গীতা

Dhoni
699 views
3 months ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #✨জয় গীতা🙏 #জয় গীতা ❤🙏 #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge #জয়_গীতা_challenge *─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─* আজ মঙ্গলবার ১৪ পৌষ ১৪৩২ 30/12/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #ধ্যান_যোগ ( ২৬৯,২৭০ ) #ষষ্ঠ_অধ্যায় : - ৬ #শ্লোক : - ৩৯,৪০ #গীতার_ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৯ ,৪০ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৯ एतन्मे संशयं कृष्ण छेत्तुमर्हस्यशेषतः । त्वदन्यः संशयस्यास्य छेत्ता न ह्युपपद्यते ।।६.३९।। এতন্মে সংশয়ং কৃষ্ণ ছেত্তুমর্হস্যশেষতঃ ৷ ত্বদন্যঃ সংশয়স্যাস্য ছেত্তা ন হ্যুপপদ্যতে ॥৬.৩৯॥ #অনুবাদ : - হে কৃষ্ণ ! তুমিই কেবল আমার এই সংশয় দূর করতে সমর্থ। কারণ তুমি ছাড়া আর কেউই আমার এই সংশয় দূর করতে পারবে না । #সারাংশ : - ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে অবগত । #ভগবদ্গীতার প্রারম্ভে ভগবান বলেছেন যে, প্রতিটি জীবই তার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নিয়ে অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে । এমন কি, জড় বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ করার পরেও তাদের স্বাতন্ত্র্য বজায় থাকবে । এভাবেই তিনি প্রতিটি জীবের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলে দিয়েছেন । এখন, #অর্জুন তাঁর কাছ থেকে জানতে চাইছেন, যে সমস্ত সাধকেরা তাঁদের সাধনায় সিদ্ধি লাভ করতে পারলেন না, তাঁদের কি পরিণতি হবে ? ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন পরম পুরুষ, তাঁর ঊর্ধ্বে আর কেউ নেই, এমন কি তাঁর সমকক্ষও কেউ হতে পারে না । তথাকথিত সমস্ত জ্ঞানী ও দার্শনিকেরা, যারা প্রকৃতির কৃপার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, তারাও কখনও ভগবানের সমকক্ষ হতে পারে না । তাই, আমাদের সমস্ত সন্দেহ নিরসনের জন্য ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণীই হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র, কারণ তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত, কিন্তু তাঁকে কেউ কখনও সম্পূর্ণরূপে জানতে পারে না । #ভগবান #শ্রীকৃষ্ণ ও কৃষ্ণভাবনাময় ভক্তেরাই যথার্থ তত্ত্বজ্ঞ । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #ষষ্ঠ_অধ্যায় #শ্লোক_৪০ श्री भगवानुवाच पार्थ नैवेह नामुत्र विनाशस्तस्य विद्यते । नहि कल्याणकृत्कश्चिद्दुर्गतिं तात गच्छति ।।६.४०।। শ্রীভগবানুবাচ পার্থ নৈবেহ নামুত্র বিনাশস্তস্য বিদ্যতে ৷ ন হি কল্যাণকৃৎ কশ্চিদ্ দুর্গতিং তাত গচ্ছতি ॥৬.৪০॥ #অনুবাদ : - পরমেশ্বর #ভগবান বললেন- হে পার্থ ! শুভানুষ্ঠানকারী পরমার্থবিদের ইহলোকে ও পরলোকে কোন দুর্গতি হয় না৷ হে বৎস ! তার কারণ, কল্যাণকারীর কখনও অধোগতি হয় না । #সারাংশ : - "কেউ যদি সব রকম জড়-জাগতিক কর্তব্য পরিত্যাগ করে ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের শরণাগত হয়, তা হলে তার কোন রকম ক্ষতি বা পতনরূপী অমঙ্গলের আশঙ্কা থাকে না । পক্ষান্তরে, সর্বতোভাবে স্বধর্মাচরণে রত অভক্তের কোনই লাভ হয় না ।" জাগতিক উন্নতির জন্য নানা রকম শাস্ত্রোক্ত ও প্রচলিত আচার-অনুষ্ঠান আছে । কিন্তু কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করবার জন্য পরমার্থ সাধককে এই সমস্ত ক্রিয়াকলাপ পরিত্যাগ করতে হয় । তর্কের খাতিরে কেউ বলতে পারে যে, ভগবদ্ভক্তি সাধনের পথে সিদ্ধি লাভ করলে পরমার্থ সাধিত হতে পারে, কিন্তু যদি সিদ্ধি লাভ না হয় তা হলে তার জাগতিক জীবন ও পারমার্থিক জীবন উভয়ই বিফলে যায় । শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে, শাস্ত্রের বিধান অনুসারে স্বধর্মের আচরণ না করলে তাকে সেই পাপের ফল ভোগ করতে হয়; তাই কেউ যদি যথাযথভাবে পরমার্থ সাধনে ব্যর্থ হয়, তা হলে শাস্ত্র নির্দেশিত স্বধর্ম আচরণ না করার জন্য তার ফল ভোগ করতে হয় । এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে আমাদের সংশয় দূর করবার জন্য শ্রীমদ্ভাগবত অসফল পরমার্থবাদীকে এই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে, এক জীবনে পরমার্থ সাধনে সিদ্ধি লাভ না করতে পারলেও তাতে দুশ্চিন্তা করার কোন কারণ নেই। এমন কি যদিও স্বধর্ম যথাযথভাবে অনুষ্ঠান না করার জন্য তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়ার অধীন হলেও, তাঁর ক্ষতির কোন কারণ নেই । কারণ, শুভ কৃষ্ণভাবনামৃত কখনও বিফলে যায় না এবং পরবর্তী জীবনে কেউ যদি অত্যন্ত নীচ বংশেও জন্মগ্রহণ করেন, তা হলেও তিনি ভগবদ্ভক্তির মার্গ থেকে বিচ্যুত হন না । পক্ষান্তরে, কেউ যদি একান্ত নিষ্ঠার সঙ্গে স্বধর্মের আচার অনুষ্ঠান করে, কিন্তু অন্তরে যদি ভগবদ্ভক্তি না থাকে, তা হলে তার কোনই কল্যাণ হয় না । এই তাৎপর্যে আমরা বুঝতে পারি যে, মানুষকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সংযত ও উচ্ছৃঙ্খল । যে সমস্ত মানুষ পরজন্মের কথা বিবেচনা না করে, পারমার্থিক মুক্তির কথা বিবেচনা না করে, কেবল পশুর মতো তাদের ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করার চেষ্টা করে, তারা উচ্ছৃঙ্খল পর্যায়ভুক্ত । আর যারা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জীবন যাপন করে, তারা সংযত পর্যায়ভুক্ত । যারা উচ্ছৃঙ্খল, তারা উন্নত হোক বা অনুন্নতই হোক, সভ্য হোক বা অসভ্যই হোক, শিক্ষিত হোক বা অশিক্ষিতই হোক, শক্তিশালী হোক অথবা দুর্বলই হোক, তারা সকলেই পাশবিক প্রবৃত্তির দ্বারা প্রভাবিত । তাদের ক্রিয়াকলাপ কখনও মঙ্গলজনক হয় না, কারণ আহার, নিদ্রা, ভয় আর মৈথুনের মাধ্যমে পশুর মতো ইন্দ্রিয়তৃপ্তি করে সুখের অন্বেষণ করার ফলে তারা চিরকালই দুঃখময় জড় জগতে পড়ে থাকে এবং নিরন্তর দুঃখকষ্ট ভোগ করে । পক্ষান্তরে, যাঁরা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী সংযত জীবন যাপন করে ক্রমান্বয়ে কৃষ্ণভক্তির পর্যায়ে উন্নীত হন, তাঁদের জন্ম হয় সার্থক । যাঁরা মঙ্গলজনক সংযত জীবন যাপন করেন, তাঁদের আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায় । ১) 'কর্মী'-যাঁরা শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে জীবন যাপন করে জাগতিক সুখস্বাচ্ছন্দ্য ভোগ করছেন । ২) 'মুক্তিকামী'-যাঁরা জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন এবং ৩) 'ভগবদ্ভক্ত'- যাঁরা #ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরণে সর্বতোভাবে আত্মোৎসর্গ করে তাঁর সেবায় নিয়োজিত হয়েছেন । শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে জীবন যাপন করে চলেছেন যে সমস্ত কর্মী, তাঁদের আবার দুভাগে ভাগ করা যায়-'সকাম কর্মী' ও 'নিষ্কাম কর্মী' । ধর্ম আচরণ করার প্রভাবে অর্জিত পুণ্যফলের বলে যাঁরা জড় সুখভোগ করতে চান, তাঁরা উন্নত জীবন প্রাপ্ত হন, এমন কি তাঁরা স্বর্গলোকও প্রাপ্ত হন । কিন্তু জড় সুখভোগ করার বাসনায় আসক্ত থাকার ফলে তাঁরা যথার্থ মঙ্গলজনক পথ অনুসরণ করছেন না । জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টাই হচ্ছে মঙ্গলজনক কার্যকলাপ । পরম তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে অথবা দেহায়বুদ্ধি থেকে জীবকে মুক্ত করার উদ্দেশ্যে যে কর্ম সাধিত হয় না, তা কোন মতেই মঙ্গলজনক নয় । কৃষ্ণভাবনাময় কর্মই হচ্ছে একমাত্র মঙ্গলময় কর্ম । এই কৃষ্ণভাবনাময় ভক্তিযোগের পথে প্রগতির জন্য যিনি স্বেচ্ছায় সব রকম শারীরিক অসুবিধাগুলিকে সহ্য করেন, তিনি নিঃসন্দেহে তপোনিষ্ঠ পূর্ণযোগী । অষ্টাঙ্গ-যোগেরও পরম উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করা, তাই এই প্রচেষ্টাও অত্যন্ত মঙ্গলজনক এবং যিনি এই মার্গে ভগবৎ-তত্ত্বজ্ঞান লাভ করবার যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন, তাঁরও কোন রকম অধঃপতনের সম্ভাবনা নেই । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
Dhoni
653 views
4 months ago
#গীতা #💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #জয় গীতা ❤🙏 #🥰জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge #জয়_গীতা_challenge *─⊱✼ #গীতা_জয়ন্তী ✼⊰─* আজ ২১ অগ্রহায়ণ সোমবার 08/12/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #কর্মসন্ন্যাস_যোগ ( ২২৫,২২৬ ) #পঞ্চম_অধ্যায় : - ৫ #শ্লোক : - ২৩,২৪ #গীতার_পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ২৩ ,২৪ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_২৩ शक्नोतीहैव यः सोढुं प्राक्शरीरविमोक्षणात् । कामक्रोधोद्भवं वेगं स युक्तः स सुखी नरः ।।५.२३।। শক্নোতীহৈব যঃ সোঢ়ুং প্রাক্ শরীরবিমোক্ষণাৎ । কামক্রোধোদ্ভবং বেগং স যুক্তঃ স সুখী নরঃ ।।৫.২৩।। #অনুবাদ : - এই দেহ ত্যাগ করার পূর্বে যিনি কাম, ক্রোধ থেকে উদ্ভুত বেগ সহ্য করতে সক্ষম হন, তিনিই যোগী এবং এই জগতে তিনিই সুখী হন । #সারাংশ : - যদি কেউ আত্মোপলব্ধির পথে উন্নতিসাধনে প্রয়াসী হন, তবে তাঁকে জড় ইন্দ্রিয়ের বেগ দমন করবার চেষ্টা করতেই হবে । এই বেগ ছয় প্রকারের – বাচোবেগ, ক্রোধবেগ, মনোবেগ, উদরবেগ, উপস্থবেগ ও জিহ্বাবেগ । যিনি ইন্দ্রিয়ের এই সমস্ত বেগ ও মনকে বশ করতে সক্ষম হয়েছেন, তাঁকে বলা হয় গোস্বামী বা স্বামী । এই গোস্বামীরা কঠোর সংযমের সঙ্গে তাঁদের জীবনযাপন করেন এবং ইন্দ্রিয়ের সমস্ত বেগগুলিকে সর্বতোভাবে দমন করেন । জড় বাসনা যখন অতৃপ্ত থেকে যায়, তখন ক্রোধের সৃষ্টি হয় এবং তার ফলে মন, চক্ষু ও বক্ষ উত্তেজিত হয় । তাই এই জড় দেহটিকে ত্যাগ করার আগেই এই বেগগুলি দমন করার অভ্যাস করতে হয় । যিনি তা পারেন, তাঁকে আত্মতত্ত্ববিৎ বলে জানতে হবে এবং আত্মোপলব্ধির স্তরে তিনি পরম সুখী । যোগীদের কর্তব্য কাম ও ক্রোধকে বশ করার জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করা । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #পঞ্চম_অধ্যায় #শ্লোক_২৪ योऽन्तःसुखोऽन्तरारामस्तथान्तर्ज्योतिरेव यः । स योगी ब्रह्मनिर्वाणं ब्रह्मभूतोऽधिगच्छति ।।५.२४।। যোহন্তঃসুখোহন্তরারামস্তথান্তর্জ্যোতিরেব যঃ । স যোগী ব্রহ্মনির্বাণং ব্রহ্মভূতোহধিগচ্ছতি ।।৫.২৪।। #অনুবাদ : - যিনি আত্মাতেই সুখ অনুভব করেন, যিনি আত্মাতেই ক্রীড়াযুক্ত এবং আত্মাই যাঁর লক্ষ্য, তিনিই যোগী । তিনি ব্রহ্মে অবস্থিত হয়ে ব্রহ্মনির্বাণ লাভ করেন । #সারাংশ : - আত্মায় যে সুখ আস্বাদন করেনি, সে অনিত্য সুখভোগের বাহ্য ক্রিয়াগুলি কিভাবে পরিত্যাগ করবে ? জীবন্মুক্ত পুরুষ যথার্থ অনুভূতিতে সুখ আস্বাদন করেন । তাই তিনি এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে চিন্ময় চেতনার সাহায্যে জীবনের ক্রিয়াগুলিকে উপভোগ করতে পারেন । এই ধরনের মুক্তপুরুষ কখনই বাহ্য জাগতিক সুখের আকাঙ্ক্ষা করেন না । এই অবস্থাকে বলা হয় ব্রহ্মভূত, যা লাভ করার ফলে ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়া সুনিশ্চিত হয় । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
Dhoni
871 views
4 months ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩 #জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩 আজ ০৬ অগ্রহায়ণ রবিবার 23/11/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #জ্ঞান_যোগ ( ১৯৭,১৯৮ ) #চতুর্থ_অধ্যায় : - ৪ #শ্লোক : - ৩৭,৩৮ #গীতার_চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৭ ,৩৮ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৭ यथैधांसि समिद्धोऽग्निर्भस्मसात्कुरुतेऽर्जुन । ज्ञानाग्निः सर्वकर्माणि भस्मसात्कुरुते तथा ।।४.३७।। যথৈধাংসি সমিদ্বোহগ্নির্ভস্মাৎ কুরুতেহর্জুন । জ্ঞানাগ্নিঃ সর্বকর্মাণি ভস্মসাৎ কুরুতে তথা ।।৪.৩৭।। #অনুবাদ : - প্রবলরূবে প্রজ্বলিত অগ্নি যেমন কাষ্ঠকে ভস্মসাৎ করে, হে #অর্জুন ! তেমনই জ্ঞানাগ্নিও সমস্ত কর্মকে দগ্ধ করে ফেলে । #সারাংশ : - আত্মা ও পরমাত্মা এবং তাঁদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্কের পরম জ্ঞানকে এখানে অগ্নির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে । এই অগ্নি কেবল গণকর্মফলকেই দহন করে তাই নয়, তা পুণ্যকর্মফলকেও দহন করে তাদের অস্মে পরিণত করে । কর্মের ফল নানা রকম হয় – কোন কোন কর্মের ফল অপরিণত, কোন কর্মের ফল পরিণত, কোন কর্মের ফল ইতিমধ্যেই ভোগ করা হয়ে গেছে, আবার কোন কর্মের ফল পূর্বজন্ম থেকে সঞ্চিত হয়ে আছে । কিন্তু জীবের স্বরূপ উপলব্ধিরূপ পরম জ্ঞানের আগুনে সে সবই ভস্মীভূত হয়ে যায় । পূর্ণজ্ঞান লাভ হলে ভূত - ভবিষ্যতের সমস্ত কর্মফলই বিনাশপ্রাপ্ত হয় । বেদে বলা হয়েছে, পাপ ও পুণ্য উভয় কর্মফল থেকেই পরিত্রাণ পাওয়া যায় । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৮ न हि ज्ञानेन सदृशं पवित्रमिह विद्यते । तत्स्वयं योगसंसिद्धः कालेनात्मनि विन्दति ।।४.३८।। ন হি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে । তৎ স্বয়ং যোগসংসিদ্ধঃ কালেনাত্মনি বিন্দতি ।।৪.৩৮।। #অনুবাদ : - এই জগতে চিন্ময় জ্ঞানের মতো পবিত্র আর কিছুই নেই। এই জ্ঞান সমস্ত যোগের পরিপক্ক ফল । ভগবদ্ভক্তি অনুশীলনের মাধ্যমে যিনি সেই জ্ঞান আয়ত্ত করেছেন, তিনি কালক্রমে আত্মায় পরা শান্তি লাভ করেন । #সারাংশ : - যখন দিব্যজ্ঞানের কথা বলা হয়, তখন তা পরমার্থ উপলব্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বলা হয়ে থাকে । তাই এই দিব্যজ্ঞানের মতো মহিমান্বিত ও নির্মল আর কিছুই নেই । আমাদের বন্ধনের কারণ হচ্ছে অজ্ঞান এবং মুক্তির কারণ হচ্ছে জ্ঞান । এই জ্ঞান হচ্ছে ভগবদ্ভক্তির সুপক্ব ফল । এই জ্ঞান যিনি লাভ করেছেন, তাঁকে আর অন্যত্র শান্তির অন্বেষণ করতে হয় না; কেননা তিনি তাঁর অন্তরের অন্তস্তলে নিত্য শান্তি উপভোগ করে থাকেন । পক্ষান্তরে বলা যায়, এই জ্ঞান ও শান্তি কৃষ্ণভাবনামৃতে পর্যবসিত হয় । সেটিই ভগবদ্গীতার চরম উপদেশ । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
Dhoni
855 views
4 months ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩 #জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩 আজ ০৫ অগ্রহায়ণ শনিবার 22/11/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #জ্ঞান_যোগ ( ১৯৫,১৯৬ ) #চতুর্থ_অধ্যায় : - ৪ #শ্লোক : - ৩৫,৩৬ #গীতার_চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৫ ,৩৬ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৫ यज्ज्ञात्वा न पुनर्मोहमेवं यास्यसि पाण्डव । येन भूतान्यशेषेण द्रक्ष्यस्यात्मन्यथो मयि ।।४.३५।। যজজ্ঞাত্বা ন পুনর্মোহমেবং যাস্যসি পান্ডব । যেন ভূতান্যশেষাণি দ্রক্ষ্যস্যাত্মন্যথো ময়ি ।।৪.৩৫।। #অনুবাদ : - হে পান্ডব ! এভাবে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করে তুমি আর মোহগ্রস্ত হবে না, কেন না এই জ্ঞানের দ্বারা তুমি দর্শন করবে যে, সমস্ত জীবই আমার বিভিন্ন অংশ অর্থাৎ তারা সকলেই আমার এবং তারা আমাতে অবস্থিত । #সারাংশ : - পর্যাপ্ত পারমার্থিক জ্ঞান না থাকার ফলে আমরা বর্তমানে মায়ার দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছি এবং তাই আমরা মনে করি যে, আমরা শ্রীকৃষ্ণের থেকে বিচ্ছিন্ন । আমরা যদিও শ্রীকৃষ্ণের বিভিন্নাংশ, কিন্তু তবুও আমরা শ্রীকৃষ্ণ থেকে অভিন্ন । জীবের দেহগত পার্থক্য হচ্ছে মায়া, অর্থাৎ দেহের প্রকৃত কোন অস্তিত্ব নেই । আমাদের সকলেরই উদ্দেশ্য শ্রীকৃষ্ণের সন্তোষবিধান করা । মায়ার প্রভাবে অর্জুন মনে করেছিলেন যে, শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে তাঁর নিত্য চিন্ময় সম্পর্ক অপেক্ষা দেহগত সম্বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর আত্মীয়রা অধিক গুরুত্বপূর্ণ । ভগবদ্গীতার সমগ্র শিক্ষা আমাদের এই বিষয়েই উপদেশ প্রদান করে, আর তা হলো — জীব ভগবানের নিত্যকালের সেবক এবং সে শ্রীকৃষ্ণ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না । সে যদি মনে করে যে, সে শ্রীকৃষ্ণ থেকে আলাদা, তাহলে সেটিই মায়া । ভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে জীবেদের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে । অনন্তকাল ধরে সেই উদ্দেশ্যটি ভুলে যাওয়ার ফলেই তারা কখনও মানুষ, কখনও পশু, কখনও দেবতা আদি বিভিন্ন দেহধারণ করছে । ভগবানের অপ্রাকৃত সেবার কথা ভুলে যাওয়ার ফলেই এই দেহগত পার্থক্যের উদয় হয় । কিন্তু কেউ যখন কৃষ্ণভাবনামৃত লাভ করে ভগবানের সেবায় নিয়োজিত হন, তখন তিনি অচিরেই এই মায়ার বন্ধন থেকে মুক্ত হন । এই শুদ্ধ পারমার্থিক জ্ঞান কেবল সদগুরুর কাছ থেকেই লাভ করা যায় এবং এই জ্ঞানের প্রভাবেই কেবল এই মোহ থেকে মুক্ত হওয়া যায় যে, জীব শ্রীকৃষ্ণের সমকক্ষ । পরম তত্ত্বজ্ঞান হচ্ছে এই যে, পরম আত্মা শ্রীকৃষ্ণই সমস্ত জীবের পরম আশ্রয় এবং এই পরম আশ্রয় পরিত্যাগ করার ফলেই জীবসমূহ নিজেদের পৃথক পরিচয়ের কল্পনা করে মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে । এভাবে তারা বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন জড় দেহধারণ করে শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে যায় । কিন্তু যখন এই ধরনের মোহগ্রস্ত জীবেরা কৃষ্ণভাবনায় স্থিত হয়, তখন তারা মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বলেই বুঝতে হবে । মুক্তির অর্থ হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাসরূপে নিজের স্বরূপে অধিষ্ঠিত হওয়া । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৬ अपि चेदसि पापेभ्यः सर्वेभ्यः पापकृत्तमः । सर्वं ज्ञानप्लवेनैव वृजिनं सन्तरिष्यसि ।।४.३६।। অপি চেদসি পাপেভ্যঃ সর্বেভ্যঃ পাপকৃত্তমঃ । সর্বং জ্ঞানপ্লবেনৈব বৃজিনং সন্তরিষ্যসি ।।৪.৩৬।। #অনুবাদ : - তুমি যদি সমস্ত পাপীদের থেকেও পাপিষ্ঠ বলে গণ্য হয়ে থাক, তা হলেও এই জ্ঞানরূপ তরণীতে আরোহণ করে তুমি দুঃখ-সমুদ্র পার হতে পারবে । #সারাংশ : - ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত আমাদের নিত্য স্বরূপের উপলব্ধি এতই সুন্দর যে, তা অজ্ঞানতার সমুদ্রে জীবন - সংগ্রামের ক্লেশ থেকে আমাদের অচিরেই উদ্ধার করে । এই জড় জগৎকে কখনও অবিদ্যার সমুদ্র অথবা কখনও দাবানলের সঙ্গে তুলনা করা হয় । অতি সুদক্ষ সাঁতারুর জন্যও সমুদ্র অত্যন্ত ক্লেশময় । সমুদ্রের মাঝখানে সংগ্রামরত মানুষকে যদি কেউ এসে তুলে নেয়, তাহলে সে হচ্ছে পরম রক্ষাকর্তা । ভগবানের কাছ থেকে লব্ধ পরম জ্ঞানই একমাত্র মুক্তির পথ । এই ভগবত্তত্ত্বজ্ঞান বা কৃষ্ণভাবনামৃতরূপ নৌকা অত্যন্ত সরল এবং যুগপৎভাবে তা অত্যন্ত মহিমান্বিতও । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──
Dhoni
900 views
4 months ago
#💓জয় গীতা 🙏❤🕉 #হিন্দুদের আস্থা, হিন্দুদের গর্ব ❤️🌿 জয় গীতা 🙏❤️ #গীতা 🌿 . 🕉️⚛️💗 #সনাতন_ধর্ম 💗⚛️🕉️⛳🚩 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ_challenge ⛳❤️🚩 #জয়_গীতা_challenge ⛳🌿🚩 আজ ০৪ অগ্রহায়ণ শুক্রবার 21/11/2025 *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼⚛️🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #শ্রীমদ্ভগবদগীতা #জ্ঞান_যোগ ( ১৯৩,১৯৪ ) #চতুর্থ_অধ্যায় : - ৪ #শ্লোক : - ৩৩,৩৪ #গীতার_চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_নম্বর : - ৩৩ ,৩৪ 🌿🌿🌿 ওঁ তৎ সৎ🙏🏻🙏 #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৩ श्रेयान्द्रव्यमयाद्यज्ञाज्ज्ञानयज्ञः परन्तप । सर्वं कर्माखिलं पार्थ ज्ञाने परिसमाप्यते ।।४.३३।। শ্রেয়ান্ দ্রব্যময়াদ্ যজ্ঞাজজ্ঞানযজ্ঞঃ পরন্তপ । সর্বং কর্মাখিলং পার্থ জ্ঞানে পরিসমাপ্যতে ।।৪.৩৩।। #অনুবাদ : - হে পরন্তপ ! দ্রব্যময় যজ্ঞ থেকে জ্ঞানময় যজ্ঞ শ্রেয় । হে পার্থ! সমস্ত কর্মই পূর্ণরূপে চিন্ময় জ্ঞানে পরিসমাপ্তি লাভ করে । #সারাংশ : - সমস্ত যজ্ঞের উদ্দেশ্য হচ্ছে পূর্ণজ্ঞানে অধিষ্ঠিত হয়ে জড় ক্লেশ থেকে মুক্তিলাভ করা এবং অবশেষে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রেমময়ী সেবায় নিযুক্ত হওয়া । কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রত্যেকটি যজ্ঞেরই একটি নিগূঢ় রহস্য আছে এবং যজ্ঞ অনুষ্ঠান করতে হলে সেই রহস্য সম্বন্ধে অবগত হওয়া প্রয়োজন ৷ অনুষ্ঠানকারীর বিশ্বাস অনুসারে যজ্ঞ বিভিন্ন ফল প্রদান করে থাকে। অপ্রাকৃত দিব্যজ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে জ্ঞানযজ্ঞের অনুষ্ঠানকারীকে জ্ঞানরহিত কর্মযজ্ঞের অনুষ্ঠাতার থেকে উন্নত বলে বিবেচনা করা হয়, কেননা কেবল জ্ঞানবিহীন দ্রব্য যজ্ঞ লৌকিক ক্রিয়ামাত্র এবং তাতে পরমার্থলাভ হয় না । প্রকৃত জ্ঞান সর্বোচ্চ পর্যায়ের অপ্রাকৃত জ্ঞানে, অর্থাৎ কৃষ্ণভাবনায় পরিসমাপ্তি লাভ করে । জ্ঞানের স্তরে উন্নীত না হলে যজ্ঞানুষ্ঠান কেবলমাত্র জাগতিক কার্যকলাপমাত্র । যখন যজ্ঞের অনুষ্ঠান অপ্রাকৃত জ্ঞানের স্তরে উন্নীত করে, তখন এই সমস্ত কার্যকলাপ পারমার্থিক পর্যায়ে স্থিত হয় । চেতনার স্তরভেদে যজ্ঞক্রিয়াকে কখনও কর্মকাণ্ড (সকাম কর্ম) এবং কখনও জ্ঞানকাণ্ড (ব্রহ্মজিজ্ঞাসা) বলা হয় । অন্তিমে জ্ঞানলাভ করাই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ পরিণতি । ✧════════•❁❀❁•════════✧ #চতুর্থ_অধ্যায় #শ্লোক_৩৪ तद्विद्धि प्रणिपातेन परिप्रश्नेन सेवया । उपदेक्ष्यन्ति ते ज्ञानं ज्ञानिनस्तत्त्वदर्शिनः ।।४.३४।। তদ্বিদ্ধি প্রণিপাতেন পরিপ্রশ্নেন সেবয়া । উপদেক্ষ্যন্তি তে জ্ঞানং জ্ঞানিনস্তত্ত্বদর্শিনঃ ।।৪.৩৪।। #অনুবাদ : - সদগুরুর শরণাগত হয়ে তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার চেষ্টা কর । বিনম্র চিত্তে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা কর এবং অকৃত্রিম সেবার দ্বারা তাঁকে সন্তুষ্ট কর । তা হলে সেই তত্ত্বদ্রষ্টা পুরুষেরা তোমাকে জ্ঞান উপদেশ দান করবেন । #সারাংশ : - পারমার্থিক উপলব্ধির পথ নিঃসন্দেহে দুর্গম । তাই ভগবান আমাদের উপদেশ দিয়েছেন স্বয়ং তাঁর থেকে আগত গুরু - পরম্পরার ধারায় একজন সদগুরুর শরণাগত হতে। এই গুরু - পরম্পরার ধারা অনুসরণ না করে কেউই সদ্গুরু হতে পারেন না । #ভগবান হচ্ছেন আদি গুরু এবং গুরু - শিষ্য - পরম্পরার ধারায় আগত সদ্গুরুই ভগবানের বাণী তাঁর শিষ্যকে যথাযথরূপে দান করতে পারেন । নিজের মনগড়া একটি পদ্ধতির উদ্ভাবন করে কখনই ভগবানকে উপলব্ধি করা যায় না, যা মূঢ় প্রতারকদের অশাস্ত্রীয় পদ্ধতি । শ্রীমদ্ভাগবতে বলা হয়েছে – ধর্মের পথ স্বয়ং ভগবানই প্রত্যক্ষভাবে প্রণয়ন করেছেন । তাই জল্পনাকল্পনা বা বৃথা তর্ক বিতর্কের মাধ্যমে কখনই সঠিক মার্গে অগ্রসর হওয়া যায় না অথবা স্বতন্ত্রভাবে গ্রন্থ অধ্যয়ন করার মাধ্যমেও পারমার্থিক জীবনে উন্নতিসাধন করা যায় না । পরম তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার জন্য কৃষ্ণতত্ত্ববেত্তা গুরুদেবের শরণাগত হতে হয়, সর্বান্তঃকরণে তাঁর চরণাম্বুজে আত্মসমর্পণ করতে হয় এবং সম্পূর্ণ নিরহঙ্কারী হয়ে ক্রীতদাসের মতো তাঁর সেবা করতে হয় । আত্মতত্ত্ববেত্তা সদ্গুরুর সন্তুষ্টি বিধানই হচ্ছে আধ্যাত্মিক জীবনে উন্নতিলাভ করার গূঢ় রহস্য । যুগপৎভাবে তত্ত্বানুসন্ধান এবং আত্মসমর্পণ পারমার্থিক উপলব্ধির জন্য যথার্থ পন্থা আত্মসমর্পণ ও সেবা না করে কেবল প্রশ্ন করে কখনই এই তত্ত্বজ্ঞান লাভ করা যায় না । গুরুদেবের পরীক্ষায় শিষ্যকে অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হয় এবং যখন তিনি শিষ্যের মধ্যে ঐকান্তিক বাসনা দর্শন করেন, তখন তিনি তাঁর শিষ্যকে পরম তত্ত্বজ্ঞান লাভ করার আশীর্বাদ প্রদান করেন । এখানে অন্ধের মতো অনুকরণ করা অথবা নিরর্থক প্রশ্ন করার নিন্দা করা হয়েছে । শিষ্য যে কেবল শ্রদ্ধা সহকারে গুরুদেবের উপদেশ শ্রবণই করবে তা নয়, তাকে আত্মসমর্পণ, গুরুদেবের ঐকান্তিক সেবা এবং তত্ত্বজিজ্ঞাসার মাধ্যমে এই জ্ঞানের যথার্থ মর্মও উপলব্ধি করতে হবে । সদ্গুরু সর্বদাই তাঁর শিষ্যের প্রতি স্বভাবতঃ অত্যন্ত কৃপাপরায়ণ । তাই শিষ্য যখন বিনীত ও আজ্ঞানুবর্তী সেবায় সর্বদা তৎপর থাকে, তখন জ্ঞান ও তত্ত্বজিজ্ঞাসার বিনিময় পূর্ণ হয় । ( প্রতিদিন শ্রীমদ্ভগবদগীতার ১ টি করে শ্লোক পড়তে এই পেজটির সাথে থাকুন ।) *─⊱✼ #হরে_কৃষ্ণ ✼⊰─* *•••••••••┈┉━❀❈🙏🏼🌼🙏🏼❈❀━┉┈•••••••••* #হরে_কৃষ্ণ_হরে_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_কৃষ্ণ_হরে_হরে ! #হরে_রাম_হরে_রাম_রাম_রাম_হরে_হরে । । 🙏🙏 #জয়_শ্রী_কৃষ্ণ 🙏🙏 🙏 #রাধে_রাধে 🙏 ∙──༅༎ Hare Krishna 🙏༎༅──