religious

PRATHAM ALOR BARTA
648 views
8 days ago
পূজা-পার্বন দিঘার কাছেই চন্দনেশ্বর শিব মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তের ঢল নামে চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে চন্দনেশ্বর শিব মন্দিরের লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভিড়। ৫০০ বছরের প্রাচীন চন্দনেশ্বর শিব মন্দির। উপকূলীয় শহর দিঘা থেকে মাত্র ছ'কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই চন্দনেশ্বর শিব মন্দির। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শেষে চড়ক মেলা হয় এই মন্দিরে। ওড়িশার পাশাপাশি বাংলার লক্ষ লক্ষ ভক্ত ভিড় জমান।চন্দনেশ্বর মন্দির ওড়িশা রাজ্যের বালেশ্বর জেলার অন্যতম প্রাচীন মন্দির। বাংলা সীমান্তবর্তী এই মন্দির হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বহু ভক্ত বছরের শেষ দিনে এখানে ব্রত পালনে আসেন। এই মন্দিরে লিঙ্গরূপী শিব পুজিত হন চন্দনেশ্বর নামে। কথিত আছে, এই স্থান এক সময় গভীর অরণ্য ছিল এবং এখানে সাধনার মাধ্যমে এক ঋষি মহাদেবকে সন্তুষ্ট করেন। চন্দন নামক এক ব্রাহ্মণ ছিলেন যিনি অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে শিবের পুজো করতেন এই স্থানে। তাঁর নাম অনুসারেই শিবলিঙ্গের নাম হয় চন্দনেশ্বর। প্রতিবছর চৈত্র মাসে চন্দনেশ্বর মন্দিরে চৈত্র মেলা বসে।লক্ষ লক্ষ ভক্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে নিঃসন্তান দম্পতি, মনস্কামনা পূরণের জন্য চন্দনেশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন। অনেক ভক্ত আবার পায়ে হেঁটে এখানে দর্শনে আসেন, অনেক সময় কাঁধে জল নিয়ে আসেন ভক্তরা। কথিত আছে ভক্তদের রোগব্যাধি দূর করা। বিভিন্ন মনস্কামনা পূরণ। সংস্কারে শান্তি ফেরানো। - এমন হাজারও সমস্যায় এই মন্দির বড় ভরসাস্থল। সেই কারণে, দূর-দূরান্ত থেকে সংসার পরিত্যক্ত মহিলারা এখানে ভিড় করেন। ভগবানের কাছে হত্যে দেন। তাতে নাকি কাজও হয় বলেই দাবি ভক্তদের। পাতাল ফুঁড়ে উঠে আসায় এখানে শিব স্বয়ম্ভূ। কথিত আছে, আগে এখানে ছিল হোগলা বনের জঙ্গল আর কাজুর গাছ। সেখানেই লক্ষ্মী নামে এক মহিলা শিবলিঙ্গটির দর্শন পান। তিনি গোরু চরাতে বের হতেন। কিন্তু, সেই গোরু ঠিকমতো দুধ না-দেওয়ায় পরিবারের লোকজন লক্ষ্মীকেই বাড়িছাড়া করেছিল। সেই সময়ই লক্ষ্মী নিজের গোরুর পিছু নিয়ে দেখতে পান, গোরুটি এক চম্পক গাছের তলায় শিবলিঙ্গের ওপর নিজে থেকেই দুধ দিচ্ছে। #religious #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
638 views
2 months ago
ধর্মকথা নীলষষ্ঠী ২০২৬ - নির্ঘান্ট ও কিছু কথা তীব্র দাবদাহের মাঝেও মায়েরা নির্জলা উপোস করেন শুধুমাত্র সন্তানের দীর্ঘায়ু আর মঙ্গল কামনায়। ২০২৬ সালে নীলষষ্ঠী কবে পড়েছে, আর কেনই বা এই ব্রত এত গুরুত্বপূর্ণ, চলুন দেখে নেওয়া যাক। *নীলষষ্ঠী ২০২৬-এর নির্ঘণ্ট* সাধারণত চৈত্র সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন অর্থাৎ চড়ক উৎসবের আগের দিন নীলপুজো পালন করা হয়। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ১৩ এপ্রিল (২৯ চৈত্র) সোমবার পড়েছে নীলষষ্ঠী। এদিন সন্ধ্যাবেলাই মূলত শিবের মাথায় জল ঢেলে ব্রত পালনের নিয়ম পালন করেন মায়েরা। * কেন মায়েরা নীলষষ্ঠী করেন? নীলষষ্ঠী পালনের পেছনে একাধিক পৌরাণিক ও লৌকিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে একটি গল্প সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়: শিব-নীলাবতীর পরিণয়: শোনা যায়, দক্ষযজ্ঞে সতী দেহত্যাগ করার পর নীলধ্বজ রাজার বিল্ববনে পুনরায় আবির্ভূত হয়েছিলেন। রাজা তাঁকে নিজের কন্যার মতো বড় করে তোলেন এবং মহাদেবের সঙ্গে বিয়ে দেন। কিন্তু বাসর ঘরেই নীলাবতী মৃত্যুবরণ করেন। এই শোকে রাজা-রাণীও প্রাণ বিসর্জন দেন। অনেকে মনে করেন, শিব ও নীলাবতীর এই বিবাহের স্মৃতিতেই নীলপুজো হয়ে আসছে। * ব্রত পালনের নিয়ম ও বিশেষ মুহূর্ত নীলষষ্ঠীর দিনটি নির্দিষ্ট কোনও ক্ষণ মেনে হয় না, তবে সন্ধ্যার সময়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এদিন সারা দিন নির্জলা উপোস থাকতে হয়। সন্ধ্যাবেলায় শিবলিঙ্গে গঙ্গার জল, দুধ ও ঘি দিয়ে স্নান করাতে হয়। বেলপাতা, আকন্দ বা অপরাজিতা ফুলের মালা মহাদেবকে অর্পণ করতে হয়। সন্তানের নামে মন্দিরে বা বাড়ির শিব ঠাকুরের সামনে মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। #religious #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
2.9K views
6 months ago
সম্পাদকীয় ৫ লক্ষ বনাম ১ লক্ষ - এ খেলার ভবিষ্যৎ কিন্তু ভয়ঙ্কর! রবিবার ব্রিগেডে হয়ে গেলো ৫ লক্ষ হিন্দুদের 'গীতাপাঠ' অনুষ্ঠান। আর দুপুরে মুর্শিদাবাদ ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করলেন - তিনি ১ লক্ষ মুসলিমকে দিয়ে করবেন 'কোরনপাঠ'। আর আমাদের মতো সাধারণ ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরা ভীত সন্ত্রস্ত দাঙ্গার ভয়ে। চিরকাল পন্ডিত মানুষেরা বলে এসেছেন, ধর্ম ধর্মের পথে চলুক আর রাজনীতি রাজনীতির পথে। কখনো এই দুটোকে মেলাবেন না। এই দুটো মিশে গেলে দেশে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরী হতে পারে। এবার কি সেই ভয়ঙ্কর দিকে যাবে বাংলা? সমস্যা হচ্ছে ভোটাররাও জড়িয়ে পড়ছেন এই ধর্ম ধর্ম খেলায়। আমাদের স্মরণে আছে কিছুদিনের আগেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গার সেই ভয়াবহ ঘটনা। বলতে দ্বিধা নেই ২০১১ সালের আগে আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে অনেক অভিযোগ হয়তো ছিল, কিন্তু তখন ভোট হতো দেশ কাল সমাজ অর্থনীতির ভিত্তিতে। তার পর থেকেই মানুষ ভোট দেওয়া শুরু করলো ধর্মের ভিত্তিতে। অনেকের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই মুসলিম ভোটের জন্যে মুসলিম তোষণ করে চলেছেন। আর তারই পরিণামে বাংলায় হিন্দুত্ববাদী বিজেপি শক্তিশালী হয়। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারি টাকায় জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ মুসলিম সমাজ ভালো চোখে দেখেন নি। হিন্দু সহ মুসলিমদের বাড়িতে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ দেওয়াকে তারা আহত হয়েছে। এই সব কিছুর পরিনামেই হুমায়ুন কবীরের 'বাবরি মসজিদ' গঠন। ইতিমধ্যে হুমায়ুন কবীর ঘোষণা করেছেন যে তিনি মুর্শিদাবাদে ১ লক্ষ মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে 'কোরানপাঠ' করাবেন! কোথায় গেলো দেশের কর্ম-সংস্থানের প্রশ্ন? হারিয়ে গেলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যার প্রশ্ন। অথচ এটাই হওয়া উচিত যেকোনো আদর্শ রাজ্যের রাজনৈতিক দাবি। তাই বলা হয় যখনই কোনো রাষ্ট্রে বা রাজ্যে ধর্মখেলা শুরু হবে - তখন তা রাষ্ট্র বা রাজ্যকে অন্ধকারে নিয়ে যাবে। #religious #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta