religious
97 Posts • 149K views
মঠ-মন্দির দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দির - বিস্তারিত খবর মহাকাল মন্দির ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গরাজ্যের দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত একটি মন্দির। যা ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে দুর্জয় লিং জিং নামে একজন লামার উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল। এই মন্দিরটি প্রধানত ভগবান শিবের মন্দির তবে এখানে মহাদেবের সাথে মা কালী, হনুমান, গণেশ ও ভগবান বুদ্ধও পূজিত হন। এই মন্দিরটিতে হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় ধর্মের মানুষেরাই প্রার্থনা করতে আসেন। মহাকাল ধামের স্থানে প্রাচীনকালে দুর্জয় লিং নামে একটি গুম্ফা ছিল। যেটা ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দুর্জয় লিং জিং দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে গোর্খা সেনার আক্রমণে এই গুম্ফা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায়, তবে ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়। মহাকাল মন্দির দার্জিলিং শহরের মূল কেন্দ্র ম্যাল রোড দ্বারা পরিবেষ্টিত। চৌরাস্তার পিছনে ‘মহাকাল মার্কেটে’র পাশ দিয়ে গিয়ে কিছুটা চড়াই রাস্তায় উঠলেই এই মহাকাল মন্দিরে পৌঁছানো যায়। ধর্মপ্রাণ পর্যটকেরা দার্জিলিংয়ে আসলে একবার হলেও এই মন্দির দর্শন করে যান। এই শুভ্র মন্দিরটি জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন ছোট স্তূপ, নানা রঙের প্রার্থনা পতাকা, বৌদ্ধ চক্র এবং ঘণ্টা। এছাড়া চারিদিকের পাইনের ছায়া ও মেঘেদের খেলার আসমান ছুঁয়ে এই মন্দিরটি যেন শান্তি ও ঐক্যের মিলনস্থল হিসেবে পর্যটকদের মাঝে বিরাজমান রয়েছে। #religious
7 likes
15 shares
দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দিরে স্বল্প পোশাকে মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ - নয়া এই ফতোয়া নিয়ে বিতর্ক সম্প্রতি দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরের সেই মন্দিরের খবর প্রকাশ্যে আসে। এবার সেই মন্দিরের নতুন ফতোয়া নিয়ে তৈরী হয়েছে বিতর্ক। মহিলাদের ছোট পোশাক নিয়ে এবার কার্যত ফতোয়া জারি করল দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দির পূজা কমিটি। মন্দিরের বাইরে এনিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট লেখা – মিনিস্কার্টের মতো ছোট পোশাক পরে মহিলারা মন্দিরে পুজো দিতে যেতে পারবেন না। যাঁরা এসব পোশাক পরে আসবেন, তাঁদের জন্য মন্দির চত্বরে ঘাগরার ব্যবস্থা থাকবে। তা পরেই মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। মন্দির কর্তৃপক্ষের এই বিজ্ঞপ্তিতে অনেকেই অসন্তুষ্ট। আবার কেউ কেউ এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। সারাবছর দার্জিলিংয়ে প্রচুর পর্যটকের সমাগম হয়।বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের পাশাপাশি ম্যালের ধার দিয়ে পাহাড়ি পথে হেঁটে আরও উঁচুতে মহাকাল মন্দিরেও পৌঁছে যান পর্যটকরা। এখানে পুজো দেওয়াও তাঁদের আকর্ষণ। প্রতিদিন তাই প্রচুর মানুষের ভিড় হয় মহাকাল মন্দিরে। এবার সেই মন্দিরেই মহিলাদের জন্য বেঁধে দেওয়া হল পোশাকবিধি! ইতিমধ্যেই মন্দির কমিটির তরফে পোস্টার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে লেখা, ‘মহিলাদের মিনিস্কার্ট বা অন্য কোনও ছোট পোশাক পরে মন্দির চত্বরে প্রবেশ নিষেধ’। তবে তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে মন্দিরেই। কেউ ছোট পোশাক স্কার্ট পড়ে গেলেও মন্দিরে প্রবেশের জন্য লং ঘাগরার ব্যবস্থা করা থাকছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের এমন নির্দেশিকায় পুণ্যার্থীদের মধ্যে বেশ অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বাংলার কোনও মন্দিরে এমন পোশাক-বিধি মানতে নারাজ পর্যটকদের একটা বড় অংশ। অনেকের মত, এই পোশাক-বিধির জেরে অনেক পর্যটকই হয়তো আর পুজো দিতে আগ্রহী হবেন না। তবে মন্দির কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদও জানিয়েছেন অনেকে। #religious
16 likes
11 shares
পূজা-পার্বন আদ্রা ডিভিশনে 'চোদ্দ চুলা' কালিপূজাতে এখনও বহু মানুষের ভিড় হয় প্রায় শতবর্ষ পেরিয়েও চৌদ্দ চুলা কালীপুজো আজও আদ্রা রেলশহরের গৌরব ও সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী হয়ে আছে। অনেক ইতিহাসেরও সাক্ষী এই চোদ্দ চুলার পুজো। প্রচলিত কাহিনী থেকে জনা যায়, প্রায় এক শতাব্দী আগে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের তৎকালীন ডিআরএমের উদ্যোগে আদ্রা রেলশহরে যে কালীপুজোর সূচনা হয়েছিল, সেই ঐতিহ্য আজও অম্লান। সময়ের প্রবাহে বহু পরিবর্তন এলেও আদ্রা ডিভিশনেরই এক নিষ্ঠাবান রেলকর্মীর হাতে এই পুজো আজও সগৌরবে টিকে আছে। যা আজ পুরুলিয়া জেলার মধ্যে ঐতিহ্য ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই ঐতিহ্যবাহী কালীপুজোর সমস্ত দায়িত্ব ও আয়োজনের ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন আদ্রা ডিভিশনেরই এক রেলকর্মী। জানা যায়, ১৯২৮ সালে আদ্রা রেলশহরে কোনও শ্মশানঘাট ছিল না। সেই সময় এক মারাত্মক মহামারীতে একসঙ্গে ১৪ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে। তৎকালীন ডিআরএম চন্দ্র কুমার সরকারের উদ্যোগে তাদের শেষকৃত্যের জন্য ওই স্থানে ১৪টি পৃথক চুল্লি নির্মাণ করা হয়। সেই থেকেই স্থানটির নামকরণ হয় “চৌদ্দ চুলা”। পরবর্তীতে, স্থানটি শ্মশানঘাটে রূপান্তরিত হলে, চন্দ্র কুমার সরকার সেখানে কালীপুজোর প্রচলন করেন। আর এর পর থেকে এই স্থানটি শুধু শ্মশানঘাট হিসেবেই নয়, বরং একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্রের রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এই কালীপুজো আজও ঐতিহ্যের সঙ্গে চালিয়ে আসছেন রেলকর্মীরা। তাঁর উদ্যোগে সম্প্রতি এখানে নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে কালীমন্দির এবং উন্নত করা হয়েছে শ্মশানঘাটের পরিকাঠামো। প্রায় শতবর্ষ পেরিয়েও চৌদ্দ চুলা কালীপুজো আজও আদ্রা রেলশহরের গৌরব ও সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী হয়ে আছে। #religious
20 likes
7 shares