first

PRATHAM ALOR BARTA
492 ने देखा
12 घंटे पहले
তৃণমূলের কোনো প্রার্থী ছাড়াই শুরু হয়েছে ফলতার ভোট গণনা বেশ শান্তিতেই শুরু হলো ভোট গণনা। অশান্তির কোনো ইঙ্গিত কোথাও নেই। রবিবার ফের রাজ্যে ভোটগণনা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ফলতা বিধানসভার ভোটের ফলঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তবে ফলাফল যে কী হতে পারে, তা আগে থেকেই স্পষ্ট। কারণ, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের ঝড়ে কার্যত বিজেপির সামনে উড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমন প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে গত ২১ মে পুনর্নির্বাচন হয় ফলতা বিধানসভায়। আর তাতে প্রতিদ্বন্দ্বীতাই করেননি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের দু'দিন আগে ভোট থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে বিজেপির সামনে ছিল খোলা মাঠ। সেই মাঠে জয়ের ব্যবধান পদ্ম শিবির কতটা বাড়িয়ে রাখতে পারল সেই উত্তর মিলবে আজই। জাহাঙ্গিরের সরে যাওয়ার পর ফলতায় মোট পাঁচজন প্রার্থী লড়াই করেছেন। সেই তালিকায় BJP ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেস এবং CPIM-ও। বিজেপির থেকে তারা কতটা ভোট কাটতে পারেন, তার উত্তরও আজ পাওয়া যাবে। তবে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফলতা পুনর্নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন। প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন পুনর্নির্বাচনে। তবে জয় নেই কোনও সন্দেহ নেই বিজেপি শিবিরের অন্দরে। শুধু দেখার মার্জিন কতটা নিয়ে এগিয়ে থাকা যায়। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
502 ने देखा
12 घंटे पहले
আগামী ২ মাসের মধ্যে তৃণমূলের পার্টি অফিস ফাঁকা করার নির্দেশ দিয়েছেন বাড়ির মালিক একেই হয়তো বলে 'শিরে সংক্রান্তি'। একেই ভোটের এই রজাল্ট। তারমধ্যে ছাড়তে হবে পার্টি অফিস। ২০২৬ সালটা ভোটেই ভালো যাচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য। বিশেষ করে ৪ মে-র পর আচমকা যেন বদলে গিয়েছে সব কিছুই। আসলে ক্ষমতায় থাকার পর আচমকা রাজ্যে পালাবদলে বিরাট ঝড়ের মধ্যে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মধ্যেই মুখ খুলছেন একের পর এক নেতারা। বিপত্তির মধ্যেই দুর্যোগ বাড়ল ঘাসফুল শিবিরের জন্য। কলকাতায় দলের অস্থায়ী সদর দফতর হিসেবে ব্যবহৃত বিল্ডিংটি খালি করার কথা জানিয়ে দিলেন বাড়ির মালিক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে মৌখিকভাবে এই বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ভোটের রেজাল্টে TMC-র কার্যত ভরাডুবির পর সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়ে মালিক আশঙ্কা প্রকাশ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় ভাড়া নেওয়া ওই বিল্ডিং আগামী দু’মাসের মধ্যে খালি করার জন্য দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বাড়ির মালিক। তাঁর দাবি, লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাই বাড়ি এখন খালি করে দিতে হবে। তৃণমূল সূত্রে খবর, পার্টির পক্ষ থেকে ওই বিল্ডিংয়ের মালিককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা শীঘ্রই নিজেদের হেডকোয়ার্টার সরিয়ে নেবে। তোপসিয়ায় ২০২২ সালে তৃণমূলের নতুন পার্টি অফিস তৈরির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে TMC ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের পাশের এই বিল্ডিংকেই নিজেদের মূল অফিস হিসেবে ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করছিল। কিন্তু এখন তা আর সম্ভব হচ্ছে না। তৃণমূল নেতা ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের মূল অফিসে পুনর্নির্মাণের কাজ চলছিল বলে, এখানকার একটি বাড়ি সাময়িকভাবে তৃণমূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এখন, তৃণমূলের আসল সদর দফতরটি প্রায় তৈরি। এখন, আমাদের দলীয় নেতৃত্ব বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে আলোচনা করছে, এটি উভয়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। অস্থায়ী তৃণমূল ভবনের বিল্ডিংয়ের মালিকের সঙ্গে দল যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান কুণাল ঘোষ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
547 ने देखा
2 दिन पहले
দিন দিন আরো সংকটে জড়িয়ে পড়ছেন সুজিত বসু পুরনিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আরো জালে জড়িয়ে পড়ছেন প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিস্ফোরক দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়। তিনি জানিয়েছেন, পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে অয়ন শীলের সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে আপত্তি ছিল তাঁর। কেন বাইরের সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস তাঁর সেই আপত্তি গ্রাহ্য করেননি বলে বয়ান দিয়েছেন তিনি। এ দিকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান নিতাই দত্তকে দু’বার তলব করা সত্ত্বেও তিনি মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন। সুজিত বসুর সঙ্গে নিতাই দত্তর বক্তব্য যাচাইয়ের প্রয়োজন বলে আদালতে দাবি করেছে ইডির। পাশাপাশি সুজিত বোসকে ৪ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে দু ‘কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ এনেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার জন্য আবেদন করেন ইডির আইনজীবী। প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের আবেদন জানিয়ে তাঁকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পালটা দাবি করেছন তাঁর আইনজীবী। ইডি হেফাজতের পরে বৃহস্পতিবার সুজিত বসুকে ফের বিচারভবনে তোলা হয়। ইডির আইনজীবী যখন নিজের বক্তব্য পেশ করার সময় সুজিত বসুর আইনজীবীর তরফ থেকে বারবার বাধা ও হস্তক্ষেপ আসতে থাকে বলে জানিয়েছে আদালতের সূত্র। এতে ক্ষুব্ধ হন ইডির আইনজীবী। তবে সুজিত বসুর আইনজীবী নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চান। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
589 ने देखा
9 दिन पहले
লোকসভায় কাকলি আউট, কল্যাণ ইন - চিফ হুইফের পদ থেকে লোকসভায় চিফ হুইপ এর পদ থেকে মমতা সরিয়ে দিলেন কাকলিকে, বসালেন কল্যাণকে। বৃহস্পতিবার দলীয় সাংসদদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তই জানিয়েছেন মমতা। আর তাঁর এই সিদ্ধান্তেই স্পষ্ট হয়ে গেল দলের প্রতি আনুগত্য এবং লড়াইয়ের মনোভাবই এখন তৃণমূলের ফার্স্ট প্রায়োরিটি। মাথায় রাখতে হবে, তৃণমূলের রাজনৈতিক প্রভাব তুঙ্গে থাকার সময় দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের মধ্যে কল্যাণকে ওই পদ থেকে সরানো হয়েছিল। কিন্তু আবার কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখে পড়ে দল ফের তাঁকেই দায়িত্বে ফিরিয়ে আনল। যদিও লোকসভায় দলের নেতা হিসেবে এখনও কাজ করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ডেপুটি লিডার হিসেবে শতাব্দী রায়ও বহাল থাকলেন। তবে পদ হারালেন কাকলি। তাঁর জায়গায় চিফ হুইপ করা হল কল্যাণকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা নিছক একটা বদল নয়। এর পিছনে রয়েছে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তা।গত কয়েক মাসে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের অন্যতম আইনি ও রাজনৈতিক মুখ হয়ে উঠেছিলেন। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় আদালতে লড়াই থেকে রাজনৈতিক পাল্টা আক্রমণ, সব ক্ষেত্রেই তিনি আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিয়েছেন। দল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও কারণ না জানালেও, একাধিক সাংসদের মতে আদালতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকাই তাঁকে ফের এই পদে ফেরানোর ক্ষেত্রে কাজ করেছে।বৈঠকের পর এক প্রবীণ সাংসদ বলেন, 'কঠিন সময়ে যারা লড়াই করে, নেতৃত্ব তাদের মূল্য দেয়।' #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
596 ने देखा
13 दिन पहले
আলিপুরে এবার থেকে শুভেন্দুর স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে কাঁথি থেকে তো প্রতিদিন মহাকরনে আসা যায় না। কলকাতায় একটা থাকার জায়গা চাই। অবশেষে ঠিক হয়ে গেলো কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানা। সূত্রের খবর, এবার থেকে আলিপুরের ‘সৌজন্য’-এ থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের আমলে এই সৌজন্য (Soujanya) নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সৌজন্য’ উদ্বোধন করেছিলেন। মূলত, ভিভিআইপিদের থাকার জন্য এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, এবার এই সৌজন্য-ই স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। গতকালই দেখা যায় সৌজন্য-এর নিরাপত্তা আঁটসাটো করা হয়েছে। এই নিয়ে পূর্ত দফতরের আধিকারিকেরা বৈঠকও করেন। তারপর থেকেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, এবার থেকে তাঁর ঠিকানা হতে চলেছে সৌজন্য। তবে কবে থেকে শুভেন্দু থাকবেন তা জানা যায়নি। শুভেন্দুর পৈতৃক বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরর কাঁথিতে। বাড়ির নাম ‘শান্তিকুঞ্জ’। শনিবার শপথগ্রহণের পর প্রয়োজনীয় কর্মসূচি শেষ করে শনিবার রাতেই বাড়ি গিয়েছিলেন শুভেন্দু। রবিবার সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে দেখার জন্য ভিড় করেছিলেন বহু মানুষ। দিনভর বাড়িতেই ছিলেন। মা-মাসির হাতের রান্না করা খাবার খেয়েছেন পাত পেড়ে। মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে করলা সেদ্ধ, মোচার তরকারি থেকে সর্ষে ইলিশ ভাপা,মুরগির মাংস…কী ছিল না। পরে বিকেলেই শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওয়ান দেন। আজ শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নতুন মন্ত্রীদের নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠক হবে। আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে বৈঠক হতে পারে। তার আগে শুভেন্দুকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। পরে নবান্নে সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হতে পারে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
557 ने देखा
16 दिन पहले
এবার আরো ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় এই অভিযোগ অবশ্য আগে অনেকবার উঠেছে। মূল অভিযোগ তৃণমূল 'তোলাবাজি' পার্টি। সেই কথাটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিধায়ক নড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা, আর এবার দলের অন্দরের দুর্নীতির ছবিটা তুলে ধরলেন বহরমপুরের তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে। চেয়ারম্যান বলেন, “সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার যে নিয়ম কার্যকরী রাখবে, সেই ভাবে চলবে পৌরসভা। নাগরিকরা যেন সহযোগিতা করে। সরকার চাইলে পৌরসভা ভেঙে দেবে, সরকার চাইলে ভোট করাবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম আমলে বিরোধী দলের পৌরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে কাজ করার সুযোগ ছিল, কোনওদিন সরকারি প্রকল্পে বাধা হয়নি। সেই রাজনীতির বদল ঘটিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত না হলে কোনও কাজ হত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পৌরসভাগুলি বঞ্চিত হতো বলেই নাকি তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতে হত। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
674 ने देखा
1 महीने पहले
'প্রত্যাবর্তন' তত্ত্বে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন - এবার ওদের 'দুরমুশ করব’ রাজনৈতিক সৌজন্য অনেকদিনই বিদায় নিয়েছে। ভাষার সীমারেখা ভুলে গেছে অনেক নেতামন্ত্রী। এবার যেন তাই শোনাযাচ্ছে দিকে দিকে। রেকর্ড ভোট। নির্বিঘ্নে ভোট । নিজেদের ভোট নিজে দিয়েছেন মানুষ। ভোটদানের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং উৎসাহ, দুটোই রীতিমতো ঈর্ষনীয়। এই বিপুল ভোটদানে লাভ কার? ইতিমধ্যেই অঙ্ক কষা শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। তৃণমূল অবশ্য প্রথম দফার ভোটের পরই রীতিমতো হুঙ্কার দিচ্ছে। খোদ দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “আজকেই আমরা জিতে বসে আছি, পরের দফায় দুরমুশ করব! দুরমুশ!” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য, “প্রথম দফাতেই বিজেপির দফারফা করে দিয়েছি।” প্রথম দফার ভোটের দিনও একাধিক কর্মসূচি ছিল মমতার। ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) শেষে অভিষেকও সভা করেন। মমতার সাফ কথা, “তৃণমূল হারতে পারে না। আমরা জিতে বসে আছি। ভোটটা পুলিশ দেবে না। মিলিটারিও দেবে না। ভোটটা মানুষ দেবে। আমি মানুষকে বিশ্বাস করি।” মমতার সাফ কথা, “বিজেপির পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সামলাতে পারবে কি না, আই অ্যাম ইন ডাউট। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লিকে টার্গেট করি, এটা মনে রাখবেন।’’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও একই সুর। তিনি বলছেন, “ভোর পাঁচটা থেকে প্রতিটা বুথের কন্ট্রোল রুম আমার অফিসের সঙ্গে কানেক্টেড ছিল। প্রথম দফার ভোটেই ওদের দফারফা করে দিয়েছি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
648 ने देखा
1 महीने पहले
শশী পাঁজা বললেন - নন্দীগ্রামে পুলিশ সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে ভোট চলার মধ্যেই হঠাৎ শশী পাঁজা অভিযোগ তুললেন নন্দীগ্রামে পুলিশ মোটেই নিরপেক্ষ নয়। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রামে পুলিশের দুই অফিসার নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না, বরং সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে। পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল। শশী পাঁজার অভিযোগের নিশানায় রয়েছেন দুই পুলিশ আধিকারিক— অজয় মিশ্র, যিনি ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের ওসি ছিলেন এবং কুদরতে খুদা, তিনি হলদিয়ার ওসি ছিলেন। শশী পাঁজার দাবি, ২০২১ সালেও এই দুই আধিকারিক নন্দীগ্রাম ও হলদিয়া এলাকায় কর্মরত ছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ উঠেছিল। বলেন, “নন্দীগ্রামের ওসি ইন্সপেক্টর অজয় মিশ্র এবং হলদিয়ার ওসি ইন্সপেক্টর কুদরতে খুদাকে কেন নির্বাচনের ডিউটি দেওয়া হল? তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন কমিশন নির্বিকার?” শশী পাঁজার আরও অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ ও স্থানীয় বিজেপির ‘বাহুবলী’ হিসেবে পরিচিত ঝন্টু রাউ এবং অশোক করণের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে না। উল্টে, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলের কর্মীদের হয়রান করা হচ্ছে এবং অকারণে তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে তৃণমূলের দাবি। নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta