prathamalorbarta

PRATHAM ALOR BARTA
575 views
2 days ago
আলিপুরে এবার থেকে শুভেন্দুর স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে কাঁথি থেকে তো প্রতিদিন মহাকরনে আসা যায় না। কলকাতায় একটা থাকার জায়গা চাই। অবশেষে ঠিক হয়ে গেলো কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানা। সূত্রের খবর, এবার থেকে আলিপুরের ‘সৌজন্য’-এ থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের আমলে এই সৌজন্য (Soujanya) নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘সৌজন্য’ উদ্বোধন করেছিলেন। মূলত, ভিভিআইপিদের থাকার জন্য এই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, এবার এই সৌজন্য-ই স্থায়ী ঠিকানা হতে চলেছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। গতকালই দেখা যায় সৌজন্য-এর নিরাপত্তা আঁটসাটো করা হয়েছে। এই নিয়ে পূর্ত দফতরের আধিকারিকেরা বৈঠকও করেন। তারপর থেকেই খবর পাওয়া যাচ্ছে, এবার থেকে তাঁর ঠিকানা হতে চলেছে সৌজন্য। তবে কবে থেকে শুভেন্দু থাকবেন তা জানা যায়নি। শুভেন্দুর পৈতৃক বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরর কাঁথিতে। বাড়ির নাম ‘শান্তিকুঞ্জ’। শনিবার শপথগ্রহণের পর প্রয়োজনীয় কর্মসূচি শেষ করে শনিবার রাতেই বাড়ি গিয়েছিলেন শুভেন্দু। রবিবার সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে দেখার জন্য ভিড় করেছিলেন বহু মানুষ। দিনভর বাড়িতেই ছিলেন। মা-মাসির হাতের রান্না করা খাবার খেয়েছেন পাত পেড়ে। মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে করলা সেদ্ধ, মোচার তরকারি থেকে সর্ষে ইলিশ ভাপা,মুরগির মাংস…কী ছিল না। পরে বিকেলেই শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওয়ান দেন। আজ শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নতুন মন্ত্রীদের নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠক হবে। আটকে থাকা কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে বৈঠক হতে পারে। তার আগে শুভেন্দুকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। পরে নবান্নে সব বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হতে পারে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
538 views
5 days ago
এবার আরো ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় এই অভিযোগ অবশ্য আগে অনেকবার উঠেছে। মূল অভিযোগ তৃণমূল 'তোলাবাজি' পার্টি। সেই কথাটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন বিধায়ক নড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা, আর এবার দলের অন্দরের দুর্নীতির ছবিটা তুলে ধরলেন বহরমপুরের তৃণমূল চেয়ারম্যান তথা বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নাড়ুগোপাল দাবি করলেন, তৃণমূলের এভাবে শেষ হওয়ার একমাত্র কারণ দুর্নীতি। কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এতদিন সামনে এনেছেন সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ীরা। আর এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল দলের নেতা তথা বহরমপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালের মুখে। চেয়ারম্যান বলেন, “সরকার পরিবর্তন হয়েছে। সরকার যে নিয়ম কার্যকরী রাখবে, সেই ভাবে চলবে পৌরসভা। নাগরিকরা যেন সহযোগিতা করে। সরকার চাইলে পৌরসভা ভেঙে দেবে, সরকার চাইলে ভোট করাবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাম আমলে বিরোধী দলের পৌরসভা বা পঞ্চায়েতগুলিতে কাজ করার সুযোগ ছিল, কোনওদিন সরকারি প্রকল্পে বাধা হয়নি। সেই রাজনীতির বদল ঘটিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূল পরিচালিত না হলে কোনও কাজ হত না বলে মন্তব্য করেন তিনি। পৌরসভাগুলি বঞ্চিত হতো বলেই নাকি তৃণমূলের ছাতার তলায় আসতে হত। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
Monika Rani
571 views
7 days ago
#पहले ईंट से देखभाल, आज मंहगे स्क्रब,🥰☺️#
PRATHAM ALOR BARTA
659 views
19 days ago
'প্রত্যাবর্তন' তত্ত্বে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন - এবার ওদের 'দুরমুশ করব’ রাজনৈতিক সৌজন্য অনেকদিনই বিদায় নিয়েছে। ভাষার সীমারেখা ভুলে গেছে অনেক নেতামন্ত্রী। এবার যেন তাই শোনাযাচ্ছে দিকে দিকে। রেকর্ড ভোট। নির্বিঘ্নে ভোট । নিজেদের ভোট নিজে দিয়েছেন মানুষ। ভোটদানের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং উৎসাহ, দুটোই রীতিমতো ঈর্ষনীয়। এই বিপুল ভোটদানে লাভ কার? ইতিমধ্যেই অঙ্ক কষা শুরু করে দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। তৃণমূল অবশ্য প্রথম দফার ভোটের পরই রীতিমতো হুঙ্কার দিচ্ছে। খোদ দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “আজকেই আমরা জিতে বসে আছি, পরের দফায় দুরমুশ করব! দুরমুশ!” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য, “প্রথম দফাতেই বিজেপির দফারফা করে দিয়েছি।” প্রথম দফার ভোটের দিনও একাধিক কর্মসূচি ছিল মমতার। ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) শেষে অভিষেকও সভা করেন। মমতার সাফ কথা, “তৃণমূল হারতে পারে না। আমরা জিতে বসে আছি। ভোটটা পুলিশ দেবে না। মিলিটারিও দেবে না। ভোটটা মানুষ দেবে। আমি মানুষকে বিশ্বাস করি।” মমতার সাফ কথা, “বিজেপির পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সামলাতে পারবে কি না, আই অ্যাম ইন ডাউট। বাংলাকে টার্গেট করলে আমরা দিল্লিকে টার্গেট করি, এটা মনে রাখবেন।’’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও একই সুর। তিনি বলছেন, “ভোর পাঁচটা থেকে প্রতিটা বুথের কন্ট্রোল রুম আমার অফিসের সঙ্গে কানেক্টেড ছিল। প্রথম দফার ভোটেই ওদের দফারফা করে দিয়েছি। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
619 views
20 days ago
শশী পাঁজা বললেন - নন্দীগ্রামে পুলিশ সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে ভোট চলার মধ্যেই হঠাৎ শশী পাঁজা অভিযোগ তুললেন নন্দীগ্রামে পুলিশ মোটেই নিরপেক্ষ নয়। সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রামে পুলিশের দুই অফিসার নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না, বরং সরাসরি বিজেপির হয়ে কাজ করছে। পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল। শশী পাঁজার অভিযোগের নিশানায় রয়েছেন দুই পুলিশ আধিকারিক— অজয় মিশ্র, যিনি ২০২১ সালে নন্দীগ্রামের ওসি ছিলেন এবং কুদরতে খুদা, তিনি হলদিয়ার ওসি ছিলেন। শশী পাঁজার দাবি, ২০২১ সালেও এই দুই আধিকারিক নন্দীগ্রাম ও হলদিয়া এলাকায় কর্মরত ছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ উঠেছিল। বলেন, “নন্দীগ্রামের ওসি ইন্সপেক্টর অজয় মিশ্র এবং হলদিয়ার ওসি ইন্সপেক্টর কুদরতে খুদাকে কেন নির্বাচনের ডিউটি দেওয়া হল? তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন কমিশন নির্বিকার?” শশী পাঁজার আরও অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ ও স্থানীয় বিজেপির ‘বাহুবলী’ হিসেবে পরিচিত ঝন্টু রাউ এবং অশোক করণের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে না। উল্টে, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলের কর্মীদের হয়রান করা হচ্ছে এবং অকারণে তাঁদের গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে তৃণমূলের দাবি। নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
1.5K views
28 days ago
সবাইকে জানাই আমাদের চ্যানেল এর পক্ষ থেকে শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা ##নববর্ষ #pratham alor barta
PRATHAM ALOR BARTA
17.1K views
29 days ago
আবার বরানগরে আক্রান্ত বিজেপি এবারের ভোটে 'ভরকেন্দ্র' যদি হয় ভবানীপুর,'অন্যতম কেন্দ্র' যদি হয় নন্দীগ্রাম তাহলে অবশ্যই 'ব্যাটল ফিল্ড' বরানগর। বার বার করে মুখোমুখি বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকা। এবার অবশ্য অকুস্থলে সায়ন্তিকা ছিলেন না। সোমবার রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বরাহনগর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রচারের পর হঠাৎ বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে, বিক্ষোভ প্রর্দশনের সময়ই সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনারও আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার রাতে বরাহনগরের ৭ নং ওয়ার্ডে আমতলায় বিজেপির একটা সভা ছিল। সজলের অভিযোগ, সভা শেষ হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ হাজির হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে। তারপর হঠাৎ তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, তাঁদের তিন-চারজন কর্মী আহত হয়েছেন। সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা অজয় গুপ্তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও অজয় ও তাঁর লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সজলের। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী সজল। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মজুত ছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগরে পৌঁছন সজল ঘোষ। থানার সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও জানান। তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও করেছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
623 views
1 months ago
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
782 views
1 months ago
১৪ বছর পরে কলকাতায় পুলিশ পেলো আবার মহিলা গোয়েন্দা প্রধান এক ধাক্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিলেন দময়ন্তী সেনকে। তারপরে বহুদিন কেটে গেছে আর কোনো মহিলা কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান হন নি। দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন? কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta