আজ গোলাপ দিবস,তাই আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা দেশের দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জীবন আহুতি দিয়েছিলেন যাতে আমরা স্বাধীন নাগরিক হিসাবে স্বাধীনতার মুক্ত বাতাস গ্রহন করে দুধে ভাতে জীবন নির্বাহ করতে পারি,আমি আবার তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা (পিতা+মাতা) নিজেদের চাহিদা কে বিসর্জন দিয়ে যাতে নিজ সন্তান সুখ সমৃদ্ধিতে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করতে পারে সেই দিকেই অমৃত্যু অবধি নি:স্বার্থ ভাবে ভেবে গেছেন, আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা (শিক্ষক +শিক্ষিকা)সঠিক শিক্ষা দান করে ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষিয়ায় শিক্ষিত করতে সাহায্য করে নিজ ব্যাক্তিত্বের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করেছে।আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা আমাকে(বন্ধু বান্ধব)আমাকে প্রতিপদে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা দিয়ে ও আমার আপদ বিপদে সর্বদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবং আমার ভালো গুন ও খারাপ গুন দুটোই গ্রহন করেছে।আমি তাদের গোলাপ দিতে চাই যারা (দেশের সৈনিক)সীমান্তে পাহাড়া দিয়ে ও অনেক সময় নিজের জীবন বলিদান দিয়েও আমরা যাতে সুরক্ষিত থাকি সে দিকে সর্বদা সচেষ্ট থেকেছে।আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা আমাকে পছন্দ করেনা শুধুমাত্র আমাকে ঘৃনা করে তাদের এই রকম কার্যক্রম এর জন্য আমি আমার দুর্বলতা ও ত্রুটি গুলোকে সiশোধন করতে পেরেছি ও করছি,অামি গোলাপ তাদেরকে দিতে চাই যারা আমার অন্ধকারময় জীবনে আশার আলো নিয়ে আমাকে নূতন করে জীবিত থাকতে শিখিয়েছে,আমি আমার প্রিয় রাজনৈতিক দল (সি.পি. আই.এম )কে গোলাপ দিতে চাই যে পার্টি আমাকে জনগনের নিকট আমাকে পরিচিতি প্রদান করেছে এবং শিখিয়েছেন ও যে নিজের স্বার্থের থেকেও জনগনের স্বার্থ বড়ো দেখা হলো একজন আদর্শ পুষ্ট মানুষের কাজ সেটা শিখিয়েছেন। #🙂ভক্তি😊
আজ গোলাপ দিবস,তাই আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা দেশের দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জীবন আহুতি দিয়েছিলেন যাতে আমরা স্বাধীন নাগরিক হিসাবে স্বাধীনতার মুক্ত বাতাস গ্রহন করে দুধে ভাতে জীবন নির্বাহ করতে পারি,আমি আবার তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা (পিতা+মাতা) নিজেদের চাহিদা কে বিসর্জন দিয়ে যাতে নিজ সন্তান সুখ সমৃদ্ধিতে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করতে পারে সেই দিকেই অমৃত্যু অবধি নি:স্বার্থ ভাবে ভেবে গেছেন, আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা (শিক্ষক +শিক্ষিকা)সঠিক শিক্ষা দান করে ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষিয়ায় শিক্ষিত করতে সাহায্য করে নিজ ব্যাক্তিত্বের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করেছে।আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা আমাকে(বন্ধু বান্ধব)আমাকে প্রতিপদে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা দিয়ে ও আমার আপদ বিপদে সর্বদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবং আমার ভালো গুন ও খারাপ গুন দুটোই গ্রহন করেছে।