ShareChat
click to see wallet page
search
আবার বরানগরে আক্রান্ত বিজেপি এবারের ভোটে 'ভরকেন্দ্র' যদি হয় ভবানীপুর,'অন্যতম কেন্দ্র' যদি হয় নন্দীগ্রাম তাহলে অবশ্যই 'ব্যাটল ফিল্ড' বরানগর। বার বার করে মুখোমুখি বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকা। এবার অবশ্য অকুস্থলে সায়ন্তিকা ছিলেন না। সোমবার রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বরাহনগর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রচারের পর হঠাৎ বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে, বিক্ষোভ প্রর্দশনের সময়ই সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনারও আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার রাতে বরাহনগরের ৭ নং ওয়ার্ডে আমতলায় বিজেপির একটা সভা ছিল। সজলের অভিযোগ, সভা শেষ হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ হাজির হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে। তারপর হঠাৎ তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, তাঁদের তিন-চারজন কর্মী আহত হয়েছেন। সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা অজয় গুপ্তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও অজয় ও তাঁর লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সজলের। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী সজল। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মজুত ছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগরে পৌঁছন সজল ঘোষ। থানার সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও জানান। তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও করেছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
political - ShareChat