अंतरराष्ट्रीय

PRATHAM ALOR BARTA
541 views
16 hours ago
ভেস্তে গেলো পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ইরান ও আমেরিকার শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায়, আর তখনই অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন এই শান্তি আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। যে পাকিস্তান জঙ্গিদের ঘাঁটি তারা নেতৃত্ব দেবে শান্তির - এটা বাস্তব নয়। বাস্তবে তাই হলো। তাকিয়ে ছিল গোটা বিশ্ব। কিন্তু যা খবর মিলছে তাতে দেখা যাচ্ছে ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক কার্যত নিষ্ফলা। ব্যর্থ ইরান-আমেরিতা শান্তি বৈঠক। তাতেই আরও জটিল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি। হরমুজ নিয়েও বের হল না কোনও রফাসূত্র। ইরানকে এক তরফা দোষারোপ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের। শর্ত মানতে রাজি নয় ইরান, দাবি জেডি ভান্সের। তিনি বলছেন, কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়ে রাজি নয় ইরান। পাল্টা ইরান বলছে, আমেরিকার অনায্য দাবি মানার প্রশ্নই নেই। হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকার দাদাগিরি তারা কোনওভাবেই মানবে না। তাঁদের সাফ কথা, হরমুজের পুরো নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে। প্রসঙ্গত, গত ৬ সপ্তাহ যুদ্ধের পর গত মঙ্গলবার ইরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা বৈঠক শুরু হয়। তাতেই আশার আলো দেখতে শুরু করেছিল গোটা বিশ্ব। শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছিল বড়সড় লাভ। ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সেনসেক্স, নিফটি। কিন্তু ২১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক চললেও তা সম্পূর্ণ নিষ্ফলা। কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। সূত্রের খবর, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট সহ যে তিনজন প্রতিনিধি ছিল আমেরিকার তরফে তাঁদের শর্ত কোনওভাবেই মানতে নারাজ ইরান। অন্যদিকে ইরানের দাবি মানতেও অপারগ আমেরিকা। তাতেই জট যেন আরও পাকিয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালীকে নিজেদের হাতে রাখা, ইরানের স্কুলে হামলার দায় স্বীকার করার মতো একাধিক দাবি আমেরিকার কাছে রাখে ইরান। পাল্টা হরমুজ থেকে ইরানের নিয়ন্ত্রণ সরানোর মতো একাধিক দাবি রাখে আমেরিকা। কিন্তু কেউই কারও অবস্থান থেকে সরে আসতে নারাজ। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
539 views
2 days ago
এবার বাধ্য হয়ে লেবাননের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসছে ইজরাইল যেভাবেই হোক হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে। আমেরিকার সঙ্গে শান্তি চুক্তির পরে তা খুলেও দিয়েছিলো ইরান। কিন্তু একই দিনে ইজরাইল আবার আক্রমন করে বসে লেবাননকে। আর সঙ্গে সঙ্গে ইরান আবার বন্ধ করে দেয় হরমুজ। এই অবস্থায় হরমুজ খোলাই বিশ্বের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় সময় বুধবার ভোর থেকে দু’ সপ্তাহ পর্যন্ত সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে ইরান এবং আমেরিকা। প্রথমে মধ্য়স্থতাকারী পাকিস্তানের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এই সংঘর্ষবিরতির আওতায় পড়বে লেবাননও। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে দেয় তেল আভিভ। ইরানে হামলা বন্ধ থাকলেও লেবাননে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি ফৌজ। বৃহস্পতিবার লেবানন জানিয়েছে, ইজরায়েলের একদিনের হামলায় ২৫৪ জন নিহত। আহতের সংখ্যা ১,১৬৫। মৃতদের শ্রদ্ধা জানাতে লেবানন একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। 'বন্ধু’ লেবাননে এই হামলা নিয়ে অসন্তুষ্ট ইরান। সেদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশ নীতি বিষয়ক কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ‘লেবাননের বিরুদ্ধে বর্বর আগ্রাসনের জবাবে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল এখনই বন্ধ করে দিতে হবে। যুদ্ধবিরতি যদি হয়, তবে তা হতে হবে সর্বত্র। নতুবা কোনও এলাকাতেই তা কার্যকর হবে না।’ এই মন্তব্যের পরেই নড়েচড়ে বসেছে ইজরায়েল। শান্তি ফেরানো নিয়ে আলোচনায় বসার বার্তা দিয়েছেন নেতানিয়াহু। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
💕S.Srivastav...😉😉
656 views
4 days ago
#अंतराष्ट्रीय # अंतर्राष्ट्रीय यूनिकॉर्न दिवस
PRATHAM ALOR BARTA
518 views
4 days ago
আন্তর্জাতিক মঙ্গলবার আমেরিকা ব্যাপক হামলা চালালো ইরানের বিভিন্ন জায়গায় সোমবার সময়সীমা বেধে দিয়েছিলো হরমুজ প্রণালী মুক্ত করার জন্য। কিন্তু ইরান তা কানেও তোলে নি। আর তারই ফলে মঙ্গলবার আমেরিকা ব্যাপক হামলা চলালো ইরানের বিভিন্ন জায়গা। মঙ্গলবার খার্গ দ্বীপে হামলা হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি ব্রিজ ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকার বায়ুসেনা। এর ফলে সংঘর্ষবিরতি বিশ বাঁও জলে। উল্লেখ্য, ইরানের হরমুজ উন্মুক্ত করার উপরেই নির্ভর করছিল যুদ্ধবিরতি। এই বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি গররাজি হলে খার্গ দ্বীপ, ইরনের সেতুগুলি, এমনকী বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। যদিও ‘বিশ্বের তেলের ধমনী’ উন্মুক্ত করার বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখায়নি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশ। উলটে ওয়াশিংটনকে খোঁচা দিয়ে জানিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের মতো বন্ধু দেশগুলি ছাড়া বাকিদের জন্য নিরাপদ হরমুজ। এই অবস্থায় খার্গ দ্বীপ এবং ইরানে মার্কিন সেনার হামলায় যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হল বলা বাহুল্য। অন্যদিকে ট্রাম্প একধিকবার খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়ে দখল করার হুমকি দিয়েছেন। এর মধ্যেই ৩০ মার্চ ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, “আমরা ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলের খনি, জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং খার্গ দ্বীপে হামলা চালাব। দ্বীপটিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে যুদ্ধে ইতি টানব।” যোগ করেন, মার্কিন শর্তে রাজি না হলে ইরানকে বড় মূল্য দিতে হবে। সেই মতো শুরু হল ভয়ংকর হামলা। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
590 views
4 days ago
উত্তর কোরিয়া কি এবার ট্রাম্পের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠলো? ইরান যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্পের রক্তচাপ আরও বাড়ালেন উত্তর কোরিয়ার খ্যাপাটে যুদ্ধবাজ নেতা কিম জং উন। এবার আরও শক্তিশালী সলিড ফুয়েল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল পিয়ংইয়ং। এখন কোরিয়ান মিসাইল সরাসরি আমেরিকার মাটিতে আঘাত করতে পারবে, দাবি কিমের। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যে নিজেদের মিসাইল ভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করার পথে এগোল উত্তর কোরিয়া। নতুন ও আরও শক্তিশালী হাই-থ্রাস্ট সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা করল পিয়ংইয়ং। ফলে উত্তর কোরিয়ার দূরপাল্লার ইন্টার-কন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল বা আইসিবিএম-এর হামলা করার ক্ষমতা এখন আরও বাড়ল। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এই নয়া মিসাইল ইঞ্জিনের পরীক্ষা দেখলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। প্রশংসা করলেন এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী-সেনাকর্তাদের। সর্বাধিনায়ক কিমের, এখন থেকে পিয়ংইয়ংয়ের আইসিবিএম ‘নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড’ নিয়ে আমেরিকাতে সরাসরি হামলা করতে পারবে। ইরান যুদ্ধে ব্যস্ত আমেরিকা এখন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ডিফেন্স সিস্টেম সরাচ্ছে। আর ঠিক তখনই চিরশত্রু উত্তর কোরিয়ার নয়া মিসাইল পরীক্ষা সিওল-কে জোরাল চাপের মুখে ফেলল। সম্প্রতি, উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিয়েছে। নয়া মিসাইলের পরীক্ষা সেই প্রকল্পেরই অংশ। নয়া মিসাইলের ইঞ্জিনে কম্পোজিট কার্বন ফাইবারের মেটিরিয়াল ব্যবহার করা হয়েছে। যাতে মিসাইল আরও দূরপাল্লায় নিখুঁত হামলা চালাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, লিকুইড ফুয়েলের চেয়ে সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের মিসাইল অতি দ্রুত উৎক্ষেপণ করা যায়। নয়া ইঞ্জিন ২৫০০ কিলো-নিউটন থ্রাস্ট উৎপাদন করতে পারে বলে কিম জানিয়েছেন। তাঁর ঘোষণা, দেশের মিলিটারির ক্ষমতাকে আরও বাড়াতে নিরন্তর গবেষণা চলবে। ভবিষ্যতে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিক করে তোলা হবে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
604 views
7 days ago
সময় আর ৪৮ ঘন্টা। হরমুজ প্রণালী না খুললে চরম ব্যবস্থা নেবে আমেরিকা হরমুজ প্রণালীকে তৈল জগতের ধমনী বলা হয়। এই প্রণালী প্রায় ৩৫ দিন ধরে বন্ধ রেখেছে ইরান। তারফলে গভীর সংকটে বিশ্বের বহু দেশ। এরইমধ্যে ইরানকে আরও স্পষ্ট করে হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের প্রতি কঠোর অবস্থান নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, হরমুজ প্রণালী খোলা না হলে ভয়াবহ হামলা করা হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রু-থে আক্রমণাত্মকভাবে লিখেছেন, "সময় ফুরিয়ে আসছে। ইরানকে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে এবং হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে আগেই সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি আছে। এই সময়সীমা অতিক্রম করা হলে, আমেরিকা ইরানের উপর এক ভয়াবহ আঘাত হানবে।" আশ্চর্যজনকভাবে, কিছুদিন আগেও ট্রাম্পের এই অবস্থান তুলনামূলকভাবে নরম বলেই মনে হচ্ছিল। দিন কয়েক আগে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সংঘাত মীমাংসার জন্য সময়সীমা ১০ দিন বাড়িয়ে ৬ই এপ্রিল পর্যন্ত করেছিলেন ট্রাম্প। যা দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন, কিছুটা নমনীয় মেজাজ দেখাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এখন তার সুর পাল্টে গেছে। তিনি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছেন, ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে এবং এর পর ব্যাপক হামলা চালানো হবে। হরমুজ প্রণালীকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ এই রাস্তা দিয়েই সারা বিশ্বে মোট তেল আমদানি-রফতানির ২০ শতাংশ পরিবহণ করা হয়। ফলে হরমুজ বন্ধ থাকলে তার প্রভাব পড়ে, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও। ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যাতে সমস্যায় পড়তে না হয়, সেই কারণে এই প্রণালী খুলে দেওয়া ট্রাম্পের জন্যও জরুরি। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
588 views
8 days ago
ইরানের পাল্টা মারে কিছুটা দিশেহারা আমেরিকা ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করার জন্য ট্রাম্প ইতিমধ্যে একদম প্ৰশিক্ষণ প্রাপ্ত ৩,৫০০ পদাতিক বাহিনী পাঠিয়েছে। সেই নিয়ে আগেই হুমকি দিয়েছে ইরান। এবার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে ইরান। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে বিরাট মোড়। মার্কিন বিমান নামাল ইরান। শুক্রবার ইরানের রেভেলিউশনারি গার্ড আকাশে চক্কর দেওয়া মার্কিন এফ-১৫ই কে গুলি করে নামায়। তবে আমেরিকা জানিয়েছে, বিমানের দুই ক্রু মেম্বারই বিমান আছড়ে পড়ার আগে নিজেদের সিট থেকে ছিটকে বা ইজেক্ট করে গিয়েছেন। একজন পাইলটের খোঁজ মিললেও, অপর ক্রু সদস্য কোথায় রয়েছেন, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কেউ বলছেন, ইরানের হাতে বন্দি হয়েছেন, কেউ আবার বলছেন যে এখনও তল্লাশি চলছে। উদ্ধারকারী একটি যুদ্ধবিমানও ধ্বংস করেছে ইরান। এমনটাই সূত্রের খবর। নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুদ্ধবিমানে একজন পাইলট ছিলেন এবং পিছনে বসা ছিলেন ওয়েপন সিস্টেম অফিসার। ইরানের আকাশে ঢুকে হামলা করার আগেই রেভেনিউশনারি গার্ড ওই বিমান নামানো হয়। ইরানের প্রতিরক্ষা সিস্টেমই নাকি বিমানকে ধ্বংস করেছে। বিমানের পাইলট দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের আকাশ থেকে নেমেছেন বলেই খবর। এদিকে, বিমান ধ্বংস হওয়ার খবর পেতেই তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে ইরান। বিমানের দুই সদস্যের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করতে পেরেছে মার্কিন স্পেশাল ফোর্স। আরেকজনের খোঁজ চলছে। এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছিল ইরানে। সেটাও হামলার শিকার হয়েছে বলে খবর। যুদ্ধবিমানের পাইলট বিপদ বুঝে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুই দেশের মধ্যে যখন টানটান উত্তেজনা চলছে, সেই সময় ইজরায়েলও জানিয়েছে যে তারা আপাতত ইরানের উপরে হামলা পরিকল্পনা বাতিল করেছে। মার্কিন সেনার যাতে তল্লাশি অভিযানে সমস্য়া না হয়, তার জন্য হামলা বন্ধ রাখা হবে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta
PRATHAM ALOR BARTA
593 views
10 days ago
আন্তর্জাতিক হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার জন্য এবার থেকে বিস্তত 'টোল ট্যাক্স' বসাতে চলেছে ইরান প্রথমিকভাবে মনে হয়েছে যে কিছু বন্ধু দেশের জন্য এই টোল ট্যাক্স লাগবে না। কিন্তু এখন ব্যাপারটা পরিষ্কার হচ্ছে যে সকলের জন্যই লাগবে। ইতিমধ্যে হরমুজ সংলগ্ন অঞ্চলে ভারতের পতাকাবাহী ১৮টি জাহাজ আটকে রয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশের তকমা দিয়ে হরমুজ পার হওয়ার অনুমোদন দিয়েছে তেহরান। কিন্তু তার পরেও তা সম্ভব হচ্ছে না সহজে। আরও দশটি জাহাজ পারস্য সাগরে আটকে রয়েছে। ফলে বড় প্রভাব পড়ছে ভারতের বাজারে। ইতিমধ্যে অপরিশোধিত তেল বহন করে ভারতে পৌঁছেছে মাত্র চারটি জাহাজ, যা দেশের চাহিদার তুলনায় খুবই কম। ভারতের জাহাজগুলি-সহ প্রায় পাঁচশো জাহাজ ওই অঞ্চলে আটকে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলার উপর টোল বসানোর পরিকল্পনা করে রেখেছিল। এবার তা বাস্তবায়িত হল।  হরমুজে জাহাজ যাতায়াতের জন্য চড়া হারে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিল ইরান। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এটি। ইরান-ইজরায়েল সংকটের মধ্যে এই অংশটি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আর ঠিক এহেন পরিস্থিতিতেই তেহরানের সিদ্ধান্ত, ওই জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির উপর বেশি হারে টোল আরোপ করা হতে পারে। ওমানের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ইরান এই ব্যবস্থা কার্যকর করবে। পাশাপাশি আমেরিকা ও ইজরায়েলের জাহাজগুলিকে এই প্রণালী ব্যবহার করতে দেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিল ইরান। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানির বাজারে নতুন করে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি ইতিমধ্যেই এই পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শুধু টোল নয়, এর সঙ্গে জাহাজ চলাচলের নতুন প্রোটোকল, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো বিভিন্ন বিষয়ও জড়িয়ে রয়েছে। একইসঙ্গে যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে একতরফা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাদের জাহাজগুলি নিয়েও কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা চিন্তা চলছে বলে জানা গিয়েছে। #international #প্রথমআলোরবার্তা #prathamalorbarta