prathamalorbarta

PRATHAM ALOR BARTA
1.4K views
4 days ago
সবাইকে জানাই আমাদের চ্যানেল এর পক্ষ থেকে শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা ##নববর্ষ #pratham alor barta
PRATHAM ALOR BARTA
17.1K views
5 days ago
আবার বরানগরে আক্রান্ত বিজেপি এবারের ভোটে 'ভরকেন্দ্র' যদি হয় ভবানীপুর,'অন্যতম কেন্দ্র' যদি হয় নন্দীগ্রাম তাহলে অবশ্যই 'ব্যাটল ফিল্ড' বরানগর। বার বার করে মুখোমুখি বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন সজল ঘোষ ও সায়ন্তিকা। এবার অবশ্য অকুস্থলে সায়ন্তিকা ছিলেন না। সোমবার রাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বরাহনগর। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রচারের পর হঠাৎ বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয় বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখালেন বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে, বিক্ষোভ প্রর্দশনের সময়ই সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনারও আশ্বাস দিয়েছেন। সোমবার রাতে বরাহনগরের ৭ নং ওয়ার্ডে আমতলায় বিজেপির একটা সভা ছিল। সজলের অভিযোগ, সভা শেষ হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ হাজির হয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রথমে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে। তারপর হঠাৎ তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, তাঁদের তিন-চারজন কর্মী আহত হয়েছেন। সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের গুন্ডা অজয় গুপ্তার নেতৃত্বেই হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও অজয় ও তাঁর লোকেরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি বলে দাবি সজলের। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী সজল। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মজুত ছিল। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তারপরই বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগরে পৌঁছন সজল ঘোষ। থানার সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও জানান। তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও করেছেন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
542 views
6 days ago
নেতাজির পৌত্রি চন্দ্র বসুর আবার জামা পরিবর্তন নির্বাচনের আগে এমন দল পরিবর্তন হয়েই থাকে। তাইবলে চন্দ্র বসু! যিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থেকে লড়েছিলেন। হ্যাঁ, রবিবার তাই ঘটলো। রবিবার তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ ও রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিলেন তিনি। আর রাজ্যের শাসকদলে যোগ দিয়েই বিজেপিকে নিশানা করলেন নেতাজির পৌত্র চন্দ্র বসু। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও কলকাতা দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হয়েছিলেন চন্দ্র বসু। সেবারও হেরে যান। এরপর ধীরে ধীরে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে তাঁর। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপি ছাড়ার ঘোষণা করেন তিনি। আর কয়েকদিন আগে (গত ২৭ মার্চ) সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক ভুল ছিল। ঐতিহাসিক ভুল ছিল, এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপিতে যোগ দেওয়া কি অন্য কোনো নির্দেশ করে? যথারীতি অন্য সকলের মতোই তৃণমূলের যোগ দিয়ে পুরোনো দলকে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, “কয়েক বছর আগে বিজেপিতে যোগ দিয়ে আমি ঐতিহাসিক ভুল করেছিলাম। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সেই ভুলটা আমি সংশোধন করে নিলাম। কারণ, বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির সঙ্গে বিজেপির কোনও মিল নেই। আমি প্রচেষ্টা করেছিলাম। নরেন্দ্র মোদীজি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন। সেটা ভালো লেগেছিল। কিন্তু, ২০১৬ সালে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যায়, ওরা ভারতের সংবিধানের বিরোধিতা করে।” তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ঐতিহ্য সর্বধর্ম সমন্বয়। আমার দাদামশাই শরৎচন্দ্র বসু ও তাঁর ছোট ভাই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শের উপর ভিত্তি করে আমার রাজনীতি। বিজেপিতে থেকে নেতাজির আদর্শ নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
639 views
7 days ago
১৪ বছর পরে কলকাতায় পুলিশ পেলো আবার মহিলা গোয়েন্দা প্রধান এক ধাক্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিলেন দময়ন্তী সেনকে। তারপরে বহুদিন কেটে গেছে আর কোনো মহিলা কলকাতার গোয়েন্দা প্রধান হন নি। দময়ন্তী পার্ক স্ট্রিটের ঘটনাকে ‘সাজানো ঘটনা’ বলে সিলমোহর দেননি। যা নাকি পছন্দ হয়নি সরকারের। সেই কারণেই তাঁকে সরতে হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তারপর থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে আর কোনও মহিলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। অবশেষে শনিবার নির্বাচন কমিশন ১২ জন পুলিশকর্তাকে বদলি করেছে। তার মধ্যে নজর কেড়েছে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি ক্রাইম পদটি। কেন? কমিশনের নির্দেশে আইপিএস (IPS) সোমা দাস মিত্রকে ডিআইজি সিআইডি পদ থেকে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান পদে নিয়ে আসা হয়েছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস, কলকাতা পুলিশ পেল নতুন মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। হালিশহরের সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সোমা। ২০০০ সালের WBPS অফিসার। ২০০৬ সালেই আইপিএস হন। চাকরি জীবনে বেশিরভাগ সময় তিনি সিআইডি’তেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। সিআইডিতে ডিএসপি পদে নারী পাচার বিরোধী বিভাগে কাজের জন্য সুনাম কুড়িয়েছিলেন। সম্প্রতি সন্দেশখালির ঘটনায় গঠিত দশ সদস্যের কমিটিতেও নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। পুলিশ মহলের মতে,বেশিরভাগ সময় সিআইডির মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কাজ করায় দুঁদে গোয়েন্দা হিসেবেই তাঁর পরিচয় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে তাঁর ‘পেপার ওয়ার্ক’ বিভিন্ন আদালতে সরকারের মুখ বাঁচিয়েছে বহুবার। তা সে রাজ্যের হাতে থাকা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি হোক কিংবা গরু পাচার ঘটনার তদন্ত। সোমাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকেই যেমন আশা করছেন দীর্ঘদিন খালি থাকা গোয়েন্দা প্রধান পদ এবার যোগ্য অফিসারের হাতে গিয়েছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
548 views
7 days ago
ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীকে ডেকে পাঠালো NIA ব্যাস শুরু বয়ে গেছে NIA ভার্সেস তৃণমূলের লড়াই। NIA এর এই নির্দেশ ভোটের আগে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না রাজ্য তৃণমূল। ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ৪৩ জন তৃণমূল নেতা কর্মীকে নোটিস পাঠালো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, যারা ভোট পরিচালনার কাজে নিযুক্ত, তাদের বেছে বেছে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, তদন্তের স্বার্থে এনআইএ যে কাউকে নোটিস পাঠাতেই পারে। বঙ্গ ভোটে এবারও ‘হাইভোল্টেজ’ কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। একদিকে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে একদা তাঁর ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। নন্দীগ্রামের ভোট প্রচারে কেউ কাউকে একটুকরো জমি ছাড়তে নারাজ। কিন্তু এনআইএ নোটিস ঘিরে ক্রমশ চড়ছে নন্দীগ্রামের রাজনীতি। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ, সামসুল ইসলাম-সহ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, অঞ্চল সভাপতিদের এনআইএ নোটিস ধরানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, বুথ স্তরের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন সেই নোটিস হাতে পেয়েছেন বলেও খবর। যেখানে ১৭ এপ্রিল কলকাতার এইআইএ র দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের মুখে এই নোটিস ঘিরেই শুরু হয়েছে তরজা। তৃণমূলের দাবি, নন্দীগ্রামের ভোট বানচাল করতে বিজেপি তৃণমূল কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে এনআইএ তদন্তের নামে নোটিশ পাঠাতে শুরু করেছে। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
581 views
8 days ago
*ভাঙ্গড়ে তৃণমূলের মিছিলে বোমাবাজি অভিযোগ আইএসএফের এবিরুদ্ধে তদন্ত পুলিশ।* দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙড়ের পোলেরহাট থানার সাতুলিয়া এলাকায়। অভিযোগ তৃণমূল নেতা খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাতুলিয়া এলাকায় একটি মিছিল হচ্ছিল। সেই সময় সাতুলিয়া মাদ্রাসা ও তেতুল তলার কাছে মিছিল লক্ষ্য করে মুহু মুহু বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনা কে কেন্দ্র করে একাধিক বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে পোলেরহাট থানার বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী এলাকায় এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পাশাপাশি দুটি বোমা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। যদিও আইএসএফের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে তারা নিজেরা বোমা মেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছে। এর সঙ্গে আইএসএফের কোনো যোগ নেই। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
577 views
8 days ago
দুর্গাপুজো দেখার আমেজে ভোট দেবেন, কোনো অশান্তি হবে না - মনোজকুমার আগরওয়াল। জেলায় জেলায় পর্যবেক্ষণ করে চলেছে মনোজকুমার আগরওয়াল। তিনি সর্বতই আশা দিয়েছেন উৎসবের মেজাজে ভোট হবে। কোনো গন্ডগোল হবে না। শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে ভোট শুরুর আগে বাংলার নানা জেলায় ঘুরে ঘুরে সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। শুক্রবার বীরভূমের দুবরাজপুরের যশপুর গ্রামে যান। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। নির্ভয়ে প্রত্যেক ভোটারকে ভোট দিতে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। এদিন প্রথমে জেলাশাসক ধবল জৈন, পুলিশ সুপার সূর্যপ্রসাদ যাদব-সহ একাধিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সারেন মনোজ কুমার। এরপর সিউড়ির সার্কিট হাউসে চলে যান। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর রামপুরহাটেও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার সময় ভোটকে বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজোর সঙ্গে তুলনা করেন। বলেন, “আপনারা যেমন ঘুরে ঘুরে দুর্গাপুজো দেখেন, তেমনই নির্ভয়ে বুথে গিয়ে ভোট দেবেন।” তাঁর আশ্বাস, “কোথাও কোনও সমস্যা হলে প্রশাসন আছে। নির্বাচন কমিশন আছে। আমরা দেখে নেব।” বলে রাখা ভালো, বাংলার ভোটে (West Bengal Assembly Election) অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
568 views
8 days ago
"শেখ হাসিনা দিল্লিতে কি করছেন?" - প্রশ্ন অভিষেকের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে বললেন, এতদিন ধরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে কার স্বার্থে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। শুক্রবার বিকেলে বিজেপির সংকল্প যাত্রা নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে অভিষেক বাংলাদেশ প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর সরাসরি প্রশ্ন, “শেখ হাসিনা দিল্লিতে কী করছেন? কোন শিল্পপতিকে বাঁচাকে হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে? যখন বাংলাদেশে চিন্ময় প্রভুর উপর লাগাতার অত্যাচার হয়েছিল, তখন দিল্লি কোন ভূমিকা নিয়েছে?” মোদী-শাহর একের পর এক প্রচার বাংলায়। এরই মধ্যে শুক্রবার বিজেপি নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে বিজেপি। ১৫ টি সংকল্পের কথা বলা হয়েছে তাতে। নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত বাংলার বর্তমানে পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন। আর তাতে শাহর মুখে উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। তারই পাল্টা তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে উঠে এল শেখ হাসিনা প্রসঙ্গ। বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্যে এক চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এই প্রথম নয়, অভিষেক এর আগেও দিল্লির নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “বাংলাদেশে কী হয়েছে আপনারা দেখেছেন। সেখানেও মানুষ যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল, তখন তাঁরা রাস্তায় নেমেছিলেন। এখানেও তাই হতে পারে।” #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
554 views
8 days ago
রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে আগেই অনেক অভিভোগ আছে। এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে একাধিক নতুন অভিযোগ। হুমকি-ছিনতাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের হতেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন পবিত্র কর। শুক্রবার এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী। পাশাপাশি, রক্ষাকবচ চেয়ে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অজয়কুমার মুখোপাধ্যায়। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, গত ৭ এপ্রিল নন্দীগ্রামের কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা বুদ্ধদেব গিরি নামে এক ব্যক্তি পবিত্রর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই এফআইআর দায়ের হয়েছে পবিত্র-সহ মোট চার জনের বিরুদ্ধে। বুদ্ধদেবের অভিযোগ, গত ৬ এপ্রিল নিজের বাড়ির কাছেই বসেছিলেন তিনি। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে দলবল নিয়ে যাওয়ার সময় বুদ্ধদেবকে জয় বাংলা স্লোগান দিতে বলেন পবিত্র। বুদ্ধদেব স্লোগান দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এ-ও অভিযোগ, বুদ্ধদেবের কাছ থেকে ৩৭০০ টাকা ছিনতাই করা হয়। ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় পবিত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। বলে রাখা ভালো, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের হটস্পট নন্দীগ্রাম। এবার সেখানে ভূমিপুত্র পবিত্র কর বনাম ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর যতটা রাজনৈতিক জমি, পবিত্র করের তার তুলনায় খুব একটা কম নয়। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
604 views
10 days ago
মাত্র ১৫ লক্ষের কিছু বেশি সম্পত্তির মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের বাজারে সামনে চলে আসে নির্বাচনের প্রার্থীদের সারা বছরের হিসাব। সারা দেশে দরিদ্রতম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার জমা দিয়েছেন নমিনেশন। তার সঙ্গে জমা দিয়েছেন তাঁর সারা বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব। হলফনামা জমা দেওয়ার সময় তাঁর হাতে নগদ অর্থ ছিল ৭৫ হাজার ৭০০ টাকা। ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে মমতার। ওই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করার টাকা রয়েছে ওই ব্যাঙ্কেরই আরও একটি অ্যাকাউন্টে। ওই অ্যাকাউন্টে মাত্র ৪০ হাজার টাকা রয়েছে। সবমিলিয়ে ব্যাঙ্কে রয়েছে ১২ লক্ষ ৭৬ হাজার ২০৯ টাকা ৭১ পয়সা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৪০ হাজার ৬০০ টাকা টিডিএস হিসাবে ফেরত পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গয়নাগাটি রয়েছে কিছু। হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলার ‘দিদি’র কাছে ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম সোনা রয়েছে। যার বাজারদর ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫০৯ টাকা ৭১ পয়সা। নেই গাড়ি। কোনও অস্থাবর সম্পত্তিও নেই তাঁর। মমতার নামে নেই কোনও কৃষিজ কিংবা অকৃষিজ জমি। বসতবাড়িও নেই তাঁর নামে। কোনও লোনও নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হলফনামায় স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৭৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করে। পরীক্ষা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে। যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে ব্যাচেলার অফ ল পাশ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। #political #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta