কবি আনজারুল
ShareChat
click to see wallet page
@sahitdut
sahitdut
কবি আনজারুল
@sahitdut
কবি ও সাহিত্যিক এবং সাহিত্য সম্পাদক ও সভাপতি
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰জেলার আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰 #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ - কারবালার আলো লেখক: আনজারুল মোল্লা মহরমের শোকসভা কারবালার কাহিনি স্মরণে ত্যাগ, সত্য, ন্যায় কারবালা শুধু একটি যুত্তের গল্ল নয় | এটি সত্য, ন্যায় এবং আত্মত্যাগের শিক্ষা ! 8 কিছু অসাধু লোক ত্রাগের চাল ও ওযুধ গ্রামের উপর নেমে এল ভয়াবহ বন্যা | নিজেদের ঘরে লুকিয়ে রাখতে শুরু করল | রাহাত এ্রামের কয়েকজন যুবককে নিয়ে ত্রাগের অনেক বাধা এল | কেউ তাকে ৬য় দেখাল, কেউ সঠিক হিসাব রাখার উদ্যোগ নিল | কিস্তু সে সত্যের পথ ছাডল না | কেড অপমান করল পরদিন বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে গিয়ে  রাতে রাহাত নিজের জন্য রাখা ওষুধ ও খাবার দিল  অসহায় পরিবারেকে দিয়ে রাহাত নিজেই স্রোতের মধ্যে তলিয়ে গেল | মহরমের শোকসভা 'কারবালার শিক্ষা কেবল ইতিহাসের পাতায় নয়, মানুষের কর্মে বেঁচে থাকে রাহাত আমাদের সেই শিক্ষার জীবস্ত  230 উদাহরগ হয়ে থাকবে গ্রামজুড়ে নেমে এল শোকের ছায়া ১১ রাহাত পাঠাগার রাহাত আর ফিরে আসোনি | T কিস্তু তার ত্যাগ, সাহস আর মানতার আলো ন্যায় गानवछाव्न शवा গ্রামবাসীর হৃদয়ে চিরকাল জুলতে থাকল রাহাতের নামে একটি পাঠাগার মড়ে তোলা হলো, যেখানে দরিত্র শিশুদের বিনামুল্যে পড়ার  মহরমের শিক্ষা: সত্যের পথে চলতে গিয়ে কষ্ট আসতে পারে, সুয়োগ দেওয়া হয় | তবুও ন্যায় ও মানবতার জন্য আত্মত্যাগ কখনো বুথা যায় না ! কারবালার আলো লেখক: আনজারুল মোল্লা মহরমের শোকসভা কারবালার কাহিনি স্মরণে ত্যাগ, সত্য, ন্যায় কারবালা শুধু একটি যুত্তের গল্ল নয় | এটি সত্য, ন্যায় এবং আত্মত্যাগের শিক্ষা ! 8 কিছু অসাধু লোক ত্রাগের চাল ও ওযুধ গ্রামের উপর নেমে এল ভয়াবহ বন্যা | নিজেদের ঘরে লুকিয়ে রাখতে শুরু করল | রাহাত এ্রামের কয়েকজন যুবককে নিয়ে ত্রাগের অনেক বাধা এল | কেউ তাকে ৬য় দেখাল, কেউ সঠিক হিসাব রাখার উদ্যোগ নিল | কিস্তু সে সত্যের পথ ছাডল না | কেড অপমান করল পরদিন বন্যায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে গিয়ে  রাতে রাহাত নিজের জন্য রাখা ওষুধ ও খাবার দিল  অসহায় পরিবারেকে দিয়ে রাহাত নিজেই স্রোতের মধ্যে তলিয়ে গেল | মহরমের শোকসভা 'কারবালার শিক্ষা কেবল ইতিহাসের পাতায় নয়, মানুষের কর্মে বেঁচে থাকে রাহাত আমাদের সেই শিক্ষার জীবস্ত  230 উদাহরগ হয়ে থাকবে গ্রামজুড়ে নেমে এল শোকের ছায়া ১১ রাহাত পাঠাগার রাহাত আর ফিরে আসোনি | T কিস্তু তার ত্যাগ, সাহস আর মানতার আলো ন্যায় गानवछाव्न शवा গ্রামবাসীর হৃদয়ে চিরকাল জুলতে থাকল রাহাতের নামে একটি পাঠাগার মড়ে তোলা হলো, যেখানে দরিত্র শিশুদের বিনামুল্যে পড়ার  মহরমের শিক্ষা: সত্যের পথে চলতে গিয়ে কষ্ট আসতে পারে, সুয়োগ দেওয়া হয় | তবুও ন্যায় ও মানবতার জন্য আত্মত্যাগ কখনো বুথা যায় না ! - ShareChat
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📰জেলার আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️
📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল - ShareChat
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰দেশের আপডেট📰 #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📰জেলার আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ - ShareChat
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📰দেশের আপডেট📰 #📰জেলার আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️
📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল - ShareChat
#😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰জেলার আপডেট📰 #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #📰দেশের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল
😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ - কিন্ত্র রাত নামলেই সেই ফুটপাত হয়ে উঠত কয়েকজন দিনের বেলায় শহরের ব্যস্ত রাস্তার পাশে একটি পুরোনো ফুটপাত।  छिख, দোবালের হাঁকভার, পডীর তশ মার ভীসলের অসহায় আঘায়মবল[ সেঘানে মানুকের জীবনের অবিরাম সেই ফুটপাতেই থাকত দশ বছরের একটি ছেলে छक চলা | Hrol ফুটপাতের পাসেই একটি স্ফুল ছিল! প্রতিদিন স্কুলের ইউনিক্ষর্ম পরা রাহাত প্রতিদিন ডো উঠে প্রলাস্টিকের বোতল আর কাপজ কুড়িয়ে বিত্রি করত। যা পতে, তা দিয়ে দুমুঠো খাবার কিনে খেত। ছেলেনেয়দের দেখে রাহাতের চোখ জুলজ্জ্বল করে উঠত। বিদ্বালয় একদিন ক্কুলের একজন শিক্ষক তার দিকে নজর দিলেন| মাষো মাষোে স্কুলের দেয়ালের পাসে পড়়ে থাকা পুরোনো বই কুড়িয়ে তিনি রাহাতকে ডেকে জিভভ্রস কলেন, এননে নিজে নিজে পড়ার চেক্ষটী করত| তুমি কি পড়তে চোও? শিক্ষকটি তার মাথায় হাত রেখে বললেন; বাহাতের চোখে তথন যেন মমান এাযে স্বপ্ন দেখোI একদিন किख খুব চাই স্যার | আমার তা বই কনার টাকা নই| তোমার স্বপ্ন পুরন হবে| সেদিন রাহাত জীবনে প্রথমবার অনুভব করেছিল, সেই বছর শীতটা ছিল ডীষণ কঠিন। এক রাতে প্রঢণ ঠাডা আর শোড়ো বাতাস বইছিল | ছেড়া চাদর জড়িয়ে কাঁপছিল রাহাতা কেউ তাকে মানুয় বলে মনে করেছে] লোকজন ডিড় করে বাঁড়াল! কেউ বলল; "বেডার!" কেউ আরার জেসে উঠল; তখন ফুটপাতের সেই কোলে শহর  ডোরবেলা থধন দ্ট ছিল!" রাহাত আর জবসে উঠল নাI বমলে 9 তিনি রাহাতের নিষর যবর পেয়ে সেই শিক্ষকও সেখানে এলেন: বইয়ের প্রথম পাতায় কাপা হাতে লেখা ডিল- মুখসর পাসে বমব কাঁপতে লাপলেল; এেলেবটর মুতে "আমি একদিন ক্ফুলে যাব: করা হাতে একটি পুরোনো ছেঁডা বই হিল| শিক্ষকের চোখ থেকে অগ্রা গড়িয়ে পড়ল বইয়ের পাতায়] একদিন স্কুলে যাব!" দাডিয়ে  দুঃখ প্রকাশ করেছিল |  সেদিন শহরের মানুষ্ব কিম্ুক্ষণ শুতধু সেই ফুটপাতটি নীরবে সাম্ষী হয়ে রইল একটি অপূুর্ণ স্বম্রের! তাবরপ বাবার সষাই নিব্মেক্ কাজে ব্যস্ত হয়ে পডডলে: পড়াির চর্ন বাত্ল আজও রাতের অব্ধকালে সেই ফুটপাতের দিকে তাকালে মনে হয়, মানুত্র ছফুাটল নিজের গন্জয়ে | চোকান খুসল সেথালে যেন একটি ছোট ছেলে বসে বইয়ের পাতা উচাচ্ছে। তার চোখে এয়নও মণ্ণ মাছে; কিম্ত্র সেই স্বল্ন পুরনের জল্য আর কোনো সকাল নেহা কিন্ত্র রাত নামলেই সেই ফুটপাত হয়ে উঠত কয়েকজন দিনের বেলায় শহরের ব্যস্ত রাস্তার পাশে একটি পুরোনো ফুটপাত।  छिख, দোবালের হাঁকভার, পডীর তশ মার ভীসলের অসহায় আঘায়মবল[ সেঘানে মানুকের জীবনের অবিরাম সেই ফুটপাতেই থাকত দশ বছরের একটি ছেলে छक চলা | Hrol ফুটপাতের পাসেই একটি স্ফুল ছিল! প্রতিদিন স্কুলের ইউনিক্ষর্ম পরা রাহাত প্রতিদিন ডো উঠে প্রলাস্টিকের বোতল আর কাপজ কুড়িয়ে বিত্রি করত। যা পতে, তা দিয়ে দুমুঠো খাবার কিনে খেত। ছেলেনেয়দের দেখে রাহাতের চোখ জুলজ্জ্বল করে উঠত। বিদ্বালয় একদিন ক্কুলের একজন শিক্ষক তার দিকে নজর দিলেন| মাষো মাষোে স্কুলের দেয়ালের পাসে পড়়ে থাকা পুরোনো বই কুড়িয়ে তিনি রাহাতকে ডেকে জিভভ্রস কলেন, এননে নিজে নিজে পড়ার চেক্ষটী করত| তুমি কি পড়তে চোও? শিক্ষকটি তার মাথায় হাত রেখে বললেন; বাহাতের চোখে তথন যেন মমান এাযে স্বপ্ন দেখোI একদিন किख খুব চাই স্যার | আমার তা বই কনার টাকা নই| তোমার স্বপ্ন পুরন হবে| সেদিন রাহাত জীবনে প্রথমবার অনুভব করেছিল, সেই বছর শীতটা ছিল ডীষণ কঠিন। এক রাতে প্রঢণ ঠাডা আর শোড়ো বাতাস বইছিল | ছেড়া চাদর জড়িয়ে কাঁপছিল রাহাতা কেউ তাকে মানুয় বলে মনে করেছে] লোকজন ডিড় করে বাঁড়াল! কেউ বলল; "বেডার!" কেউ আরার জেসে উঠল; তখন ফুটপাতের সেই কোলে শহর  ডোরবেলা থধন দ্ট ছিল!" রাহাত আর জবসে উঠল নাI বমলে 9 তিনি রাহাতের নিষর যবর পেয়ে সেই শিক্ষকও সেখানে এলেন: বইয়ের প্রথম পাতায় কাপা হাতে লেখা ডিল- মুখসর পাসে বমব কাঁপতে লাপলেল; এেলেবটর মুতে "আমি একদিন ক্ফুলে যাব: করা হাতে একটি পুরোনো ছেঁডা বই হিল| শিক্ষকের চোখ থেকে অগ্রা গড়িয়ে পড়ল বইয়ের পাতায়] একদিন স্কুলে যাব!" দাডিয়ে  দুঃখ প্রকাশ করেছিল |  সেদিন শহরের মানুষ্ব কিম্ুক্ষণ শুতধু সেই ফুটপাতটি নীরবে সাম্ষী হয়ে রইল একটি অপূুর্ণ স্বম্রের! তাবরপ বাবার সষাই নিব্মেক্ কাজে ব্যস্ত হয়ে পডডলে: পড়াির চর্ন বাত্ল আজও রাতের অব্ধকালে সেই ফুটপাতের দিকে তাকালে মনে হয়, মানুত্র ছফুাটল নিজের গন্জয়ে | চোকান খুসল সেথালে যেন একটি ছোট ছেলে বসে বইয়ের পাতা উচাচ্ছে। তার চোখে এয়নও মণ্ণ মাছে; কিম্ত্র সেই স্বল্ন পুরনের জল্য আর কোনো সকাল নেহা - ShareChat
#📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰দেশের আপডেট📰 #📰জেলার আপডেট📰 #📜বঙ্গ সাহিত্য📜 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️
📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল - কালৌর ভেতর আলো একটি অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প কালো রঙের সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কী? ப5 Nalrt1 চোখের মণি একদিন নতুন শিক্ষক ক্রাসে প্রশ্র করলেন, রহিম" পূথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাতও শিক্ষক বললেন; গ্রামের মানুষরা তাকে ডাকত কালো चढल | কালো রঙের সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কী?" গায়ের রং ছিল গডীর কালো, কালো[ মহাকাশও কালোI আর মানুবের চোখের Ol @6 মণিটাও কালোI সেই কালো মণি না থাকলে দিল অমাবস্যার রাত। তাই তাকে অনেক কথা ছাএরা নানা ডঙর কালো মেত; কালো UIWI এই সুন্দর পুথিবী দেখতে পেতাম না!' কালো মাটি ইত্যাদি] শ্রনতে ও অপমান সহ্য করত হতো | চুল; রহিমের বুকটা কেমন যেন কেঁপে উঠলা একদিন জেলার অন্যত্যম সফল বহর কেটে গেলা রহিম পডাংশানা করে বড় হলো| (1  নিয়ে ' সমাজকর্মী হয়ে উঠলা সবাই তার কাজ ও জীবনে প্রখমবার গ্রামেন মানুয় খখন রঙ चाख।शन অনুভাব কারল; 0 6 মানেই খারাপ নয়[ ছিল সঘ্র নিযেো কঠোর পরিশ্রম সততার জন্য তাকে স্মান বমতে লাগলা dIe সেেবম U সততারর জোে সে সফাল হলা দৈনিক সংবাদ অন্ধকার রাতের নায়ক রহিম এক বর্যার রাতে গ্রামের ননীর বাঁধ ভেঙে যায়়া চারদিকে পরদিন সংবাদপত্রে শিরোনাম হলো- কালো রহিম' যারা একসময তাক বললে অপমান পানি আর অন্ধকার| মানুষ দিনঘহরা! সেই ডযংকর করত: তারাই আজ তাকে সম্মানের চোখে দেখতে লাগলা "অন্ধকার রাতের নায়ক রহিম' কালো রাতেই রহিম লিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বড্ড <f51' "a<l; এক বৃদ্জ বললেন; আমরা ভুল মানুয়কে উন্ত্ার করেো সেদিন প্রামের মানুয একটি বড় শিক্ষা পেল| মানুযের মুল্য তার গায়ের রশে নয়, তার চরিত্রে] কালো, সাদা কিংবা অন্য কোনো রং নয় - সত্যিকারের সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে কালো রংকে সবাই রহিম মুদু হেসে বলল, মানুযের মন আর কর্মের মধ্যেো অক্ধাকার ডােো অথচ অ্ধকার না থাঁকলে মানুয় আলোর মুল্য বুর্ঝত না|" কালৌর ভেতর আলো একটি অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প কালো রঙের সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কী? ப5 Nalrt1 চোখের মণি একদিন নতুন শিক্ষক ক্রাসে প্রশ্র করলেন, রহিম" পূথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাতও শিক্ষক বললেন; গ্রামের মানুষরা তাকে ডাকত কালো चढल | কালো রঙের সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কী?" গায়ের রং ছিল গডীর কালো, কালো[ মহাকাশও কালোI আর মানুবের চোখের Ol @6 মণিটাও কালোI সেই কালো মণি না থাকলে দিল অমাবস্যার রাত। তাই তাকে অনেক কথা ছাএরা নানা ডঙর কালো মেত; কালো UIWI এই সুন্দর পুথিবী দেখতে পেতাম না!' কালো মাটি ইত্যাদি] শ্রনতে ও অপমান সহ্য করত হতো | চুল; রহিমের বুকটা কেমন যেন কেঁপে উঠলা একদিন জেলার অন্যত্যম সফল বহর কেটে গেলা রহিম পডাংশানা করে বড় হলো| (1  নিয়ে ' সমাজকর্মী হয়ে উঠলা সবাই তার কাজ ও জীবনে প্রখমবার গ্রামেন মানুয় খখন রঙ चाख।शन অনুভাব কারল; 0 6 মানেই খারাপ নয়[ ছিল সঘ্র নিযেো কঠোর পরিশ্রম সততার জন্য তাকে স্মান বমতে লাগলা dIe সেেবম U সততারর জোে সে সফাল হলা দৈনিক সংবাদ অন্ধকার রাতের নায়ক রহিম এক বর্যার রাতে গ্রামের ননীর বাঁধ ভেঙে যায়়া চারদিকে পরদিন সংবাদপত্রে শিরোনাম হলো- কালো রহিম' যারা একসময তাক বললে অপমান পানি আর অন্ধকার| মানুষ দিনঘহরা! সেই ডযংকর করত: তারাই আজ তাকে সম্মানের চোখে দেখতে লাগলা "অন্ধকার রাতের নায়ক রহিম' কালো রাতেই রহিম লিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বড্ড <f51' "a<l; এক বৃদ্জ বললেন; আমরা ভুল মানুয়কে উন্ত্ার করেো সেদিন প্রামের মানুয একটি বড় শিক্ষা পেল| মানুযের মুল্য তার গায়ের রশে নয়, তার চরিত্রে] কালো, সাদা কিংবা অন্য কোনো রং নয় - সত্যিকারের সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে কালো রংকে সবাই রহিম মুদু হেসে বলল, মানুযের মন আর কর্মের মধ্যেো অক্ধাকার ডােো অথচ অ্ধকার না থাঁকলে মানুয় আলোর মুল্য বুর্ঝত না|" - ShareChat
#📰দেশের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰রাজ্যের আপডেট📰
📰দেশের আপডেট📰 - ShareChat
#📰রাজ্যের আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #📰দেশের আপডেট📰
📰রাজ্যের আপডেট📰 - ShareChat
#📰দেশের আপডেট📰 #📰জেলার আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰রাজ্যের আপডেট📰
📰দেশের আপডেট📰 - Anjarul Mollal Al info 2m Following The Following @highlight Good Morning Everyone Bangla Story The Anonymous Writer WRITER All India Radio News বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika The Morning Show #storyviral #ভাইরাল #স্টরি #রাইটার #কবিতা #লাভ অগ্ধিকার পথের শেষ দরজা লেখক: আনজারুল মোল্লা 2. অনেক বছর আগে নাকি সেখানে গ্রামের এক প্রান্তে ছিল একটি 3 এসব গল্প শুনে গ্রামের যুবক সরু রাস্তা ! দিনের বেলায়ও সেখানো একটি ছোট বাড়ি ছিল | কৌতুহল আরও বেড়ে এক ভয়ারত আরমানমের আলো ঠিকমতো পৌঁছাত না ঝড়ের রাতে বাড়িটি ধসে পড়ে গেল / সে বিস্মাস করত ভুতের গল্পের আর সুর্যের তারপর থেকেই পথটিকে ঘিরে নানা পেছনে নিশ্চয়ই কোনো বাস্তব কারণ পথটিকে ডাকত সেই গ্রামের মানুয রহস্যর গল্প ছড়িয়ে পডো UITI: ? ITI আছ শুধু বিধিধি পোকার Fu೫1 এক পর্ণিমার রাতে হাতে একটি 5. চারপাশ 6. সে সাহস করে সামনে এগিয়ে গেল| টর্চ নিয়ে সে বেরিয়ে পড়ল অন্ধকার ডাক আর বাতাসে পাতার মর্মর শন্দ] কিম্তু কাছে যেতেই দেখল; সেটি আসলে একটি শুকনো গাছের ডাল/ নিজের ভুল পথের দিকেো পথের মাবখানে পৌঁছাতেই আরমান লক্ষ্য করল; সামনে যেন কারও ছায়া বুখে সে হেসে ফেলল / দাঁড়িয়ে আছে কুকুরছানাটিকে 7 ঠিক তখনই আরমান প্রুত এগিয়ে গেল/ সেখানে 9. সে প্রুত ইট-পাথর সরিয়ে 8 1 তার কানে এল কাম্নার শন্দা শব্দটি আসছিল রাস্তার পৌঁষম্তে সে দেখতে পেল; উগ্ধার করল / ঠিক সেই সময় হঠাং বাতাস ভাডা বাডির ধবংসারশেঘের নিচে একটি ছোট্ট জোরে বইতে শুরু করল / ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির শেঘ প্রান্ত থেকে এক কোণের মাটি সরে গেল এবং নিচে কুকুরছানা আটকে আছে অনেকক্ষণ একটি কাঠের বাক্ম দেখা দিল | ধরে বের হতে না পেরে সেটিই কাঁদছিল| 12. পরদিন আরমান ডায়েরিটি গ্রামের প্রবীণদের 10. বাশ্মটি খুলে অবাক হয়ে গেল| 11. ডায়েরিতে লেখা ছিল সেই বাড়ির আরমান ভেতরে ছিল বহ পুরোনো কিছু চিঠি, ছবি মালিকের জীবনের রড়ে বাড়ি ধসে হাতে তুলে দিল| সবাই সত্যিটা জানতে পারল] গঞ্স | | একটি ডায়েরি| পডার পর তার পরিবার হারিয়ে যায়; আর সেদিনের পর থেকে অন্মকার পথ' আর ভযের এবং গ্রামের মানুষ না জেনেই সেই ঘটনাকে প্রতীক রইল না রহস্য আর ভূতের গল্পে পরিণত করে 13, মানুয বুঝতে পারল; অনেক সময় অজানাকে আমরা ভয় বলে Anjarul Mollal Al info 2m Following The Following @highlight Good Morning Everyone Bangla Story The Anonymous Writer WRITER All India Radio News বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika The Morning Show #storyviral #ভাইরাল #স্টরি #রাইটার #কবিতা #লাভ অগ্ধিকার পথের শেষ দরজা লেখক: আনজারুল মোল্লা 2. অনেক বছর আগে নাকি সেখানে গ্রামের এক প্রান্তে ছিল একটি 3 এসব গল্প শুনে গ্রামের যুবক সরু রাস্তা ! দিনের বেলায়ও সেখানো একটি ছোট বাড়ি ছিল | কৌতুহল আরও বেড়ে এক ভয়ারত আরমানমের আলো ঠিকমতো পৌঁছাত না ঝড়ের রাতে বাড়িটি ধসে পড়ে গেল / সে বিস্মাস করত ভুতের গল্পের আর সুর্যের তারপর থেকেই পথটিকে ঘিরে নানা পেছনে নিশ্চয়ই কোনো বাস্তব কারণ পথটিকে ডাকত সেই গ্রামের মানুয রহস্যর গল্প ছড়িয়ে পডো UITI: ? ITI আছ শুধু বিধিধি পোকার Fu೫1 এক পর্ণিমার রাতে হাতে একটি 5. চারপাশ 6. সে সাহস করে সামনে এগিয়ে গেল| টর্চ নিয়ে সে বেরিয়ে পড়ল অন্ধকার ডাক আর বাতাসে পাতার মর্মর শন্দ] কিম্তু কাছে যেতেই দেখল; সেটি আসলে একটি শুকনো গাছের ডাল/ নিজের ভুল পথের দিকেো পথের মাবখানে পৌঁছাতেই আরমান লক্ষ্য করল; সামনে যেন কারও ছায়া বুখে সে হেসে ফেলল / দাঁড়িয়ে আছে কুকুরছানাটিকে 7 ঠিক তখনই আরমান প্রুত এগিয়ে গেল/ সেখানে 9. সে প্রুত ইট-পাথর সরিয়ে 8 1 তার কানে এল কাম্নার শন্দা শব্দটি আসছিল রাস্তার পৌঁষম্তে সে দেখতে পেল; উগ্ধার করল / ঠিক সেই সময় হঠাং বাতাস ভাডা বাডির ধবংসারশেঘের নিচে একটি ছোট্ট জোরে বইতে শুরু করল / ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির শেঘ প্রান্ত থেকে এক কোণের মাটি সরে গেল এবং নিচে কুকুরছানা আটকে আছে অনেকক্ষণ একটি কাঠের বাক্ম দেখা দিল | ধরে বের হতে না পেরে সেটিই কাঁদছিল| 12. পরদিন আরমান ডায়েরিটি গ্রামের প্রবীণদের 10. বাশ্মটি খুলে অবাক হয়ে গেল| 11. ডায়েরিতে লেখা ছিল সেই বাড়ির আরমান ভেতরে ছিল বহ পুরোনো কিছু চিঠি, ছবি মালিকের জীবনের রড়ে বাড়ি ধসে হাতে তুলে দিল| সবাই সত্যিটা জানতে পারল] গঞ্স | | একটি ডায়েরি| পডার পর তার পরিবার হারিয়ে যায়; আর সেদিনের পর থেকে অন্মকার পথ' আর ভযের এবং গ্রামের মানুষ না জেনেই সেই ঘটনাকে প্রতীক রইল না রহস্য আর ভূতের গল্পে পরিণত করে 13, মানুয বুঝতে পারল; অনেক সময় অজানাকে আমরা ভয় বলে - ShareChat
#📰রাজ্যের আপডেট📰 #📢শেয়ারচ্যাট স্পেশাল #📰জেলার আপডেট📰 #😊সেরা কবিদের কবিতা✍️ #📰দেশের আপডেট📰
📰রাজ্যের আপডেট📰 - ভাঁঙা প্রতিশ্রতির কবর লেখক: আনজারুল মোল্লা ১ গ্রামের মেয়ে মেঘলা ছোটবেলা থেণে ঘ্বপ্র ২ একদিন পাশের গ্রামের যুবক আরিফের ৩. এই কথাগ্ডলো শুনে মেঘলার দেথতে তালোবাসতা ভার বিয়াস ছিল  সঙ্গে তার পরিচয় হয় / ধীরে ধীরে পরিচয় চোথে ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্র ।बिय्नाम, উঠত। সে নিজের সব থেকে বন্ধুভু; আর বন্ধুত থেকে ভালোবাসা মানযের কথার চেযে মূল্যবান্র (s নেইI কেউ  ক্রিড়ু আরিফ প্রায়ই বলত, সব অনুভূতি আরিফের হাতে Ui যদি একবার কথা দেয়, তুলে দিয়েছিল আমি মেঘলা তোমাকে তবে সে কথা রাখবেই[ ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না/ যত বাধাই আসুক আমি তোমার হাত কখনো ছাড়ব না" ৪. কিন্তু সময় সবসময় একরকম থাকে না মেঘলা অপেক্ষা করতে লাগল/ দিন গেল মেঘলা বহবার যোগায়োগের চেষ্টা করল, কয়েক মাস পরে আরিফ শহরে চাকরি পেলাা মাস গেলা প্রথমদে নিয়মিত ফোন আসত কিন্তু কোনো উত্তর পেল না যাওয়ার আগে সে আবারও প্রতিশ্রুতি দিল, পরে কমে গেলা তাবপর একদিন একেরারেই "আমি ফিরে এসে বন্ধ হয়ে গেলা তোমাকে বিয়ে করব| Arifl অপেক্কষা করো No Calls] ৮ খবরটা শুনে মেঘলার পথিবী যেন থেমে ৯. সেই রাতে মেঘলা অনেক কাঁদল/ কিন্তু একদিন গ্রামের এক আত্রীয় গরহর থেথকে কিড়ু ' ফিরে খবর নিয়ে এল-আরিফ থনী পরিবারের মানুযটির প্রতিক্রতির উপর ভর (cll ( কাউকে বলল না বর সে ভবিষ্যৎ গড়ছিল, সেই মানুযটিই এক মেয়েকে বিয়ে করেছে| আজ তার সবচেয়ে বড় ভাঙনের কারগ [ ১০. এরপর থেকে সে আগের মতো হাসত না বছরখানেক পরে মেঘলার শরীরে অসুখ ধরা ১২. মুত্যুর কযেক দিন আগে সে মাকে বলেছিল, ১১ গ্রাীমের মানুয় দেখত, সন্ধ্যা হলে সে নশীর থারে পড়ল ! চিকিংসার চেয়ে তার ভেতরের ভাঙন প্রতিশ্রুতি "মানুযের দেওয়া বসে চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে ! ছিল অনেক বড়I ধীরে বীরে সে নিশেয ভাঙতে পারে; কিন্তু সেই হয়ে যেডে লাগল [ প্রতিক্রতির উপর গড়া স্বপ্ন ভাঙলে তার শব্দ কেউ শুনতে পায় নাI" ১৪. তার পুরোনো বাকন একটি চিটি ১৫. বৃষ্টির ফোঁটা সেদিন মেঘলার কবরের ১৩. কিছুদিন পর এক বর্মার তোরে পাওয়া গিয়েছিল / সেখানে লেখা ছিল- পুথিবী ছেড়ে চলে গেল | মাটিতে পড়ছিল] মনে হছিল, প্রকুতিও যেন মেঘলা এক ভাঙা প্রতিক্রতির জন্য নীরবে কাঁদছে [ फि२ ना। "আমি আরিফকে অভিশাপ কোনোদিন বুঝতে পারে- চাই, সে যেন 84 সম্পর্ক একটি  শুধু প্রতিক্রতি মিয্যে নয়, একটি মানুযের পুরো জীবনও কেড়ে নিতে পারে ' সমাপ্ত ভাঁঙা প্রতিশ্রতির কবর লেখক: আনজারুল মোল্লা ১ গ্রামের মেয়ে মেঘলা ছোটবেলা থেণে ঘ্বপ্র ২ একদিন পাশের গ্রামের যুবক আরিফের ৩. এই কথাগ্ডলো শুনে মেঘলার দেথতে তালোবাসতা ভার বিয়াস ছিল  সঙ্গে তার পরিচয় হয় / ধীরে ধীরে পরিচয় চোথে ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্র ।बिय्नाम, উঠত। সে নিজের সব থেকে বন্ধুভু; আর বন্ধুত থেকে ভালোবাসা মানযের কথার চেযে মূল্যবান্র (s নেইI কেউ  ক্রিড়ু আরিফ প্রায়ই বলত, সব অনুভূতি আরিফের হাতে Ui যদি একবার কথা দেয়, তুলে দিয়েছিল আমি মেঘলা তোমাকে তবে সে কথা রাখবেই[ ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না/ যত বাধাই আসুক আমি তোমার হাত কখনো ছাড়ব না" ৪. কিন্তু সময় সবসময় একরকম থাকে না মেঘলা অপেক্ষা করতে লাগল/ দিন গেল মেঘলা বহবার যোগায়োগের চেষ্টা করল, কয়েক মাস পরে আরিফ শহরে চাকরি পেলাা মাস গেলা প্রথমদে নিয়মিত ফোন আসত কিন্তু কোনো উত্তর পেল না যাওয়ার আগে সে আবারও প্রতিশ্রুতি দিল, পরে কমে গেলা তাবপর একদিন একেরারেই "আমি ফিরে এসে বন্ধ হয়ে গেলা তোমাকে বিয়ে করব| Arifl অপেক্কষা করো No Calls] ৮ খবরটা শুনে মেঘলার পথিবী যেন থেমে ৯. সেই রাতে মেঘলা অনেক কাঁদল/ কিন্তু একদিন গ্রামের এক আত্রীয় গরহর থেথকে কিড়ু ' ফিরে খবর নিয়ে এল-আরিফ থনী পরিবারের মানুযটির প্রতিক্রতির উপর ভর (cll ( কাউকে বলল না বর সে ভবিষ্যৎ গড়ছিল, সেই মানুযটিই এক মেয়েকে বিয়ে করেছে| আজ তার সবচেয়ে বড় ভাঙনের কারগ [ ১০. এরপর থেকে সে আগের মতো হাসত না বছরখানেক পরে মেঘলার শরীরে অসুখ ধরা ১২. মুত্যুর কযেক দিন আগে সে মাকে বলেছিল, ১১ গ্রাীমের মানুয় দেখত, সন্ধ্যা হলে সে নশীর থারে পড়ল ! চিকিংসার চেয়ে তার ভেতরের ভাঙন প্রতিশ্রুতি "মানুযের দেওয়া বসে চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে ! ছিল অনেক বড়I ধীরে বীরে সে নিশেয ভাঙতে পারে; কিন্তু সেই হয়ে যেডে লাগল [ প্রতিক্রতির উপর গড়া স্বপ্ন ভাঙলে তার শব্দ কেউ শুনতে পায় নাI" ১৪. তার পুরোনো বাকন একটি চিটি ১৫. বৃষ্টির ফোঁটা সেদিন মেঘলার কবরের ১৩. কিছুদিন পর এক বর্মার তোরে পাওয়া গিয়েছিল / সেখানে লেখা ছিল- পুথিবী ছেড়ে চলে গেল | মাটিতে পড়ছিল] মনে হছিল, প্রকুতিও যেন মেঘলা এক ভাঙা প্রতিক্রতির জন্য নীরবে কাঁদছে [ फि२ ना। "আমি আরিফকে অভিশাপ কোনোদিন বুঝতে পারে- চাই, সে যেন 84 সম্পর্ক একটি  শুধু প্রতিক্রতি মিয্যে নয়, একটি মানুযের পুরো জীবনও কেড়ে নিতে পারে ' সমাপ্ত - ShareChat