#🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা জয়ন্তী 2025 #শুভঃ গীতা জয়ন্তী 🙏❤️🙏❤️
🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩
#জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩
#জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩
আজ ১৩ অগ্রহায়ণ রবিবার 30/11/2025
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#শ্রীমদ্ভগবদগীতা
#কর্মসন্ন্যাস_যোগ ( ২১১,২১২ )
#পঞ্চম_অধ্যায় : - ৫ #শ্লোক : - ০৯,১০
#গীতার_পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ০৯ ,১০
🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_০৯
प्रलपन्विसृजन्गृह्णन्नुन्मिषन्निमिषन्नपि ।
इन्द्रियाणीन्द्रियार्थेषु वर्तन्त इति धारयन् ।।५.९।।
প্রলপন্ বিসৃজন্ গৃহ্নন্নুন্মিষন্নিমিষন্নপি ।
ইন্দ্রিয়াণীন্দ্রিয়ার্থেষু বর্তন্ত ইতি ধারয়ন্ ।।৫.৯।।
#অনুবাদ : -
কারণ প্রলাপ, ত্যাগ, গ্রহণ, চক্ষুর উন্মেষ ও নিমেষ করার সময় তিনি সব সময় জানেন যে, জড় ইন্দ্রিয়গুলিই কেবল ইন্দ্রিয়ের বিষয়ে প্রবৃত্ত হয়েছে, তিনি নিজে কিছুেই করছেন না ।
#সারাংশ : -
কৃষ্ণভাবনাময় ব্যক্তির অস্তিত্ব সম্পূর্ণভাবে পবিত্র, তাই তিনি কর্তা, কর্ম, অধিষ্ঠান, প্রচেষ্টা ও দৈব – এই পাঁচটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণের দ্বারা সাধিত কর্মের সঙ্গে কোনভাবে সংযুক্ত নন । তার কারণ হচ্ছে, তিনি কৃষ্ণভাবনায় ভাবিত হয়ে প্রেমভক্তি সহকারে ভগবানের সেবা করছেন । আপাতদৃষ্টিতে যদিও মনে হয় তিনি তাঁর দেহ ও ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে তাঁর কর্ম করছেন, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে তিনি তাঁর যথার্থ স্থিতি সম্বন্ধে সর্বদা সচেতন, যা হচ্ছে পারমার্থিক কার্যকলাপ ৷ জড়-জাগতিক চেতনায় ইন্দ্রিয়গুলি আত্মতৃপ্তির চেষ্টায় নিয়োজিত থাকে, কিন্তু কৃষ্ণভাবনায় ইন্দ্রিয়গুলি শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়ের সন্তুষ্টিবিধান করার সেবায় প্রবৃত্ত হয়৷ তাই কৃষ্ণভক্তকে আপাতদৃষ্টিতে ইন্দ্রিয়ের কার্যকলাপে নিয়োজিত বলে মনে হলেও কার্যত তিনি সর্বদাই মুক্ত। দর্শন ও শ্রবণাদি হচ্ছে জ্ঞান আহরণ করার উদ্দেশ্যে ইন্দ্রিয়ের কার্যকলাপ; সেই রকম গমন, প্রলাপন ও মলত্যাগাদি হচ্ছে কর্ম করার উদ্দেশ্যে ইন্দ্রিয়ের কার্যকলাপ । কৃষ্ণভক্ত কোন অবস্থাতেই ইন্দ্রিয়ের কর্মসমূহের দ্বারা প্রভাবিত হন না । ভগবানের সেবা ছাড়া তিনি আর কোন কর্মই করতে পারেন না; কারণ তিনি জানেন যে, তিনি ভগবানের নিত্যদাস ।
✧════════•❁❀❁•════════✧
#পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_১০
ब्रह्मण्याधाय कर्माणि सङ्गं त्यक्त्वा करोति यः ।
लिप्यते न स पापेन पद्मपत्रमिवाम्भसा ।।५.१०।।
ব্রহ্মণ্যাধায় কর্মাণি সঙ্গং ত্যক্ত্বা করোতি যঃ ।
লিপ্যতে ন স পাপেন পদ্মপত্রমিবাম্ভসা ।।৫.১০।।
#অনুবাদ : -
যিনি সমস্ত কর্মের ফল পরমেশ্বর ভগবানকে অর্পণ করে অনাসক্ত হয়ে কর্ম করেন, কোন পাপ তাঁকে কখনও স্পর্শ করতে পারে না, ঠিক যেমন জল পদ্মপাতাকে স্পর্শ করতে পারে না ।
#সারাংশ : -
এখানে ব্রহ্মণি শব্দটির অর্থ কৃষ্ণভাবনা। জড় জগৎ প্রকৃতির তিনটি গুণের সমষ্টিগত অভিব্যক্তি, যাকে পরিভাষায় বলা হয় প্রধান । জড় জগতে সব কিছুই ব্রহ্মের প্রকাশ; এই প্রকাশ যদিও ভিন্নরূপে হয়, কিন্তু তা মূল কারণ থেকে অভিন্ন । ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে, সব কিছুই পরম ব্রহ্ম শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত । তাই কেবল তিনিই হচ্ছেন সব কিছুর অধীশ্বর । যিনি এই সত্যকে পূর্ণরূপে উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং সেই উপলব্ধির ফলে সব কিছুই ভগবানের সেবায় নিয়োজিত করেছেন, তিনি কোন অবস্থাতেই পাপ বা পুণ্য কর্মফলের বন্ধনে আবদ্ধ হন না । এমনকি কোন বিশেষ কর্মসাধন করার জন্য ভগবানের প্রদত্ত তাঁর জড় শরীরটিও ভগবানের সেবাতেই নিয়োজিত করা যেতে পারে । তখন তা সব রকম পাপ থেকে মুক্ত থাকে, ঠিক যেমন জলে থাকলেও পদ্মপত্রকে জল কখনও সিক্ত করতে পারে না । গীতাতেও (৩/৩০) ভগবান বলেছেন, "ময়ি সর্বাণি কর্মাণি সংন্যস্য" - সমস্ত কর্ম আমার (শ্রীকৃষ্ণের) কাছে সমর্পণ কর । সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই যে, কৃষ্ণভাবনাশূন্য জীব তার দেহ ও ইন্দ্রিয়কে তার স্বরূপ বলে মনে করে কর্ম করে, কিন্তু কৃষ্ণভাবনাময় ব্যক্তি তাঁর দেহটিকে শ্রীকৃষ্ণের সম্পত্তিরূপে জেনে তা সর্বতোভাবে ভগবানের সেবায় নিয়োজিত করার মাধ্যমে কর্ম করেন ।
( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।)
*─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••*
#হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে !
#হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । ।
🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏
🙏 #রাধে_রাধে 🙏
∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──