PRATHAM ALOR BARTA
541 views
11 hours ago
নন্দীগ্রামে বিজেপির নতুন প্রার্থী হতে পারে প্রলয় পাল প্রশ্ন উঠেছে আগেই শুভেন্দু অধিকারী কোন সিট ছাড়ছেনা? - নন্দীগ্রাম না ভবানীপুর। নন্দগ্রাম শুভেন্দুর হৃদয়ের জায়গা হলেও কিছু টেকনিক্যাল কারণে শেষ শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু হয়তো নন্দীগ্রামই ছাড়ছেন। ২০২১। বিধানসভার আগে নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে আচমকা ঘোষণা করেছিলেন, সেখান থেকেই লড়বেন। বলেছিলেন, ভবানীপুর তাঁর ‘বড় বোন’। নন্দীগ্রাম ‘মেজো বোন’। একুশে সেই ‘মেজো বোন’ আসনে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে হেরেছিলেন মমতা। ছাব্বিশে ফের নন্দীগ্রামে তো বটেই সেই সঙ্গে মমতার তথাকথিত ‘বড় বোন’ ভবানীপুরেও তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানান শুভেন্দু। রাজ্যে বিজেপির বিপুল হাওয়ায় দুই আসন থেকেই জিতেছেন হবু মুখ্যমন্ত্রী। আগের বার তৃণমূলনেত্রীকে হারান নিজের গড়ে, এবার হারান মমতার গড়েই। সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসে অবধারিত প্রশ্ন, দুই আসনের বিধায়ক কোন আসন নিজের হাতে রাখবেন? আর কোন আসন ছাড়বেন? বিজেপি সূত্রের খবর, এর আগে যে আসন তিনবার তাঁকে বিধানসভায় পাঠিয়েছে সেই নন্দীগ্রাম ছেড়ে দিচ্ছেন শুভেন্দু। দলীয় স্তরেই ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরই গড়ে ঢুকে হারানোটা চাট্টিখানি কথা নয়। এটা শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কেরিয়ারের অন্যতম সেরা সাফল্য। ফলে ভবানীপুর ছেড়ে দিলে ভালো বার্তা যাবে না। তাছাড়া শুভেন্দু যেহেতু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, তাই কলকাতার কোনও আসনে তিনি বিধায়ক থাকলে প্রশাসনিক কাজেরও সুবিধা। নাহলে জেলা থেকে রাজধানীতে যাতায়াতটা প্রশাসনিকভাবে বেশ কঠিন। বিজেপি মনে করছে, শুভেন্দু অধিকারীর নিজের জেলার নন্দীগ্রাম আসন তিনি ছেড়ে দিলেও রাজনৈতিকভাবে বিশেষ প্রভাব পড়বে না। তাছাড়া ওই আসনটি শুভেন্দুর পকেট সিট। সেখান থেকে জিতে আসতে কোনও কাঠখড়ও পোড়াতে হবে না। ফলে ওই আসনে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ কাউকে প্রার্থী করে বিধানসভায় আনা যাবে। সেই প্রার্থীটি কে হবেন, সেটাও একপ্রকার চূড়ান্ত। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপি প্রার্থী করতে পারে শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ অনুগামী প্রলয় পালকে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta