লেখা— “My whole world.” রিক অনেকক্ষণ ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ফোনটা নামিয়ে রাখল। টেবিলের কফিটা ততক্ষণে ঠান্ডা হয়ে গেছে। বিল মিটিয়ে ক্যাফে থেকে বেরিয়ে রাস্তার পাশের একটা ছোট চায়ের দোকানে গিয়ে দাঁড়াল। চুলোর ওপর কেটলিতে চা ফুটছিল। বৃষ্টির ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে মিশে ছিল চায়ের গরম গন্ধ। দোকানদার তাকিয়ে বলল, “দাদা, চা দেব?” রিক হালকা মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ, এক কাপ।” দোকানদার গরম চায়ের ভাঁড়টা তার দিকে এগিয়ে দিল। রিক ভাঁড়টা হাতে নিয়ে এক চুমুক দিতেই চোখ দুটো আপনাআপনি বন্ধ হয়ে গেল। চায়ের গন্ধের সঙ্গে হঠাৎ ফিরে এল স্কুলের সেই দুপুর। ক্যান্টিনের বেঞ্চ। স্নেহার হাসি। আর সেই পুরোনো প্রশ্ন— “তুই এত চা খাস কী করে?” রিক চোখ খুলল। সামনে কেউ নেই। শুধু বৃষ্টির মধ্যে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা। সে আবার ফোনটা বের করল। মেসেজ বক্স খুলে লিখল— “কেমন আছিস?” কয়েক সেকেন্ড স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর মেসেজটা মুছে ফোনটা পকেটে রেখে দিল। দশ বছর আগে যে কথাটা “পরে” বলার জন্য রেখে দিয়েছিল, আজও সেটা বলা হলো না। খালি ভাঁড়টা পাশে রেখে রিক বৃষ্টির মধ্যে হাঁটতে শুরু করল। পেছনে পড়ে রইল একটা মাটির ভাঁড়। রিক বুঝতে পারলো—জীবনের সবচেয়ে দামি জিনিসগুলো সবসময় দামি হয় না। #story #trending #👉 অজানা গল্পের কাহিনী 😜😜
LAST LAUGH
477 views
12 days ago
“আয়না নয়, ক্যামেরা” প্রতিদিন সকালে আরিয়ান আয়নায় নয়—ক্যামেরার স্ক্রিনে নিজের মুখ দেখে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই ঠোঁটের কোণে একটা হাসি চলে আসে। অদ্ভুত ব্যাপার… এই হাসিটা আয়নার সামনে কখনো আসে না। সেদিনও ঘুম থেকে উঠেই আরিয়ান ফোনটা হাতে নিল। নতুন শার্ট পরল। চুল ঠিক করল। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে কয়েকটা ছবি তুলল। সবচেয়ে ভালো ছবিটা বেছে নিয়ে ক্যাপশন দিল— “New day. New goals. Living my best life.” দশ মিনিটের মধ্যে ৮০০ লাইক। আরিয়ান মুচকি হাসল। তারপর টেবিলের ওপর পড়ে থাকা ক্রেডিট কার্ডের বিলটা চুপচাপ ড্রয়ারের ভেতর ঢুকিয়ে দিল। দুপুরে শহরের সবচেয়ে দামি ক্যাফেতে গেল আরিয়ান। কফির কাপটা সামনে রাখল। Click. “Perfect.” ছবিটা পোস্ট করার আগে একবার ব্যালেন্স চেক করল। তারপর আবার। আরেকবার। কারণ কফিটার দাম দেওয়ার পরও মাসের বাকি দিনগুলো কীভাবে চলবে, সেটা আরিয়ান নিজেও জানে না। বিকেলে জিম। আয়নার সামনেও একটা ছবি তুলল। তারপর একটা দামি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আরেকটা ছবি। কমেন্ট এল—“Bro, you're living the dream!” আরিয়ান শুধু একটা ❤️ দিল। কেউ জানল না—গাড়িটা তার নয়, জামাটাও পুরোপুরি তার নয়। আর যে “স্বপ্নের জীবন” সবাই দেখছে… সেটার বেশিরভাগটাই EMI-তে কেনা। রাত এগারোটা। ঘর অন্ধকার। টেবিলের ওপর পড়ে আছে অর্ধেক খাওয়া ঠান্ডা কফি। ঘরের নীরবতার মধ্যে শুধু ফোনের আলো আরিয়ানের মুখে পড়ে আছে। আরিয়ান নিজের পুরোনো পোস্টগুলো scroll করতে থাকে। ২,৩০০ লাইক। ৫,৮০০। ৭,৪০০। তারপর ৯,০০০। একটার পর একটা সংখ্যা। কিন্তু আশ্চর্যভাবে… লাইক যত বাড়ছে, তার ভেতরের শূন্যতাটাও যেন তত বড় হচ্ছে। হঠাৎ—টিং! নতুন notification। আরিয়ান ভেবেছিল আরও একটা like এসেছে। কিন্তু সেটা ছিল ব্যাংকের মেসেজ। “Your loan repayment is overdue.” আরিয়ানের আঙুল থেমে গেল। চোখ দুটো বন্ধ করল। কয়েক সেকেন্ড নিঃশব্দে বসে রইল। তারপর সকালে তোলা ছবিটা খুলল। ছবির মধ্যে আরিয়ান হাসছে। চোখে আত্মবিশ্বাস। মুখে সুখ। ছবির নিচে—10,000 likes. আরিয়ান কিছুক্ষণ ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ফোনটা নামিয়ে রেখে ধীরে ধীরে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। এবার কোনো camera নেই, কোনো filter নেই, কোনো caption নেই। শুধু আরিয়ান… আর তার নিজের মুখ। কয়েক মুহূর্ত পর খুব আস্তে বলল—“আমি কি সত্যিই সুখী?” আয়না কোনো উত্তর দিল না। কারণ আয়না likes গোনে না। Filter দিয়ে সত্যিটা লুকায় না। আয়না শুধু মুখটা দেখায় না… চোখের গভীরে লুকিয়ে থাকা আসল সত্যিটাও দেখিয়ে দেয়। সেদিন প্রথমবার আরিয়ান বুঝল—এতদিন সে নিজের জীবনটা বাঁচেনি। সে শুধু এমন একটা জীবন বানিয়েছে, যেটা অন্যরা দেখে বলবে—“ইশ! আমার জীবনটাও যদি এমন হতো!” কিন্তু ছবির বাইরে? একটা ঋণের পাহাড়। একটা নীরব ঘর। আর একটা মানুষ… যে প্রতিদিন হাজার মানুষের attention পাচ্ছে, কিন্তু নিজের কষ্টটা বলার জন্য একজন মানুষও খুঁজে পাচ্ছে না। **স্ক্রিনে আরিয়ান সফল,** কিন্তু বাস্তবে? বাস্তবে—ভীষণ ক্লান্ত। হয়তো এটাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে নির্মম সত্যি। আমরা জীবনটা বাঁচার চেয়ে, জীবনটাকে দেখানোর জন্য বেশি ব্যস্ত। কারণ একটা perfect ছবি হাজারটা like এনে দিতে পারে, হাজারটা মানুষকে নিজের জীবন নিয়ে হিংসে করাতে পারে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে যখন ফোনটা নিঃশব্দ হয়ে যায়… তখন সেই হাজারটা like-এর একটাও পাশে এসে বসে না। এক কাপ কফি এগিয়ে দেয় না। একবার জিজ্ঞেসও করে না—“তুই ঠিক আছিস তো?” সেই কাজটা হয়তো করে একজন বন্ধু। হয়তো একজন বাবা। হয়তো একজন মা… যে আপনার perfect ছবিটা দেখে না, আপনাকেই দেখে। তাই কখনো কখনো ফোনটা নামিয়ে পাশে তাকান। হয়তো খুব কাছেই এমন একজন মানুষ বসে আছে, যে আপনার ১০,০০০ likes চায় না। আপনার perfect life-টাও চায় না। শুধু চায়—আপনি সত্যিই ভালো থাকুন। কারণ শেষ পর্যন্ত, দুনিয়ার কাছে আপনি কতটা সুখী দেখাচ্ছেন, সেটা বড় কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—ফোনটা বন্ধ করার পর, আপনি সত্যিই সুখী কি না। #👉 অজানা গল্পের কাহিনী 😜😜 #trending #story
Ojana Shotyo
830 views
20 days ago
AI indicator
খুনের অস্ত্র ছিল… জীবাণু | কলকাতা, ১৯৩৩ | পর্ব ১#kolkata #story #bengali
STORY CLUB 89
534 views
29 days ago
😂 ১০ টাকার নায়ক! | শেষটা দেখে হাসি থামাতে পারবেন না! | Bengali Funny Shorts | STORY CLUB 89 #😎আমার প্রিয় ভিডিও স্ট্যাটাস ❤ #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 #গল্প ---https://youtu.be/GS8JnElU4Tg
STORY CLUB 89
540 views
29 days ago
স্টেলার্স সি কাউ: ইতিহাসের সবচেয়ে দুঃখজনক বিলুপ্ত প্রাণী | History Club 89 #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 #গল্প #🔴আজকের ভক্তি ভিডিও স্ট্যাটাস😀 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #🌄প্রকৃতি ও পশু-পাখি প্রেমী🐕
STORY CLUB 89
483 views
1 months ago
🚨 রাত ১২টার পর এসি চালাবেন না! | এসি-র ভেতরের ভূত 👻 | Horror Shorts #ভুতের গল্প# #ভুতের গল্প #😇আজকের Whatsappস্টেটাস 🙌 #গল্প https://youtu.be/V28frqwfPGY?si=H18YWVrmZ3oJenpp
Titli Chakraborty
482 views
1 months ago
#অন্তরের_গহীনে #তিতলি_চক্রবর্ত্তী #পর্ব_১ [ কপি করা নিষেধ ] #লেখালিখি #গল্প ঝমঝম করে বৃষ্টি নেমেছে। বাইকটা রাস্তার এক সাইডে দাঁড় করিয়ে প্রণয় এগিয়ে গেল শেড দেওয়া দোকানটার দিকে। একটা সিগারেট ধরাল সে। দোকান বাজার সব প্রায় বন্ধ। রাত সাড়ে এগারোটা বেজে পেরিয়ে গেছে। মাঝ রাস্তায় হঠাৎ  গাড়িটা খারাপ হওয়ার জন্য, ঠিক করতে অনেকটা সময় চলে গেল। বৃষ্টিটা একটু ধরে এসছে এতক্ষণে। বাইকটার দিকে এগোতে যাবে ঠিক তখনই মেয়েলি গলায় হালকা কান্নার শব্দ শুনতে পেল সে। অকস্মাৎ এরকম শব্দে থমকে গেল প্রণয়। একটু থেমে আরো ভালো করে শোনার চেষ্টা করল। কি মনে হতে ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বেলে এগিয়ে গেল দোকানের পাশের গলি ধরে। কয়েক পা এগোতেই প্রণয়ের খেয়াল হলো বসে কাঁপতে থাকা একটা শরীরের ওপর। হঠাৎ সামনে আলো এসে পড়ায় মেয়েটাও এতক্ষণে মুখ তুলে চেয়েছে তার দিকে। কেঁদে কেটে চোখ মুখ ফুলে উঠেছে মেয়েটার। প্রণয় কথা বলে, "এত রাতে এখানে একা বসে কাঁদছো কেন? তোমার বাড়ির লোক কোথায়?" শেষ প্রশ্ন শুনে মেয়েটা যেন আরো কোঁকিয়ে ওঠে। কিছুক্ষণ পর চোখ মুছে সে কাঁদতে কাঁদতেই বলে, "নেই, কেউ নেই।" অবাক হয় প্রণয়। "কেউ নেই মানে? কটা বাজে দেখেছো? কোথায় তোমার বাড়ি? চলো তোমাকে পৌঁছে দিয়ে আসি।" মেয়েটি যেতে চায় না। প্রণয় এরপর বিরক্ত হয়। তার চলে যেতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু তারপর ভাবে মেয়েটাকে এখানে একা ফেলে যাওয়াটা ঠিক হবে না। তাই বিরক্তি চাপা দিয়ে শান্ত গলায় জানতে চায়, "কীসের এতো কষ্ট? বলো কেন বাড়ি যেতে চাও না? " এরপর মেয়েটি জানাল, তার মায়ের অসুখ ছিল। দু সপ্তাহ আগে উনি এক্সপায়ার করে গেছেন। বছর ছয়েক আগে ওর বাবাও গত হয়েছেন। বাড়িতে আর কেউ নেই। সে একা। সব শুনে প্রণয় বলল, "দেখো, এখন এখানে এখানে থাকাটা নিরাপদ নয়। তুমি চলো আমি দিয়ে আসছি।" মেয়েটি বলে, "ওই ফাঁকা বাড়ি আমি সহ্য করতে পারছি না। আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। সবটাতে মায়ের স্মৃতি জড়িয়ে।" -আমি বুঝতে পারছি এই মুহূর্তে তোমার মনের অবস্থা ঠিক কি হতে পারে। কিন্তু তুমি বলো, এই এত রাতে এখানে তুমি কী করে থাকবে! - সত্যিই তো। কেমন নির্বোধের মতো এখানে থাকতে চাইছে সে। এটা তো ঠিক নয়। তাই কিছুক্ষণ চুপ থেকে প্রণয়কে বলে, "বাড়ি যাবো।" প্রণয় হালকা হাসে। মেয়েটি উঠে দাঁড়াতে গিয়ে পড়ে যেতে যায়। প্রণয় ধরে ফেলে, "সাবধানে।" এরপর শক্ত হাতে মেয়েটির হাত ধরে এগোতে থাকে বাইকের দিকে। সকাল সকাল হঠাৎ আসা নোটিফিকেশনের শব্দে ঘুম ভেঙে যায় প্রণয়ের। রাহা ওকে "থ্যাংক ইউ" পাঠিয়েছে। ফোন নামিয়ে রেখে মনে করে কাল রাতের কথা। কাল রাহাকে পৌঁছে দেবার পর অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে নিজের ফোন নাম্বার দিয়ে এসেছে প্রণয়। বলেছে, কোন কিছু প্রয়োজন হলে ওকে জানাতে। মেয়েটার প্রতি যেন দায়িত্বশীল হয়ে উঠেছে ও। প্রণয় রায়, 'কথাকলি' রেস্টুরেন্টের মালিক দৈবায়ত রায়ের বড়ো ছেলে। ওনার ছোটো মেয়ে তনয়া সবে মাত্র মাধ্যমিক দিয়ে ক্লাস ইলেভেনে উঠেছে। প্রণয় গত তিনবছর ভীষণ খেটে নিজের কোম্পানিটাকে দাঁড় করিয়েছে। গত এক সপ্তাহ হল প্রণয় ত্রিশে পড়েছে। প্রণয়ের মা আশাবরীদেবী খুব শান্ত শিষ্ট মানুষ। ছেলের সব সিদ্ধান্তকে আজ অবধি গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন। দৈবায়ত রায়ও প্রণয়কে ছোটো থেকে দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠাবান হওয়ার শিক্ষা দিয়ে এসেছেন। আর দেরী না করে বিছানা ছেড়ে ওঠে প্রণয়। আশাবরীদেবী রান্নাঘরে ব্যস্ত। তনয়া সোফায় বসে টিভি দেখতে দেখতে স্যান্ডউইচ খাচ্ছে। প্রণয়কে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখে বলে, "দাদা, যাবার সময় আমায় একটু বইয়ের দোকানে নামিয়ে দিস তো। ওখানে রোহিনী থাকবে। আমি ওর সাথে স্কুল চলে যাবো।" -আচ্ছা। আশাবরীদেবী ছেলের জন্য খাবার নিয়ে এলে প্রণয় তাড়াহুড়ো করে খাওয়া শেষ করে ওপরে চলে যায়। একটা ফুল স্লিভ পার্পেল শার্ট আর প্যান্ট পড়ে নীচে নামে। তারপর তনয়াকে নিয়ে বেরিয়ে যায়। কোম্পানিতে এসেও প্রণয়কে অন্যমনস্ক দেখে ওর অ্যাসিস্টেন্ট মৃদুল অবাক হয়ে গেল। আজ অবধি কখনও এমনটা হয়নি। কোম্পানির প্রতিটা কাজের ব্যাপারে প্রণয় ভীষণ সিরিয়াস। তবে আজ হঠাৎ এমন কেন! যদিও মৃদুল কাজের জায়গায় প্রণয়ের অ্যসিস্টেন্ট হলেও ওর বন্ধু বেশি। তাই ওকে একটু মজা করেই জিজ্ঞেস করে , "কী হয়েছে বলতো? প্রণয় রায় এমন অন্যমনস্ক! কাজে মন নেই। তা কে তোর মন কাড়লো শুনি?" প্রণয় চিন্তিত মুখে তাকায় ওর দিকে। বলে, "একটু ব্ল্যাক কফি নিয়ে আয়, বলছি।" মৃদুল আর কথা না বাড়িয়ে কিছুক্ষণ পর কফি নিয়ে হাজির হলো। প্রনয় জানালো গত রাতের সব ঘটনা। - "এখন কী করবি?" মৃদুল জানতে চাইলো। - আপাতত এখান থেকে বেরিয়ে ওর বাড়ি যাবো। বুঝতে পারছি না ও ঠিক আছে কি না। - যা তাহলে, আমি এদিকটা সামলে নিচ্ছি। - "ওকে।" চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় প্রণয়। বেরিয়ে পড়ে, গন্তব্য রাহার বাড়ি। রাহাদের একতলা বাড়ি। বাড়ির ওপরে লেখা 'সেন ভিলা' দেখে এগিয়ে যায় প্রণয়। দরজায় হাত দিতেই দরজাটা খুলে যায়। "উফ বোকার মতো কাজ, একা একজন মেয়ে। এভাবে দরজা খুলে রাখে কেউ!!" নিজের মনেই বিড়বিড় করে। ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে পিছনে ফিরেই থেমে যায় প্রণয়। রাহা সদ্য শাওয়ার নিয়ে বেরিয়েছে। চুল দিয়ে টপ টপ করে জল পরছে ওর। সেগুলো টাওয়াল দিয়ে মুছতে ব্যস্ত ও। প্রণয় এক পা-ও যেন এগোতে পারছে না। কী স্নিগ্ধ লাগছে রাহাকে। কাল ভালো করে লক্ষ্য করেনি খুব বেশি হলে ওর বয়স উনিশ কি বিশ হবে। প্রণয়ের মনে হল, সারাজীবন যদি ওকে চোখের সামনে রেখে দেওয়া যেত। - "একি আপনি! এখন!" রাহার কথাতে ঘোর কাটে প্রণয়ের। সে আস্তে আস্তে এগিয়ে যায় ওর দিকে। "দেখতে এলাম। যদি কিছুর প্রয়োজন পড়ে।" - "ওহ আসুন।" প্রণয় গিয়ে সামনে থাকা একটা চেয়ার টেনে বসে। - "কাল মন টা একটু বেশিই খারাপ ছিল। আপনাকে আমার জন্য অনেক ঝামেলায় পড়তে হল। সরি।" প্রণয় একদৃষ্টে চেয়ে আছে রাহার দিকে। উত্তর না পেয়ে রাহা মুখ তুলে তাকাতেই চোখে চোখ পড়ে ওর। লজ্জায় সে "আমি মিষ্টি আনি। আপনি বসুন।" বলে রান্নাঘরের দিকে যেতে যাবে তখনই প্রণয় উঠে ওর হাত টেনে ধরে। সামান্য হেসে বলে "আজ থাক, অন্যদিন আসবো।" সন্ধ্যে হয়ে গেছে। জানালার বাইরে দিয়ে রাহা তাকিয়ে আছে। রাস্তায় কত লোকের আনাগোনা। সেদিন দুপুরের ঘটনাটা মনে করতে গিয়ে মুখে হাসি ফোটে রাহার। দুই সপ্তাহ কেটে গেছে। তবুও সেদিন প্রণয়ের ওইভাবে ওর দিকে তাকিয়ে থাকাটা ভুলতে পারেনি রাহা। বার বার মনে পড়ে আর লজ্জাও পায় সে। এইরকম স্মার্ট, চাপ দাড়ি যুক্ত, লম্বা, সুদর্শন যে মানুষটা ওকে দায়িত্ব নিয়ে প্রথমদিন বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল তার প্রতি ভালোলাগাটা দিন দিন একটু বেড়ে চলেছে রাহার। ফোনে কথা না হলেও মেসেজে অল্প কিছু কথা ওদের হয়। এরমধ্যেই রাহা জেনে গিয়েছে প্রণয়ের নিজস্ব কোম্পানির ব্যাপারে। ফোনের শব্দে ভাবনায় ছেদ পড়ে ওর। ফোন রিসিভ করেই ওপাশ থেকে শুনতে পায়, - "একটা ফোন করতে ইচ্ছে হয় না বল?" হঠাৎ কী মনে করে রাহা বলে- "সরি সরি কৃতী। হ্যাপি বার্থ ডে মাই ডিয়ার বেস্টি।" - "হয়েছে হয়েছে। থাক আর সরি বলতে হবে না। এবারের মতো ছেড়ে দিলাম।" শব্দ করে হেসে ওঠে রাহা।  কৃতী আবার বলে, - "তবে সারাদিন পেরিয়ে গেল। তোর একবারও আমার কথা মনে পড়লো না বল? " - "তোকে ভুলে যাবো সেটা হয়! তুই আমার সোনা বেস্টি না! খুব আনন্দ কর। " - "শোন না রাহা আমার একটা ইম্পরট্যান্ট কল আসছে। পরে কথা বলি? টাটা" - "ওকে।"
ADP Cartoon Story
618 views
1 months ago
https://youtu.be/vsXvZ48rpsk . . . ................ ..... full video Link 🔗👆👆👆......................... Must watch. ...... #😍Animation ভিডিও🤡 #viral #story #cartoon #hindi
ADP Cartoon Story
986 views
1 months ago
https://youtu.be/LF_QgcFO-a8 ,............ Must watch, very good story 👆👆........ #😍Animation ভিডিও🤡 #story #viral #funny #video