শিরোনাম: মেঘলা মনের জানালা
লেখক আনজারুল মোল্লা
১৮/০৫/২৬
বিকেলের আকাশটা আজ অদ্ভুতভাবে মেঘলা। সূর্যের আলো যেন কোথাও আটকে গেছে, ঠিক যেমন আটকে গেছে মায়ার মনটা। বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে সে চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে। মেঘগুলো ধীরে ধীরে ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু তার মনটা যেন কোথাও থমকে আছে।
মায়া আগে এমন ছিল না। হাসিখুশি, প্রাণবন্ত—সবাই তাকে দেখলেই বলত, “এই মেয়েটার মুখে সবসময় এত আলো থাকে কী করে?” কিন্তু আজকাল সেই আলোটা যেন ম্লান হয়ে গেছে। কেউ জিজ্ঞেস করলে সে শুধু হেসে বলে, “কিছু না, একটু ক্লান্ত লাগছে।”
আসলে ক্লান্তি নয়, এটা এক ধরনের শূন্যতা। খুব কাছের একজন মানুষ হঠাৎ করেই তার জীবন থেকে সরে গেছে। কোনো ঝগড়া নয়, কোনো অভিযোগ নয়—শুধু নীরব দূরত্ব। সেই নীরবতাই মায়ার মনকে ভারী করে তুলেছে, ঠিক এই মেঘলা আকাশের মতো।
হঠাৎ করে হালকা বাতাস বইতে শুরু করল। দূরে কোথাও বৃষ্টি নামছে, তার গন্ধ এসে পৌঁছাল মায়ার কাছে। সে চোখ বন্ধ করল। মনে পড়ল, সেই মানুষটা বলত—“মেঘলা দিনে কষ্টগুলো বেশি করে মনে পড়ে, কিন্তু বৃষ্টি হলে সব ধুয়ে যায়।”
মায়া ধীরে ধীরে চোখ খুলল। আকাশের দিকে তাকিয়ে সে ফিসফিস করে বলল, “হয়তো সত্যিই ধুয়ে যাবে।”
কিছুক্ষণ পরেই টিপটিপ করে বৃষ্টি নামল। প্রথমে হালকা, তারপর একটু জোরে। মায়া হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ফোঁটা ছুঁয়ে দেখল। ঠান্ডা জল তার আঙুল বেয়ে নেমে এল, আর তার ভিতরের জমে থাকা কষ্টগুলো যেন একটু একটু করে গলতে লাগল।
সে হালকা করে হাসল—অনেকদিন পর।
মেঘলা মনটা এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি, কিন্তু জানালাটা খুলে গেছে। আর সেই জানালা দিয়ে ঢুকে পড়েছে একফোঁটা নতুন আলো।
এটি দিয়ে আরেকটি করে দিন
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰দেশের আপডেট📰
#📰দেশের আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰জেলার আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📰জেলার আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰জেলার আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
#📰জেলার আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️
শিরোনাম: শেষ ঝড়ের স্মৃতি
লেখক আনজারুল মোল্লা
১২/০৫/২৬
গ্রামের আকাশটা হঠাৎ করেই কালো হয়ে উঠল। গরমের দমবন্ধ করা দুপুরটা যেন এক মুহূর্তে বদলে গেল। সবাই বুঝে গেল—কালবৈশাখী আসছে।
ছোট্ট মেয়ে মীরা উঠোনে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ বাতাসে তার ওড়না উড়ে গেল, সে হাসতে হাসতে ধরতে গেল। কিন্তু তার দাদু দূর থেকে চিৎকার করে বললেন,
“ভিতরে আয় মীরা, ঝড় খুব জোরে আসবে!”
মীরা দৌড়ে ঘরে ঢুকে পড়ল। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো ঝড়—বাতাসের গর্জন, বিদ্যুতের ঝলক, আর মুষলধারে বৃষ্টি।
মীরা ভয়ে দাদুর হাত শক্ত করে ধরল।
“দাদু, এত ভয়ংকর কেন?”
দাদু মৃদু হেসে বললেন,
“প্রকৃতির রাগ, আবার ভালোবাসাও। এই ঝড়ের পরই তো ঠান্ডা হাওয়া আসে।”
হঠাৎ একটা বিকট শব্দ হলো। যেন কিছু একটা ভেঙে পড়ল। মীরা আঁতকে উঠল। ঝড় থামার পর সবাই বাইরে বেরিয়ে দেখল—বাড়ির পাশের পুরোনো আমগাছটা ভেঙে পড়েছে।
মীরা চুপ করে গাছটার দিকে তাকিয়ে রইল। গাছটা ছিল তার খুব প্রিয়। গরমের দিনে সে এখানেই খেলত, দাদুর সঙ্গে বসে গল্প শুনত।
তার চোখে জল চলে এল।
“দাদু, গাছটা আর বাঁচবে না?”
দাদু ধীরে মাথা নাড়লেন,
“না রে, তবে এর জায়গায় আবার নতুন গাছ হবে।”
মীরা কিছু বলল না। সে শুধু বুঝতে পারল—ঝড় শুধু ঠান্ডা হাওয়া আনে না, কখনো কখনো প্রিয় জিনিসগুলোও কেড়ে নেয়।
সেদিনের কালবৈশাখী মীরার মনে থেকে গেল—একটা ঝড়, যা শুধু গাছ ভাঙেনি, তার ছোট্ট মনেও একটুখানি কষ্ট রেখে গেছে।
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #📑রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা✍
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #📑রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা✍ #💃রবীন্দ্র নৃত্য🙏
শিরোনাম: শেষ ঝড়ের স্মৃতি
লেখক আনজারুল মোল্লা
১২/০৫/২৬
গ্রামের আকাশটা হঠাৎ করেই কালো হয়ে উঠল। গরমের দমবন্ধ করা দুপুরটা যেন এক মুহূর্তে বদলে গেল। সবাই বুঝে গেল—কালবৈশাখী আসছে।
ছোট্ট মেয়ে মীরা উঠোনে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ বাতাসে তার ওড়না উড়ে গেল, সে হাসতে হাসতে ধরতে গেল। কিন্তু তার দাদু দূর থেকে চিৎকার করে বললেন,
“ভিতরে আয় মীরা, ঝড় খুব জোরে আসবে!”
মীরা দৌড়ে ঘরে ঢুকে পড়ল। কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হলো ঝড়—বাতাসের গর্জন, বিদ্যুতের ঝলক, আর মুষলধারে বৃষ্টি।
মীরা ভয়ে দাদুর হাত শক্ত করে ধরল।
“দাদু, এত ভয়ংকর কেন?”
দাদু মৃদু হেসে বললেন,
“প্রকৃতির রাগ, আবার ভালোবাসাও। এই ঝড়ের পরই তো ঠান্ডা হাওয়া আসে।”
হঠাৎ একটা বিকট শব্দ হলো। যেন কিছু একটা ভেঙে পড়ল। মীরা আঁতকে উঠল। ঝড় থামার পর সবাই বাইরে বেরিয়ে দেখল—বাড়ির পাশের পুরোনো আমগাছটা ভেঙে পড়েছে।
মীরা চুপ করে গাছটার দিকে তাকিয়ে রইল। গাছটা ছিল তার খুব প্রিয়। গরমের দিনে সে এখানেই খেলত, দাদুর সঙ্গে বসে গল্প শুনত।
তার চোখে জল চলে এল।
“দাদু, গাছটা আর বাঁচবে না?”
দাদু ধীরে মাথা নাড়লেন,
“না রে, তবে এর জায়গায় আবার নতুন গাছ হবে।”
মীরা কিছু বলল না। সে শুধু বুঝতে পারল—ঝড় শুধু ঠান্ডা হাওয়া আনে না, কখনো কখনো প্রিয় জিনিসগুলোও কেড়ে নেয়।
সেদিনের কালবৈশাখী মীরার মনে থেকে গেল—একটা ঝড়, যা শুধু গাছ ভাঙেনি, তার ছোট্ট মনেও একটুখানি কষ্ট রেখে গেছে।
#📰জেলার আপডেট📰 #📰রাজ্যের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️
শিরোনাম: “আমি থামিনি”
লেখক আনজারুল মোল্লা
পর্ব ১
পুনিশোল গ্রামের এক দরিদ্র ঘরে জন্ম নেয় আনজারুল। জন্মের পরই সবাই বুঝতে পারে—তার দই পা অচল। বাবা হতাশ হয়ে পড়ে, কিন্তু মা তাকে বুকে আগলে রাখে। গ্রামের মানুষ তাকে করুণার চোখে দেখে, কেউ কেউ বলে সে কখনো কিছু করতে পারবে না। কিন্তু ছোট আনজারুলের চোখে তখনও অজানা স্বপ্ন জ্বলছে।
পর্ব ২
পাঁচ বছর বয়সে আনজারুল মাটিতে বসেই অক্ষর চিনতে শুরু করে। স্কুলে ভর্তি হতে গেলে প্রথমে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে এক শিক্ষক দয়া করে তাকে সুযোগ দেন। ক্লাসে সে খুব মনোযোগী ছিল, প্রশ্ন করত বেশি। ধীরে ধীরে শিক্ষক বুঝতে পারেন, ছেলেটির মেধা অসাধারণ। #📰দেশের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #আমার 🅰️ttitude😎