আমি তাদের গোলাপ দিতে চাই যারা (দেশের সৈনিক)সীমান্তে পাহাড়া দিয়ে ও অনেক সময় নিজের জীবন বলিদান দিয়েও আমরা যাতে সুরক্ষিত থাকি সে দিকে সর্বদা সচেষ্ট থেকেছে।আমি তাদের কে গোলাপ দিতে চাই যারা আমাকে পছন্দ করেনা শুধুমাত্র আমাকে ঘৃনা করে তাদের এই রকম কার্যক্রম এর জন্য আমি আমার দুর্বলতা ও ত্রুটি গুলোকে সiশোধন করতে পেরেছি ও করছি,অামি গোলাপ তাদেরকে দিতে চাই যারা আমার অন্ধকারময় জীবনে আশার আলো নিয়ে আমাকে নূতন করে জীবিত থাকতে শিখিয়েছে,আমি আমার প্রিয় রাজনৈতিক দল (সি.পি. আই.এম )কে গোলাপ দিতে চাই যে পার্টি আমাকে জনগনের নিকট আমাকে পরিচিতি প্রদান করেছে এবং শিখিয়েছেন ও যে নিজের স্বার্থের থেকেও জনগনের স্বার্থ বড়ো দেখা হলো একজন আদর্শ পুষ্ট মানুষের কাজ সেটা শিখিয়েছেন। #🙂ভক্তি😊
বুধবার ৩০ জানুয়ারি। ১৯৪৮ সালের এই দিনটিতেই মহাত্মা গান্ধীকে হত্যা করেছিল হিন্দুত্ববাদীরা। ৩০ জানুয়ারি গান্ধীজীকে হত্যার দিনটিকে রাজ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষা দিবস হিসেবে পালন করার আহ্বান জানিয়েছে বামফ্রন্ট। একই সঙ্গে গান্ধী হত্যাকারী আরএসএস’র মুখোশ উন্মোচন করে দিতে ব্যাপক প্রচার করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। গান্ধীজী নিহত হওয়ার পর সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাতেও শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। বিধানসভার তরুণ সদস্য জ্যোতি বসু ১৯৪৮সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শোকপ্রস্তাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন: ‘‘এই শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ জুড়ে ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর প্রবল প্রভাব সর্বজনবিদিত। গত কয়েকমাসে গান্ধীজী তাঁর অসাধারণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য এক অনন্য ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।...গভীর দূরদৃষ্টিতে তিনি দেখতে পেয়েছিলেন যে, সাম্প্রদায়িক হানাহানি আবার একবার পরাধীনতার নয়া-সাম্রাজ্যবাদী শৃঙ্খল আমাদের পায়ে পরিয়ে দেওয়ার পথ প্রশস্ত করবে।’’
সেদিন জ্যোতি বসু যা বলেছিলেন, তার গুরুত্ব আজও আমরা উপলব্ধি করছি।
#🙂ভক্তি😊
বামপন্থীদের যতই গালমন্দ ‘ব্যর্থ’ বলে যারা আনন্দ পাচ্ছেন, তারা একটি বিষয় ভুলে যাচ্ছেন—লড়াইটি কেবল BJP/ Tmc -র বিরুদ্ধে নয়; লড়াইটি হচ্ছে RSS-এর মতো এক গভীর, সংগঠিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত শক্তির বিরুদ্ধে।
আজকের রাজনীতিতে যে শক্তি জয়ী হচ্ছে, তা যুক্তির নয়—
অন্ধ আবেগ, ধর্মীয় উন্মাদনা, বিভাজন আর ঘৃণার হিংস্র রাজনীতি।
এর বিপরীতে গণতন্ত্র, সংবিধান ও সাম্যের মূল্যবোধ রক্ষার লড়াইটা সত্যিই কঠিন।
এই অন্ধকারের মধ্যেও একমাত্র স্পষ্ট আশার আলো—
বামপন্থীরায়।।
তিনি সামনে থেকে দাঁড়িয়ে, বুক পেতে, নির্ভয়ে লড়ছেন মানুষের অধিকারের জন্য, বৈষম্যহীন ভারতের স্বপ্নের জন্য, সংবিধানের মর্যাদা রক্ষার জন্য।
পরাজয় সাময়িক—কিন্তু লড়াই চলছে মূল্যবোধের।
আর এই লড়াইয়ে সাহস ও স্থিরতার প্রতীক হয়ে আছেন :: বামপন্থীরাই একমাত্র বিকল্প গরিব খেটে খেটে খাওয়া মানুষের জন্য! #🙂ভক্তি😊
"বাঁদর এর গলায় মুক্তার মালা সে কি মানায়" আমাদের পাড়ায় একটা গরিব ঘরের মেয়ে তাহার শিক্ষাগত যোগ্যতা এম কম কিন্তু সে আবার ১০ক্লাস ছাত্র ও ছাত্রী দের পড়াতে পারেনা তার মানে বুঝতেই পারছেন তার কি মেধা, তবুও সমাজ সেবা মূলক কারণে ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোয় ভেসে আমার এক আত্বিয় ছেলের সঙ্গে (ছেলে রেলে চাকরি করে )বিবাহের ব্যবস্থা করে দি এবং তাকে বলি বোন দেখো ভালো রোজগার করা ও নম্র ও বিনয়ী ছেলের সঙ্গে ও তাঁদের পরিবার সমাজেনাম করা পরিবার,তাই ছেলেটার মা ও দাদা ও বৌদি ও তার দাদার মেয়ের সঙ্গে ভালো ভাবে তাঁদের দেখভাল করবে ও নিজেকে তাঁদের ই একজন হয়ে ও ঘরের সকলের সুখ এর কথা চিন্তা করে যোগ্য বৌমা হয়ে উঠবে কিন্তু সে প্রতিশ্রুতির বিপরীত পথে হেঁটে চলেছে, তাহলে এই ভোগ বাদী সমাজে এটাই মানুষের মধ্যে বিদ্যমান হয়ে দাঁড়াচ্ছে যে নিজে ভালো থাকবো পরিবারের অন্য কেউ (শাশুড়ি, ও অন্যান্যরা ভালে খারাপ থাকুক )তাহলে কি মানুষের মধ্যে মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে ও মানুষ শুধু নিজের জন্যই বাঁচতে চাইছে, তাহলে এই মেয়েটি অন্ধকারে ছিলো কেন তাকে আলোতে আনলাম, এটা কি আমার অপরাধ, যদি আমি না অন্ধকার থেকে আলোয় না আনতাম তাহলে হয়তো তার সঙ্গে কোনো টিন ওয়ালা, ভ্যান ওয়ালার সঙ্গেই বিবাহ হতো ও তাহার অর্থনৈতিক জীবন এর সমৃদ্ধি ডুমুরের ফুল হয়েই থাকতো!তার স্বামী এখন মা ও দাদা ও বৌদি ও ভাইজির বিমুখ, ও তার স্বামী যেন মেয়েটির দড়ি টানা পুতুল!তাই মনে হয় সমাজে ভালো কাজ করাটা বর্তমান এ একটি অভিশাপ!বন্ধু রা আপনারা কি বলেন, আমাদের উত্তর এর আশায় রইলামl #🪕জয় মা সরস্বতী 🦢
২০০৬-এর পর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পশ্চিমবঙ্গের জন্য কী করতে চেয়েছিলেন
২০০৬ সালে জেতার পর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পশ্চিমবঙ্গকে **“শুধু রাজনীতি” থেকে “চাকরি + শিল্প”**-এর দিকে সরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। তাঁর মূল পরিকল্পনাটা ছিল একদম সোজা: **বড় বিনিয়োগ আনা, আধুনিক শিল্প ও আইটি হাব গড়ে তোলা, এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করা**—যদিও তাতে বাম রাজনীতির মধ্যে শিল্পপন্থী অবস্থান নিতে হয়।
* **রাজারহাট / নিউ টাউন (টাউনশিপ + আইটি করিডোর):**
রাজারহাটকে পরিকল্পিতভাবে “নতুন কলকাতা” হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন—বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট, অফিস, আবাসন, এবং আইটি/আইটিইএস চাকরির মাধ্যমে—যাতে বড় কোম্পানি আসে এবং উচ্চ বেতনের সার্ভিস সেক্টরের কাজ তৈরি হয়।
* **ইকোস্পেস (রাজারহাট/নিউ টাউন):** কর্পোরেট অফিস বসানোর জন্য বড় বিজনেস পার্ক—আইটি/আইটিইএস-এ স্থায়ী চাকরি তৈরির লক্ষ্য।
* **ইউনিটেক / বেসরকারি টাউনশিপ প্রকল্প (রাজারহাট/নিউ টাউন):** বড় প্রাইভেট ডেভেলপারদের মাধ্যমে রিয়েল এস্টেট ও কমার্শিয়াল গ্রোথ দ্রুত করা এবং কর্পোরেট বিনিয়োগ টানা।
* **গীতাঞ্জলি পার্ক (রাজারহাট/নিউ টাউন আইটি ক্যাম্পাস এলাকা):** রাজারহাট বেল্টে বড় আইটি ক্যাম্পাস/বিজনেস পার্ক গড়ে তুলে টেক ইকোসিস্টেম শক্ত করা।
* **সিঙ্গুর অটোমোবাইল প্রকল্প:**
বড় একটি অটোমোবাইল কারখানা (এবং তার সাপ্লায়ার নেটওয়ার্ক) এনে হাজার হাজার সরাসরি ও পরোক্ষ উৎপাদন-চাকরি তৈরি করা এবং দেশকে বার্তা দেওয়া—**“বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রি-রেডি”**।
* **নন্দীগ্রাম কেমিক্যাল হাব:**
বড় কেমিক্যাল/পেট্রোকেমিক্যাল হাব গড়ে তুলে ভারী শিল্পের চাকরি, সহায়ক শিল্প (ancillaries), লজিস্টিকস, এবং ডাউনস্ট্রিম ম্যানুফ্যাকচারিং তৈরি করার লক্ষ্য।
* **শিলিগুড়ি বায়োটেকনোলজি পার্ক (উত্তরবঙ্গ):**
কলকাতার বাইরে উন্নয়ন ছড়াতে শিলিগুড়ির কাছে বায়োটেক ক্লাস্টার শুরু করা—উত্তরবঙ্গে দক্ষ বিজ্ঞান/শিল্পভিত্তিক চাকরি তৈরির উদ্দেশ্যে।
* **শালবনি স্টিল ওয়ার্কস:**
একটি মেগা স্টিল প্রকল্প এনে ভারী শিল্পকে পুনর্জীবিত করা, বড় শ্রমবাজার তৈরি করা, এবং সহায়ক ইউনিট, পরিবহন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন ঘটানো—বিশেষ করে জঙ্গলমহল বেল্টে।
* **বাঁটালা আইটি পার্ক:**
লেদার কমপ্লেক্স এলাকার কাছে আইটি পার্ক জোন তৈরি করে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা—পুরনো খাতের বাইরে গিয়ে নতুন শহুরে কর্মসংস্থান গড়া।
সব মিলিয়ে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের জন্য **একটা নতুন অর্থনৈতিক পরিচয়** তৈরি করতে চেয়েছিলেন—**আইটি + উৎপাদন শিল্প + মেগা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব + বেসরকারি বিনিয়োগ**, যার প্রতিশ্রুতি ছিল **চাকরি, সাপ্লাই চেইন, এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি**। কিন্তু
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শুধু বিরোধীদের প্রতিবাদে ব্যর্থ হননি। তিনি ব্যর্থ হয়েছেন কারণ **তাঁর নিজের দলই ভিতর থেকে তাঁকে নষ্ট করেছে**। তিনি যখন শিল্প আর কর্মসংস্থান আনতে চেয়েছিলেন, তখন CPI(M)-এর স্থানীয় দাপুটে নেতা আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জড়িত চক্র “উন্নয়ন”-কে বদলে দিয়েছিল **দাদাগিরি, ভয় দেখানো, আর জোর করে জমি নেওয়ার রাজনীতিতে**। সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম শুধু “রাস্তায় রাজনীতি”র কারণে জ্বলে ওঠেনি—জ্বলে উঠেছিল কারণ মাঠের স্তরে পার্টির ক্যাডাররা **সেবক নয়, শাসকের মতো আচরণ করেছিল**, আর সরকার নিজেরই যন্ত্রপাতির সামনে **অসহায়** দেখাচ্ছিল।
সবচেয়ে কুৎসিত সত্য হলো এটা: **বুদ্ধদেবের সবচেয়ে বড় শত্রু রাইটার্স বিল্ডিং-এর বাইরে ছিল না—ছিল তাঁর নিজের দলের অফিসের ভেতরে**। লক্ষ্মণ শেঠদের মতো লোকজন আর স্থানীয় ক্ষমতার নেটওয়ার্ক নীতিকে বাঁচাতে চায়নি; তারা বাঁচাতে চেয়েছিল **নিজেদের নিয়ন্ত্রণ**। সাধারণ গ্রামবাসীদের তারা নাগরিক হিসেবে দেখেনি—দেখেছিল **বাধা** হিসেবে। আর সেই কারণেই তারা বিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছিল সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র: **জনরাগ**। এটা প্রতিপক্ষের “বিশ্বাসঘাতকতা” ছিল না—এটা ছিল **ভিতরের লোকদের আত্মঘাতী ধ্বংসনীতি**।
তাই হ্যাঁ—বুদ্ধদেবের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তাঁর নিজের দলের **অহংকার, ভেতরের ছুরিকাঘাত, আর ক্যাডারদের দম্ভ**—সব মিলিয়ে সেই পরিকল্পনাকে পরিণত করেছিল **একটা রাজনৈতিক অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়**। #🙂ভক্তি😊













