রুজিরার বিরুদ্ধে কোনো রকম মানহানিকর কথা বলাযাবে না - হাইকোর্ট
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়, অথচ বিরোধী দলের মানুষেরা কাছে মাঝেই বক্তব্য রাখতে উঠে রুজিরাকে টেনে আনেন এবং খুবই মানহানিকর মন্তব্য করেন। আর তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পরে সেই কথাগুলো। এবার থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অবমাননাকর মন্তব্য করা যাবে না। শুধু তাই নয়, অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও প্রচার করা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। তিনি একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়ার জন্য তাঁর নাম জড়িয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ইচ্ছামতো প্রচার করছে। এই অভিযোগে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের স্পষ্ট নির্দেশ, রুজিরার বিরুদ্ধে কোনওরকম মানহানিকর বা অকারণে তাঁর নাম জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচার করা চলবে না। আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আদালত। ওই দিনই এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে।
রুজিরা যেহেতু কোনো রাজনৈতিক চরিত্র নয়, তাই তাকে rআজনীতির ময়দানে টেনে নামানো ও তা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে হাইকোর্ট।প্রসঙ্গত, এই সংক্রান্ত মামলায় আগেই বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে তাদের তদন্তের বিষয়ে আগে থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রচার না-করা বা ইনফর্ম না-করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমও যাতে অকারণে রুজিরার নাম ব্যবহার করে প্রচার না-করে সে বিষয়ে সতর্ক করেছিল আদালত। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তদন্তের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে ডেকে পাঠিয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাকের তলব করা হয়েছিল। তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েওছিলেন। সেই নিয়ে বিরোধীরা ক্রমাগত মন্তব্য শুরু করেছিল। মানহানির জন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এখন কিছুদিনের জন্য হলেও স্বস্তি পেলেন রুজিরা।
#political
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta