পাকিস্তানের অর্থনীতি একদম তলানিতে - সরকারি কর্মীদের থেকে ৩০ শতাংশ বেতন কাটা হবে
সম্ভবত বিশ্বে এমন নজির আগে নেই। পাকিস্তানের তীব্র অর্থ সংকট। দিশেহারা সরকার। তাই প্রথম কোপটা পড়তে চলেছে সরকারি কর্মচারীদের উপর। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি এবার কার্যত পতনের দোরগোড়ায়। আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি আর বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে টান পড়ার পর এবার সরকারি কর্মীদের পকেটে কাঁচি চালাতে বাধ্য হলো ইসলামাবাদ। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর কর্মীদের বেতনে এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কোপ মারার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং লোহিত সাগরের সংকটের জেরে দেশজুড়ে চলা তীব্র জ্বালানি আকাল সামাল দিতেই এই ‘নজিরবিহীন’ কৃচ্ছ্রসাধন বলে দাবি করছে পাক সরকার।
পাকিস্তানি আমজনতার কাছে এই সিদ্ধান্ত যেন ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’। এমনিতেই নিত্যপণ্যের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে, তার ওপর আয়ের এই ব্যাপক হ্রাসে ঘোর সঙ্কটে পড়লেন কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মচারী। শাহবাজ সরকারের এই কঠোর সিদ্ধান্ত আসলে প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রটির কোষাগার এখন কতটা শূন্য। কেবল বেতন ছাঁটাই নয়, জ্বালানি বাঁচাতে সরকারি দপ্তরে এসি বা বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, দেশের এই কঠিন সময়ে ত্যাগ স্বীকার করা ছাড়া আর কোনও পথ খোলা নেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) কঠিন শর্ত পূরণ এবং দেউলিয়া হওয়া আটকাতে এই ধরণের ‘তিতা’ দাওয়াই দেওয়া ছাড়া সরকারের হাতে কোনো বিকল্প নেই।
#international
#প্রথমআলোরবার্তা
#prathamalorbarta