"তব কথামৃতং তপ্তজীবনং কবিভিরীড়িতং কল্মষাপহম্। শ্রবণমঙ্গলং শ্রীমদাততং ভুবি গৃণন্তি যে ভূরিদা জনাঃ ॥" 🍀🌼🌺💐🍀🌼🌺💐🍀🌼🌺💐🍀 [পূর্বকথা-সাধুর ঠাকুরকে শিক্ষা-তমোগুণী সাধু] ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়াছেন। নরেন্দ্র, ভবনাথ, মুখুজ্জে ভ্রাতৃদ্বয় প্রভৃতি ভক্তদের সহিত কথা কহিতেছেন। সাধকটির কথায়- ভবনাথ (সহাস্যে)-কিরকমের লোক! শ্রীরামকৃষ্ণ-তমোগুণী ভক্ত। ভবনাথ-খুব শ্লোক বলতে পারে। শ্রীরামকৃষ্ণ-আমি একজনকে বলেছিলাম- 'ও রজোগুণী সাধু-ওকে সিধে-টিধে দেওয়া কেন?' আর-একজন সাধু আমায় শিক্ষা দিলে- 'অমন কথা বোলো না! সাধু তিন প্রকার-সত্ত্বগুণী, রজোগুণী, তমোগুণী।' সেই দিন থেকে আমি সবরকম সাধুকে মানি। নরেন্দ্র (সহাস্যে)-কি, হাতি নারায়ণ? সবই নারায়ণ। শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)-তিনিই বিদ্যা-অবিদ্যা রূপে লীলা কচ্ছেন। দুই-ই আমি প্রণাম করি। চণ্ডীতে আছে, তিনিই লক্ষ্মী আবার হতভাগার ঘরে অলক্ষ্মী। (ভবনাথের প্রতি) এটা কি বিষ্ণুপুরাণে আছে? ভবনাথ (সহাস্যে)-আজ্ঞা, তা জানি না। কোন্নগরের ভক্তরা আপনার সমাধি অবস্থা আসছে বুঝতে না পেরে উঠে যাচ্ছিল। শ্রীরামকৃষ্ণ-কে আবার বলছিল-তোমরা বসো। ভবনাথ (সহাস্যে)-সে আমি! শ্রীরামকৃষ্ণ-তুমি বাছা ঘটাতেও যেমন, আবার তাড়াতেও তেমনি। গায়কের সঙ্গে নরেন্দ্রের তর্ক হইয়াছিল, সেই কথা হইতেছে। 🪷 জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ 🪷 শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণকথামৃত, ৪ রক্ত খন্ড, পৃঃ ১৫২। #🙏ভক্তি ভজন🎵 #🙂ভক্তি😊 #রামকৃষ্ণ #😊সারদা মা🌺 #দক্ষিনেশ্বর মন্দির
16 likes
10 shares

More like this